নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানোর সময় সিট পেতে হলে টাকা দিতে হয় দালালকে, অন্যথায় মেঝেতে শুতে হয়।
Ami pasport banaitay gasilam amakay baolay 5 hajar dilay sob.kisu ok koray dibay
আমার বাবার পৈতৃক সম্পদ আমাদের ভাই দের নামে আলাদা নামে নামজারি বা খতিয়ান তৈরি করার জন্য আবেদন করেছিলাম। সরকারি নির্ধারিত অনলাইনে নামজারি বাবদ ফি প্রতিজনে ১১৫০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও মাধাইয়া ভূমি অফিস ( চান্দিনা ভূমি অফিসের একটা শাখা) সেখানে দায়িত্ব রত কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। এবং এটা যদি না দেওয়া হয় তাহলে তারা কোনো কাজ করতে পারবে না সরাসরি জানিয়ে দেন। তাদের ব্যবহার খুবই জঘন্য। এমন কোনো কাজ নেই তারা ঘুষ না নিয়ে করেছে। সরকারি ফি র কথা বললে তারা বলে সরকারের ঘর থেকে গিয়ে করে আনতে। তারা যেটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে। বাধ্য হয়ে আমাদের সকল ভাইদের ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের চা- নাস্তার জন্য।
ফেনী বিআরটিএ অফিসে দালালচক্র ও অনিয়মের অভিযোগ ফেনী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজে আবেদন করে নিয়ম অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অন্যদিকে, দালালের মাধ্যমে কাজ করালে সহজে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং এর জন্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনী বিআরটিএ অফিসের আশপাশে দালালদের নিয়মিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তারা সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে এবং দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
রেজিষ্ট্রী করতে গিয়েছি টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রী হবে না কারণ দাতার নাম স্মার্ট কার্ড এবং দলিলে পার্থক্য। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই রেজিষ্ট্রী করা লাগলো। আমার প্রশ্ন? ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে কি দুই নাম এক হয়ে গেলো?
প্রথমে বললো আমার আবেদন এর কাগজ ঠিক নাই,পরবর্তী আমি বের হয়ে চা খেতে গেলে এক ব্যক্তি এসে বলে ২০০০ টাকা দিলেই সব হয়ে যাবে,তাকে টাকা দিলে সে বলে যে আপনের টা ক্যান্সেল করছে তার কাছে গিয়ে এখন জামা দিয়ে আসেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো সাথে সাথে সে কাগজ নিলো,আর ফিঙ্গার প্রিন্ট আর ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করতে বলো
My mother payed money to গৃহায়ন অধিদপ্তর from 1984 to 2009 as monthly instalment and had all the documents with her . Still the treasury office at sadarghat , Dhaka claimed 150000 taka for clearance letter to me.
আর্জেন্ট দলিলের নকলে ৫০০০/- আর ২০/৩০ দিনে ২৫০০-৩০০০/-টাকা,আমি দিয়েছি নকলের জন্য। এর হাজার প্রমান আছে। যে কোন লোক দলিল উঠালে এই টাকা দিতে হয়।
সরকারি ফি হিসাব করে এবং ব্যাংক ড্রাফ সবকিছু বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে
যেকোনো চাকরিজীবীর হিসাব রক্ষন অফিসে গেলে টাকা লাগে
আমি যখন পাসপোর্ট করি ৪৫০০ টাকা লাগে কিন্তু ওরা ৭৫০০ টাকা ছাড়া কাজ করতে পারবে না।আমি এই অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে আমার কাগজ ফেরত দিয়ে দেয়।বাদ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য লাগে ২৭০২ টাকা আমার থেকে নিছে ৬০০০ টাকা
