পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চা পানি খাবার এর দাবি করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চা পানি খাবার এর দাবি করা হয়।
টাংগাইল পাসপোর্ট অফিস মানে, ঘুষেদ আখরা। দালাল ছাড়া পাসপোর্ট বানাতে গেলে এই ভুল অই ভুল। সেম ডকুমেন্টস দালালকে ২০০০ টাকা দিলে সব সমাধান।। ঘুস বন্ধ হোক
সরকারি চাকুরীজীবীর অবসরের পরবর্তী এককালীন টাকা তুলতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছি। টাকা ছাড়া তারা কোনোভাবেই কাজ করবে না। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল পরে থাকবে। ওখানকার কম্পিউটার অপারেটর — অন্যতম এই সিন্ডিকেটের সদস্য। টাকা না দিলে কাগজপত্রের বিভিন্ন ভুল ধরবে।যেসব কাগজপত্র অপ্রয়োজনীয় সেগুলোও চাবে। টাকা দিলেই সব ঠান্ডা।
নারায়ণগঞ্জে দুটি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে সে স্কুলের ২৫ জনের মত শিক্ষকে ইনক্রিমেন্টের বকেয়া টাকার জন্য পে ফিকজেশন ও টাকার বিল করে দিবে, নারায়ণগঞ্জ এজি অফিস আর সে জন্যে জন প্রতি ৫% টাকা দাবি করছে। এ ক্ষেত্রে কারো টাকা কারো কারো টাকা পরে ১৫০০০/ কারো ১০০০০/ কারো ৫০০০/ এমন হিসাব আসে। এতে জন শিক্ষকের কত গুলো টাকা তাদের দিতে হচ্ছে। আর এটা না দিলে কাজ করে দিবে না। এ টাকা আর তুলতে পারবে না। সর্ব নিম্ন টাকার পরিমাণ আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা।
কাস্টমস কার্গো মাল বের করার সময় যার মাল তার থেকে অনেক টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে কিছুতেই মাল বের হতে দেয় না তারপর টাকা নিয়ে মাল বের হতে দেয়
আমি বগুড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশন সেবা গ্রহণের জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি ও খরচের অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার সম্মুখীন হই।
বাগেরহাট জেলার একটি ভূমি অফিসে আমার কাছ থেকে ২,০০০ টাকার খাজনা পরিশোধের জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করেন একজন তহশিলদার। আমি রশিদ চাইলে সে দিতে ব্য্র্থ হয় বিধায় আমি টাকা পরিশোধ করিনি। যে টাকার রশিদ দিয়েছি সেই টাকাটাই পরিশোধ করেছি।
প্রতি শতাংশ জমির বিডিএস জরিপ সাক্ষর করার জন্য 2000 টাকা করে নিচ্ছে, উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার রা।
Gas line was cut off due to connection of illegal gas line authorized by bloc leader. After sending formal complaint they told us to check our connections after gas riser which is illegal. Provided another option to re connect the line for 250000 BDT under the table.
এই মাসের ছয় তারিখে পাসপোর্ট আবেদন করতে গিয়েছিলাম। আমার পরিচিত একজন অভিজ্ঞ মানুষ থেকে জেনে নিয়েছিলাম কী কী কাগজ লাগবে। শুধু িএতটুকুই না পাসপোর্টের অফিসের পাশে উনার দোকানও আছে। তিনি সমস্ত কাগজ দেখে বললেন, সব ঠিক আছে। জমা দেন। সকাল নয়টা থেকে থেকে বিকাল চারটা দাঁড়িয়ে আমাকে ফেরত দেয়া হলো আমার আইডি কার্ডের সাথে আমার বর্তমান চেহারা মিলে না। তাই ফিঙ্গার চেক করতে আরেক রুমে পাঠানো হলো সেখানে থাকা কর্মকর্তা মন্তব্য করলেন “ আমি তো দেখছি আপনার চেহারা মিলছে মনে হয় স্যারের কাছে মিলছে না”। তাদের একটা কোড থাকে কাগজে এটা টপ টু বটম সবাই বুঝতে পারে ”এটা কি মালের কাগজ নাকি মালছাড়া কাগজ” মালের কাগজ না হলেই সেটা নিয়ে ঝামেলা করে। সময় হয়ে গেলে, একজন ত্রাণকর্তা বললো আপনার কাগলে তো কোন সমস্যা নাই ১৫০০ দিলে হবে।
দেশের বাইরে পড়তে যাওয়ার ভিসা আবেদনের স্পন্সরশীপ এর জন্য আয়কর সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে কর অঞ্চল ৮ এর দায়িত্বরত এর সাথে কথা বলি। পরে তার অফিস সহকারী অফিস থেকে বের হয়ে বলে তার বস বলেছে ২০-২৫ হাজার টাকা লাগবে, দ্রুত করে দিবে তাই। মেজাজ খারাপ হয়ে যাওয়ায় সার্টিফিকেট না নিয়েই বের হয়ে আসি।
