হোস্টেল সিট বাণিজ্য
ছাত্রকে হোস্টেলে সিট দেওয়া।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ছাত্রকে হোস্টেলে সিট দেওয়া।
সাধারণ মানুষের জমি সংক্রান্ত কোনো বিষয় সার্ভিস পেতে হলে আগে ঘুষ দেওয়া লাগে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১২০০০ টাকায় কন্টাক্ট করে, লিখিত,মৌখিক ও প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষায় পাস এর জন্য এবং সঠিক ভাবে হয়েছে, আমি জানি টাকা ছাড়া এই ধাপগুলি থেকে বের হওয়া যাবে না। সাথে সাথে কাজ হয়েছে,অফিসের বাহিরে তাদের বিভিন্ন সোর্স আছে তাদের সাথে লেনদেন করেছি।
টাকা দিয়েছি কাজ এখনও সম্পন্ন হয় নাই। বলতেছে আরও সময় লাগবে, কি আর করবো ঘুরতেছি আর ঘুরতেছি
এডি স্যারের সাথে সাক্ষাৎ । কথা বলতে যাওয়ার জন্য গেটে থাকা আনসার যেতে দেয় নাই । টাকা দিয়ে কথা বলা লেগেছে ।
আজ থেকে প্রায় তিন থেকে চার বছর আগের ঘটনা আমার বাবা সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন উনি যখন মারা জান উনার অফিসের অনেক কলিগদের মুখে বলতে শুনেছি ভাবি আপনি চিন্তা করবেন না ভাইয়ের সব পেনশনের টাকা আমরা ব্যাবস্তা করে দিব কিন্তু আমরা যখন পেনশনের টাকা উঠানোর জন্যে যাই তখন শুরু হয় তাদের আসল ভেল্কিবাজি ভাবি আজ না কাল আসেন কাল না পশশু আসেন আই অফিস থেকে সেই অফিস এইভাবেই হয়রানি করতে থাকে আমার মা কে আমার বাবার অপছন্দ ছিলো ঘুষ দেওয়া বা নেওয়া তাই আমরা প্রথমত ঘুষের ব্যাপারে কিছুই বলি না যখনি বুঝতে পারলাম এইভাবে আর কাজ হবে না তখন আমার মা এক প্রকার বাধ্য হয়ে বললো ভাই খরচ যা লাগে আমি দিবো আপনি আমার কাজটা করে দেন কারন এইভাবে প্রতিদিন আমার পক্ষে আসা সম্ভব না এই কথা বলার পর আমাদের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিয়ে কাজটা করে দিলো
একজন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকের কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা তোলার জন্য কতৃপক্ষ 50000 টাকা দাবি করেন। জরুরী প্রয়োজনে সেটা পরিশোধ ও করতে হয়। কিন্তু তার পরেও তার প্রাপ্ত টাকা সম্পূর্ণ পাওয়া যায় নি।।
For Every Bill received for a package of the project, many mid level employees who are responsible for the bill evaluation seek a huge amount of margin. And to actually get it, the contractors are helpless, so they eventually need to pay that amount of money for there co-operation.