আমি নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য গেলাম,আবেদন করলাম সিরায়ালে দাড়ালাম ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার জন্য, বললো বাবার ইমেইল দেওয়া নাই, নতুন করে আবেদন করতে ইমেইল সহ,ইমেইল সহ আবার আবেদন ঠিক করে নিয়ে আসলাম,বললো আজকে হবে না, অন্য দিন আসেন। তারপর গেইটের আনসার বললো কাজ হবে টাকা লাগবো ১২০০। একপর্যায়ে আমি দিতে না চাওয়ায়, ওনি বললো আপনার প্রতিদিন ঘুরতে হবে,আর ওনাকে ১২০০ টাকা দিলে এখনই কাজ হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে দিলাম। পরে আমার কাজ ২ ঘন্টার মধ্যে কমপ্লিট করে দিলো,আমাদের এভাবে বাধ্য করে টাকা নেয়।
একটি দেওয়ানি মামলা চিটি পৌঁছানোর খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা দেওয়ানি আদালত।
MRI Security Service job er jonno 600 tk gush cacche
আমার বাবা আলেকজান্ডার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর এর একজন শিক্ষক ছিলেন। উনি চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এরপরে আজ অব্দি ওনার পেনশন, মৃত্যু কালিন টাকা, বকেয়া বেতন কোন কিছুরই কোন কুল কিনারা করতে পারিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে অসংখ্য টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লা অফিসে ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। টাকা দিচ্ছি কিন্তু তারপরেও আজকে এখন পর্যন্ত কোথায় গেলে এই বিষয়ে সমাধান পাব তারও কোন আগা মাথা পাচ্ছি না। খুবই অসহায় অবস্থায় আছি আমরা দুই ভাই। আমাদের মা বাবার মৃত্যুর আগে মারা গিয়েছেন।
ঘুষ যে এত আধুনিক ভাবে নেওয়া হয় এইটা বিআরটিএ এর জোয়ার সাহারা তে না গেলে বুঝতেই পারতাম না জীবনও। তারা হাত এ টাকা নেওয়া বন্ধ করে ফেলছে , আধুনিকায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে । ঘুষ তারা এখন দালালের মাধ্যমে নেই। আমি ক্লাস ফাইভ থেকে বাইক চালাতে পারি, শুধু গাড়ি পারতাম না কিন্তূ পরীক্ষার কয়দিন আগে গাড়িও শিখে ফেলছি । লিখিত, ভাইভা তে পাস করলাম , তারপর দিলো গাড়ির টেস্ট , একটু ভয়ে ছিলাম , গাড়ি এর যে বাজে অবস্থা, মনে হচ্ছিল যে ইঞ্জিন মনে হয় বাস্ট মারবে এখনই, রিভার্স পার্কিং করলাম কোনো ভাবে , পাস হয়ে গেলাম এখন তারা বলল যে বাইকের টেস্টও দিতে হবে । কিন্তু পারলাম না, আবার date নিলাম পরের বার আবার করলাম পারলাম না। পরে বুঝলাম যে তাদের টাকা আদায় এর কৌশল ।এবার ফেইল করে টাকা দিলাম,না যেয়েও হয়ে গেলো।
নামজারি আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সকল কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছি। অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর দেখি মনজুর হয়নি। পরে টাকা পয়সা দেওয়ার কথা ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়েছে। পরে কয়েকজনের সাথে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যেগুলো টাকা দেয় তাড়াতাড়ি হয় যেগুলো টাকা দেয় না অনেক দেরি হয় অথবা একসময় না মঞ্জুর হয়ে যায়। উপজেলা ভূমি অফিসের অবস্থা ও এরকমই ফাইলের সাথেএকটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিলে ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই ছাড়া দ্রুত হয়ে যায়। আর ফাইলের সাথে কোন টাকা পয়সা না দিলে সেটা হতে অনেক সময় লাগে অথবা একসময় নামঞ্জুর হয়ে যায়।
একটা দলিলের খারিজ করতে সরকারি খরচ নাকি ২০০০ বা এর আশেপাশে। কিন্তু ভূমি অফিস ১৫০০০ এর নিচে খারিজ করে দেয়না! শেষমেশ ১২০০০টাকায় দফারফা করতে হয়েছে।
আমার এক বড় বোন গ্রামের সহজ সরল মানুষ, সে নতুন বাড়ি করেছে তাই তার সৌর বিদ্যুতের মিটার প্রয়োজন তাই এলাকার লাইনম্যান (৪নং উত্তর বড়দল ইউনিয়ন) প্রতিশ্রুতি দেয় কারেন্টের অফিস থেকে মিটার এনে দেবে, বিনিময় তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে, আমার বোন টাকাটা দিয়েছেন আজ সাড়ে তিনটা মাস এখনো কারেন্টের মিটার পায় নাই। এবং এলাকায় খোঁজখবর নিলে জানা যায় একই রকম ভাবে আরো বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। কারো কাছ থেকে তিন হাজার, কারো কাছ থেকে চার হাজার, কারো কাছ থেকে পাঁচ হাজার।