বাংলাদেশ রেলওয়ে
ট্রেনে টিকেট না কেটে খাবারের বগিতে সিলেট টু আখাউড়া ৩০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য, আমরা ৩ জন ছিলাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেনে টিকেট না কেটে খাবারের বগিতে সিলেট টু আখাউড়া ৩০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য, আমরা ৩ জন ছিলাম।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাস। BRS খতিয়ান পাওয়া যাচ্ছিল না । সব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানাইলো বি আর এস খতিয়ান ছাড়া জমির দলিল হবে না। তখন বাধ্য হয়ে বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে এটা করতে হয়েছে ।
বিদেশে যাওয়ার জন্য তিন লক্ষ টাকা লোন এর আবেদন করে ছিলাম,প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও একমাস হয়রানি করার পর বলে বিশ হাজার টাকা দিলে তিন দিনের মধ্যে লোন পাওয়া যাবে, আমি বিনয়ের সাথে বলি পনের হাজার দেবো, রাজি হয়, পরের দিন টাকা নিয়ে যাবো বলে বেরিয়ে এসেছি,আর যাইনি,
নামজারির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও কোন দোষ ত্রুটি খুঁজে না পেয়ে উনি ওয়ারী সার্টিফিকেট দাবি করেন। যখন দেখলেন ওয়ারিশ সার্টিফিকেট আছে তখন উনি বললেন এটা ডেট এক্সপায়ার হয়ে গেছে নতুন করে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নিয়ে আসবে অন্য একজনের মাধ্যমে আমার থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়
আমি প্রবাসী। সদর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে থানায় আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি যেহেতু বিদেশ যাবো । তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
১৭/৯/২০১০,,,আগারগাঁও তিন নামবার কাউন্টার ৭৮৭৯ কোড পাসপোর্ট সেবা দিছেন তার মুল্য ৩৫০০টাকা, কোড নাম্বার টি নেওয়া সেখানখার একজন লোকের মাধ্যমে, লোকটি ছিলো ৩ নামবার কাউন্টার লোক, ৩ নামবার কাউন্টার দেওয়ার সাথে আমার রিনো করার জন্য পাসপোর্ট সেবা দেন, কোষট পাইছি,
আমি আর আমার গ্রামের একজন পাসপোর্ট করার জন্য হবিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে যাই। আবেদন করার সময় কম্পিউটারের দোকানদার আবেদন ফি থেকে ২০০০৳ বেশি চাইলেন আর বললেন টাকা বেশি না দিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ফেরত দিবে। আমি অতিরিক্ত টাকা দিলাম না। আমার সাথের জন টাকা দিলো। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম তখনই যখন দেখলাম গেইট খুলে ০৮:৫০ মিনিটে ভিতরে ঢুকালো ০৯:৩০ মিনিটের আগে তার পাসপোর্ট সকল কাজ শেষ। এবার আমার পালা লাইনে দাড়ালাম ০৮:৫০ মিনিটে জমার অফিসার ০৯:৩০ আসলেন। আমার সিরিয়াল আসলো প্রায় ১০:৪০ মিনিটে। সময় বেশি লাগার কারণ হিসেবে আবিষ্কার করলাম কাউন্টারের ভিতর দিয়ে একের পর এক ফাইল নিয়ে আসছে অফিসের স্টাফরা। আমার পালা যেই কথা সেই কাজ আমাকে লাইন থেকে ফেরত পাঠানো হলো বলা হলো বাবার নামে স্পেস বেশি হবে। বাতিল করে পরদিন দেখা করেন
জমি মাপার কাজে অনিয়ম করেছে। অপরপক্ষের কাছ থেকে টাকা খেয়ে একপক্ষের জমি অপরপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে।
সৌদি আরবে কাজের ভিসার আবেদন করতে হলে TAKAMUL একটি ট্রেনিং করতে হয়। সেই TAKAMUL রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ৫০ ডলার। সেই ট্রেনিং সেন্টারে সরাসরি পরীক্ষা দিতে গেলে নিশ্চিত ফেল করিয়া দেয় । যখন তাদের সাথে কন্টাক করে যাওয়া হয় ২৫ হাজার ৩০ হাজার ৩৫ হাজার ৪০ হাজার টাকায় তখন তারা পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়। সারা বাংলাদেশে সম্ভবত ১৬ টি TTC সেন্টার আছে যা সবগুলোই এই কাজ করে থাকে। এতে করে নবাগত সৌদি প্রবাসীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছে
২০১৮ সালে পাসপোর্ট করতে গিয়ে বারবার ভুল ধরে ফাইল রিজেক্ট করছিলো। পরে দালালের মাধ্যমে টাকা চেয়েছে উনারাই....
