নাই
পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডে বোরোপিট লিজ ১২৫০০০ দাবি না হলে কাজ করবে না, মুল রাগবে ২৫০০০ হাজার।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডে বোরোপিট লিজ ১২৫০০০ দাবি না হলে কাজ করবে না, মুল রাগবে ২৫০০০ হাজার।
একটা মামলা করতে গেলে ওসি ৫০০০০ টাকা চায় রেকর্ড করার জন্য। ২০ হাজার টাকা দিয়ে পরে রেকর্ড করেছি।
কর রিটার্ন দেরিতে দাখিল করা হয়। আইনগত জরিমানা ১০০০ টাকা। সেটি দেয়ার পর আরও ৪ হাজার টাকা চায়। কর সার্কেল ৪২৯, আগারগাঁও
আমি সঠিকভাবে ইনকাম ট্যাক্স এর মান্থলি রিটার্ন জমা দিতে যায় সেখানে ইনকাম ট্যাক্স অফিসার আমার কাগজের হাজার রকমের ভুল বের করেন এবং পরবর্তীতে কিছু অফিসের খরচ চান আমি যখন জিজ্ঞাসা করি অফিসের খরচ বলতে কি বোঝাতে চাচ্ছেন তখন তিনি আমাকে বলেন এটাই এখানে সিস্টেম তাকে অফিস খরচ বাবদ যদি ২০০০ টাকা দেওয়া হয় প্রতি মাসে তাহলে আমি মোটামুটি একটা ইনকাম দেখিয়ে রিটান জমা দিতে পারব তারপর আসে কম্পিউটার অপারেট অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য তাকে দিতে হয় দুইশত টাকা পরবর্তীতে যেটা বুঝতে পারলাম এখানে যেই কয়জন ব্যবসায়ী রিটার্ন জমা দিতে আসে প্রত্যেকেরই এই অফিসারদের সাথে চুক্তি আছে তারা ইচ্ছামত ইনকাম দেখিয়ে রিটার্ন জমা দেয় এবং ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া হয়
আমাদের এলাকায় সারাব মৌজায় BDC জরিপ চলছে। এখানে আমার তিনটা প্লট আছে। এই প্লটের পর্চা আন্তে গেলে সেখানকার অফিসের কর্মকতারা১৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। না হলে জমির পরিমান পড়ছে কম দেখাবে। অথচ আমার ক্যান খারিজ সব হালনাগাদ করা আছে।
Was told by the officials there, Dalal Chara Upay nai.
ডিলারের কাছে সার নিতে গেলেই বলে স্যার নেই কিন্তু প্রস্তাবটি ১৯৫০ টাকা দিলে স্যার পাওয়া যায় তা না হলে পাওয়া যায় না তাদের গোডাউনে প্রচুর পরিমাণ সার আছে কিন্তু গ্রাহকদের চাষাবাদের জন্য সার দেওয়া হচ্ছে না তারা স্যারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে জনপ্রশাসনের দেখার মত কেউ নেই যারা যায় তারা ঘুষের টাকা নিয়ে চলে আসে যার কারনে কৃষকের ধান সরিষা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, কক্সবাজার সদর ভূমি অফিসের দেয়ালেই বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে, "দালাল ধরে প্রতারিত হবেন না, নামজারির সরকারি ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা।" কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা যেন সেই লেখার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে। যেখানে সাধারণ মানুষকে দালালের হাত থেকে রক্ষা করার কথা, সেখানে সরকারি সেবা নিতে গিয়েই যদি বিভিন্ন টেবিলে আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ আসলে কোথায় যাবে? আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে, কক্সবাজার সদর ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া স্বাভাবিকভাবে কাজ করানো অত্যন্ত কঠিন। পরিস্থিতি এমন যে, মনে হয়, টাকা ছাড়া কোনো ফাইলের একটি পৃষ্ঠাও বাতাসে নড়ে না। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার প্রশ্ন, সরকারি নির্ধারিত ফি ১,১৭০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও কেন অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে?
টাকা আর ও দাবী করে আমি এখন আর টাকা দিবো নাহ।
shebati chiilo meter checking amar otirikto bill ashay ami meter checking er jonno service complaint kori unara eshe bujhiye diye giye bollo service charge 690 taka ata bill baniyee naki meter theke katbe pore 500 chaile kono moto 200 taka porishod kora hoy na pere aita ki new bangladesh?
লাইসেন্স প্রতি ৫০০ টাকা না দিলে নিচ্ছে না, ফেরত দিয়ে দেয়।
সরকারি কর্মকর্তারা অর্জিত ছুটি নিতে হলে হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে ছুটির প্রাপ্যতা নিতে হয় (যার ১টি নির্দিষ্ট ফরম আছে) । এ প্রাপ্যতা নিতে হলে হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটররা স্বভাবগত ভাবেই কিছু ঘুষের দাবী করে। সরকারি কর্মকর্তা হয়েও এ ব্যপারে মানসিক যন্ত্রণায় আছি। যারা ঘুষখোর কর্মকর্তা তাদের কাছে এটা কোন ব্যাপারই না। চট্টগ্রাম ২নং গেটের পাশে হিসাব রক্ষণ অফিসে ছুটির প্রাপ্যতা নিতে ফরম পূরন করে পাঠিয়েছি আজকে এক মাসের বশি হয়েছে কিন্তু ৫০০ টাকার জন্য ছাড়ছে না। তার জন্য আমার ভাতাসহ শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রায় ১ মাস পিছিয়ে যাচ্ছে। এতে আমি আর্থিক ও মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। অথছ আইবাসে ছুটি হিসাবের ১টি আইকন আছে, এতে ইনফর্মেশন দিয়ে রাখলে এ ফরমেরই দরকার ছিল না। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ভুমি নামজারি করতে গেলে উনারা অতিরিক্ত ৫০০০৳ ঘুস দাবী করে
লাগেজ চেক করা শেষে বডি স্ক্যান এবং ইমিগ্রেশন এর পূর্বে একজন অফিসার ছিলেন,যিনি একে একে সবাইকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার মাধ্যমে পাসপোর্ট আটকে দেন।সেখানে সরকারি কর্মীদের বাইরে ৪ʼ৫ জন বহিরাগত লোক ছিলেন,অফিসারদের হোয়ে ভয় ভিতি দেখায় এবং ইমিগ্রেশন জন্য না না অজুহাতে টাকার দাবি করে।আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় টাকার দিতে বাধ্য হই।শুধু মাত্র আমি নই,আমার একই বাসে ১৭জন ভ্রমণকারির সাথে একই ঘটনা ঘটেছে।
বিআরএসপি (BRSP) বা বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট (Bangladesh Road Safety Project) হলো বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার প্রথম একটি নিবেদিত ও বড় প্রকল্প| এখানে আমাদের পরীক্ষা ও ভাইভা এর মাধ্যমে বাছাই করে 4 মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে Professional license দেওয়ার নিয়ম এবং আমাদের যাতায়াত বাবদ দৈনিক হিসাবে একটা টাকা বরাদ্দ থাকে যেটা final পরীক্ষা তে উত্তীর্ণ হওয়ার পর দেওয়ার নিয়ম| কিন্তু এই প্রকল্পের সাথে যারা জড়িত নথুল্লাবাদ BRTC এর কর্মকর্তা এবং তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা রা একটি সিন্ডিকেট করে আমাদের প্রত্যেকের থেকে 2700 টাকা দাবি করে যেটা সম্পূর্ণ অনৈতিক কারণ জানতে চাইলে বলে টাকা না দিলে written and practical exam এ পাশ করলেও ভাইভা তে ফেইল করাই দেবে।
আমি Polytechnic এর ভর্তি পরিক্ষা দিতে গিয়েছিলাম পরিক্ষা দেয়ার শেষে বাইক সার্ভিস দিতে Suzuki bike service center এ যাই তখন আমার বাইক নিয়ে মামলা দিবে বলে। পরে ৬০০০ টাকা দাবী করে পরবর্তীতে আমাকে একটা চা দোকানে নিয়ে যায় সেখানে যাওয়ার পরে বলে ওই পাশে বিকাশের দোকান আছে অখানে দেও টাকা। পরে আমি গিয়ে অখানে বসি এরপর পুলিশ বলে দোকানদারকে টাকা দেও আমি পরে ওই বিকাশে দোকানে ৫০০ টাকা দিলে আমাকে বাইক চাবি দেয় বলে সোজা চলে যেতে।
বাচ্চার পাসপোর্টে উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে বাবা মায়ের দুই জনের অনুমতি পত্রে সাক্ষর চাচ্ছে, বাবা অনেক দূরে ব্যস্ত এখন আনসারের সাথে কথা বলার পর বললো ১৭০০ টাঁকা দ্যান কোণ টেনশন করা লাগবে না সব হয়ে যাবে। বাচ্চার অনুমতি পত্র লাগব এটা কোথাও লেখা নাই পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে , এমনকি অনলাইনে কোথাও এটা বলা হয় নাই উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের এই ফর্ম টা অনলাইনেও কোথাও নেই। তো এটা ঘুষ খাওয়ায়র জন্যই ডিজাইন করা একটা সিস্টেম । তাছাড়া বাবা ব্যস্ত থাকলে ঘুষ দেয়া ছাড়া উপায় নাই কারো যদি জানা না থাকে অথবা দালাল না থাকে।
আমি আমার ক্রয়কৃত জমির নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে যাই। ভুমি অফিস থেকে বলা হয় আমরা ব্যস্ত আছি আপনি বাহিরের কম্পিউটার থেকে আবেদন করে এসে আবেদনের কপিসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এই অফিসে জমা দিয়ে যান। আমি তাই করি। তারা আমাকে বলে এই অফিসের কাজ সম্পন্ন হলে আমার আবেদনটি উপজেলা অফিসে পাঠিয়ে দিবে। কিন্তু 7দিন হয়ে গেলেও মোবাইলে কোন মেসেজ পাইনি। 7দিন পর ভুমি অফিসে গিয়ে আমার আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে আপনার আবেদনে ভুল আছে। তাই পাঠাইনি। আবেদনটি ঠিক করে পাঠিয়ে দিবে কিন্তু তাদের 8000/- টাকা দিতে হবে। আমি বলি নামজারি করতে 1100/- সরকারি ফি দিতে হয় বেশি দিবো কেন? ভুমি অফিস থেকে বলে আমরা করে দিতে পারব না। আমি 5000/- দিতে চাইলেও তারা রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্তু আমি 8000/- (আট হাজার) টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার নামে কোনো ধরনের অপরাধের অভিযোগ বা মামলা না থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC) প্রদানের জন্য আমার কাছে ৬,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। উক্ত সেবার জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি হিসেবে আমি ইতোমধ্যে ১,৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি। এরপরও অতিরিক্ত ৬,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে, যা সরকারি ফি-এর বাইরে অবৈধ অর্থ।
জমি নাম খারিজ করতে আমার কাছে অতিরিক্ত করতে বলে, আমি একজন বেসরকারি চাকুরীজীবি বাড়ি অনেক দুরে থাকি,এবং পরিবারে সহায়ক কেউ নেই, বিধায় আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়।