নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার সমস্ত কাগজপত্র লিগ্যাল থাকার পরেও আমাকে দেওয়া হয়নি পেয়েছে এবং টাকা না দেওয়ার কারণে খারিজ দেয়নি
E passport এর জন্য আবেদন ফর্ম জামা দেওয়ার জন্য আজ ৪০দিন ধরে আমাকে ঘুরাইতেছে এইটা নাই ওইটা নাই এগুলো নানার বাহানা করে। তাদের কে ১৫০০টাকা থেকে ২০০০টাকা ঘুস দিলে কোনো ধরনের কাজপত্র লাগেনা e passport officer যারা টাকা না দেয় তাদের কে এইটা নাই ওইটা নাই বলে reject করে দেই পরে বাধ্য হয়ে officer দের নিজের দালাল চক্রের কাজে টাকা দিলে জমা নেওয়া হয় না দিলে হয় না
শিক্ষা অফিসে যেকোন কাজে ঘুষ দিতে ৷ তার মধ্যে রংপুরের শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের সন্তুষ্ট না করলে হয়রানির শেষ থাকে না ৷ এই ভুল সেই ভুল, ফাইল হারায় যাওয়া কত কাহিনী ৷ এগুলো দেখার কেউ নাই…
আমার হেভি ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে, তবে সেটা হলো অনলাইন কপি, আমি আজ থেকে পাঁচ মাস আগে লাইসেন্স প্রাপ্ত হই। বর্তমানে আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য আবেদন করব তাই ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড প্রয়োজন। বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড দেওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে সরকারি ফি নিয়েছে। কিন্তু বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড দিতেছে না, বলছেন কার্ড প্রিন্ট বন্ধ আছে। কিন্তু অফিসে যোগাযোগ করার পর তারা আমাকে বলেছেন ১২০০০ টাকা দিলে তারা কার্ড প্রিন্ট করে দেবে। ১২০০০ টাকা আমার কাছে নেই আমি কিভাবে দেব, আমি একজন ড্রাইভার মানুষ। ঘটনাটি ঘটেছে বিআরটিএ মেট্রো সার্কেল-৩ দিয়াবাড়ি উত্তরা ঢাকা।
জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে রাখা হয়েছে, শুধু সেটা আলমিরাহ বা কম্পিউটার থেকে বের করে দিবে। সেজন্য গ্রাম পুলিশ কে দিতে হবে ১৫০ টাকা। জন্ম নিবন্ধন বানানোর জন্য প্রথম ৫০০ দিয়ে আসছি। ডিজিটাল সেন্টারের লোক, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব টাকা ছাড়া কিছু বুঝেনা। শুধু টাকা দেও, টাকা দেও।
In firmgate that traffic sergeant asked my bikes paper, my bike is old and doesn’t have digital number plate but old number plate with all documents were up to date, so I handed over all the papers and he asked me why I didn’t changed my old number plate to digital one. I told him “is it mandatory“. By that time he started filing a case , I asked why you are putting my details in your pos machine, he replied you have to accept a case, I said “Why”? He replied I am giving you a small case of taka 2000 but if you pay me 1000 taka then I won’t file any case, I was extremely shocked and speechless , I was thinking “what the hell, what is my fault “ and I refused to pay him so he filled that case
.৫৮ শতাংশ জমি বিক্রয় অনুমতি প্রদান বাবদ আমার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করি। আমি একজন সাধারণ শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও তারা আমাকে দীর্ঘ এক বছর যাবত বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার করে । এছাড়া প্রায় এক লক্ষ টাকা সরকারি বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন ফি বাবদ জমা নেয়।
ভূমি অফিসের ঘোষের সংকিপ্ত নাম হচ্ছে LR, একটা ভুমি সেবা সহায়তা কেনদ্রের আবেদন করেছিলাম, উক্ত সেবা কেন্দ্র অনুমোদন দিতে আমার কাছ থেকে 50,000 টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি ঘুষ দিতে প্রত্যাখ্যান করায় আমার কাজ টা হয়নি।
1170 টাকা ফি 6000 টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে।
জমির খাজনা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দিতে গেল ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করে, যেটা দিতে অসীকৃতি জানালে আমাদের সেবা প্রদানে অসহায়তা করে।