NGO ব্যুরোতে FD-6 বাজেট এপ্রোবালের জন্য জমা দেই জুন মাসের শেষের দিকে কিন্তু সে এপ্রোব হবে হবে বলে আমাকে ভারাচ্ছেন, মাঝে মাঝে বলেন মিনিস্ট্রি থেকে এখনো পাশ হয়নি। তবে গতকাল ২৩/০৮/২০২৬ ইং তারিখে আমি কল দিয়ে খবর নিলে উনি বললেন দুই এক দিনের ভিতরে পাশ হবে আর আমি খুশি হয়ে উনাকে কিছু বকশিশ দিব কিনা তখন আমি বলি দেশের বাহিরের সংস্থা তাই ওনারা এগুলা দিতে অভ্যস্ত নন এবং আমি দিতে পারবো কিনা বলিনি। তবে সে কোন টাকার পরিমাণ বলে নাই। রিপোর্ট জমা হচ্ছে না তাই টাকা উল্লেখ করা হয়েছে
২০২৩ সালে NID সংশোধন করতে গিয়ে ছিলাম, বাবার নাম ও মায়ের নাম সকল ডকুমেন্টস দেওয়ার পর ম্যারেজ সার্টিফিকেট করতে বলছে, সেটাও করে দিছি কিন্তু তারপর সেখানকার প্রশাসক সাহায্য করে নি, বরং কম্পিউটার অপারেটর এর মাধ্যমে টাকা দিতে বলছিলো। টাকা দিলে সমস্যা সমাধান করে দিবে। পরে অবশ্য ইউনূস সরকার আসার পর টাকা লাগে নি। তবে এখন আবার বিএনপি সরকার আসার পর টাকা লাগতেছে। ( বরিশালের ভূমি অফিসে দূর্নীতির আতুর ঘর)
চট্টগ্রাম কর অঞ্চল - ৬, সার্কেল ১৩০ এর উপ কর কমিশনারের কার্যালয় থেকে নানাভাবে মানুষের কাছে ঘুষ দাবী করা হয় আয়কর দাখিলের অসংগতি দেখিয়ে। ঘুষ দিয়ে সমাধান না করলে অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনারের অনুগত কর্মচারীরা পরবর্তীতে ফোন দিয়ে মানুষকে বিরক্ত করে। তাদেরকে উপরের লেভেলের মানুষের কথা বলেও বিরত রাখা যায় না। এদের সাথে জড়িত চট্টগ্রামের কিছু ট্যাক্স লয়ার।
ফোন কলে জানায় দালাল, ১১ হাজার দাবি করে।
টাকার বিনিময়ে শ্রমিকদের ভূয়া বিগত দিনের লেফটি চিঠি ইস্যু করে. এইভাবে শ্রমিক আনরেষট শুর হয়।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটা দেশের রেসিডেন্ট কার্ডের আবেদন জন্য আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হয়।সরকারি ভাবে অনলাইনে আবেদন করি ২১ ডলার ফি দিয়ে।তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আমার বাবা দুইবার চৌদ্দগ্রাম থানায় যায়।কিন্তু অফিসার সাহেব ডিউটিতে আসেনি ফোন দেওয়ার পর খারাপ ব্যবহার।তৃতীয় বার যাওয়ার পর সকল ডকুমেন্টস চেক করার সব ঠিক থাকার পর ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে।পরে ২০০০ টাকা দিয়ে কোন রকম মানায়।পরে কয়দিন পর আবার ফোন দিয়ে বলে কি ডকুমেন্ট লাগবে সেটার জন্য আবার ওনার কুমিল্লা বাসায় যেতে হবে আবার আব্বু বয়স্ক ও অসুস্থ ছিল।তারপর রোজা রেখে আবার বাবা কুমিল্লা যায় ওনাকে ডকুমেন্ট দিতে।তারপর আবার ১০০০ টাকা দাবি করে এবং আমার বাবা দিয়েছে মনে করছে যদি কিছু হয়। লোকেশন হল চৌদ্দগ্রাম থানা।
প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর দেয়ার নাম করে সরকারি কলেজ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ও শিক্ষক ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত 'হাদিয়া' দাবি করে। যারা দেয় না, তাদের নম্বর কম দেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেয়। পিওনকে দিয়ে এই অর্থ সংগ্রহ করে। রিসিট চাইলে দুর্ব্যবহার করে।
আমার এনআইডি সংশোধন করার জন্য আবেদন করেছিলাম, আমার বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ইউরোপিয়ান পাসপোর্ট, ছেলেমেয়ের জন্মনিবন্ধন, কোর্টের এফিডেভিট সহ সব ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর ও এক কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ১,৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল। গুষের কারণে আমার এনআইডি এখনো পর্যন্ত সংশোধন করতে পারি নি, প্রায় ৩ বছর হয়ে গেছে।
আমি একজন জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর.. দীর্ঘদিন আমাকে আমার নিজ জেলা থেকে প্রায় ২৫০ কিমি দুরুত্বে পোস্টিং দিয়েছে আমি বদলি হতে চাইলে বলে সম্ভব না পরে এসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর ৩ অফিসের ক্যারানি ৩ লহ্ম টাকা দাবি করে আমি শিহ্মক মানুষ টাকা ও দিতে পারিনা বদলি ও হয় না