শিক্ষকদের এমপিও
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
খ তফসিল এর জমি সাইনবোর্ড দিয়ে সরকারী খাসে নেওয়া হবে এই মরমে ১/১ এর দাগ দিয়ে হয়রানি করছে অম্যত সাথে আছে নাজির প্রসেস সারভেয়ার —। এরা মিলে ৫০০০০ টালা বিঘা প্রতি দিলে ১/১ এর জমি সরাসরি যে টাকা দেবে তার নামে রেকর্ড দেবে।৮/১০ হাজার নাম জারি। নোটিশ জারি ফি ৩/৫ হাজার। নকল উত্তোলন ২ হাজার৷
আমার ট্যাক্স ফাইল চট্টগ্রাম সিটিতে। কর অঞ্চল ২ ও সার্কেল ৩২। আমি বেশ কয়েক বছর আগে আমার ট্যাক্স ফাইল চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনার চেষ্টা করেছিলাম। এটার জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা আমাকে কাজটি করে দিবেন বলে ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। আমি তাতে রাজি হইনি।
লাইসেন্স শাখা , বিল অব এন্ট্রি এসেসমেন্ট টিম সকল, ও ডেলিভারি গেইট এসটি /সিএফও / সিপাই সহ প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হচ্ছে এতে রাষ্ট্রের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।। তদন্ত করা হলে সব উদঘাটন হবে প্রমান সহ।।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর (https://doga.gov.bd/)- এই অফিসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসন/কোয়াটার বরাদ্দ প্রদান করা হয়। লোক দেখানো লটারির আয়োজন করা হয় বাসা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য। কিন্তু সরকারি সকল বিধি মেনে আবেদন করার পরেও এবং বাসা খালি থাকার পরেও প্রধিকারভুক্ত বাসা বরাদ্দ পাওয়া যায় না। শুধুমাত্র যারা অনৈতিকভাবে টাকা দিবে তারাই পাবে সরকারি বাসা। সরকারি চাকরিজীবী হয়েও সরকারি চাকরিজীবী ঘুষখোরদের হাতে জিম্মি আমি এবং আমরা।
আমার বাবা ১৯৮৩ সালে জমি ক্রয় করেছেন, রেকডিয় মালিকের কাছ থেকে,এবং বায়া দলিলও আছে, এই জমি আমরা ৪৩ বছর যাবত ফসল করে আসছি, অর্থাৎ আমাদের দখলেই জমি, বাবা কৃষক মানুষ হওয়া তিন আর খারিচ করে নাই। ফলে ২০২১ সালে এই জমি আবার আগে মালিকের মেয়ে খারিচ করে নিয়ে চলে গেছে। পার্বতী আমরা খুজ পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে যাই, ওখান থেকে এসিলেন্ড অফিসে একটা মিস কেইস করতে বলে। তাই করি, কিন্তু, এই মামলা এ্যাসিলেন্ড বাতিল করে দেই, কোনো তদন্ত ছাড়াই। পরবর্তী ভূমি অফিসের নায়েব আমাদের কে বলে ৮০ হাজার টাকা দিলে সে এবং এ্যাসিলেন্ড মিয়ে এইটা করে দিবে, আমার বাবা এত টাকা দিতে অপারকথা শিকার করে তারপর ৬০ হাজার টাকা দিলে করে দিবে। এর নিচে হলে পারবেনা। এবং এই জমিও আমরা পাবনা বলে ভয় দেখাই।
আমার নামে ১ নং খতিয়ানের ভূমি বন্দোবস্ত দেয় সরকারের পক্ষে সহকারী কমিশনার ভূমি করিমগঞ্জ কিন্তু আমি উক্ত ভূমি নামজারীর আবেদন করলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব প্রেরন করা হয়। পরবর্তীতে কানুনগো প্রতিবেদন দেওয়ার পর সহকারী কমিশনার ভূমি শুনানির নোটিশ না দিয়ে শুনানিতে অনুপস্থিত লিখে আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। সরাসরি উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে এলআর জমা দেওয়া হয়নি তাই বাতিল/ নামঞ্জুর করা হয়েছে বলে জানান। সেই সাথে ৫০০০০/- টাকা জমা দিয়ে আবেদনটি রিভিউ করতে বলেন। আমি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি
সরকারি চাকরিতে যোগদানের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার দাদা একটি জমি কিনে প্রায় ৩০ বছর আগে, পাশের জমিটি আরেকজন কিনে। পরে দেখা যায় জমিটির উভয় পক্ষের দখল ও চৌহদ্দী ঠিক থাকলেও দলিলে দাগ নম্বর ভুল। পাশের জমির মালিক দাগ নম্বর ঠিক না করে জাল দলিল বানিয়ে আমাদের জমিটি খারিজ করে। সহকারী কমিশনার এর নিকট সকল দাতা এবং জাল দলিলের সকল প্রমান করার পরেও তিনি ঐ খারিজটি বাতিল করে নাই বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি তিনি ঐ পক্ষের থেকে টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে অন্য মাধ্যমে আমার নিকট খারিজ বাতিলের জন্য টাকা দাবী করা হয়েছে আমি তা প্রত্যাখান করেছি এবং প্রয়োজনে মামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
