নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২৩ সালে চট্টগ্রামে কোতোয়ালি থানার অধিনে প্রাইমারিতে আমার চাকরি হয়। আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্ব পড়ে দামপাড়া পুলিশ লাইনের একজন এস এই কর্মকতার। যেখানে আমার সকল শিক্ষাগত সনদ যাচাই করার কথা উনার সেই জায়গায় আমাকে দিয়ে আমার সনদগুলো যাচাই করিয়ে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তকর কথা মত নিরুপায় হয়ে কাজগুলো করার পর উনি ৩০০০ টাকা দাবি করে বলেন টাকাটা উনার জন্য না, তবে টাকা না দিলে নাাি ২ মাসেও আমার ভেরিফিকেশনের কাজ কর্তৃপক্ষরা ধরে ও দেখবে না৷ তাই টাকাটা আমাকে দিতে হয়।
বদলীর জন্য হার্ডকপি আবেদন করতে বলা হয়েছিল। সময় ছিল সেপ্টেম্বর মাসের ৬ তারিখ বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আমি সরাসরি যেতে পারব না, তাই বুধবারের মধ্যে ডাকে না দিলে ফেরৎ আসবে। এদিকে আমার সুপার টাকা ছাড়া ফাইলে স্বাক্ষর করবে না। দীর্ঘদিন পরিবার ছেড়ে দুরে আছি, তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে ফাইলে সুপারিশ নিতে হয়েছে।
Amar cousin ek pobasi & unti k nir oprade police dore niye gece .Police o jane ora porad korni..oderk dore niye geye mamla dilo...abr neta k niye geci bahir korar jnno..neta bollo mamla halka korar jnno tk dite hoybe police k Asol oparadi na dore .Nirho manusk dore niye tk kawar danda
শম্ভুগঞ্জ অফিসের বিদ্যুৎ এর বড় স্যার রাঘব বোয়াল। হের কাছে একটা মিল করার জন্য কানেকশন আনতে যাই। ৫ লাখ টাকা দাবি করে ট্রান্সফার সহ লাইন করে দেওয়ার জন্য। কত শত নিয়ম দেখায়। আমাকে কোন রকমের রিসিট দেয় নাই ৫ লাখ টাকা ক্যাশ নেয় তার সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে। পরে লাইন করে দেয়।
রিপোর্টের বিষয় : আইন অমান্য করা। আমি একজন স্টুডেন্ট। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার আগে শিক্ষাবোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো কোনো প্রকার টাকা নিলে তা অপরাধ বলে গন্য হবে। অথচ প্রতিটা পরীক্ষার সময় আঙ্কেলরা এসে টাকা নিয়েছে। একটা ঘটনা বলি, একটা ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় একজন আঙ্কেল এসে বলে ৫০ টাকা দাও। আমি বললাম, কত? ৫০? তারপর তিনি আমাকে বলছে, কেনো ৫০ টাকা কি কখনো চোখে দেখো নাই? তারপর আমি উনাকে ৩০ টাকা দিয়েছি। (প্রতি পরীক্ষাতেই গড়ে ৩০/২০ করে নিয়েছিলো বিধায় আমি এই মন্তব্য করেছি।) বলাবাহুল্য উনার কথায় আমি অপমানিত বোধ করেছি। ৩০+৩০+২০+৩০+২০+২০+৩০+৩০ = ২১০/- ( ৮ টা পরীক্ষা) আমি যদ্দূর জানি, শিক্ষাবোর্ডের আদেশ মানা বাধ্যতামূলক। সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ বোধ হয় নোটিশ দেখেনি।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
বাংলাদেশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নরসিংদীতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সকল ব্র্যান্ড শপ/শোরুমকে সপ্তাহে একদিন (বুধবার) বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তারা সেই নিয়ম না মেনে সপ্তাহে ৭ দিনই শোরুম খোলা রাখে। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে প্রতি শোরুম থেকে ১,৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নরসিংদীতে বর্তমানে ২০টির বেশি শোরুম রয়েছে। সে হিসেবে প্রতি মাসে (১,৫০০ × ২০) = ৩০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এভাবে এক বছরে ৩,৬০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমি এই বিষয়টি ডিসেম্বর ২০২৪ সাল থেকে দেখে আসছি। আবার প্রতি ঈদে শর্ট প্যান্ট গিফট নেওয়া হয়। এছাড়াও বছরে দোকান লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফির চেয়ে ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
না দেওয়াতে আমার হাওর ভাতা পোস্টিং দেয়নি TFPA
এ এস ও অফিসার তদন্ত প্রতিবেদন আমার পক্ষে দেবার জন্য টাকা দাবি করে। কিন্তু আমার কাগজপত্র সব সঠিক। টাকা না দেবার কারনে আমার বিপক্ষে রিপোর্ট দেয় । আমি চূড়ান্ত শুনানি তে হেরে যায়। রেকর্ড আর আমার নামে হলো না। অবৈধ মালিকের নামে রেকর্ড হলো
