ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করা ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

সাতক্ষীরা বিআরটিএ তে অফিস সহায়ক থেকে উপকর্মকর্তা সবাই ঘুষের সাথে জড়িত। আমি অনেকদিন যাবত তাদের মাঝেই ছিলাম। আমি আমার ভাই এর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য গিয়েছিলাম। সরকারি অফিস তবুও তারা দালাল ছাড়া ফাইল জমা নেন না। যে দালাল আমাদের ফাইল জমা দেয় তিনি ১ বছর আগেই ইন্তেকাল করেছেন। তবে এখনো হাজার হাজার দালাল ঘুরছে এই অফিসের সাথে জড়িত। বাইক এবং গাড়ি উভয় চালনায় দক্ষ থাকার পরেও শুধুমাত্র দালাল ছাড়া বা ঘুষ না দিলে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে ফেইল করানো হয়। দরকার হলে এটি একটা গোপন জরিপের মাধ্যমে তদন্ত করতে পারেন সবাই। এর সাথে এন বি সি যে ব্যাংক আছে বিআরটিএ এর টাকা জমা নেয় তারা খুচরা টাকা ফেরত দেয় না। আবার ৫/১০ টাকা দাবীও করে প্রত্যেক লেনদেনের জন্য।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করা
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা সাতক্ষীরা
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১২
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য