Any death certificate from city corporation needs 5,000tk to 6000tk
পাসপোর্ট আবেদনে আমার সকল তথ্য প্রোপার সঠিক ছিলো কিন্তু অফিসার বলেন ঠিকানা সমস্যা তাই ভেরিফিকেশন হয়নি নেগেটিভ রেজাল্ট ।তারপর আর কি সমস্যা সমাধান পুলিশ নিলো ৫০০ আর পাসপোর্ট অফিস নিলো ১০০০ । টাকা দিলাম আর ঠিকানা জাদুর মত ঠিক হয়ে গেলো ।
ফোনকলে বললো আপনার পাসপোর্ট এ ভুল আছে , পেতে ১০০০ টাকা লাগবে।
Nana Mara jawar por , Nanur name pantion transfer Korarr jonnow khush chichilo Bangladesh railway, chattogram
ফোন করেছিল, দুই হাজারের নিচে কিছুতেই ভেরিফাই করবে না, ২০০০ দিয়েই করতে হয়েছে।
For 2025-2026 tax return, I have to pay 8,000tk bribe at segunbaghicha tax office
সাংবাদিক ভূমি অফিসে এসে আমাদের ভূমি অফিসে নাকি সমস্যা আছে, এসব বলে টাকা দাবি করে।
আমার অভিযোগ বেসরকারি পর্যায়ের একজন নিয়ম করদাতা। আমার উপজেলা এলাকা অনুযায়ী বাৎসরিক ন্যূনতম কর ৩,০০০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার রিটার্ন দাখিলকারী আইনজীবী মিথ্যা তথ্য দিয়ে দাবি করেন যে সরকারি কর ৫,০০০ টাকা এবং ফিসহ ৬,০০০ টাকা দিতে হবে। তাঁর ওপর সরল বিশ্বাস রেখে আমি বিগত দুই বছরে মোট ১২,০০০ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোনো চালান বা প্রাপ্তিস্বীকারপত্র না দিয়ে কেবল একটি কর সার্টিফিকেট দেন। এতে সন্দেহ হওয়ায় আমি অনলাইনে সরকারি ট্যাক্স স্টেটমেন্ট যাচাই করে দেখি যে প্রতি বছর প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৩,০০০ টাকা জমা হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারি করের ভুল হিসাব দেখিয়ে তিনি আমার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বাকি অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিষয়টি গোপন রাখতে প্রকৃত জমার স্লিপ আটকে রেখেছিলেন।
আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট আবেদনের সময় তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী ঠিকানা ব্যাবহার করি। পুলিশ কর্মকর্তা সেটা ভুল বলে বাতিল করে দিতে চায়, আমার স্ত্রী একা মানুষ সে পুনরায় সবকিছু সংশোধন করে আবার জমা দেওয়া সময় সাপেক্ষ যেহেতু প্রবাসে ছিলাম একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমি তা পরিশোধ করেছি ।
সাবরেজিস্টার টাকা খেয়ে প্রকৃত মালিকের জমি আরেকজনের নামের লিখে দেই, ভূমি কমিশনার স্যার বারবার এই সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার পরও,মুখোশ পরা সাব রেজিস্টার 'রা নতুনভাবে সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে, শেষ পর্যন্ত জমি নিজের দখলেই আনার জন্য বাধ্য হয়ে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে, ভূমি অফিসে যারা পিয়ন আছে তারা আরো বেশি ভয়ংকর তারা কোন কাজ টাকার বিনিময় ছাড়া করতে চায় না। একটা ছোট কাজ, খতিয়ান ঠিক করার মত ছোট কাজ করতে প্রায় সাড়ে তিন বছর সময় লাগছে এতে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ৪ লক্ষ টাকা প্লাস