পুলিশ ভেরিফিকেশন
পুলিশ ভেরিফিকেশনে এসবি পুলিশ 1000 টাকা দাবি করা হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ভেরিফিকেশনে এসবি পুলিশ 1000 টাকা দাবি করা হয়েছে।
ভূমি অফিসে একটি নামজারি/মিউটেশন করতে খরচ ১১৭০ টাকা । কিন্তু আমার কাছে তহশিলদার ৪০০০ টাকা দাবি করেছিল। আমি প্রথমে নিজে করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সেই আবেদনের কাগজ যখন ভেরিফিকেশনের জন্য ভূমি অফিসে যায় তখন সেখান থেকে কল করে দেখা করতে বলা হয়। আমি অফিসে গেলে বলে টাকা না দিলে কাগজ পাশ হবে না। অথচ আমার সকল কাগজ সঠিক ছিল।
জমির খাজনা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দিতে গেল ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করে, যেটা দিতে অসীকৃতি জানালে আমাদের সেবা প্রদানে অসহায়তা করে।
প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির জন্য এসিআর সাইন দরকার ৫ কপি করে। প্রায় ১৫০ জন প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির জন্য এসিআর নিচ্ছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার থেকে, জনপ্রতি ৫০০-২০০০৳ করে নেওয়া হচ্ছে সাক্ষর করার জন্য। ঘুষ লেনদেনের পরিমান প্রায় লাখ টাকা।
.৫৮ শতাংশ জমি বিক্রয় অনুমতি প্রদান বাবদ আমার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করি। আমি একজন সাধারণ শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও তারা আমাকে দীর্ঘ এক বছর যাবত বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার করে । এছাড়া প্রায় এক লক্ষ টাকা সরকারি বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন ফি বাবদ জমা নেয়।
একটি নিকাহনামা আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এটাস্টেড করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে সেটি জেলা রেজিস্টারে নিকট অনুমোদনের জন্য গিয়েছিল। জেলা রেজিস্টার অনুমোদন না দিয়ে একটা ভুলের জন্য ২ সপ্তাহ ঘুরিয়ে পরে ঘুষ নিয়ে সাথে সাথে অনুমোদন দেয় এবং পরদিনই আমি কাগজটা এটাস্টেড পেয়ে যাই। অথচ সেই ভুলটার জন্য ১ টানে তারিখটা কেটে দিয়ে অনুমোদন দিয়ে দিতে পারত।
ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসব লেনদেন প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন। ফলে তারা একটি ফাইল পাশ করানোর জন্য নির্ধারিত টাকা যা ফাইল প্রতি (১০০০০+৩০০০+২০০০)=মোট ১৫,০০০ টাকা তিন জন সদস্যের মাধ্যমে দিয়ে ফাইল ছাড়িয়ে আনতে হয়। নতুন ফায়ার লাইসেন্স বের করার জন্য ৫০,০০০/ প্যাকেজ নিয়ে থাকে।এরিয়া অনুযায়ী চাহিদা আরও বেশি ডিমান্ড করে থাকে যাহা ৮০,০০০/ এই বিষয়টি এমন যে যেনো এটা একটা নির্ধারিত করা গভমেন্টের ফি !!??? এই টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত আপনার ফাইল আপনার কাছে কখনোই দেখা মিলবে না এবং তাদের ব্যবহারের ধরনই আলাদা হয়ে যায়। যেমন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করার জন্য অপেক্ষার পালা শেষ হবেনা।যারা লেনদেন করতেছে তাদের সাক্ষাত ও সিরিয়াল সবার আগে হয়ে যায়।
আমি একটা চিঠি নিয়ে যাই। বিআরটিএ থেকে এই চিঠির উত্তর আনতে বলেছে। গেলাম চট্রগ্রাম কাস্টমস শাখায়। সেখানে চিঠি ইস্যু করাতে হবে বলল এক লোক। চিঠি ইস্যু করতে ৫০০ লাগবে। আমি বললাম কেনো, সেটার উত্তর নাই সবাই দিচ্ছে আর ইস্যু করাচ্ছে। করাইলাম ইস্যু তারপড়ে আমাকে পাঠালো ৮বি শাখায়। সেখানে বলল এটার তো অনেক কাজ আছে ৭/৮ দিন সময় লাগবে। আমি বললাম আমি তো ঢাকা থেকে আসছি একটু দ্রুত করেন। তখন সেখান কার একটা ছেলে বলল ১০০০০ দিবেন এখনি করে দিচ্ছি। ওখান কার অফিসার আর স্বাক্ষর করে নাহ। তারপড়ে তার পিয়ন বলল ৫০০০ দেন আমি স্যারকে দিয়ে করায় দিচ্ছি। আমি বাধ্য হয়ে তাকে ৪০০০ দিলাম,,, তখন সে স্বাক্ষর করে আমাকে দিলো। এটাই সরকারি অফিস।
জমি ৩ টা নামজারি করতে ১২০০০ /- টাকা ঘুষ দাবি করে। না দিলে অনেক হয়রানি হতে হবে তাই সহজে পেতে ১২,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। একপ্রকার বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি । টাকা না দিলে নামজারির রিপোর্ট সাইন করে না। এ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী সকলেই এটার সাথে জড়িত, ঘুষ নেওয়া এতটাই স্বাভাবিক করে ফেলছে যে, তারা বিসমিল্লাহ বলে ঘুষ নেয়।
জমির জমা খারিজ করার জন্য টাকা চাওয়া হয়, না দিলে কাজ রেখে দিবে বলা হয়। পরে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তারপর জমা খারিজ করে দিয়েছে।
অন লাইনে আবেদন করে অনেক চেষ্টা করেছি ঘুষ ছাড়া নামজারি করার কিন্তু এসি ল্যান্ড কে দিতে হবে বলে টাকা গুলো নিয়েছে।
আমি একটি সরকারি অফিস থেকে এখানে বদলি হয়ে এসে বেতন চালু করতে বিরল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস স্টাফরা ৫ হাজার টাকা দাবি করে। শুরুতে প্রত্যাখান করলেও ২ মাস ঘোরার পর বাধ্য হয়ে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি প্রথমবার কর দিতে গিয়েছিলাম যেহেতু আমি একজন ব্যবসায়ী। তাই আমি জানিনা কত টাকা লাগে কিন্তু আমাকে বলেছিল ৫৫০০ টাকা লাগবে তখন আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি, কিন্তু পরে আমি দেখি আমার রিটার্ন সার্টিফিকেট এর সাথে ৩০০০ টাকার একটি ব্যাংক চালান যা এখনও আমার কাছে আছে। তখন আমি ওনাকে বললে বাকি টাকা কিসের জন নিয়েছেন উনি বলে ওইগুলা অফিস খরচ।
1170 টাকা ফি 6000 টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে।
সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে যাওয়ার পরে সেখান থেকে বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় আমাদের হাতে কিছু করণীয় নেই। এবং বলা হয় বাইরে থেকে এটা করতে। বাইরে কম্পিউটারের দোকানে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে সে ঠিকই সিটি কর্পোরেশন থেকে করিয়ে দেয়।
রাষ্ট্র চালাতে বাটপারি, দুর্নীতি এবং অনিয়ম বন্ধ করতে হলে রাষ্ট্রে সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমি ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম ডি সি আর খাজনা পরিশোধের জন্য. আমাকে টাকা 5000 ঘুষ চাওয়া হয়েছে শুদু এপ্লিকেশন করার জন্য ! পরবর্তী 2মাস আমি বার বার অফিসিয়াল চেষ্টা করেও উপায় না পেয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি ! এইটা অন্যায় ! এভাবে রাষ্ট্র চলতে পারেনা !
আমি আমার পরিবারে সাথে থাকি তো জমির বিষয় আমার মামা আমার ভাইরে একটা দারালো ছেনা দিয়ে যখম করে আমি তাকে ১ম নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে জাই ঐ খান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিতে বলে নিয়ে জাই, ওনাকে মুটামুটি সুস্থ করে বাড়িতে আসার আগে মাধবদী থানায় কি আমার মামার নামে মামলা করি ঐ মামলায় ৪ জন আসামি আমার মামা ১ম আসামি ওনাকে এরেস্ট করার জন্য আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে মাধবদী থানার Si এটার ভাগ ওসিও না পাবে যাই কোন আমি টাকা টা বাদ্য হয়ে দেওয়া লাগে পরে
আমি সিলেট সিটি করপোরেশনের একজন বাসিন্দা আমি আমার জন্ম নিবন্ধন সংষোধন করার জন্য আবেন করি 150 টাকা দিয়ে। তার পর এই আবেদন ফরম সিটি করপোরেশনে জমা দেওয়ার সময় আবার 200 টাকা করে সবার কাছ থেকে নিতেছে কিন্তু এটা কেন? এটা কি সরকারি ফি? এই সিন্ডিকেটের পিচনে কারা আছে তারা প্রকাশ্যে এই চাদাবাজি করছে। আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করার সময় ও আর 200 টাকা দিয়েছে। আমি প্রশ্ন করলাম এই 200 টাকা আপনারা কেন নিচ্ছেন? রশিদ দেন, তারা কোন কথা বলেনা এবং 200 টাকা ছাড়া কাজ ও হয়না। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে 200 টাকা করে দেওয়া হচ্ছে এই টাকা গুলা কুথায় যাচ্ছে? আমরা জানতে চাই।
সেবাটি ছিল, সিটি কর্পোরেশন এ, Just নামজারি পর holding Entry করানো, এজন্য যদি সরকারি ফ্রি থাকে সেটা দিব। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন কু-কর্মচারী আমার কাছে ১৫,০০০/- টাকা দাবি করে, যা ঘুষের সামিল। আমার ভুমির, নামজারি করতে ও এত টাকা লাগে নি।উনি যদি লিগেল অয়ে না করে, তাহলে সাংবাদিক নিয়ে যাব, এজন্য আমি, দেশের জনগন কাছে এ সম্পর্কে মতামত চাচ্ছি, এদের বিরুদ্ধে কি করা উচিত হবে?
আমার দলিল ৬৩ সালের বাদ দিয়ে ৭৯ সালের দলিল প্রদান করে রিপোর্ট আমার বিরুদ্ধে দেন।একজন সচিব এর +সুচুকে।আমি ১০০০০ হাজার দেই লিগেল পাওয়ার জন্য কিন্তু প্রতিপক্ষ বেসি টাকার আর পাওয়ারে বলে উলটা রিপোর্ট দেয় এছিলেন্ট।পরে যোগাযোগ করি এছিলেন্ট বলে সচিব এর চাপে দিছে ইত্যাদি।আজ টাকার কাছে নেয় বিচার জিম্মি অসহায়।