নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি প্রত্যক্ষ করেছি,ঢাকা নতুন বাজার ট্রাফিক সারজেন্ট বাসটিকে দাড় করিয়ে সুপারভাইজার থেকে টাকা দাবি করেছে, পরে সুপারভাইজার এর তথ্য মতে সে ২০০ টাকা দিয়েছে।
Cantt Board people didn't issue completion certificate for getting gate pass
জনৈক ব্যক্তি আমাদের জমীতে ভূয়া ওয়ারিশ দাবি করে তাই আমাদের একটা মৃত্যু সনদের প্রয়োজন পরে, যখন পরিষদ কর্তৃপক্ষ বলে অন্য পক্ষ ২০,০০০৳ দিতে প্রস্তুত আপনারা কত দিবেন? তখন ১২০০০৳ দিতে হয় তারপরও ----
আমি নিবন্ধন করতে চাইছি, আইনজীবী বলেছেন এতে ১০,০০০ টাকা খরচ হবে এবং বিষয়টি কর্মকর্তাকে সামলাতে হবে। আমি অপেক্ষা করছি, এখন আমার কী করা উচিত?
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন উপরোক্ত টাকা না দিলে হবেনা। পূর্বেও টাকা না দিয়ে দেখেছি যে, ফাইলের সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্তেও লাইসেন্স পেতে অনেক বেশী সময় লাগে বা বারবার বিভিন্ন রকমের হয়রানী করা হয়। যার ফলে আমাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম বিঘ্নিতি হয় বিধায় টাকা পরিশোদ করে লাইসেন্স নিতে বাধ্য হয়েছি।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
একটি পুরনো জমির দলিল তোলার জন্য। দুইটা শাল খুঁজতে লাগবে সর্বোচ্চ সরকারি ফিস ৪০০ টাকা তারা নিয়েছে এক হাজার টাকা। শুধু সরকারি ফিস দিলে পারে তারা বলে পাওয়া যায় নাই। কিন্তু বাড়তি টাকা দিলে ঠিকই পরে সেটা খুঁজে পাওয়া যায়।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
In 2023 from USAID I've a package in USD 3000,000(Three million) and after reaching out Dhaka airport customs delivery department someone named Murad informed me and; he advised me to send him TK 55000 to his bkash number but I requested him that I'll pay him TK 100,000 please wait for only one week but he refunded to USAID bd office.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছি।আগে ও অনেকবার করা হয়েছে।তখন সরকারি ফি ছিলো ৫০০ টাকা আর পুলিশদের দিতে হতো ৫০০-১০০০ টাকা।বর্তমানে সে ফি বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে।তারপর ও পুলিশ আজকে কাগজ পত্র জমা দিতে যাওয়ার পর গাড়ি ভাড়া চা নাস্তা বাবদ টাকা দাবি করে।আমাকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রেখেছিলো।আমি পরে দিতে অস্বীকৃতি জানাই।পরে না দিয়েই বেরিয়ে চলে আসি থানা থেকে।এমন টা সবার সাথেই হচ্ছে।কেউ কেউ ৫০০ টাকা দিয়েছে
আমার বাসার মিটার পরিবর্তন করার দরকার ছিল পল্লী বিদ্যুতের লোকের দ্বারা করালে অনেক টাইম লাগে অনেক মাসের পর মাস ঘুরায়ে কিন্তু চেঞ্জ করে দেয় না। এই কারণে আমার দালাল ধরতে হয়েছিল সে আমার ১২০০০ টাকা দাবি ১ সপ্তাহের ভিতরে কাজ করে দিবে বলে অগ্রীম ৫০০০ হাজার এবং বিকাশে ২০০০ নিয়ে আজকে প্রায় দেড় বছর হতে চলল ফোন রিসিভ করে না।
এখানে প্রতিটি সেনা সদস্যকে পেনশন আসার সময় চা মিস্টি খাবার জন্য ৬০০০০ থেকে ১৫০০০০ টাকা পর্যন্ত টাকা দাবি করে।যা বিভিন্ন র্যাংকের উপর নির্ধারণ করে থাকে।,না হলে পেনশন জড়িত অনেক হেনস্তার শিকার হতে হয়।এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মত সৎ সাহস কাররই হয় না।
