নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি সহ পাঁচজন গিয়েছিলাম জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে। সকল কাগজপতি ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘোরানোর কারণে বিরক্ত হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পর। সময় শেষ হওয়ার পরেও পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ শেষ করতে পারি। এমনিতেই পাসপোর্ট অফিসে চারটার পরে কাগজ জামা নেই না। কিন্তু টাকা দেওয়ার কারণে ছয় টার পরও কাজ করতে পেরেছিলাম। শুধু ঘুষ দেওয়ার কারণেই। আমার মত হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার।
সিটি করপোরেশনের আওতায় জমি থাকার কারনে গ্যাস লাইন সংযোগের জ একটি এক রুমের টিনের ঘর বানিয়ে ছিলাম। সেটাকে সিটিকরপোরেশনের লোকরা একটা কাচা পাকা বাড়ি দেখায়। যা থেকে আমাদের কোন আয় হতো না। সেখান থেকে তারা ২৮০০০ টাকা আয় দেখায়। পরবর্তীতে জানতে চাওয়া হলে বলে এই নাম কাটতে হলে ২৫০০০ টাকা লাগবে। আর যদি এই নাম এখন চেঞ্জ না করেন তাহলে আগামী ২০ বছর এই টেক্স পাকা বাড়ি হিসেবে দিতে হবে। তখন বাধ্য হয়ে তাদের দিতে হয়েছে।
বিআরটিএ'র লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার কথা বলে আমার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা নিয়েছে।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এর সংলগ্ন এবং অত্র প্রতিষ্ঠানে অডিটোরিয়ামে ভাড়া নেওয়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর কর্মকর্তা বেতন থেকে টাকা কেটে নিজের কাছে রেখে দেয় এবং পরে নিতে বলে, পরে চাইলে আর ফেরত দেয়নি । এমনকি পরবর্তীতে মিটিং এর ট্রেনিং এ অংশগ্রহনের সম্মানীর কয়েক হাজার প্রাপ্য সম্মানীর টাকা চাইলে উল্টা হুমকি স্বরূপ ১৫০,০০০/- দাবি করে ।
২০২২ সালে বাংলাদেশ বিমানে চাকরির জন্য আমি নির্বাচিত হই। পরবর্তীতে চাকরির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভেরিফিকেশন রিপোর্টের জন্য বাংলাদেশ বিমানের এইচআর বিভাগ থেকে আমার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি চিঠি পাঠানো হয়। উক্ত চিঠির ভিত্তিতে ডিএসবি (DSB)-এর একজন এসআই আমার পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে জানান যে, টাকা না দিলে আমার বিরুদ্ধে খারাপ/নেতিবাচক ভেরিফিকেশন রিপোর্ট দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমাকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত আমার কাছ থেকে মোট ৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়। চাকরির ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অর্থ দাবি ও নেওয়ার ঘটনায় আমি অত্যন্ত বিব্রত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড
নামজারী করাতে গেলে ৫০০০ টাকা চায়, আমি দিতে বাধ্য কারে। ৩ মাস হয়ে গেছে তাও কাজটা কারে দেয় নাই। টাকা আগেই নিয়া নিছে।
বোনে ভাইকে সম্পতি মৌখিক ভাবে দান করে দিয়েছিলো, সে মোতাবেক ভাই বি এস দলিল সৃজন করিয়াছেন, এখন বোন ঘোষণা পত্র দলিল দিতে চাইলে ভূমি অফিস ৬৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে, বাধ্য হয়ে আমি তা পরিশোধ করেছি
বিদেশে চাকরির জন্য ম্যানপাওয়ার করতে গিয়েছিলাম। আইডি কার্ড না থাকায় ফিঙ্গার করতে পারি নাই। উনারা সরাসরি না বলে দিলো আইডি না থাকলে ম্যানপাওয়ার করা যায় না । ঠিক তখনই একজন তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তির খোঁজ পাই। উনি ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দেন। অথচ সিস্টেম চেঞ্জ হলেও আমরা কিছুই জানি না ।
বন্দর এসি লেন্ড রুপালি খাজনা বাবদ। কম্পিউটার অপারেটিং ম্যান বয়স আনুমানিক ২৬ বা ২৭ গায়ের রং ফর্সা
আমি আমাদের জমি নামজারি করতে গেলে বলে সরকারি ভাবে করলে অনেক সময় লাগবে আবার নাও হতে পারে।অথচ সরকারি ফি মাত্র ১১৫০ টাকা।আর যদি কনটাকে করি তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।টাকা লাগবে ৬০,০০০।
২০২৩ সালে আমি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জয়েন করে এমপিও ভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করি। তখন এই আবেদন আড়াইহাজার উপজেলা থেকে নারায়নগন্জ জেলায় ফরওয়ার্ড করার জন্য আমার কাছে ৫ হজার টাকা খরচ চাওয়া হয়। আমি পরিশোধ করি।
বাড়ির টেক্স আর জমির খাজনা বাবদ মন গরা টাকা চায় আমি জিগ্গেস করলাম সরকারি ফ্রিস কতো সে মনগরা একটা বলে দেয় এতো টাকা লাগবে পরে জানতে পারলাম সরকার এর ফ্রিস আর ও অনেক কম তাই পরে জখন বললাম সরকার এর যত টাকা নির্ধারণ করছে এক টাকা বেশি দিবোনা সে ভয় বিতি দেখায় এই হয়ে জাবে সেই হয়ে জাবে কি আর করার গ্ৰামের মানুষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না ৫০০০টাকায় লফাদফা করা হয় যেখানে এর লাগতো ২০০০টাকার মতো
মোবাইল কোর্টের মামলার নথির নকলের জন্য তলব করিলে উক্ত নকলের নথি আটক রাখিয়া টাকা দাবী করে।টাকা না দেওয়ার কারনে নকল আটক রাখে পরবর্তিতে আমি ১৫০০ টাকা দিলে সে নকল না দিয়ে আটক রাখে।
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক সুনামধন্য মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা ৮ একত্রে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমাদের মাদ্রাসা প্রধান বেশ নমনীয় ছিল।এমপিওভুক্তির পর তিনি আমাদের সকলের নিকট ১৫০০০ টাকা করে মোট ১২০০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন। তা না দিলে আমাদের চাকরি করতে দিবেন না। তার শ্বশুরমশাই এর প্রতিষ্ঠান। পরবর্তিতে তাকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংশা করা হয়েছে। প্রতি বছর তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী এবং শালা বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য আমাদের বেতন থেকে চাঁদা নেয়। এবং তা দেয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিষ্ঠানে তার বংশের অনেকেই চাকরি করছে নকল এমপিও দিয়ে।
আমার স্ত্রী দিরাই উপজেলা থেকে জামালগঞ্জ উপজেলায় অনলাইনে বদলির আবেদন করেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন যাওয়ার পর ত্রুটি দেখিয়ে বদলি আটকে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে অফিস সহকারীর মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। বদলির পর দিরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়পত্রের জন্য আরও ১২,০০০ টাকা নেন। পরে জামালগঞ্জে যোগদানের সময় আবার বাধা সৃষ্টি করে অফিস সহকারী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জন্য আরও ১৬,০০০ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে একটি অনলাইন বদলি সম্পন্ন করতে মোট ৮৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
সর্বপ্রথম আমি ওখানে পাসপোর্ট বানাতে চাই তখন একজন এসে বলে যে খুব দ্রুত পাসপোর্টটি আমরা করে দেবো । কিন্তু পাসপোর্ট বানাতে যে পরিমাণ টাকা লাগে তার থেকে দ্বিগুণ তারা টাকা চাচ্ছে । ঘটনাটি হচ্ছে ২০১৮ সালের
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
ঢাকা জেলা জজ আদালত এ সিভিল কোর্ট কমিশনার হিসেবে তালিকা ভুক্ত হয়েছি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী আদালত হতে আমাদের আইডি কার্ড ও অনলাইনে যুক্ত করার জন্য 10000 টাকা দাবি করছিল,তা এখনো দেই না।
ভোটার আইডি কার্ডে বাবার নাম সংশোধন করার জন্য ৩০,০০০ টাকা চেয়েছে পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি
চারঘাট,,, রাজশাহী পরিসংখ্যান অফিস এক পিয়ন ৫০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।। কাজ তারাতারি করার জন্য।। আমার নানার প্রভিডেন্ট ফান্ড টাকা তারাতারি তোলার জন্য