আমার মাকে নিয়ে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু হাসপাতাল গিয়েছিলাম। সকাল ৯ টার কাছাকাছি এই সময় পৌঁছায় সেখানে টিকিট কেটে লাইনে দাঁড়িয়ে নীচে ডাক্তার দেখালাম তারপরে সে কিছু পরীক্ষা দিল যেটা করাতে করাতে প্রায় ৪টার মতো বেজে গেল, যেহুতু আমার ডায়াবেটিস ছিল সেই কারণে অনেক গুলো পরীক্ষা দিয়েছিল, যখন রিপোর্ট গুলো ডাক্তার কে দেখাতে গেলাম গেটে দাঁড়ানো আনসার সদস্য বলছে এখন আর রিপোর্ট দেখবে না সময় শেষ! আমি বললাম ভাই ভিতরে তো ডাক্তার আছে তাহলে কেনো দেখবে না সে বললো স্যার এর সময় শেষ। পরে চলে যাওয়ার সময় আনসার সদস্য আমাকে ডেকে বললো সাইডে আসেন পরে সে বলছে আমাকে কিছু খরচ দেন এখনই রিপোর্ট দেখার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি! পরে আর কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে কিছুতেই মানলো না পরে ৫০০ টাকা নিল
নামজারি, মৌখিকভাবে দাবি করা হয়েছিল
এই যা হয় বাংলাদেশ ১৫০ জায়গায় সার্টিফাইড কপি ১০০০ টাকা দিয়ে নিয়ে আসছে। ভূমি অফিসটি ২ নং ইউনিয়ন মৌলভীবাজার সদর এ অন্তর্ভুক্ত। গভারমেন্টের উচিত এইখানে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
আমি একজন দক্ষিন কোরিয়া প্রবাসী আমি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভূমি অফিসের অধীনস্থ একটি জায়গায় জমি ক্রয় করেছিলাম.জমির মূল্য ছিল 45 লক্ষ টাকা দলিল খরচ পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত তিন লক্ষ টাকা আমার কাছে দাবি করে উপজেলা ভূমি অফিসের দলিল লেখক.আমি প্রথমে ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলাম কিন্তু আমি অনেকদিন চেষ্টা করেও দলিল করতে পারিনি কারণ ওদের ভূমি অফিসের ভিতরে এত বড় সিন্ডিকেট যেটাকা না দিয়ে দলিল করার সম্ভব না কারণ এই ঘুষের টাকা ওরা সবাই মিলে ভাগ ভাগ করে খায়.
আমি একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করছি সেখানে ১৫১৫ টাকা আর এটা থানায় যাওয়ার পরে সেখানে আরো একটি অফিসার আরো ১৪০০ টাকার মত দাবি করে না দিলে আমার কাজটি হবে না বিদায় আমি ওনাদেরকে টাকা দেই কাজটি হয় আর কি আর আমি যদি টাকা না দিতাম ওনারা বলছে যে আমার কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হবে না কিন্তু কোন মামলা টামলা কোন কিছু নাই তারপরও আমার কাছ থেকে ১৪০০ টাকা একটা নিছে সরকারি ফি বাতে উনারা চৌদ্দশ টাকা আমার এখান থেকে নিছে
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে প্রতিটি নতুন ফাইল জমা দিতে ২০০০ টাকা করে দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাহলে ফাইল জমা হয়।
যেকোন কাগজ নোটরি করতে সরকারি ভাবে ২০ টাকা লাগে। উকিল বাবু চায় ২০০ টাকা প্রতিটা পৃষ্টা প্রতি
ময়মনসিংহ জেলার স্টেশন রোডে বিদ্যুৎ অফিসে এসিস্টেন্ট বা সাব এসিস্টেন্ট এর কাছে নতুন কানেকশন বা প্রিপেইড এর লোড বাড়ানোর জন্য গেলে বলে ট্রান্সফর্মার এর লোড নাই। অনেক অনুরোধ করেও আমার নতুন বাসার লাইন তাদের কাছ থেকে নিতি পারি নাই। পরে স্থানীয় এক দালাল এর মাধ্যমে ৬ টা কানেকশনের জন্য আবেদন করলে ঠিকই পেয়ে যাই। খরচ পরে ১০০০০০ টাকা। আমার অফিসেও যাওয়া লাগে নাই।
আমাকে এজেন্সির লোক বলেছে যদি তুমি ১৯ হাজার টাকা দাও তাহলে তোমাকে সব কিছু ঠিকঠাক করে দিবে আর যদি তুমি না দাও তাহলে তুমি ফিট থাকার পরেও তোমাকে হয়তো আনফিট দেখাতে পারে এজন্য আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে
অভিযোগের বিষয়: বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষে দালালদের মাধ্যমে ফাইল অনুমোদন ও সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ মিরপুর-১৩ বিআরটিএ কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষকে কেন্দ্র করে একটি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু দালালের ফাইলে একটি বিশেষ ধরনের চিহ্ন/সংকেত ব্যবহার করা হয়। ওই চিহ্নযুক্ত ফাইল দেখলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই দ্রুত ফাইলটি অনুমোদন করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে এসব দালালের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ নেওয়া হয়। অন্যদিকে, যেসব ফাইলে ওই বিশেষ চিহ্ন থাকে না এবং যারা কোনো দালালের সহযোগিতা না নিয়ে নিজেরাই নিয়ম মেনে কাজ করতে চান, তাদের বিভিন্ন ছোটখাটো অজুহাত দেখিয়ে বারবার ফেরত পাঠানো হ
আমার সমস্ত কিছু ঠিক থাকার পরেও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে ছি আমার কাছ থেকে টাকা বেশি নিয়েছে এবং কি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আমাকে ভিতর থেকে ঘুরে দিয়েছে তারপর আমি দালাল ধরতে বাধ্য হয়েছে দালাল ফোন করার পর সবকিছু ঠিক করে দিয়েছে তারপর সবকিছু জমা নিয়েছে একসাথে