পেনশন
আমি মিলিটারি পুলিশ সার্জেন্ট, পেনশনের সময় কাগজ পত্র সঠিক করে দিবে মর্মে সাভার সি এমপি সেন্টারে ফিল্ড পে অফিস অডিটর আমার কাছে অফিসে ডেকে টাকা ঘুষ চাই। আমি দেইনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি মিলিটারি পুলিশ সার্জেন্ট, পেনশনের সময় কাগজ পত্র সঠিক করে দিবে মর্মে সাভার সি এমপি সেন্টারে ফিল্ড পে অফিস অডিটর আমার কাছে অফিসে ডেকে টাকা ঘুষ চাই। আমি দেইনি।
আমি তশিল অফিসে জাই মিউটেশন করতে বলে ১৫০০০ টাকা লাগবে আমি না করে চলে আসছি
কক্সবাজার সদর আদালতে মামলার শর্ট ডেট প্রদানের জন্য প্রতিবার আনুমানিক ১,০০০/- টাকা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান করতে অসম্মতি জানালে মামলার পরবর্তী তারিখ অস্বাভাবিকভাবে প্রায় ৮ মাস পর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পাসপোর্ট নবাযন করতে গেলে আবেদন ফর্মে নানান ভুল দেখিয়ে ফিরিয়ে দেন প্রতিবারই ভুল সংসোধন করে আনি তারপরও ভুল ধরে পরে বলে নীচে অমুক দোকানে যান তার কথা অনুযায়ী সেই দোকানে গেলে তারা ২হাজার টাকা চান, আমি টাকা না দিয়ে চলে আসি তারপর এক নেতার ঘনিষ্ট বলে আবেদন ফর্ম জমা দিয়ে আসি।
জমি নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে যায়, তারা আমার কাছে ৮০০০টাকা দাবি করেন, তারপর আমি না দিয়ে নিজেই আবেদন করি কিন্তু ভুমি অফিস থেকে খসড়া খতিয়ান তৈরি না করে না মন্জুর করে দেই।
১৯৭৮ সালে রেজিষ্ট্রেশন হওয়া জমির দলিল দেখতে গিয়েছিলাম, তারা না দেখেই বলে দলিল পাওয়া যাচ্ছে না, ২০০ টাকা দেন, পরে বলেন ১০ দিন আপনার দলিল খুজবো, তার জন্য ২০০০ টাকা দিতে হবে, ১০ মধ্যে না পেলে পরে যোগাযোগ করবেন।
নতুন ফ্ল্যাট কর (Tax) নির্ধারণের সময় ঘুষ দিয়ে ট্যাক্স কমানোর প্রস্তাব। ঘুষ না দিলে ট্যাক্স বা বিল অনেক বেশি করা হবে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে
আমার বাবা শরিয়ত পুর দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ছিলেন, এমপি ভুক্ত হওয়ার পর, কয়েক বছর চাকুরী করা অবস্থায় বাবা মারা যান, তারা প্রথমে একটা টাকা দেয়, প্রায় ৭৩ হাজার টাকার মত, পর্বর্তীতে পেনসন অথবা এক কালীন একটা টাকা দেবার কথা, কিন্তু দেয় নাই, আমাদেন বাড়ি চাঁদপুর, আমরা চাঁদপুর থেকে শরিয়তপুর আমার বোন সহ একাধিক বার পেন্সিবল এক কাছে গিয়েছি, প্রতিবারে হুজুর দুই হাজার টাকা করে নিতেন, আর বলতেন আমি ঢাকায় গিয়ে যোগাযোগ করবো, এইভাবে একাধিক বার টাকা নেওয়ার পর, আমরা ক্লান্ত হয়ে সেই পথ থেকে ফিরে এসেছি, আমার বোনের নামে ছিল নমিনী, আর আমার বাবা ইরান যখন কুয়েত দখল করে সেই যুদ্ধের সময় বাবা বাড়িতে আসে, এবং বাবা কাগজ জমা দেয় ক্ষতুপূরনের জন্য, কিন্তু সেই টাকা ও পাই নাই, আসলে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা হচ্ছে বড় মাপের চো
নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম। পাশা পাশি ২ দাগের জমি। AC land অফিসের অফিস সহকারী টাকা চেয়েছিল। দেয় নি। পরে AC land ভক্কর চক্কর ভউজ দিয়া আইনের ধারা দিয়া আবেদন টি না মুজ্জুর করে দেয়। আমার land.gov.bd একাউন্টে আবেদন টি আছে।
ভূমি অফিসে অনেক দালাল থাকে এই দালালের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছে
বিগত ০৮.০৬.২০২৬ খ্রি. তারিখে আমি নামজারির আবেদন করি। বিধি অনুযায়ী ২৮ কর্মদিবসের মধ্যে আবেদনটি নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও ০১.০৯.২০২৬ খ্রি. পর্যন্ত তা নিষ্পত্তি হয়নি। ১৯.০৭.২০২৬ খ্রি. তারিখে ইউয়িন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব)-এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অনলাইনে প্রতিবেদন দিয়ে নথিটি সহকারী কমিশনার-ভূমি মহোদয়ের নিকট প্রেরণ করেন। একই দিনে সহকারী কমিশনার-ভূমি মহোদয় পুনঃতদন্তের জন্য নথিটি পুনরায় তাঁর নিকট পাঠান। কিন্তু অদ্যাবধি তিনি পুনঃতদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেননি। উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা ছাড়া কাজ না করার অভিযোগ রয়েছে। নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আশায় আমিও তাঁকে ২,০০০/- টাকা প্রদান করি; কিন্তু এরপরও তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কার্যক্রম সম্পন্ন না করে আবেদনটি ঝুলিয়ে রেখেছেন।
সমবায় অধিদপ্তরে পদোন্নতি ও বদলীর জন্য টাকা পয়সা ঘুষ নেয়া হয়। আমার কাছেও ১,২০,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করা হয়েছে। আমি এখনও দেইনি। এজন্য পদোন্নতিও দিচ্ছে না। আমার কাছে এই পরিমাণ টাকাই নাই, দিবো কিভাবে। বিষয়টা পারলে আমাদের মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীকে জানিয়ে দিবেন। তাতেই আমার উপকার হবে। ধন্যবাদ
