নামজারি বাতিল
নামজারি বাতিলের আবেদন করেছি প্রায় ১ বছর,আমাকে শুধু ঘোরাচ্ছে,টাকা র জন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি বাতিলের আবেদন করেছি প্রায় ১ বছর,আমাকে শুধু ঘোরাচ্ছে,টাকা র জন্য
সেবাটি ছিলো নামজারী খতিয়ান সৃজন করা, যা আমার থেকে পাঁচ হাজার টাকা চাইছে, কিন্তু নামজারী করতে সরকারি ফ্রি হলো ১১৭০ টাকা, ঠিকানা হলো, কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন,
আমি জমির খাজনা পরিষদ করতে যাই সেখানে উপজেলার ভুমি অফিসের পিওন আমার কাজ থেকে কাগজ পত্রের জটিলতা দেখিয়ে ৫০০ টাকা দাবি করে এবং আমি নিরুপায় হয়ে অনিচ্ছাকৃত ৫০০ টাকা তাকে ঘুষ দেই।
they dont provide me the passport. even if the passport is ready.
আমার যোগ্যব্যক্তি সনদ নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর প্রধান কার্যালয়ে সেফটি সেকশনে গেলে ওখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা পদবি শ্রম পরিদর্শক ( সেফটি) উল্লিখিত পরিমান টাকা দাবী করে।
তারা bmet মেন পাওয়ার কিছু ভুয়া ভিসা সমস্যার কারণে বন্ধ করে দেয়, ভুয়া ভিসা কিভাবে তারা পারমিশন দিতে পারে? হয়তো তারা এসব যাচাই বাছাই করতেই জানেনা! যদি তারা তা নাই পারে তাহলে এই ডিপার্টমেন্ট খুলে রাখার মনে কি? পৃথিবীর কোথাও এই আজাইরা মেন পাওয়ার নামক কিছু নাই, আর এখন তারা টাকার বিনিময়ে তা করে দিচ্ছে যা অনলাইনে দেখাচ্ছেনা গত ১ মাসে অনলাইন এ শুধু ১ টি পারমিট দেয়া হয়,, আর তারা ইমিগ্রেশন কন্ট্রাক্ট করে ১ লাখ থেকে বেশি টাকা দাবি করছে , কারণ মানুষ নিরুপায় নাহলে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে
Online Fitness renew করার আবেদন করতে গেলে বলে Tin নামের সাথে মিল নাই। তাই BRTA যেয়ে যোগাযোগ করতে। একদিন যেয়ে অফিসে কথা বলে শুনি অনলাইনে নাম সংশোধনের আবেদন করতে। সাথে সাথে আবেদন করতে গেলে বলে NID not verified. কিছুক্ষন পরেই আবার BRTA তে জানালে বলে সব ঠিক করে দিছি। পরে আবার অনলাইনে আবেদন করার ট্রাই করতে গেলে দেখায় না নাম সংশোধন করা যায় আত না নিবন্ধন রিনিউ করা যায়। সাতাদিন ধুরেও কোন ফল পাওয়া গেল না। পরের দিন স্টাফের সাথে কথা বললাম - জানাল ৫০০০ টাকা লাগবে। আগেরদিন সারাদিন ঘুরেও কিছু হয় নাই - তাই আর সময় নষ্ট করা যাবে না। আকাশের চাঁদ হাতে পেলাম। আরেকদিন ছুটি নষ্ট করা যাবেনা। ৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ঐ দিনই ফিটনেস সার্টিফিকেট পেয়ে গেলাম। উল্লেখ্য - আমি ৬ ষষ্ঠ গ্রেড এর সরকারি চাকুরী জীবি।
Driving License Er Sokol XM Pass Koria Dibe
যে কোন ধরণের বিল সামমিট করতে 500 টাকা থেকে শুরু করে বযড় ধরণের টাকা দিতে হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিল পাওয়া যায় না।
Death certificate, oyrish sanad prodany ei tk ditay bado kory ta na holy diby na, tai ami dity bado hoi.