আমি একজন রাইডার বাইক নিয়ে ভাড়ায় যাত্রীদের সেবা দিয়ে থাকি প্রতিদিন কিন্তু ব্রীজ হাইওয়েতে যেখানে অটোরিকশা চলার কথা নই সেখানে পুলিশ ও ট্রাফিক বাহিনী অটোরিকশা চালক থেকে টোকেন দিয়ে গাড়ী চালার অনুমতি দেই আর বাইকার দের না দারানোর জন্য নতুন ব্রীজ ট্রফিক পুলিশ মামলা দে বাইকার দের যেখানে তাদের সামনে অনিয়ম করে টেম্পু বাস লেগুনা অতছ টাকা নেই বাইকার দের থেকে মামলা না দেওয়ার জন্য টাকা চাই ২হাজার ৩হাজার
নামজারি করতে ৭০০০ টাকা দিতে হবে না হয় হবে না।
Ac land k টাকা দিতে হবে।উনি টাকা ছাড়া নামজরি ফাইল ধরে না।
এন আইডি কার্ড এর সংশোধন এপ্লিকেশন করেছি ১ বছর আগে, এক বছর পরেও যখন কাজ হচ্ছিলো নাহ। তখন নির্বাচন কমিশন অফিসে একজনের সাথে যোগাযোগ করি। উনি আমায় এক দালাল দেখিয়ে দেয় যা উনারই লোক ছিলো। দালাল আমার থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে আমি বলি আমার কাছে এত টাকা নাই। তখন দালাল বললো। টালা না দিলে আপনার কাজ ও করবে না অফিসার। পরবর্তী তে আমি কাজ করি নি এবং আমার কাজ এখনো পেন্ডিং এ রয়েছে
আমাদের শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর যে সরকারি বরাদ্দ আসে তা প্রধান শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ছাড়া কেউ জানে না। সেগুলো গোপনে শিক্ষা অফিস ও প্রধান শিক্ষক সবই ভক্ষণ করে। এমনকি যাদের স্বাক্ষর সেই বরাদ্দ তুলতে দরকার হবে সেটিও জাল করে প্রধান শিক্ষক। এবং একজন শিক্ষক কোন দিন স্কুলেই যায় না, সহকারী শিক্ষা অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে টাকা ও খাতিরের বিনিময়ে ম্যানেজ করে চলে! এবং অধিকাংশ প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের আগমন সময় ঠিক রেখেই শ্যামনগর শিক্ষা অফিসে কাজ আছে বলে প্রস্থান করে।
নতুন বৈদ্যুতিক মিটার নামিয়েছি গত ২ বছর আগে, তখন জানতাম না কত টাকা লাগে, আমাদের থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছে + খাম্বা থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত সার্ভিস তার আমাদের টাকা দিয়ে কেনাইছে। আমাদের মিটারে লোড ১ কিলোওয়াট ও লাগেনা কিন্তু ওনারা ইচ্ছা করে ৪ কিলোওয়াট দিয়ে দিছে আমাদের না জানিয়ে। প্রতি মাসে এর জন্য বারতি ১২৬ টাকা করে কেটে নিচ্ছে কোনো প্রয়োজন ছাড়া। যখন তাদের সাথে যোগাযোগ করলাম কিলোওয়াট কমানোর জন্য আমার কাছে ৭০০ টাকা ঘুষ চাইলো। মানে এমন একটা কারনে ঘুষ চাইলো যাতে আমার কোনো দ্বায় ই নেই। তখন বুঝতে পারলাম ওরা ঘুষ খাওয়ার জন্যেই ইচ্ছাকৃত ভাবে সবার মিটারে কিলোওয়াট বাড়িয়ে দেয়। খুলনা পাওয়ার হাউস মোরে অবস্থিত ওয়েস্ট জোন পাওয়ার
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি দুর্নিতি ও ঘুষ কারবার চলে কুমিল্লা বি আর টি এ তে, এখানে গোপনে সাধারণ জনগণের থেকে প্রচুর পরিমাণ ঘোষ নেওয়া হয়, ৪০-৫০ জন দালাল কাজ করে এই বি আর টি এ তে, এখানে এদের ধরতে হলে সিভিল ভেসে সাধারণ মানুষ সেজে এই চক্রকে শনাক্ত করা সম্ভব। তাই এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি।ইনশাআল্লাহ আশাবাদী এই অভিযোগটি ধ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
একটি কারখানার লে-আউট প্ল্যান অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে আবেদন করা হলে অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিনিময়ে আনুমানিক ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা অনানুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দাবিকৃত অর্থটি সরকারি নির্ধারিত ফি বা চালানের অংশ হিসেবে জানানো হয়নি। অর্থ প্রদান না করলে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রক্রিয়া বিলম্বিত বা জটিল হতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, ঘটনাটি গোপনীয়ভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।
জমি নামজারি কারতে গেলে তারা বলে দলিলে হাল দাগ উল্লেখ নাই তাই নাম জারি হবে না। কিন্তু ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে ১ দিনের ভিতর করে দিবে।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছি যাওয়ার পরে আমার নামে কোন ভুল না থাকার পরও বলতেছে সে নামে ভুল আছে। বলতেছে সব ঠিক করে দেবো ৮হাজার টাকা লাগবে