আমি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলা থেকে বলছি। গত 15 দিন পূর্বে বড় ভাইয়ের মাধ্যমে আমার কাছে একটা পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ চাকরির অফার আসে। সেখানে মাদ্রাসা পরিষ্কার ও দেখাশোনার জন্য 3/4 জন লোক লাগবে। এর জন্য চাকরিতে জয়েনিং ফি/বকশিশ জন প্রতি 3 লক্ষ টাকা দাবি করে, বড় ভাই জানাশোনা লোক হওয়ায় অংক কমিয়ে 150000 টাকা তে অফার করে, তারপরেও এতো টাকা দিয়ে চাকরি করার সামর্থ্য ছিল না । বয়স চলে ২৪, এখনো অকর্মার মতো বসে থাকি,চাকরিটা অনেক জরুরী হওয়ায় আমরা সর্বস্ব দিয়ে 1 লক্ষ টাকা দিতে চাইলাম। কিন্তু চাকরি টা 2.5 লক্ষ তে অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে। এতে কারা জড়িত সেটা পুরোপুরি জানতে না পারলেও কিছুটা জানতে পারি যে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল, উপজেলা কর্মকর্তা আর এলাকার নেতৃত্বাধীন ব্যাক্তি।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। এমনকি আমার পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর মেয়াদ তখন ছিল। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। বলে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে। অথচ আমি জানি পূর্ববর্তী পাসপোর্ট থাকলে নবায়নের জন্য সব কাগজ পত্র লাগে না। আমি এক লোকের সাথে কথা বললাম যে আমার পরিচিত। সে একটা ট্রাভেল এজেন্ট চালায়। সে বললো পাসপোর্ট জমা নিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ৩০০০ টাকা না দি। আমি বললাম আগে তো ২০০০ হাজার টাকা নিতো শুনতাম। সে বললো আমি তো ১০ বছরের জন্য পাসপোর্ট করছি। ১০ বছর পর্যন্ত আমাকে তো আর পাবে না। তাই ৩০০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৩০০০ টাকা দেয়নি। ডিজি সাহেবের কাছে গিয়ে আমি আমার কোম্পানির রেফারেন্স দিলে তিনি কিছু একটা লিখে দেন। তারপর
একটা ঘটনায়, ঘটনা ঘটে রাত ১০.১ মিনিট এ, মেডিকেল রিপোট নিয়ে রাত ১ টায় থানায় যাই এবং অভিযোগ করি, এই অভিযোগ টা পরে এন্ট্রি করতে গেলে, আমাকে না করে দেয় এবং টাকা দাবি করে, আমি দিতে অমত করলে, আমার নামে উল্টো মামলা করতে থানা থেকে সহযোগিতা করে, ভিবিন্ন নেতা,ও এর সাথে জরিত, এখনও এই থানার অফিসার বাদে অন্য কোন ইনকয়ারি করলে, ১০০% আমরা একটা সঠিক বিচার পাবো,,অতিতে ও কোন খারাপ রিপোট আমাদের নামে নাই,,
আমি পাসপোর্ট অফিস এ যাওয়ার পর থেকে হকার এর মতো কতক্ষন পর পর কয়েক জন আসে ভাই আপনার কি পাসপোর্ট এর কাজ করাবে। আমি বলছি একজন কে দিছি এর পর বলে ওনার থেকে তারাতাড়ি হবে। দেন 2000/- আধা ঘন্টার মধ্যে বাড়িতে যাইতে পারবে। এই দিন 8 টার পর কাজ শেষ হয়েছে।
নামজারি করার জন্য প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কে অনুরোধ করলে ১০০০ টাকা দাবি করা হয়, টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে মিউটেশন কেসটি বাতিল করে দেয়া হয়। অনলাইনে এটাচমেন্ট পেপার সঠিক নেই/অস্পষ্ট লিখে উল্লেখ করা হয়।
উপজেলা মহেশখালী ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার/ভারপ্রাপ্ত কানুনগো ও সংশ্লিষ্ট উম্মেদারদের বিরুদ্ধে নামজারি কার্যক্রমে প্রতি আবেদনের বিপরীতে ৫,০০০/-–১০,০০০/- টাকা এবং ভূমি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ২০,০০০/-–৩০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঘুষ/অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান না করলে ফাইল/নথি আটকে রাখা, কার্যক্রমে অযথা বিলম্ব করা এবং বিরূপ প্রতিবেদন প্রদানের মাধ্যমে হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নিকট অবহিত বা প্রতিকার প্রার্থনা করতে গেলে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদলি হওয়ার পরও পূর্বের কর্মস্থলে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন/কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আমার একটি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম সেটি ঢাকা আগারগাও হতে আমাকে একটি তদন্ত সাপেক্ষ রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল রাজিবপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন এর পক্ষ থেকে কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট করতে এসে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা বিভিন্ন কৌশলে অবলম্বন করে নিয়েছে
অফিসিয়ালভাবে আমার কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে