ভাড়ির কারিজ
ভূমি অফিসের লোক খারিজ করতে গেলে আমার কাছে আঠার হাজার টাকা চাই তারপর আটার হাজার টাকা দিয়ে কারিজ করতে হয়েছে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূমি অফিসের লোক খারিজ করতে গেলে আমার কাছে আঠার হাজার টাকা চাই তারপর আটার হাজার টাকা দিয়ে কারিজ করতে হয়েছে হয়েছে
৫ শতাংশ জমি কিনে তা নামজারি করার আবেদন করি। এরপর শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ১০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন । টাকা না দেয়ায় ফাইল আটকে রাখেন । এসি ল্যান্ড অফিসে জানিয়ে কাজ হয় নি । পরে টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়েছে । অন লাইনে আবেদন করেও লাভ হয়নি ।
আমি 3 মাসের কোর্স করেছি ১১ হাজার টাকা পাবো প্রতিষ্টান থেকে যে ব্যাংক ব্রান্স দিছে সেখানেই খুলা লাগবে একাউন্ট তার পরে ব্যাংক থেকে পিওন টাকা দাবি করে দুই ২০০ টাকা ঘুস কিন্তু আমরা দুই জনে ১০০ দিছি এই বলে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে ১ মাস সময় নিয়েও দিচ্ছে না আবার যে প্রতিষ্টান থেকে টাকা দিবে তারা আবার চাপ দেয় যে একাউন্ট নাম্বার দেও এমন সিচুয়েশন ক্রিয়েট করছে চারিদিকে চাপ পরে অভিযোগ দিছি হেড অফিসে যে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে তার পরে সমাধান হয়েছে
নামজারিতে সকল ডকুমেন্ট জমা দিয়েও প্রত্যাখান করে। কারন ঘুসের টাকা দেইনি বলে।
আমি যে শো রুম থেকে গাড়ি ক্রয় করছি,সেই শো রুমের নাকি ক্লিয়াররেন্স লাগে। যদিও,ওই শো রুমের গাড়ির যাবতীয় কাগজ পত্র জমা করা আছে। তার পরেও ক্লিয়াররেন্স দিয়ে,BRTA বলে তারা পায় নি। ৩০০০/২৫০০ টাকা লাগবে। দিলে হবে।
সাতক্ষীরা বিআরটিএ তে অফিস সহায়ক থেকে উপকর্মকর্তা সবাই ঘুষের সাথে জড়িত। আমি অনেকদিন যাবত তাদের মাঝেই ছিলাম। আমি আমার ভাই এর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য গিয়েছিলাম। সরকারি অফিস তবুও তারা দালাল ছাড়া ফাইল জমা নেন না। যে দালাল আমাদের ফাইল জমা দেয় তিনি ১ বছর আগেই ইন্তেকাল করেছেন। তবে এখনো হাজার হাজার দালাল ঘুরছে এই অফিসের সাথে জড়িত। বাইক এবং গাড়ি উভয় চালনায় দক্ষ থাকার পরেও শুধুমাত্র দালাল ছাড়া বা ঘুষ না দিলে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে ফেইল করানো হয়। দরকার হলে এটি একটা গোপন জরিপের মাধ্যমে তদন্ত করতে পারেন সবাই। এর সাথে এন বি সি যে ব্যাংক আছে বিআরটিএ এর টাকা জমা নেয় তারা খুচরা টাকা ফেরত দেয় না। আবার ৫/১০ টাকা দাবীও করে প্রত্যেক লেনদেনের জন্য।
বাংলাদেশ বিএস রেকর্ড চলমান, সারাবো, কাশিমপুর মৌজা এখানে ভূমি জরিপ হচ্ছে, এখানে প্রতি জমিতে তারা কিছু না কিছু ভুল ধরে অথবা কোনো ভুল ছাড়াই সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে ১.৫ লাখ টাকা নিয়ে কাজ করছে বিএস রেকর্ড কর্মকর্তারা।
জমির নামজারি বাবদ ২০,০০০/-