২৪/০৯/২০২৬ তারিখ বা এখনো কর্করত গাইবান্ধা দায়রা জজের পেশকার। এই ভদ্রলোক আসামী জামিন করে দেবার চুক্তিতে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে। কাজ করতে পারেনি টাকাও ফেরত দিচ্ছেনা। ঘটনার সময়কাল সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমি আমার ক্রয়কৃত মাত্র দেড় শতক জমির নামজারি (Mutation) করতে গিয়েছিলাম। দেড় শতক জমির জন্য আমাকে ১২০০০ টাকা দাবি করেন। পরে আমি টাকা প্রদান করে নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নেই। আমার প্রশ্ন হলো ১১৭০ টাকা লিপিবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আমার থেকে ১২০০০ টাকা দাবী করে কীভাবে?
সরকারি জন্মনিবন্ধন ও আবেদন ফি ১০০ টাকা, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ উদ্যোকতা জন্মনিবন্ধন ও সংশোধন ৩০০ টাকা নেয়,, এখন এটা কি সেবা পাওয়ার জায়গা নাকি ঘুস, হয়রানি জায়গা। এটা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউএনও, ডিসি কিংবা সরকারের কোন কিছু তদারকি দেখি না।
“মিস কেইস ও নামজারি করতে গিয়ে অনেক হয়রানির স্বীকার হয়েছি ।তারা টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না। টাকা নিয়েও ঘুরাঘুরি করে । আজ গেলে বলে এক সাপ্তাহ পরে আসেন। অফিসে কর্মচারীরা নিয়মিত অফিস করেন না। স্থান : গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস।
আমার চাচা মারা গেছে ১৯ তারিখ। আজ আমি মৃত্যু সনদ আনতে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছি আমাকে বলে ২০০ টাকা লাগবে।
ঘরের রান্নার গ্যাসের মিটারের ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে সংস্লিষ্ট অভিযোগ জানানোর কেন্দ্রে ফোনে অভিযোগ জানানোর পর বলছে ৩-৪ দিন লাগবে ঠিক করতে কারন তাদের জনবল নেই আগের মত। এরপরের দিন একটি নাম্বার থেকে কল দিয়ে ৪০০/- দাবি করতেছে সমস্যাটি ঠিক করে দেওয়ার ব্যপারে।
১.৮৭৫ শতাংশ জমির নামজারি আবেদন করেছি। প্রতিবেদনের জন্য 3000tk ঘুষ দিতে হয়েছে।
আদালত থেকে রায়ের কপি পাওয়ার পর সকল কাগজপত্র নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাওয়া হয়েছে আমার জমিটির নাম জারি এবং খাজনা দিব, আদালতের রায় এজন্য এই কাজ করতে হলে অনেক টাকার প্রয়োজন হবে, প্রথমে বলে বাহির থেকে আবেদন করে আসেন, বাহিরে যাদের কাছে পাঠিয়েছে তারা ভূমি অফিসের আবেদন করে দিচ্ছে, তারপর টাকার পরিমাণ শুনে আমি এখন পর্যন্ত কাজ কড়াই নাই, এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, আমি আমার কাগজপত্র আপডেট করতে পারতেছি না।
তেজগাঁও বিআরটিসি ট্রেনিং অফিসে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় এমন ব্যবস্থা করা আছে, দিনে ৫০০ জন পরীক্ষা দিয়ে কেউই পাস করতে পারে না। কিন্তু যারা টাকা দেয় বা ঘুষ দেয় তারাই পাস করে। এমনকি অনেকে বায়োমেট্রিক শেষ করে চলে যায়। ভাইভা এবং প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা না দিয়েও পাস করে। টাকা ছাড়া এখান থেকে কেউই লাইসেন্স পায়না।
Submitted application for Income Tax Certificate on Circle 315, Zone 15. They indirectly asked bribery for Income Tax certificate. Not 1 or 2 circles but the entire tax zone has same problem. They won't provide tax certificate unless bribery is given. Once an officer from a similar circle of this zone said "we need ink and papers to print. You have to give compensation for these expenses." when a taxpayer lawfully deposits his/her tax liability to government. Why should he /she pay bribery for a tax certificate? Absolute jokery of the system.