আমার ইমারজেন্সি দরকার ছিলো, নিরুপায় হয়ে দাবিকৃত টাকা দেওয়া লেগেছে।
জমি খারজ। সরকারি খরচ ১২০০। চেয়েছিল ১০০০০।
জবের ভেরিফিকেশনের জন্য নির্ধারিত পুলিশ ভাই আমার কাছে টাকা দাবি করে।পরে বাধ্য হয়ে ১ হাজার টাকা দেয়।কিন্তু সে ১ হাজার টাকা নিবে না। পরে আমি ২ হাজার টাকা পরিশোধ করি।সখিপুর থানার ঘটনা এটি।
তহশিলদার জমি নামজারি অনুমোদন করতে গেলেই টাকা চান। না দিলে ভুয়া প্রতিবেদন দেন৷
ওখানে জাওয়ার পর ওরা বলে। ২৫০০৳কম হলে আমরা পারবো না। এটা হইচ্ছিলো নাটোর সাব-রেজিস্টি আফিসে
নামজারি করতে ৭০০০ টাকা দিতে হবে না হয় হবে না।
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য। পেনশনের টাকা পেতে তাদের ১৫০০০ দিয়েছি। সময়কাল ছিল মে -জুলাই ২০২৪ সাল
যদিও ওয়াসা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান,এখানেও অনেক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।আমার একটি নতুন সংযোগ প্রয়োজন হওয়ায় ওয়াসা অফিসে গিয়ে কথা বলি।যেখানে ডিমান্ড নোট অনুযায়ী সরকার পাবে ১৬,৮২৫টাকা। সেখানে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাত,অফিস খরচ, ইত্যাদি বলে সর্বমোট ৪২,০০০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।
আমি ১৮ তম নিবন্ধনে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে একটা স্কুলে যোগদান করি। যে খানে NTRCA আমাকে রিকমেন্ডেশন দিয়েছে সেখানে আমার MPO ফাইল এপ্রুফ করার জন্য আমার হেডমাস্টার আমি সহ আরো চার জনের কাছ থেকে ৩০০০০ করে মোট ১৫০০০০ টাকা নিয়েছিল। আমরা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম তারাতাড়ি বিল পাবার জন্য। আমরা এই টাকাটা দিয়েছিলাম হেডমাস্টারকে।। প্রতিটা MPO প্রতিসঠানের হেডমাস্টার যে কি পরিমান দুর্নীতির সাথে জড়িত , তা আমরা বুঝি।। এগুলো নিয়ে যদি সরকার সচেতন হত, এদের লাগাম টানা সহজ হত।।
আমার দোকান রাজধানীর একটি বড় শপিং মলে। প্রতি ৬ মাসে এই শপিং মল থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ঢাকা পল্টন অফিসে ২০০০০০০ টাকা দিতে হয়। বিনিময়ে উক্ত মার্কেটে ওরা পরিদর্শন করবেনা এবং লাইসেন্স করতে হবে না এই সুবিধা দেয়।
আমার গ্রামের 10 শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য কাগজপত্র নিয়ে আমার আত্মীয় কে অফিসে পাঠাই সেখানে কাগজের বিভিন্ন ভুলত্রুটি অহেতুক উল্লেখ করে ১২০০০ টাকা দাবি করে ।12000টাকা না দিলে কোন ভাবেই খারিজ করা সম্ভব না ।অনেক ঘোরাঘুরির পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। দুই মাস ধরে অনুরোধ করছি ঘোষ ছাড়া ঐ অফিসে কোন কাজ হয় না আমার জানা মতে
আমি সকাল ৭.৩০/৪০ এর দিকে মিরপুর-১ এর চাইনিজ এর বশিরুদ্দিন রোড থেকে বের হয়ে ডান পাশের রোড দিয়ে ঢুকে ইউটার্ন নিতে গেলে আমার বাইক দার করায় আর বলে আমি নাকি উল্টাপথে এসেছি। তারপর কাজ পত্র দেখতে চায় আমিও দেখাইতেছিলাম এরি মধ্যে আমার বাইকের চাবি নিয়ে যায়, তারপর ১ম ৩ হাজার টাকা দাবি করে আস্তে আস্তে ১ হাজার টাকার মামলা দিয়ে দেয়, এরপর সিলিপ নিয়ে সেই সকালে বিভিন্ন যায়গায় ঘোরাঘুরি করে মামলার টাকা পরিশোধ করি শিওরক্যাশের মাধ্যমে দোকান থেকে, তারপর তাকে খুজে বেরকরতে অনেক সময় চলে যায়, পরিশোধকৃত সিলিপ পাওয়ার পর সিলিপ নিয়ে আমার বাইক ছেড়ে দেয়। তাদের একজন বলে একবার ডাম্পিং এ দিলে আর নাকি বের করা যাবে না এসব হুমকিও দিয়ে ছিল, বাইক ডাম্পিং সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানতাম না, আরেকজন বলেছিল ওনার বস নাকি এরকমই।