রাস্তা নির্মাণ, সুয়ারেজ, আর বর্জ্য বিভাগ
যে কোন নির্মাণ কাজ করলেই তার জন্য তাদেরকে ২৫% টাকা রেখে করতে হবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যে কোন নির্মাণ কাজ করলেই তার জন্য তাদেরকে ২৫% টাকা রেখে করতে হবে
রাজধানীর মহাখালী তে অবস্থিত ডিএনসিসি হাসপাতালের হেড ক্লার্ক। কর্মরত মেডিকেল অফিসার দের দাপ্তরিক কাজে চরম অসহযোগীতা মূলক আচরণ করে, অহেতুক ভোগান্তির শিকার অধিকাংশ মেডিকেল অফিসার। কিন্তু তার চাহিদা মত টাকা দিলে মিলে পিতৃসুলভ আচরণ। এ ব্যাপারে হাসপাতাল প্রশাসন কমবেশি অবগত থাকলেও অজ্ঞাত কারণে বছরের পর বছর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
দালালের মাধ্যমে করলে ১৫০০০ টাকা,কোন ঝামেলা ছাড়া করে দিবে।লিগ্যাল ওয়েতে প্রায় ৭০০০ টাকা।তবে সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়,কাগজপত্র নিয়া হয়রানি ইত্যাদি পোহাতে হয়।ধন্যবাদ।
ফেনীর সোনাগাজীর সোনাপুর গ্রামের আমিরাবাদ ইউনিয়ন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর জন্ম নিবন্ধন করতে টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, ১৮ বছর পার হয়ে গেলে নাকি জন্ম নিবন্ধন করা যায় না। পুরোনো জন্ম নিবন্ধন থাকলে সেটি যেখানে করা হয়েছিল, সেখান থেকে চিঠি এনে ইউনিয়ন অফিসে জমা দিতে হবে বলেও জানান। আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকা সত্ত্বেও এবং আমি একই এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও আমাকে নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করা হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে জন্ম নিবন্ধন করা যাবে না বলে জানান। অন্যদিকে, ইউনিয়ন অফিসের বাইরে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে টাকা দিলে একই কাজ ঠিকই করে দেওয়া হয় বলে জানতে পারি। এমনকি টাকা নেওয়ার বিনিময়ে মৃত ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধন একসঙ্গে করে দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতিগ্রস্ত /নানান ভাবে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সেইসাথে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃত হওয়ার পরেও প্রশাসন আসামিকে গ্রেফতার করতেছেনা, আর এদিকে আসামি নিশ্চিন্তে বুক ফুলিয়ে বাড়িতে বসেই ফোন কলের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় তার কুকীর্তি সম্পন্ন করছেন...
Tara bolcilo driving test pass koria dibe . Ami vlo vabe driving korlam but amay pass korainai. BRTA te ghuss chara kichui hay na
Dammam pasporot office sobai mile durniti kore
আমার জমি একজন বেশি করে খাস না খারিজ দিয়ে এনেছে কিন্তু আমি ওই খাজনা খারিজ বাতিলের জন্য গেছিলাম তো ছিল অফিসের লোক আমাকে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে আমি টাকাটা পরিশোধ করে দেই তারপরও আমার জমিটা ঠিক করে দেয় নাই এখানে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না
জমির খাজনা, খারিজ বিষয়ক টাকার রশিদ থেকে অনাক বেশি দাবি করছেন
আড়াই মাস যাবৎ প্রায় ১০ বার ব্রাম্মনবাড়িয়া গিয়েছি সাতগাঁও আমতলী বাজার থেকে। আমার বাবা একজন মুক্তি যোদ্ধা। উনাকেও মূল্যায়ন করেনি। রেকর্ড রুম এ এই ১০ দিনের শেষ দিনে তারা আমাকে সই মুড়ির একটা কাগজ দেয়। সেটা নেয়ার সময় বলেছিলাম এটা কি অনলাইন হয়েছে কিনা তারা বলে সেটা বলতে পারবে না। তারা বললো তাদের কাজ শেষ। কিন্তু যখন খারিজ করতে গেলাম ফাইল জমা দিলাম অ্যাসি ল্যান্ড বিজয় নগর বলল এটার দাগ নাম্বার পরিবর্তন হয়নি। এখন বলুন এই হয়রানির মানে কি? ২০০০০ টাকা দিলে নাকি ১৫ থেকে ২০ দিনেই অনলাইন হয়ে যেত। তার মানে ইচ্ছে করেই অনলাইন করেনি।
নির্বাচন অফিস বিষয় ছিল আইডি কার্ড আমি একজন প্রবাসী পার্সপোট এর চেয়ে বড় আইডি কি ঐখানে টাকা চাই ৮০০০যা আমার বোধগোম্ম হয় নাই।আইডি হল আমার মৌলিক অধিকার তার মাঝে আমাদের টাকা কেন দিতে হবে সরকারি চাকুরী করা ব্যাক্তি রা কেন টাকা চাইবে অতিরিক্ত????
১২ শতাংশ জমির নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তারা বলেছে আপনি আপনার থেকে আবেদন করুন এরপর আমরা পর্যালোচনা করব। আমি চিন্তা করলাম এর আগে আমি আবেদন করে আবেদনে ভুল হয়েছে তাই তাদের সাথে আলোচনা করলাম বিস্তারিত পরে আমার বক্তব্য শুনে বলল আমরা যদি আবেদন থেকে শুরু করে সবকিছু করি তাহলে টাকা লাগবে ২০০০০ এর কম হলে হবে না। পরে আমি অফার করলাম ১০০০০৳ রাজি হয়নি পরে না করে চলে এসেছি। এ দেশে ঘুষ দিলে সবকিছুই সম্ভব।
আমার মামা একজন প্রবাসী উনি দেশে আসার পরে উনাকে এলাকার একজন মহিলা প্রতারক যিনি মানুষকে জিম্মি করে টাকা দাবি করে। আমার মামাকে জমি দেখানোর কথা বলে নিয়ে যে একটি ঘরে নিয়ে নির্যাতন করে এবং টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমরা পুলিশের শরণাপন্ন হলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে জিডি নেয় কিন্তু তাদের ঘটনাস্থলে অর্থাৎ মামাকে যেই ঘরে নির্যাতন করা হয় ওই স্থান পরিদর্শন করার জন্য কিছু খরচ এর দাবি করে যা ১০০০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় তা না হলে তারা আসামিদের ধরতে যাবে না। বাংলাদেশের অনেক ঘটনা এমন হয় যদি পুলিশ সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা নেয় তদন্ত এবং কোন ঘুষ লেনদেন না হয় তাহলে দেশের অনেক দুর্ঘটনা বা হত্যা কমে যাবে এবং অন্যায়কারীরা সঠিক শাস্তি পাবে বর্তমান সময়ে রক্ষকই ভক্ষক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রথম পে ফিক্সেশন করানোর ক্ষেত্রে আমার প্রতিষ্ঠানের আ্যকাউট্যান্ট দাবি করে যে অডিট অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না৷ তাই, ইন পার্সন গিয়ে গিয়ে পোক করে করে আদায় করসি। তবে সময় বেশি লেগেছে, অযথা বিভিন্ন ডকুমেন্টের জন্য ডিলে করসে। সেকেন্ড টাইম আ্যডভান্স ইনক্রিমেন্ট আ্যড করানোর ক্ষেত্রে সাহস করতে পারি নাই, কজ বাকি সকল কলিগ কনভিন্সড৷ ঘুষ দিতে হইসে৷
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিনিয়ত স্কুলটাকে লুটপাট করে খাচ্ছে স্কুলের ছাত্রীদের কাছ থেকে একদিন স্কুলে না গিয়ে থাকলে তার বদল স্যার বিশ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় কোন প্রমান পত্র দেয় না এরপর স্কাস পরিক্ষা হলে ৩০০ টাকা করে নিয়ে যায় এরপর মাসিক বেতন ৪০০ টাকা আমার প্রশ্ন হলো একজন ছাত্রী স্কুলে অসুস্থতার কারনে না যেতে পারলে ছুটির দরখাস্ত দিয়ে থাকে যেন জরিমানা দিতে না হয় কিন্তু ছুটির দরখাস্ত দেওয়ার পর ও ২০ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় বাংলাদেশের কোন স্কুলে এমন হয় কিনা আমার জানা নেই এরপর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন তিনি
অন্ত উপজেলা বদলির জন্য। ঘুষ না দেয়ায় ১৫ বছর যাবত বদলি হতে পারছিনা। বদলি নীতিমালা অনুকূল হয়না। অথচ আমার স্কুল থেকে যারা ঘুষ দিচ্ছে তারা বদলি হয়ে যাচ্ছে।
পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়া (কলাপাড়া) সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পেছন দিকে একটি কক্ষ আছে সেখানে সাব-রেজিস্ট্রাররর ভাই (সম্ভাবত) ঘুষ নেয়ার জন্য বসে থাকেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও এটা নেই ওটা নেই ইত্যাদি বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ওয়ান বাই ওয়ান ক্লায়েন্ট বা তাদের দলিল লেখক ঐ কক্ষে প্রবেশ করামাত্র দরজা বন্ধ করে টাকা নিয়ে আবদেনকৃত দলিলের উপরে পেন্সিল দিয়ে টিক মার্ক বা বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেন। এজলাসে সাব-রেজিস্ট্রার উঠে ঐ চিহ্ন দেখলেই বুঝতে পারেন সব ঠিক আছে এবং স্বাক্ষর করে দেন। এভাবই চলছে দিনের পর দিন কলাপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের রমরম ঘুষ লেনদেন।
রাঙ্গামাটি কারগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ২০২২ সাল পর্যন্ত ভোকেশনাল স্কুল ছিল এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ দিত। আমার ছোট ভাই ২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল তো তাদের মাসে মাসে ৮০০ করে ভাতা ছিল কিন্তু সেই বেইচের কেও ১টা টাকাও পাই নি টোটাল ৫০ জন স্টুডেন্টদের ৯৫০০০০ টাকা রেখে দিয়েছিল
আমাদের তিন জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা একটি মিথ্যা মামলা হয়েছে, এই মামলার তদন্ত প্রথম তদন্ত জন্য বড়ুয়া থানার তদন্ত কারী অফিসার কে দেওয়া হয়, উনি তদন্ত করে রিপোর্ট আমাদের পক্ষে দেন কারণ মামলা টি সম্পুন্ম মিথ্যা ছিল তবুও আমাকে পনের হাজার টাকা দিতে হয়েছে, বাদী নারাজি দিয়ে মামলা টি সিআইডি অফিসে দেয়, তদন্ত কারী অফিসার আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করেন, আমার পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রমাণ থাকার পরও টাকা না দেয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়, প্রকাশ করলে মামলায় ঢুকানোর ভয় দেখায়,৭/৯/২৬ আমাদের জাহিনের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে
আমার আমদানী করা মালামালের কাস্টম দিতে গেলে সেখানে কাস্টম হাউজের অফিসার ঘুস চেয়ে বসে থাকে, কারন আমার মালামাল ছিলো ১২ থেকে ১৩ কেটাগরীর তাই এইচএস কোড ছিলো ১২/১৩ টা, তারা বলছে সর্বচ্চো ৩টা এইচএস কোড এর জন্যে ১০০% এক্সাম দিতে হয় না কিন্তু আমার বেলায় ১০০ এক্সাম দিতেই হবে আর আমিও জানি যে আমার যদি ১০০% এক্সাম করে তাহলে আমার মালামাল নষ্ট হয়ে যাবে কারন সেখানে অধিকাংশই ভঙুর টাইপের মালামাল ছিলো তাই ঘুস আমার দিতেই হয়েছে, কিছু দালাল থাকে যাদের সাথে কাস্টম কমিশনার থেকে শুরু করে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত যাদের দৌড় থাকে, কমিশনারেরা ডাইরেক্ট ঘুস খায় না কিন্তু তাদের কিছু লেস্পেন্সার নিয়োগ থাকে যারা ঘুস নিয়ে তাদের দিয়ে আসে ও ছাড়পত্রে সাইন করে নিয়ে আসে, যাইহোক এর সমাধান করতে গেলে প্রধানমন্ত্রীর ও চেয়ার যাবে,