নামজারি
অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল।
আমি একজন নতুন প্রবাসী। আমার ভিসা এবং অন্যান্য সকল কাগজপত্র ঠিক আছে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর আমি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। কিছুটা টাকার সমস্যা থাকায় আমি ফেনীর প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ঋণের (লোন) জন্য গিয়েছিলাম। ব্যাংক থেকে জানানো হয়—ঋণ পেতে হলে একজন ব্যবসায়ী জামিনদার ও তাঁর ট্রেড লাইসেন্সের মূল কপি দিতে হবে, এবং একজন সরকারি চাকরিজীবী জামিনদারের স্বাক্ষর করা ৩টি ফাঁকা (ব্ল্যাঙ্ক) চেকসহ তাঁর অফিসিয়াল আইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে। আমি তখন বলি—'আমার তো এত কিছু নেই; তবে আমার পরিবারের জামিনদারের চেক এবং জমির দলিল দেওয়া যাবে।' কিন্তু তারা জানায়, এতে হবে না। এভাবে ৩ দিন ঘুরানোর পর, একদিন ব্যাংকের এক কর্মী আমাকে বলেন—'২০,০০০ টাকা ঘুষ দিলে ৪ লাখ টাকা লোন করিয়ে দেব, আর কোনো কাগজপত্র বা জামিনদারও---
নামজারি করতে গেলে, কোন কিছু না শুনেই আগে বলে ৫০ হাজার টাকা দিলে সব ১ মাসেই করে দিবো। না দিলে কথা বলা দরকার নাই। উনি এসিল্যান্ডের কথা বলে টাকা নেয়। সম্ভবত এসিল্যান্ডও এর ভাগ পায়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসার এসব কাজ করে আসছে দিনের পর দিন। দেখার কেউ নাই
ফিংগার ও চোখের স্ক্যানের জন্য জন প্রতি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা নিয়েছে। যখন ছোট্ট কক্ষে ফিংগার নেওয়া হয় তখন ওখানের একজন থাকে যে টাকা চেয়ে নেয়।
শিবগঞ্জ থানার বিহার ভুমি অফিসে প্রতি নামজারিতে ২০০০০ টাকা থেকে ঘুষ দাবি শুরু।না দিলে কাজ হয় না।
খুব ভালো একটা প্রচেষ্টা। আরও কিছু যুগ করছি। কোথায় ঘুষের পরিমাণ কত, রেট কত এই রকম information থাকলে ভালো হতো।
নাম জারি করতে ২০০০০ টাকা দাবি করে।
রিটার্ন এর সাটিফাইড কপি চাইবার পর কপি সরবরাহ করতে ট্যাক্স অফিস এর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা (Zone 14 Circle 302) ৭০০০ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন।
আমার সকল বৈধ কাগজ পত্র থাকা সত্তেও চর ফ্যাশন ভূমি অফিস থেকে আমাকে নামজারি করাতে পারিনি। সংশ্লিষ্ট অফিসে কাগজপত্র সহ দেখা করতে গেলে টেবিল খরচের টাকা বলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে। বিশেষ করে এসিল্যান্ডের ড্রাইভার — নামের ব্যাক্তির নিকট পুরো ভূমি অফিস জিম্মি।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসাবে এসিল্যান্ড পরিষদের সনদ জালিয়াতি করেছে। পরে সমাধানের নামে ভিকটিম থেতে ২ থেকে ৩লক্ষটাকা দাবী করেছে। এসিল্যান্ড আল আমিন
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সময় ডেলিভারির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন এবং প্রথমে সেটিকে ফি হিসেবে উল্লেখ করেন। আমি টাকা দেওয়ার পর রসিদ চাইলে তিনি জানান, এ টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হবে না এবং এটি তাদের “মিষ্টি খাওয়ার টাকা” ও “তেলের খরচ” হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি আপত্তি জানাই এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ শুরু করলে তিনি আমার কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেন। উক্ত ঘটনার ভিডিও প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে এবং তদন্তের প্রয়োজনে তা প্রদান করতে পারি। আমার জানা মতে, শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, কালীগঞ্জ উপজেলার আরও অনেক ব্যক্তির কাছ থেকেও ড্রাইভিং লাইসেন্স পৌঁছে দেওয়ার সময় এভাবে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুর
রাজধানীর প্রতিটি ব্যত্যয়কৃত নির্মাণাধীন বিল্ডিং হতে রাজউকের ইমারত পরিদর্শকরা ক্ষেত্রবিশেষে ৫-৫০ লক্ষ টাকা ঘষ আদায় করে থাকেন মোবাইল কোর্ট বা উচ্ছেদের হাত থেকে উক্ত বিল্ডিংকে বাঁচানোর কথা বলে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এই পরিমাণ অর্থ যদি সরকার বৈধ জরিমানা হিসেবে আদায় করত তবে তাতে কমপক্ষে ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো।
সরকারী কর কমিশনার, — , সার্কেল ৫,বৈমানিক, আমার ট্যাক্স উকিলের মাধ্যমে ২লাখ টাকা চায়। আমি বলেছিলাম যা টাকা জরিমানা দেয়,ওটা আমি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিবো।এতে করে কর অফিসের এই লোক,তার ইন্সপেক্টর, এবং তাদের আরো দুই জন উধ্বোতন কতৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে ভয়ঙ্কর ভাবে ফাঁসিয়ে দেয়।পরে সবাই মিলে আমার কাছ থেকে নয় লাখ টাকা নিয়ে ঐ মামলা খারিজ করে। আমি আক্ষরিক অর্থেই কনদপ শূন্য হয়ে যাই।এটা ১৪/৫/২০২৪ এর ঘটনা।
আমাদের খতিয়ানের জায়গা, আমার দাদি মসজিদের নামে জায়গা দান করে মৃত্যু বরণ করেন।কিন্তু আমার ফুফুত ভাই এরা মসজিদে দান কবলা গোপন রেখে জায়গা বিক্রি করে।যারা জায়গা নিয়ে তারা এই জায়গা নামজারি খতিয়ান করে নেন।এই নামজারির বিরোধে আমি মিস মামলা করি।এসি ল্যান্ড এক তরফা শুনানি করেন।কিন্তু অফিস আদেশ করার জন্য নাজির কমপক্ষে ১৫-২০ হাজার টাকা খোজতেছে।টাকা না দেওয়া কারণে এখনও অফিস আদেশ করে নি। এই অফিসে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।
জায়গা দখল তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার চট্টগ্রাম আদালত থেকে পটিয়া ভূমি অফিসে আদেশ করেন। পটিয়া ভূমি অফিস তা বুধপুরা ভূৃৃমি অফিসে রেপার করে।ভূমি অফিসের এক জন কমকর্তা আমার কাছে রিপোর্ট দিয়ার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করে।দাবি না মানাই আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। ২ বছর পার হলে ও তদন্ত রিপোর্ট এখন ও দে নাই
আমরা রাজস্ব সরকারি সার্কুলারে নিয়োগপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা, আমাদের না দিয়ে আউটসোর্সিং, দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী, কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের ঘুষের বিনিময়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়।ওদের লোক আছে, টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, এভাবেই ওদেরকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আমরা রাজস্ব নিয়োগের প্রাপ্য এরপরও পাচ্ছি না, আমাদের বলা হচ্ছে বাসা খালি নেই, গণপূর্ত অধিদপ্তর ঢাকা
আমি গত ১০/৮/২০২৬ তারিখে দুপুর ১২ টার সময় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে গেলে টিকেট কাউন্টারে দেখা যায় আর টিকেট দিচ্ছ না , ২ টার পর্যন্ত টিকেট বিক্রিথ কথা থাকলে ও তারা বলে বলে দুপুর বার টার পর টিকেক দেওয়া হয় না , হাসপাতালের ভেতরে গিয়ে দেখার যায় অনেক রুগী দালালদের টাকা দিয়ে টিকেট নিচ্ছে, রুগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় বহির্বিভাগে বি, সি এস সরকার ডাক্তারদের পরিবর্তে ইন্টারনীদের দিয়ে রুগী দেখা হচ্ছে, সব ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না শুধু পেরাসিটামল ছাড়া সব ওষুধ বহির থেকে নিতে বলা হচ্ছে, কেন বিসি এস সরকারী মেডিকেল অফিসার নাই প্রশ্ন করে কর্মচারী বলের তাদের মাসে পরামর্শ নেওয়া জন্য পাশ্ববর্তী পোপোলার, মেডিনোভা, ইত্যাদি চেম্বারে যেতে হবে।
বর্তমান যে অফিসার আছেন তিনি ঘুসঘোর। বয়স্তভাতা,বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা সহ নানান কাজে টাকা চাচ্ছে। টাকা না দিলে তিনি কাজ করেন না
ওয়ারিশ সবার মধ্যে কয়েকজন দলিল দিয়েছিলো , আইন অনুযায়ী ২০০৮ সালে দিতে পারতো। আর সে দলিল খারিজ এর জন্য বর্তমানে ১০০০০০ চাইছে
বিল নিছি আমাকে এখন পর্যন্ত চাপ দিচ্ছে টাকা দেওয়ার জন্য না হলে ফাইনাল বিল দেবে না ডিসেম্বরে।