Factory visit of Labour Inspector
আমার বাবার জমি আমাকে বাবা দান করবেন, বাবা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না, কথা বলার সময় আওয়াজ কম হয়, তাই ৫০০০০ টাকা চাইছেন,
সরকারি হাসপাতালে রুগীকে ঔষুধ দেয় না যদিও ঔষুধ দেয় প্যারাসিটাম ৬টা এন্টাসিড ৪ অথবা ৬টা। সরকার কোটি কোটি টাকার ঔষুধ দেয় এগুলো কোথায় যায়,, লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লোহাগাড়া চট্টগ্রাম
আউডি কারডের জন্য আবেদন করতে গেলে এমত প্রস্রাব দিয়ে বসে
আমার ক্রয়কৃত ২৩ শতাংশ জমি আমি নিজে খারিজের জন্য আবেদন করি। শুনানীর দিন আমি সকল কাগজপত্র নিয়ে যাই, নায়েব সাব সবকিছু দেখে আবেদন পত্রের উপরে পেন্সিল দিয়ে মিল আছে লিখে নিলো। আমি বললাম সব কিছু ঠিক আছে ? উনি বললেন আপাতত ঠিক আছে । আমি বাড়িতে চলে আসি এবং বিকালে এসএমএস আসলো না মন্জুর । না মন্জুরের কারন হিসেবে দেখি লেখা জমির শ্রেণি ভুল ।অথচ জমির শ্রেনী দলিলে এবং রেকর্ডে একই। পরবর্তীতে আবার আবেদন করি , আবারো না মন্জুর করে অনলাইনে দলিল নকশা দেওয়া হয়নি বলে। অথচ আপলোড করা হয়েছে । ৩য়বার আবার আবেদন করি এবং শুনানীর দিন আমি ব্যস্ত থাকায় বড় ভাইকে পাঠাই । এদিন ভাইয়ের কাছে বলছে আপনার ছোট ভাই বেশি বুঝে । অভাবে গুড়লে খারিজ হবে? কিছু তো করতে হবে। খরচপাতি কিছু দিয়ে যান আমরা কাগজ ঠিক করে দিবো।পরে ভাই চলে আসছে
ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম। তখন ঘুষ চেয়েছিল। দেইনি। কাজটা এখণো হয়নি।
বিদ্যুৎতের খুটি স্থাপনের আবেদন করলে বিদ্যুৎ অফিস অনৈতিক ভাবে দালালের মাধ্যমে ২ টি খুটি স্থাপনের জন্য ২৫ হাজার টাকা দিতে বলে।যা দিতে আমি অপারগতা জানালে তারা খুটি গুলো আর দেয় নাই,যার দরুন আমাকে প্রায় ২০০ মিটার দূর থেকে বিদ্যুৎতের লাইন আনতে হয় যা খবই ঝুঁকিপূর্ণ।
[redacted] called from this number, and demand from me 25 lac taka, othwise my company name: XYZ limited will be audited and cased for 1 crore taka case. This number name —, PS of Tax ad commissioner. — Tax zone 25, tax circle 487. This Man, — was the Most corrupted tax cader of Awamealeage time, now he is the don of NBR. He should be punished otherwise we will punish him.
আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ছয়বার এই অফিস গিয়েছি । এই কাজটি সম্পন্ন করতে আমার পুরো এক ( জুলাই ২০২৬) মাস সময় লেগেছে। প্রথম দিন- কাগজ জমা রেখে দিয়েছে। দ্বিতীয় দিন- কাগজ খুঁজে পায়নি। আমাকে এক ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছে। তৃতীয় দিন - আমাকে দুই ঘন্টা বসিয়ে রেখে কাগজ বের করে বলতেছে আমাকে টাকা দিয়ে জান আমি করে রাখছি। আমি তখন বলছি আপনি কাগজ প্রিন্ট করে রাখুন আমি আগামীকাল এসে কাগজ নিয়ে যাব। চতুর্থ দিন - আমি যে আমার লাইসেন্সের কপি নিয়ে চলে আসি। পঞ্চম দিন - তিন ঘন্টা লম্বাল টাইম লাইনের টাকা জমা দিয়ে মেইন কপি আনতে যাই তখন উনি আবার টাকা চাইবে। এখন আমি মুখের উপর বলেছি এতগুলো টাকা দেওয়ার পরও আবার কিসের টাকা । পঞ্চম দিন:- চুপচাপ কাগজ নিয়ে চলে এসেছি।
উপজেলা থেকে শুরু হয়, এমপিও স্কুলের শিক্ষকদের বিএড স্কেল করাতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমরাও ফাইল পাঠিয়েছি। বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল ছেড়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসে টাকা নেয়নি পরবর্তীতে বরিশাল ডিডিতে — নামে একজন প্রোগ্রামার আছে তিনি ৫০০০ টাকা দাবি করেছেন। একজন টাকা গিয়ে দিয়েছে আমি যাইনি। ওনার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল পদক্ষেপ আশা করছি।
নির্বাচন কমিশন। এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য সরকারি ফি জমা দিয়েও গত ১০ মাস থেকে ধরনা দিয়েও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি সরকারিভাবে না করে ব্যাক্তিগত ভাবে কাজ করে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে।