পা কেটে গিয়েছিল তাই সেলাই করাতে গিয়েছিলাম তখন ওখানকার কর্মীরা বলে সুতো নেই সুতোর জন্য ৫০০ টাকা
জোর করা হয়েছিল বলা হয়েছিল টাকা না দিলে কাজ করা হবে না বাইরে থেকে করতে হবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জোর করা হয়েছিল বলা হয়েছিল টাকা না দিলে কাজ করা হবে না বাইরে থেকে করতে হবে
এইটা প্রতি দিনের নিত্যনতুন ঘটনা। বাংলাদেশ রেলওয়ে তে স্টুয়াড, এটেনডেন্স যারা আছে তারা প্রতি নিয়ত যাএীদের সেবা দেওয়ার পরিবর্তে নিজের পকেট ভারী করে থাকে। এদেরকে প্রশয় দেয় টিটিই৷ টিটিই কমিশনের বিনিময়ে কাজ করে থাকে। এমন কোন দিন নাই, এমন কোনো ট্রেন নাই৷ বিশেষ করে ঢাকা টু চট্টগ্রাম রোডে এটা বেশি।
নোয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে আমার কাবিন অনলাইন সত্যায়নের জন্য 15000 টাবা ঘুষ দিয়েছি । জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজী মিলে একটা সিন্ডকেট করছে । ফ্যামিলি বিদেশে নিতে হলে এবং কাবিন অনলাইন সত্যায়ন করতে হলে তাদেরকে টাকা দিতে ই হবে । টাকা না দিলে যে কোন অজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয় । যা থেকে বাচার কোন উপায় নাই ।
উক্ত প্রতিষ্টানে জৈষ্টোতার ভিত্তিতে হাউস ঋন দেওয়া হয় না, যারা টাকা দেয় তাদের কে হাউস ঋন দিয়ে দেয়, প্রধান কার্যালয় |
আমাদের জায়গা নামজারি করার সময়।।ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে থাকে।পরে করে দেই অনলাইন ঘুষ দেওয়ার কারণে
নামজারি জমা খারিজ করতে গেলে নাইব সাহেবকে প্রস্তাবের জন্য সর্বনিম্ন আলাদা ৫ হাজার টাকা দিতে হয়।
Doing passport without extra money they don't want to processes
আমি একটা ডেভেলপমেন্ট চাকরি করি আমাদের একটা প্লটের আম মোক্তার রেজিস্ট্রি করার জন্য কমিশন করায়,আমাদের জমির মালিক বোবা কথা বলতে পারেনা শুনতেও পারেনা কিন্তু ইশারায় সব কিছু করতে পারে, আর উনার প্লট টা রাজউক এর ক্ষতিগ্রস্ত প্লট উনার নামে লিজ দলিল করা নাম জারী জরা খাজনা দেওয়া, কমিশন বাসায় যাওয়ার পর সাব রেজিস্ট্রার কে কল দিয়ে বলে বোবা তখন সাব রেজিস্ট্রার তাকে চলে আসতে বলে কাজ না করে আর আমাকে বলা হয়েছে সকালে যেতে যাওয়ার পর সেই রাগারাগি করলো আমার সাথে পড়ে যে কমিশন করতে গিয়েছে সে জানায় কাজটা করা যাবে ৫ লাখ দিতে হবে স্যারকে, হতাশ হয়ে ফিরে আসি, পরবর্তীতে লিখিত আবেদন করি জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর এখনও কোন খবর আসেনি,করনীয় কি?
সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ওয়াড মেম্বার গন সরকারি রিলিফ কাড বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি ঘুষ ছাড়া দেয় না
আমার ১.৫ মাস বয়সি মেয়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনের দরকার ছিলো। আমার ১.৫ মাস বয়সি মেয়ে যে কোন ক্রিমিনাল না, এবং তার জন্ম নিবন্ধন থাকা সত্বেও সে যে আসলেই দুনিয়ায় বিদ্যমান তা প্রমান করতে আমাকে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। নতুবা আমি পুলিশ ভেরিফিকেশন কখনোই পেতাম না।
জমির নামজারি করিতে বড় অফিসারের সাইন লাগবে, হালকা কি চা নাস্তার খরচ
2017 সালে বাবা মারা যাবার পর পেনশন এর টাকা উঠাতে গেলে। বলে আরো জমক। এতো কম টাকা হলে আমাদের কে কি দিবেন।
Driving licence exam. All written and viva passed. In practical exam, I was requested to park the vehicle. I practiced parking our cars thousands of times (both manual and auto gear). There was a marked area for parking on the BRTA training ground which is almost impossible to see from the rear view mirror. So, I parked and failed. An stranger told me if I paid 6,000 tk, I'd get pass sms on the next day. So, I paid and passed the driving licence exam
লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
নাটোর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য অফিসের পিয়ন আমার কাছে চা নাস্তার খরচ বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেছে । পরে আমি বাধ্য হয়ে তাকে সেই অর্থ প্রদান করি ।
জমি ৩ শতক দখলে ফিরিয়ে না দিয়ে, সিমানা নির্ধারন না করে acland ডিসির চিঠি দেয়ার পরে ও কোন action নেন নাই। মহিলা acland , আগের acland ঠিক নায়েব দিয়েছিল রিপোর্ট ও দিছে,, ২ বছর হল কোন কাজ করছে না। হয়ত ঘূস দিলে কাজ হত।
আজ রাত ১০টার দিকে UNO কে ফোনে বলা হলো যে গ্রামঃ পূর্ব মুসলিমাবাদ, উপজেলাঃ বালাগন্জ, জেলাঃ সিলেট এ অবৈধভাবে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। কিন্তু তাতে তিনি কোন ভুমিকা নেননি।
আমার কীটনাশক লাইসেন্স নবায়নের নামে ১৮০০ টাকা নিয়েছে। উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার নবায়ন ফি আমার জানা মতে ৪৫০ বা ৬০০ টাকা। তবুও আমার কাজ করে দেয় নি।
আমি একজন প্রবাসী আমি যখন সরাসরি আবেদন করি তখন আমার ফাইল বাছাই করতে গিয়ে ওই কর্মকর্তা বলে আপনি কার ইমেইল ব্যবহার করেছেন ? বললাম আমার নিজের, তখন ওনি বলে আপনার ছুটির সময় কম আপনার পাসপোর্ট হবে না, তার পরের দিন আমি দালাল ধরে যখন ১৫০০০ হাজার টাকা দেই same ফাইল শুধু ইমেইল পরিবর্তন করে যাই তখন আমার পাসপোর্ট এক সপ্তাহের মধ্যেই হয়ে যায়, আর সেই ইমেইল ছিল তাদের নিজস্ব একটা সিম্বল যে আমি দালাল ধরে গিয়েছি এটা তাদের একটা কোড
চট্রগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে ঘুস ছাড়া পাসপোর্ট করানো হয়না। আমার আম্মুর পাসপোর্ট করানোর জন্য সব কিছু আমি অনলাইনের মাধ্যমে করেছি এমন কি টাকা পেমেন্ট ও আমি অনলাইনের মাধ্যমে করার পর ও সাধারন ভাবে আমার আম্মুর পাসপোর্ট করতে পারিনি। পাসপোর্ট অফিসে ফাইল জমা নেয়নি। পরবর্তীতে একই ফাইল কোন কারেকশন ছাড়াই ৩০০০টাকা বেশি দিয়ে একটি এজেন্সির মাধ্যমে গেলে তা জমা হয়।