নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ঘুষ
সেখানে তাদের দালানের মাধ্যমে গেলে কাজ হয় তা নাহলে কাজ করতে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেখানে তাদের দালানের মাধ্যমে গেলে কাজ হয় তা নাহলে কাজ করতে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়।
গাজীপুর শ্রীপুর পৌরসভা ১০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করতে গেলে সাব রেজিস্ট্রার এই ঘুষ দাবি করেন,
বদলি জন্য ঘুষ দেওয়া হয়েছিলো
নামজারি করার আবেদন করতে গেলে তহশিল অফিসের লোক উক্ত টাকা চায়। আমি না দিয়ে চলে আসি।পরে অন্য মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করি।
Nid Banaite gasilam. Iktu taratari hobe ki na jiggesh korsilam. Sa jonno ghush caise. Abar signature a iktu somossa hoisilo. 1 din por thik korte gasi abar ghush cai. Akbaro 1 poisao dai nai 😂
মানিকগঞ্জ, দৌলতপুর থানার ধামশ্বর ইউনিয়নে ভুমির নামজারি করার জন্য
জমির নামজারী করা। সরকারি খরচ মাত্র ১১০০ টাকা।
টাকা ছাড়া পাসপোর্ট বানাতে পারি নাই টাকা দিলে সবকিছু ওকে প্রতিটি আবেদন পেপারের নিচে পাসপোর্ট অফিসের কোন লোকের একই হাতের লেখা দিয়ে একটি তারিখ লেখা থাকে যেই পেপারের মধ্যে হাতের লেখা তারিখ লেখা থাকে ঐই ফাইলটি তারা গ্ৰহন করে আর অন্য গুলো ফাইলের মধ্যে তারিখ না থাকলে ফাইলের মধ্যে শুধু সমস্যা দেখায়
licence er jonno porikkhai pass koranor jonno 3k chaise,,, tk na diyar 20m dhore viva dhore fail korai dise jara tk dise tara ekta ans dilei pass korai disee,,, eder tricks vaa viv alar kivabe jane setau buschi lurner er signature ekta thake dag er opor ekta thake nice jara tk dei tader thake dag er opr jara deina tader thake niche
আমার jsc, ssc সার্টিফিকেটে নামের কয়েকটা ভুল ছিল। আমার নামে (.) dot ছিল না। মা এর নামে একটা অক্ষর উঠে নাই। সব মিলিয়ে ৩ টা ভুল ছিল। স্কুলের রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বললেন প্রত্যেকটা ভুলের জন্য ২ হাজার করে দিতে হবে এবং তাকে ভাড়া বাবত আরও ২ হাজার টাকা দিতে হবে। টোটাল ১০ হাজার টাকা দাবি করলেম। পরে আমার বাবার কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন বাবা ও রাজি হন নি তিনি বললেন তাহলে আমি নিজে বোর্ডে গিয়ে ই করব। তারপরও আমার বাবাকে হয়রানি করা হয়। স্কুলের EIIN and password দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েব সাইটে লগইন করতে হয়। এবং সেখান থেকে আবেদন করতে হয়। এর জন্য আমার বাবাকে ১ মাসের বেশি সময় ঘুরিয়েছেন। আমার বাবা নিজে বোর্ডে গিয়ে করেছেন টোটাল ৫ হাজার টাকার মত লেগেছে। এখানে এরপরও বিভিন্ন কারনে স্কুলকে ২০০ টাকার মত হ
ইউনিয়ন ভূমি সেবা কেন্দ্র লাইসেন্স এর জন্য সরকারি শর্ত হলো ফেরত যোগ্য ৫০ হাজার জামাত ও ৩ হাজার লাইসেন্স ফি। এগুলো মেনেছি যখন অফিসে ফান্ড ১০ হাজার চাইছে আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। লাইসেন্স নিবো না।
jara taka chaicilo dokan a taray dekhi bhumi office kaj kore. office a gele tara amader dekhe obak hoye jai amra online apply korce. land officer bole amra acland er kace gece but amra jai nai then 15 din a eta ses hoi. jedin amader sunani cilo sedin acland office sign korer jnno 200 ghus dite hoice, terpor kisudin por jokon khaj na dite gece tokon 400 taka asce 1000 taka diyece baki ta return dei nai. sobceye obak kora jinish deklam bikal bela office er onno staff ra bhumi officer k bole ajk ja income hoice seta den divide kore amader samne. amr bndu police er lok cilo terpor o kisu hoi nai
আমি যখন বিডিএস জরিপ এর মাধ্যমে সমাধান করতে গেছিলাম তখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীলরা আমার সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আমার ওই নির্দিষ্ট জায়গায় যেতেও অস্বীকৃতি জানান এবং আমার থেকে এই ঘুষ দাবী করেন। এরপরেও আমি তাদের সবকিছু দেখানোর পরে আমার নিজ খরচে তাদের ঐ জায়গায় নিয়ে গেলেও ডকুমেন্টে সমস্যা আছে এবং জায়গায় সমস্যা আছে বলে আমার এই সমস্যা সমাধানে অনীহা প্রকাশ করেন। আমি তাও ৩০,০০০ টাকার অফার করেছিলাম। কিন্তু তাতেও রাজি করানো যায়নি।
