নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
০৩ / ০৯ /২০২৬ পার্বতীপুর থানার বর্তমান ওসি ও কয়েকজন এ এস আই থানার মধ্যে সালিশের নামে নতুন ব্যবসা খুলে বসছে। কোনো কিছুর প্রমান ছাড়াই, মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়ে সেই অভিযোগের ভয় ভীতি দেখিয়ে থানায় বিচার সালিসের নামে টাকা পয়সা আদায় করছে। যে বিষয় গুলোতে কোর্ট সিদ্ধান্ত নিবে সেই বিষয় গুলোতে থানা কিভাবে সিদ্ধান্ত দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা না থাকলেও তারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে যেনো তাদের সাথে আমি একটা সেটেল ডাউন করি টাকা দিয়ে। নতুবা আমাকে অমুক তমুক করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। অথচ মাদক নিয়ে এদের ফোন করলেও এরা কোনো পদক্ষেপ নেয় না কিন্তু মানুষকে হয়রানি করতে এরা সিদ্ধহস্ত।
আমার বাবা দের শতাংশ জমি কিনেছেন ১৯৮৮ সালে গাজীপুর, পূবাইল,নয়ানী পড়া এলাকায় ৪১নং ওয়ার্ডে । জমিটা আর সে খারিজ করে নি। ২০১৭/ ২০১৮ সালে জমি খারিজ করার সিদ্ধান্ত নেন। এলাকার এক জনের সাথে কথে বললে সে বলে আমার ভূমি অফিসে লোক আছে টাকা দিলে ১মাস এর মধ্যে সব কিছু করে দিবে।আমার বাবা অনেক সত তাই সে তাদের সাথে কথা বলে ভুমি অফিসে কর্ম করতা ৮০০০ টাকা এক সাথে দিয়ে দেয়। আর যে আমাদের এলাকার ছিল সে হঠাৎ একদিন এসে বলে কাজ হয়েগেছে একটা সাক্ষ্য বাকি আছে ১৫০০ টাকা লাগবে। কিন্তু এই টাকা সে নিজেই খেয়ে ফেলছে। ১মাস পার হয়েছে কিন্তু কাগজ আর দেয় না। ৩মাস হয়ে যায় যতো বার যাওয়া হয় তখনি বলে সার্ভার ডাউন। বিরক্ত হয়ে আর ভূমি অফিসে যায় না আমার বাবা।
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
প্রতি মাসের ভ্যাট জমা দিয়াৰ জন্য ৫ হাজার করে চাইছে, তখন সরকার কে কিছু দিতে হবে না, এক কালীন টোটাল 20000 টাকা চাই,uttara, customs & vat office,dhaka
৫০০ টাকা না দিলে বেড দেয় না, অপরিষ্কার নোংরা ফ্লোরে থাকতে দেয়, নার্সদের টাকা না দিলে রোগীদের ঠিকমতো দেখেনা, পরিচ্ছন্ন কর্মী তাদেরকেও টাকা দেওয়া লাগে। ডাক্তারদের দালাল থাকে তাদেরকে টাকা না দিলে ডাক্তার দেখেনা, ওষুধ দেয় না।
সকাল বেলা রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে কাঁচামাল নামিয়ে আসার সময় আমতল তিন পুলের মাথায় ট্রাক থামিয়ে নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে টাকা নিলো ৪০০। এরপর যখন নিউমার্কেট আসলাম তখন টাকা চাইলো ৪০০, বললাম আমতল মোড়ে টাকা দিয়েছি, টাকা দিতে অস্বীকার করাই ট্রাক আটক করে দিল, সদরঘাট ট্রাফিক অফিসে গাড়ি ছারাইতে নিল ৮২৫০। কিন্তু সিলিপ দিল ১২৫০। বাকি টাকার স্লিপ চাইলাম বলল তাহারা ব্যাংকে জমা দিয়ে আসবে, আমরা জানতে চাই চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ যে অফিসে আটক গাড়ি ছারাইতে টাকা রাখে এই টাকাকে সরকারের কোষাগারা জমা হয় নাকি নিজেরা ভাগ বাটোরা করে খায়। দুদক দিয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হোক।
পিতার নিজ নামে সম্পত্তী আমার নামে খারিজ করার জন্য গেলে আমার ভাই-বোনের সাথে না করে ফারাজ করে আমার অংশ আমি নিজ নামে করছিলাম সেটাই আমার অপরাধ। তার কারণে আমার কাছে ১১০০০ টাকা নেও এবং চা খাওয়ার জন্য আবার ৫০০০ টাকার দাবী দিসে না দিলে আবেদন বাতিল করে দিবে
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নুরপুর উধুইর অফিসের ১১৭০ টাকার খারিজ ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। যাহা না দিলে খারিজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়। জমি খারিজের আবশ্যকতা আছে বলে টাকাটা দিতে বাধ্য ছিলাম
babar pension er tk uthabe seikha tk chay
হাসপাতালে ভর্তি গরিব রোগির ওষুধ কিনে দেয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থিত সমাজসেবা কার্যালয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য দাবি করেন।ওখানে আসা আরও অনেকের সাথে কথা বলে জানলাম যে রি কর্মকর্তা এরকম ভর্তি গরিব রোগিদের ওষুধ না দিয়েই ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।
সহকারী কমিশনার (পবা), রাজশাহীতে এ আমি গত ৪/৮/২০২৫ ইং তারিখে একটি অবৈধ জাল দলিলের মাধ্যমে সৃষ্ট নামজারি বাতিলের আবেদন করলে এসিল্যান্ড তাহার প্রকৃত তথ্য জানার জন্য রামচন্দ্রপুর ভূমি অফিস পবা, রাজশাহী বরাবর আদেশ জারি করলে তাহা তহশীল অফিসে আসে আমি যোগাযোগ করলে অফিসার আমাকে ২ দিন পর আসতে বলে পরবর্তীতে আমি গেলে প্রতিবেদন পাঠানের জন্য আমার নিকট ৫,০০,০০০ টাকা দাবি করে আমি তা প্রত্যাখ্যান করলে। আমার প্রতিপক্ষকে ফোন করে ডেকে ৭,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে তার পক্ষে প্রতিবেদন পেশ করে। আমি এই বিষয়ে এসি ল্যান্ডকে অবগত করলেও তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি বরং তহশীলদারকে এ সকল বিষয় জানিয়ে দিয়ে তাকে বাচানোর চেষ্টা করছে।
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
এখানে কোন কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না, প্রচুর অর্থ লেনদেন হয় এই ভুমি অফিসে, দিন শেষে সবাই টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে বাসায় যায়।
পেনশন হিসাবের জন্যে, যদি টাকা না দেই তাহলে আমাকে ৩থেকে ৪ লক্ষ টাকা কম দেবে।পরে ঠিক ই কম দিয়েছে।
আমি আমার বাবার জমির মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। সরকারি নির্ধারিত খরচ ছিল মাত্র ১১৭০ টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফিস আমাদের কাছ থেকে ৮০০০ টাকা আদায় করেছে। প্রথমে আমি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইনি, কিন্তু বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় জনসাধারণকে হয়রানির শিকার করছে। অভিযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, ঘুষ ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ করা হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই