পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার জন্য দিনাজপুর সদর কোতোয়ালী থানায় টাকা নিয়েছিল। টাকা না দিলে কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার জন্য দিনাজপুর সদর কোতোয়ালী থানায় টাকা নিয়েছিল। টাকা না দিলে কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি।
আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য একবার যাত্রাবাড়ী আর একবার আড়াইহাজার উপজেলায় ২০০০ প্লাস ১০০০ মোট তিন হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য প্রয়োজন 2500 টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে 4500 টাকা.
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
আমি বিআরটিএ অফিসে যাই আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ করার জন্য তখন অফিস সহকারি আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় যা থেকে আমি ৯০০০ টাকা পরিশোধ করি।
ঢাকা দোহার উপজেলায় কিডনি,কেন্সার সহ কয়েকটা রোগের জন্য সরকার থেকে ১ লক্ষ টাকা অর্থায়ন করা হয়। সেখানে রোগিদের আবেদন করার জন্য অফিসের কর্মচারিরা জন প্রতি ১০,০০০ টাকা কন্টাক দাবি করে। কর্মচারিরা দাবি করে সরকারি অনুদান ১ লক্ষ টাকা পেতে হলে তাদের ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। এভাবেই প্রত্যেক রোগির কাছে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করেন।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে তার জন্য ১৩ হাজার টাকা দিতে হবে
আমার জমির গাছ বিক্রি করার পর ক্রেতার নিকট স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী ৫০০০০টাকা চাঁদা দাবি করলে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়ার পরের দিন আমার নিকট হতে তদন্ত করত ডিবি পুলিশ ১০০০০ টাকা দাবি করলে তা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অন্যথায় চাঁদাদাবির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।
পাসপোর্ট অফিসের অফিসারদের সাথে কিছু জড়িত লোক তারা অফিসের বাহিরে ঘোরাফেরা করে, আমি সরকারিভাবে রিনিউ করতে টাকা দিয়েছিলাম ৬000 হাজার টাকা, যখন পাসপোর্ট ডেলিভারি কথা ছিল তখন গিয়েছিলাম সে বলেছে মেশিনের সমস্যার কারণে একমাস পরে ডেলিভারি দিবে, একমাস পরে আবার গিয়েছিলাম তখন ঐ মেশিন সমস্যা আর এক মাস পরে ডেলিভারি দিবেন, এরকম করে চার মাস ঘুরানোর পর বাহিরে যে পাসপোর্ট অফিসের লোক ছিলো (দালাল) সে বলল দুই দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আমার হাতে পৌঁছে দেবে ১০০০০ টাকার বিনিময়, তার সাথে চুক্তি যে কথা সে কাজ ঠিক দুদিনের মাথাই আমি হাতে পেয়েছি পাসপোর্ট।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি দুর্নিতি ও ঘুষ কারবার চলে কুমিল্লা বি আর টি এ তে, এখানে গোপনে সাধারণ জনগণের থেকে প্রচুর পরিমাণ ঘোষ নেওয়া হয়, ৪০-৫০ জন দালাল কাজ করে এই বি আর টি এ তে, এখানে এদের ধরতে হলে সিভিল ভেসে সাধারণ মানুষ সেজে এই চক্রকে শনাক্ত করা সম্ভব। তাই এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি।ইনশাআল্লাহ আশাবাদী এই অভিযোগটি ধ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
অভিযোগের বিষয়: ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অনৈতিকভাবে ১,০০,০০০ টাকা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগ আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং “ইত্যাদি বাজার” নামে একটি দোকান পরিচালনা করি। আমার দোকানের মাসিক ভাড়া ৪০,০০০ টাকা। ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে দোকানের ভাড়ার ওপর ১৫% হারে প্রতি মাসে ৬,০০০ টাকা ভ্যাট দিতে হবে। একই সময়ে আমাকে বলা হয়, দোকানটি বাড়ির মালিকের নামে না রেখে আমার নামে করার ব্যবস্থা করলে নাকি ভ্যাটের বিষয়টি বিশেষভাবে/সহজে সমাধান করে দেওয়া সম্ভব হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়, “স্যারকে খুশি করার জন্য চা খাওয়ার জন্য ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা দিতে হবে।” আমি এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসি
পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম অবস্থা খুবই খারাপ ছিল একটি হুইল চেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে ১০০ টাকার বিনিময় একটি টিকেট ফেরজনের আগে দিয়েছে ৫০ টাকার বিনিময় এক্সে রিপোর্ট করার সময় ১০০ টাকা দাবি করেছে না দিলে এক্সে রিপোর্ট নাকি ভালোবাসবে না প্লাস্টার করার সময় বলতেছি ১৫০০ টাকা লাগবে বাইরে থেকে নাকি চুন কিনতে হবে আর তাদের বকশিশ না দিলে ভালোভাবে প্লাস্টার হবে না
ভৈরব ভূমি অফিসের সিএস ও এসএ খতিয়ানের দুটি করে চারটি মূল বইয়ের মধ্যে একটি করে বই দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের পর এগুলো চুরি/সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে জেলা প্রধান ভূমি অফিস, এমনকি দেশের প্রধান ভূমি অফিস ঢাকা তে ও নথি পাওয়া যায় না। আরও অভিযোগ রয়েছে, ভৈরব ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে ওই নিখোঁজ নথি থেকে কপি দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নথি উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার উপার্জন চলমান প্রক্রিয়ায় করে যাচ্ছে এই অসাধুচক্র। এবং এই ভোগান্তি দীর্ঘদিনের নয় দীর্ঘ বছরের।
একটি কারখানার লে-আউট প্ল্যান অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে আবেদন করা হলে অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিনিময়ে আনুমানিক ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা অনানুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দাবিকৃত অর্থটি সরকারি নির্ধারিত ফি বা চালানের অংশ হিসেবে জানানো হয়নি। অর্থ প্রদান না করলে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রক্রিয়া বিলম্বিত বা জটিল হতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, ঘটনাটি গোপনীয়ভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।
দুই হাজার টাকা চাইলে আমি তা দিতে অস্বীকার করি এবং আমাকে ভর্তি না করে অন্যত্র যেতে বলে।
পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের খাছে মিটার আবেদন করতে গেলে ৫০০০টাকা দাবি করে।
জমি দলিল দাখিল করা হয়েছিল দলিল পার হবার আগ মূহুর্তে ঘুষ দাবি করে।৩৫০০০ টাকা
মিটার পরিবর্তন বাবদ আবার মিটারের টাকা কাটে প্রতিমাসে ২৫০ টাকা বুজলাম না কি একটা অবস্থা
শিক্ষা সনদ সংশোধন করতে হবে তাই তারা টাকা চেয়ে ছিলো,, এখানে অনেক দালাল রয়েছে, কর্মরত অফিসাররা যারা শংশধনের আবেদন করে থাকেন যারা মেসেজ পাঠান যা দেখে আবেদন কারি মিটিং এ যেতে পারে এবং পরবর্তিতে সংশোধন হয়ে থাকে সেই মেসেজ তারা টাকা না দিলে পাঠান না অর্থ দাবি করেন।
টাকা না হলে পাসপোর্ট হবে না