আমি খারিজ করতে যায় ভুমি অফিসে,কর্মকর্তা বলেন খারিজ হবে না,ব্যক্তির নাম ভুল,দলিল এর সাথে মিল নেয়, এটা আমি পারব না,বাহিরে একজনের নাম বলে তার সাথে যোগাযোগ করতেে আমি তার কাছে যায় এবং যেয়ে বুজতে পারি উনার সাথে লিং আছে। বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে 20000 টাকা দাবি করে। তারপর আমি কিছু দিন অপেক্ষা করি।কোথাও হয় না,পরে বুঝতে পারি উনারা একটি চক্র তৈরি করছে। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয় আমাকে।
উপজিলা নির্বাহী কর্মকর্তার এনজিও বিষয়ক প্রতিনিধীকে তদন্ত শেষে সুনানী পরবর্তী সময় জন্য দাবীকৃত টাকা দেয়া শর্তেও ফাইল আটকিয়ে রেখে নানাবিধ হয়রানি সময় অপচয় ও হুমকির স্বীকার ও অপমান অপদস্ত করা সাথে ভুক্তভোগী এখন মৃত্যু ঝুকিতে ও আত্মহননের চেষ্টা চালানো বিষয় জেনেও প্ররিত্রান খুঁজে বের না করে দেয়া
তেজগাঁও এ ভূমি ভবনে খতিয়ান অনুসন্ধান করতে গেছিলাম।হঠাৎ এক লোক এসে বললো কাজ হবে আসেন।লিফটে করে ৫/৬ তলা হবে হয়ত নিয়ে গিয়ে অফিসের ভিতরে চেয়ারে বসিয়ে সব তথ্য নিলো।মনে হলো একদম কাজ টা হয়েই যাবে এবং তা ফ্রি তে করে দিবে।১৫/২০ মিনিট পর আসল চেহারা সামনে আসলো।বললো কিছু না দিলে কাজ শুরু করবে না।১০০০৳ ঘুষ চাইলো।অনুসন্ধানের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিকে যদি আলাদা করে ঐ কাজ করানোর জন্য টাকা দেয়া লাগে তাহলে উনি চাকরি টা করছে কেনো?!।শুনে পরে আসবো বলে চলে আসসি।
প্রকাশ্যে আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করা হয় কাজের বিনিময়
For seafarer's sign on, sign off and immigration latter at Government Shipping Office Chittagong , officials are asking money as bribe. If you are unable to pay then wait till the day ends.
সন্তানের শিক্ষা বাবদ ৫০০/- নিয়েছিল
কলেজের উপবৃত্তি করার জন্য বলছিল যে ১০০০ টাকা দিলে তোমার উপবৃত্তি হয়ে যাবে। আমি দেই নাই। তাই আমারটা মাইরা দিছে।
ই ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ভাড়া বাসার পৌরসভার প্রত্যয়নপত্র চাই। না দিতে পারলে ঘুষ চাই, ঘুষ নিয়ে করে দেয়।
মুন্সীগঞ্জ জজ ঘুষ ছাড়া কোন মামলা শুনানি করেন না 15থেকে20বছর চলে টাকা ছাড়া শুনানি করেন না মুন্সীগঞ্জের মানুষ অনেক অসহায়
আমি পাসপোর্ট করার জন্য ২টি ফাইল রেডি করে জমা দিতে গিয়েছিলাম। ফাইল চেক দিয়ে বললো আপনার ফাইলে ঠিকানায় একটু ভুল আছে। অথচ এটা মেজর কোনো সমস্যা ছিলো না। ফাইল ফেরত দিয়ে দিলো। কিছুতেই জমা নেয়নি। পরে বললো প্রতি ফাইল ১৫০০ টাকা এবং এটা ফিক্সড তা দিলে ফাইল জমা নেবে। তখন ফাইলে যেকোনো ভুলই ব্যাপার নয়। পরের দিন ৩০০০ টাকা দিয়ে একই ফাইল জমা নিলো। পরে আরো জানতে পারলাম এই অফিসে বর্তমানে ১৫০০ টাকা ছাড়া কেনো ফাইল জমা নেয় না। ফাইলে ভুল আছে বলে ঘুরাবে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য। আমার বাড়িতে চৌকিদার দিয়ে হয়রানি করে দুইবারে ৬০০০ টাকা নিয়েছে।
ফায়ার লাইসেন্স -এর জন্য মোট ১৮০০০ চেয়েছিল, নইলে নাকি অনেক দেরি হয়ে যাবে। পরে বিকাশের মাধ্যমে পে করেছি।