নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অভিযোগের বিষয়: বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষে দালালদের মাধ্যমে ফাইল অনুমোদন ও সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ মিরপুর-১৩ বিআরটিএ কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষকে কেন্দ্র করে একটি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু দালালের ফাইলে একটি বিশেষ ধরনের চিহ্ন/সংকেত ব্যবহার করা হয়। ওই চিহ্নযুক্ত ফাইল দেখলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই দ্রুত ফাইলটি অনুমোদন করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে এসব দালালের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ নেওয়া হয়। অন্যদিকে, যেসব ফাইলে ওই বিশেষ চিহ্ন থাকে না এবং যারা কোনো দালালের সহযোগিতা না নিয়ে নিজেরাই নিয়ম মেনে কাজ করতে চান, তাদের বিভিন্ন ছোটখাটো অজুহাত দেখিয়ে বারবার ফেরত পাঠানো হ
আমার সমস্ত কিছু ঠিক থাকার পরেও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে ছি আমার কাছ থেকে টাকা বেশি নিয়েছে এবং কি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আমাকে ভিতর থেকে ঘুরে দিয়েছে তারপর আমি দালাল ধরতে বাধ্য হয়েছে দালাল ফোন করার পর সবকিছু ঠিক করে দিয়েছে তারপর সবকিছু জমা নিয়েছে একসাথে
motor saykel vat per head-100 tk. retan poti mash , fixced 2500 taka. 50 gari sales 50/100=5000 taka
আসসালামু আলাইকুম অভিযোগটি টাংগাইল পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ঘটনা। পাসপোর্ট এর আবেদন ও ফি বাবদ ৬০০০ টাকা খরচ হয়েছিল।যখন ফিংগার দিতে যাই বিভিন্ন অজুহাতে তারা ফেরত পাঠিয়ে দেয়।একবার বলে কাজ করেন এটার প্রমাণ লাগবে,নাম্বার চেঞ্জ করতে হবে ইত্যাদি।আমি ঘুষ ছাড়া ফিংগার দেওয়ার চেষ্টা করেছি কয়েকদিন।যখন ওখানকার সিকিউরিটি বলল ১৫০০ টাকা দিলে আপনার কিছুই লাগবে না তখন বাধ্য হয়েই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে সরাসরি ফিংগার দিয়ে আসছি।পরে শুনলাম যে অফিসার কাগজ যাচাই করে সে নাকি ১৪০০ টাকা ঘুষ নেয়। এই তিক্ত অভিজ্ঞতা এখন ও মাঝে মাঝে মনে হয়।
নানাভাবে একের পর পর অজথা ভুল আছে, ভুল আছে বলে বলে ধাপে ধাপে আমার থেকে অনেক টাকা তারা দাবি; না দেওয়ায় নামজারি বাতিল। দর কষাকষি করে, টাকা প্রদানের পরে ৭ দিনে নতুন নামজারি মঞ্জুর করে সব হাতে বুঝিয়ে দেন।
sobai day tai ami o disi na dile karor ta e hoy an
আমার কাছ থেকে বিএমটি Card বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়েছে।
জমি রেজিস্ট্রির করতে ১% অলিখিত ভাবে দিতে সাবরেজিস্টার কে এবং যে হাতের আঙুলের ছাপ নিবে তাকে ২০০-৫০০ টাকা পূযন্ত কারন টাকা না দিলে দেরী করে এবং পিছনে পিছনে আসে..এটা অলিখিত ঘুষ সবাই অবস্হ
আমি আমার নামজারী করতে ভূমি অফিস নারায়নগঞ্জ(সিদ্দিরগঞ্জ AC LAND OFFICE দুই বার Apply করি। ঘুষ না দেয়ায় দুই বার ই রিজেক্ট হয়।
After missing report I was waiting for 3 days. Then I paid 5000 for getting GPS location of my missing brother.
আমার বয়স ১৮ এর কম হওয়ায় বলেছে পাসপোর্ট করা যাবে না। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকায় বিনিময়ে তারা কোন কাহিনী ছাড়াই করে দেয়।
ঢাকা পিজি হাসপাতালে আমার আঙ্কেলের জন্য আইসিইউ ব্যবস্থা করতে ৮০০০টাকা দিতে হইছিলো
লাকসাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট উঠাতে গেলে কেরানি ১০০টাকা করে দাবি করে।
আমার বাবা মারা গেছেন ২০১৫ সালে। সে পর্যন্ত ভূমির কর দেয়া ছিলো, এরপর কর দেয়া হয়নি। এখন অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে জানতে পারি খতিয়ানের নামজারি করতে হবে আমরা যারা ওয়ারিশ আছি। অনলাইনে আবেদন করেছি, করার পরে বাউনিয়া ভূমি অফিস সংলগ্ন যেসব কম্পিউটার দোকান আছে সেখানেই মুলতঃ আবেদন করতে হয়, আর মেইন অফিসে গেলে কেউ কোন সদুত্তর দেয় না। তারা কম্পিউটার দোকান দেখিয়ে দেয়, যার কারণে ওদেরকে জিজ্ঞেস করি ওরা বলে এই কাজ আপনি এমনিতে করাতে পারবেন না, ঘুষ না দিলে কাজ ভুল করবে প্রতিবেদন ভুল করবে। এর জন্য ৫০০০০ টাকা দিতে হবে। আমি এখনো বুঝতে পারছি না কি করা উচিত। তারাও এইভাবেই কাজ করে।
আমি জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট করতে। আমার সাথে আমার ওয়াইফ কে নিয়ে গেছিলাম। সকল কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও। আমার কাগজ বারবার ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাহিরে আসার পর। ২ হাজার টাকা একজন দালালকে দেওয়ার কারণে। পরবর্তীতে আবার যখন কাগজ নিয়ে যায় সাথে সাথে জমা নিয়ে নেন। শুধু ঘোষের বিনিময়ে কাগজটা জমা হয়। আমি চাচ্ছিলাম ঘুষটা না দিতে। কারণ এই পাসপোর্ট এর মাধ্যমে সে ওমরাতে আসবে। কিন্তু বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ টা দেয়। আমি দ্বিতীয় তলায় নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও গিয়েছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
আমি নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক অফিসে, অফিস সহকারী হিসেবে রিটেন পরিক্ষা দেই এবং পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হই। তখন আমার মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। কিন্তূ ১৩,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে চাকরিটা দিয়ে দেন।
ঘুস চায় নামজারি করতে
পাসপোর্ট করতে এবং পুলিশ পরিদর্শক কতৃক তদন্তের সময় সে ও ঘুস চায়।
পেনশনের টাকা তুলতে যেয়ে নমিনির সমস্যা দেখিয়ে পঁচিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে এবং এটা পরিশোধ করার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে
আমি সহ পাঁচজন গিয়েছিলাম জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে। সকল কাগজপতি ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘোরানোর কারণে বিরক্ত হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পর। সময় শেষ হওয়ার পরেও পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ শেষ করতে পারি। এমনিতেই পাসপোর্ট অফিসে চারটার পরে কাগজ জামা নেই না। কিন্তু টাকা দেওয়ার কারণে ছয় টার পরও কাজ করতে পেরেছিলাম। শুধু ঘুষ দেওয়ার কারণেই। আমার মত হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার।