ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট। ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

আমার হেভি ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে, তবে সেটা হলো অনলাইন কপি, আমি আজ থেকে পাঁচ মাস আগে লাইসেন্স প্রাপ্ত হই। বর্তমানে আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য আবেদন করব তাই ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড প্রয়োজন। বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড দেওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে সরকারি ফি নিয়েছে। কিন্তু বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড দিতেছে না, বলছেন কার্ড প্রিন্ট বন্ধ আছে। কিন্তু অফিসে যোগাযোগ করার পর তারা আমাকে বলেছেন ১২০০০ টাকা দিলে তারা কার্ড প্রিন্ট করে দেবে। ১২০০০ টাকা আমার কাছে নেই আমি কিভাবে দেব, আমি একজন ড্রাইভার মানুষ। ঘটনাটি ঘটেছে বিআরটিএ মেট্রো সার্কেল-৩ দিয়াবাড়ি উত্তরা ঢাকা।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১২,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট।
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য