সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৮,৯৯৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

bangladesh Korea training center

সৌদি আরবে কাজের ভিসার আবেদন করতে হলে TAKAMUL একটি ট্রেনিং করতে হয়। সেই TAKAMUL রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ৫০ ডলার। সেই ট্রেনিং সেন্টারে সরাসরি পরীক্ষা দিতে গেলে নিশ্চিত ফেল করিয়া দেয় । যখন তাদের সাথে কন্টাক করে যাওয়া হয় ২৫ হাজার ৩০ হাজার ৩৫ হাজার ৪০ হাজার টাকায় তখন তারা পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়। সারা বাংলাদেশে সম্ভবত ১৬ টি TTC সেন্টার আছে যা সবগুলোই এই কাজ করে থাকে। এতে করে নবাগত সৌদি প্রবাসীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছে

ঘুষ দিয়েছি
Chottrogram ৳৩৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTXTJNBX
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমির খাজনা

কাজটা প্রয়োজন ছিল,প্রথমে বলা হলো যে, ৫০০০-৮০০০ হাজারে হয়ে যাবে।পরের ধাপে বেশ কালক্ষেপণ করানো হলে পরবর্তীতে তাগাদা দিতেই বলে ১৫০০০ লাগবে, আচ্ছা যান ৫০০ টাকা ছাড়! পরের সর্বমোট ১৪৫০০ টাকা নিলেও রশিদ পেয়েছি ১৯৪১/- টাকার। বি.দ্র: প্রয়োজন মানুষকে ভুল সিদ্ধান্ত বাধ্য করায় সমাজের আইনের শাসন দূর্বল হলে।

ঘুষ দিয়েছি
ঠাকুরগাঁও ৳১৪.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RNYT6NCJ
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

NID আবেদন নিয়ে তালবাহানা ।

নির্বাচন কমিশন nid আবেদন নিয়ে তালবাহানা পরে ৭০০ ঘুষ দিয়ে সিরিয়ালের প্রথম না লেখালাম আর ৭২ ঘন্টায় nid করে দিলো । প্রথম বলে হবে না ,তারপর একজন বলল স্যারের সাথে আলাপ করেন স্যার সরাসরি না বললেও আমি বুঝেছিলাম ১ কাপ চায়ের দাম ৭০০ টাকা ।

ঘুষ দিয়েছি
কালকিনি ৳৭০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKN8NWV3
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট বানানো

পাসপোর্ট করতে গিয়ে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্বেও বারবার ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। পরে, বাহিরে কম্পিউটারের দোকান থেকে ধরে 3000 টাকার বিনিময়ে মুহূর্তেই আবার একই কাগজপত্র দিয়ে পাসপোর্ট হয়েছে। কারো ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও দিয়ে দেয় ফেরত এবং তারপর মুহুর্তেই বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি কম্পিউটারের দোকানে একজন করে লোক থাকে পাসপোর্ট অফিসের লিংক, তারা তখন পনেরশো থেকে শুরু করে তিন হাজার,৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাজের বিনিময় নেয়। এরকম প্রতিনিয়ত আমাদের ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে দেখা যাচ্ছে।

ঘুষ দিয়েছি
ফরিদপুর,ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKNYF6X9
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট বানানো

২০১৮ সালে পাসপোর্ট করতে গিয়ে বারবার ভুল ধরে ফাইল রিজেক্ট করছিলো। পরে দালালের মাধ্যমে টাকা চেয়েছে উনারাই....

ঘুষ দিয়েছি
ঠাকুরগাঁও ৳২.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RN3YLLHR
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট আবেদন

পাসপোর্ট আবেদনে আমার সকল তথ্য প্রোপার সঠিক ছিলো কিন্তু অফিসার বলেন ঠিকানা সমস্যা তাই ভেরিফিকেশন হয়নি নেগেটিভ রেজাল্ট ।তারপর আর কি সমস্যা সমাধান পুলিশ নিলো ৫০০ আর পাসপোর্ট অফিস নিলো ১০০০ । টাকা দিলাম আর ঠিকানা জাদুর মত ঠিক হয়ে গেলো ।

ঘুষ দিয়েছি
মাদারীপুর ৳১.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKKF862T
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই

ফোন করেছিল, দুই হাজারের নিচে কিছুতেই ভেরিফাই করবে না, ২০০০ দিয়েই করতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
বাউফল, পটুয়াখালী ৳২.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ BRKUGNPB
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ইনকাম ট্যাক্স

আমার অভিযোগ বেসরকারি পর্যায়ের একজন নিয়ম করদাতা। আমার উপজেলা এলাকা অনুযায়ী বাৎসরিক ন্যূনতম কর ৩,০০০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার রিটার্ন দাখিলকারী আইনজীবী মিথ্যা তথ্য দিয়ে দাবি করেন যে সরকারি কর ৫,০০০ টাকা এবং ফিসহ ৬,০০০ টাকা দিতে হবে। তাঁর ওপর সরল বিশ্বাস রেখে আমি বিগত দুই বছরে মোট ১২,০০০ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোনো চালান বা প্রাপ্তিস্বীকারপত্র না দিয়ে কেবল একটি কর সার্টিফিকেট দেন। এতে সন্দেহ হওয়ায় আমি অনলাইনে সরকারি ট্যাক্স স্টেটমেন্ট যাচাই করে দেখি যে প্রতি বছর প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৩,০০০ টাকা জমা হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারি করের ভুল হিসাব দেখিয়ে তিনি আমার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বাকি অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিষয়টি গোপন রাখতে প্রকৃত জমার স্লিপ আটকে রেখেছিলেন।

ঘুষ দিয়েছি
Jaintapur ৳৪.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ SY6C6QQJ
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন

আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট আবেদনের সময় তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী ঠিকানা ব‍্যাবহার করি। পুলিশ কর্মকর্তা সেটা ভুল বলে বাতিল করে দিতে চায়, আমার স্ত্রী একা মানুষ সে পুনরায় সবকিছু সংশোধন করে আবার জমা দেওয়া সময় সাপেক্ষ যেহেতু প্রবাসে ছিলাম একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমি তা পরিশোধ করেছি ।

ঘুষ দিয়েছি
ব্রাক্ষণবাড়িয়া সহর ৳৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTSGEB73
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভূমি

সাবরেজিস্টার টাকা খেয়ে প্রকৃত মালিকের জমি আরেকজনের নামের লিখে দেই, ভূমি কমিশনার স্যার বারবার এই সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার পরও,মুখোশ পরা সাব রেজিস্টার 'রা নতুনভাবে সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে, শেষ পর্যন্ত জমি নিজের দখলেই আনার জন্য বাধ্য হয়ে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে, ভূমি অফিসে যারা পিয়ন আছে তারা আরো বেশি ভয়ংকর তারা কোন কাজ টাকার বিনিময় ছাড়া করতে চায় না। একটা ছোট কাজ, খতিয়ান ঠিক করার মত ছোট কাজ করতে প্রায় সাড়ে তিন বছর সময় লাগছে এতে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ৪ লক্ষ টাকা প্লাস

ঘুষ দিয়েছি
গ্রাম ৳৪.০০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTF68ERU
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

জরুরি পাসপোর্ট আবেদন ও প্রসেসিং

আমি একজন শিক্ষার্থী। জরুরি পাসপোর্ট করতে পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে গেলে সরকারি ফি দেওয়ার পরও আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। এই টাকা না দিলে কাগজপত্রে সমস্যা দেখিয়ে কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করা হয়। আমি টাকা দিতে না চেয়ে অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে টাকা দিতে বাধ্য হই। বিষয়টি আরও গুরুতরভাবে বোঝাতে—যদি প্রতিদিন ১০৫ জনের কাছ থেকে ১,৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়, তাহলে প্রতিদিন ১,৫৭,৫০০ টাকা, মাসে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা এবং বছরে প্রায় ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা হয়। এটি শুধু উদাহরণমূলক হিসাব, বাস্তব আদায়ের দাবি নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ঘুষ দিয়েছি
পটুয়াখালী ৳১.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ BRPMCAFV
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিদ্যুৎ এর মিটারে ঘুস

খুবি দুক্ষের সাথে বলতে হয় এই দেশে ঘুস ছাড়া কোনো সরকারি সেবা পাওয়া জায় না যেখানে সরকারি ভাবে পিপেইড মিটার নিতে হলে ৩ থেকে ৬ হাজারের মধ্যে হয়ে জাওয়ার কথা সেখানে ১৪ হাজার টাকা লাগসে সব কাগজ পত্র জমা দেয়ার পর ও এইটা নেই সেইটা নেই এমন এমন ভাবে বলে জা এনে দেয়া পসিবল নয় তখন তারা নিজেরাই বলে কিছু টাকা খরচ করলে অই সব আর লাগবে না মুলত ঘুস নেয়ার জন্য এতো বাহানা বাদ্য হয়ে ঘুস দিয়েই করতে হলো কি করবো দিন শেষে আমরা সাধারণ মানুষ তাদের কাছে জিম্মি এই দেশ এই ভাবেই চলবে কোনো সরকার পারবে না এই ঘুস বানিজ্য বন্ধ কর‍তে কারন তারা নিজেরাও এখানে বড় রকম ভাগ পায় ভুল করেছি এই দেশে জন্ম নিয়ে এই দেশ কুকুর বিরালদের বসবাস যোগ্য মানুষের নয়

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১৪.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKECVFVD
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

সরকারি ঔষধ অব্যবস্থাপনা ও দালালদের সাথে ডাক্তারদের যোগসাজশ।

সরকারি ঔষধ সরবরাহ থাকলেও সাধারণ রোগীদের দেওয়া হয়না। নেতাকর্মী ও স্টাফদের শুধু দেওয়া হয়। তবে দুষ্টু প্রকৃতির স্টাফদের মাঝে কিছু অফিস সহায়ক থাকে তাদের ৩০০ টাকা দিলে এক মাসের এন্টিবায়োটিক, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এর ঔষধ মেনেজ করে এনে দেয়। এভাবেই সরকারি ঔষধ বিক্রি হয়। যা গোপনীয় ভাবে। অন্যদিকে ডাক্তারের সামনেই দালাল রা বাহিরে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্ররোচনায় ফেলে। ডাক্তার নিরব ভূমিকা পালন করে কারণ ওই ডাক্তারই বাহিরে বসে রোগী দেখে, সেখানে কমিশন নেয়। এভাবেই ডাক্তারদের ছত্রছায়ায় দালাল রা সক্রিয় থাকে। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার কেনই বা হাসপাতালের সামনে ডায়াগনস্টিক এ বসে ভালো সেবা দেয়? হাসপাতালে গেলে সে সেবাটুকু পাওয়া যায়না।

শুধু দাবি করেছে
নকলা ৳৩০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ MYY8AWR2
মন্তব্য