৬ নং করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত কর্মচারী দ্বারা সাধারণ মানুষ প্রায়ই ভোগান্তির শিখার। কর্তব্যরত কর্মচারীগন জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এছাড়া এন-আইডি কার্ড বা যেকোনো ধরনের সেবা পেতে গেলে তারা প্রায়ই কাজ না করে মানুষকে হয়রানি করে থাকে এমনিতে টাকা চাইবে না সরাসরি তারা সাধারণ মানুষেকে ব্যাস্ততা দেখাবে বাধ্য হয়ে যখন তাদের যেকোনো পরিমাণ ঘুস বা যেকোনো ভাবে টাকা অফার করা হয় তখনই তারা তাদের কার্যক্রম শুরু করে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিখার হইতে হয়।
চোখের ইন্জেকশন এর সিরিয়াল পাওযার সময় ৩০০০ টাকা লাগবে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব বরাবর বদলীর আবেদন করা হয়। কিন্তু কোন সিরিয়াল মেইনটেইন না করে প্রভাব খাটিয়ে সচিব বা তার অধীনস্থ ব্যাক্তির মাধ্যমে বদলী হচ্চে। এতে যাদের প্রয়োজন অথচ শক্তিশালী তদবীর নাই তাদের বদলী হচ্ছে না। তারা পরিবার পরিজন হতে দূরে থেকে কষ্ট ভোগ করছে। মন্ত্রী, সচিব, মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মানবিক আচরণ করা উচিত। প্রভাব খাটিয়ে বদলী হলে প্রকৃত প্রয়োজন যাদের তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
আমার পিতা মাতা মারা যাওয়ার পর মায়ের সম্পত্তি আমরা ভাই বোন মিলে মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। সেখানে তারা আমার কাছে 10000 টাকা দাবী করে মিউটিশন, খাজনা/চেক কেটে দিবে। আমি প্রথমে 1000 টাকা এবং পরবর্ত ীতে 2000 টাকা দিয়েছি। কেননা সেখানে নাকি টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না। তাই বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কাজ হয়নি। বলছে এই খতিয়ানে একটু সমস্যা আছে, এক্ষনি করা যাবে না একটু সময় লাগবে। আর জরুরী করতে হলে আরো 10,000 টাকা (অতিরিক্ত) দিতে হবে। তাহলে আমার মিউটিশন করে দিবে। তা না হলে হবে না। এখন জমির দলিল ঠিক আছে। মায়ের ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট আছে। মায়ের নামে মিউটিশন করা আছে। তারপরও আমাদের ভাই-বোনদের নামে মিউটিশন করতে টাকা লাগবে। (তাও এত পরিমাণ) যা সরকারি কোন খরচের মধ্যে পড়ে না।
আমার ছেলের বয়স প্রায় দেড় বছর। ওর পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলাম। কিন্তু সেখানে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়ে সমস্যা দেখিয়ে আমার ছেলের ফাইলটা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর সেখানকার একজন আনসারের সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা করে দেওয়ার কথা বলেন। মজার বিষয় হলো, শেষ পর্যন্ত আমার সেই জন্মনিবন্ধনের কাগজটাই বাইরে একটা দোকান থেকে শুধু লেমিনেটিং করে নিয়ে আসে। এরপর ওপর থেকে একজন সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে ফাইলটা রেডি করে দেয়। আমি আবার সেই ফাইলটা জমা দিই এবং শেষ পর্যন্ত আমার ছেলের পাসপোর্টের কাজও হয়ে যায়। ঘটনাটা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি—যে কাগজের কারণে প্রথমে ফাইল রিজেক্ট করা হলো, শেষ পর্যন্ত সেটাই শুধু লেমিনেটিং আর একজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর দিয়ে ঠিক
ট্রেন ভ্রমণের উদ্দেশ্যে। যদি টাকা দেই তাহলে ট্রেন ভ্রমন করতে দেবে আর যদি না দেয় তাহলে ঠিক হবে না।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এসিল্যান্ড অফিসের অফিস সহকারি উনি টাকা ছাড়া মানুষকে প্রচন্ড রকমের ভোগান্তিতে ফেলেন এবং ঘুরাতে থাকেন। উনি আমার কাছে ১০০০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তুু এসিল্যান্ড স্যার আমার জানামতে ভালো মানুষ যখন আমি উনাকে স্যারের ভয় দেখালাম যে স্যারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলব, তখন অফিস সহকারী আমাকে সংশোধিত খতিয়ানের কপিটা দিয়েছেন।