আমি একটি কোম্পানির কাছ থেকে মোটরসাইকেল কিস্তিতে কিনি। কিস্তির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সেটি কোম্পানির নামেই ছিল। পুরো টাকা পরিশোধ হওয়ার পর কোম্পানি আমাকে এনওসি দেয় এবং মালিকানা পরিবর্তন করে নিতে বলে। এই অনুযায়ী আমি ঢাকা বিআরটিএ (ইকুরিয়া) তে যাই মালিকানা পরিবর্তনের জন্য।এরপর সরকারি সকল পেপারওয়ার্ক ও ব্যাংক রিসিট নিয়ে অফিসারের কাছে দেখালে তিনি কাগজপত্রে বিভিন্ন ভুল আছে মর্মে মালিকানা পরিবর্তন করে দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে সরাসরিই বলেন কোন প্রভাব ছাড়া এজাতীয় মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এরপর তিনি ২৫০০ টাকা দাবী করেন। অনেক নেগোসিয়েশন করে ২০০০ টাকা দেয়ার পরে তিনি মালিকানা পরিবর্তন করে দেন।
Amer bill pass korar jonno ghush dabi kore ta na hole bill pass hobe na ei rokom 2 month gele ami tk fia di
ami exam e fail koreci onara bolloo amk pass korai dibe tai 1000 tk nice
পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ থাকার পরেও আমাকে অপ্রোয়জনীয় অনেক কাগজের জন্য হয়রানি করা হচ্ছিলো । আমাকে আমার বাবার কাজের স্থানে সে কি কাজ করে সেগুলোর সত্যায়িত কপি , তারপর আমার মায়ের চাকরির ব্যাংক স্টেটমেন্ট , সত্যায়িত কপি । আমার ভার্সিটিতে যেখানে আমি পড়াশোনা করি এরকম অনেক কপি তারা চেয়ে বসে । যা আমার জন্য সংগ্রহ করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । এরপর এ পাশের ফটোকপির দোকান এর আড়ালে থাকা দালাল দের কাছে ২ টা ফটোকপি করেছি ২৬০০ টাকায় । আমার জন্ম নিবন্ধন টা পর্যন্ত আর লাগে নি তাদের । বায়োমেট্রিক কম্পলিট করে দিয়ে আসছি ৭ দিন পরে আমার পাসপোর্ট চলে আসছে ।
২০১৪ সালে আমার নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলেও দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক এবং উনার সহকর্মী আমার পাসপোর্ট করতে দেন নি কারণ ওইটা আমার ইউনিভারসিটি টিচার সত্যায়িত করে দিছেন। পরে টাকা দিলে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।
প্রথমে আমি নিজে জমা দিতে গেছি তারা বলছে যে কাগজ অনেক সমস্যা , পরে যখন জানতে পারলাম দালাল ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে দালালকেটাকা দিলাম তখন সব কাজ একাই হয়ে গেল তখন আর কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
আমি চার শতাংশ জমি৷ খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম। অফিস সহায়ক আমার কাছে ১৫০০০হাজার টাকা চেয়েছিল।
দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস লাগছে তারপর ৪০০০০ টাকা দিয়েছি ৪ টা ফাইল হয়েছে কিন্তু এখনও একটা ফাইল আছে, চাকরি চলমান অবস্থায় মারা গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কতৃক অনুদানের আবেদন এটার জন্য আবার ৩০ হাজার চাচ্ছে এখনও দিতে না পারায় এখনও ফাইল সাইন হচ্ছে না। এছাড়াও উপজেলা একাউন্স অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হয়েছে ২০ হাজার, যেই ফাইলটি আটকে আছে ওটার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হবে।