MPO আবেদন অনুমোদন
MPO আবেদন করার পর তা সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়নি। পরবর্তীতে আমরা তিনজন শিক্ষক ১০০০ করে মোট ৩০০০ টাকা দেওয়ার পর ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
MPO আবেদন করার পর তা সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়নি। পরবর্তীতে আমরা তিনজন শিক্ষক ১০০০ করে মোট ৩০০০ টাকা দেওয়ার পর ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়।
টাকা ছাড়া সরকারি ঔষধ দেয়না।
২০২২ সালে আমি NTRCA এর মাধ্যমে হাইস্কুল এ সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হ ই। এমপিও আবেদন এর সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিষ্টি বাবদ ১০ হাজার টাকা দাবি করে ,আমি অপরাগতা প্রকাশ করলে ফাইল আটকে রাখে।পরে ৫ হাজার টাকা দিলে ফাইল জেলায় পাঠায় জেলা শিক্ষা অফিসার কোন ঘুষ নেয়নি কিন্তু বিভাগে যাওয়ার পর ডিডি অফিস ফাইল আটকে রাখে অনুমোদন ও দেয়না রিজেক্ট ও করেনা।পরে ৫ মাস পরে দালাল খুঁজে ১০ হাজার টাকা দিলে সাথে সাথে ফাইল অনুমোদন হয়ে এমপিও হয়ে যায় আমি তো অবাক। সরকারের উচিত অটো এমপিও করা যাতে ৫ মাস বেতন ছারা জীবন যাপন না করতে হয়।
পাওয়ার রেজিষ্ট্রী করতে সরকারি ফি অতিরিক্ত দাবি করেন সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্টার অফিসের কর্মকর্তা। এবং আরো বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হয় সেবা গ্রহীতা ও দলিল লেখকগণ।
নামজারী করতে সরকারি খরচ ১১০০ এর কিছু বেশি। কিন্তু অই অফিসের নায়েব সাহেব এবং সংস্লিষ্ট ব্যাক্তিগণ এসিল্যান্ড এর কথা বলে ৬৫০০টাকা নিয়েছে। এসিল্যান্ড নাকি ৬৫০০ টাকার ছাড়া নামজারী করবে না।
দিনাজপুর চালের জন্য বিখ্যাত। তাই দিনাজপুর এ অনেক হাস্কিং ও অটোমেটিক রাইস মিল। এই মিল থেকে সরকার চাল সংগ্রহ করে। এই চাল দিনাজপুর ওসিএলেসডি ও সিএসডি ম্যানাজার নেয় তারা এই চাল নেয়ার সময় স্কল মিলের কাছে বস্তা প্রতি ৩০ টাকা করে নেয় জা তাদের পিসি খরচ। এই টাকা তাদের ভাস্য মতে জেলা প্রশাসক সহ এম্পি খাদ্য মন্তী ও প্রধানমন্ত্রী সবাই নেয় এছারা তার নিম্ন মানের চাল ও অচল চাল ও নেয় সেই ক্ষেএে চার্জ বেশি। তারা বলে এটা তাদের অধিকার এবং প্রাপ্য। তারা বলে এই টাকা সবাই খায় তাই কেউই নাকি তাদের কিছুই ছিরতে পারবে না। প্রতি সিজিনে তারা ২/৩ কোটি টাকা আদায় করছে।।
বিদেশ যাওয়ার জন্য আমার বিবাহের কাবিননামা মিনিস্ট্রি অফ ফরেন আবেদন করি সত্যায়ন করার জন্য আবেদনটি প্রথমে জেলার রেজিস্টার এর অফিসে যায় এবং পরবর্তী মিনিস্টারী তে যাবে । জেলা রেজিস্টার অফিস থেকে আবেদনটি মিনিস্টারী তে পাঠানোর জন্য তারা টাকা দাবি করে তা ৫০০০ এটার জন্য আমি প্রতিবাদ করি। এবং তারা আবেদনটি বাতিল করে দেয়। এবং আবার আবেদন করার পর টাকা দিলে তারপর তারা আবেদনটি গ্রহণ করে।
আসসালামু আলাইকুম আশা করি ভাল আছেন। আপনাদের এই নতুন চিন্তা ভাবনা আসলেই সাধারণ জনগণের জন্য খুবই উপকৃত হবে যখন এটা শক্তিশালী টিম একসাথে হয়ে কাজ করবে। আমার সমস্যাটা ছিল, সরকারি একটা জায়গা প্রতিবছর নবায়ন করে টাকা পরিশোধ করতে হয় কিন্তু যখন উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যখন এটা ইউনিয়ন কাউন্সিল ভূমি অফিসে রিপোর্টের জন্য পাঠায় তখন সেখানে ওই মহিলা টাকা চায়। কেন আমি কি কোন অন্যায় করছি আমি তো সরকারকে টাকা এমনিতেই দিচ্ছি প্রতিবছর।তাদের তো উচিত ছিল আমার কাজটা খুব দ্রুত করে দেওয়া টাকা না দিলে কাজ হবে না দেরি হবে কাজ করবে না এভাবেই থাকবে এগুলা কেমন কথা। আমার তো সব ডকুমেন্ট ঠিক আছে??? তারপরও কেন এসব? এটার শেষ কি হবে আমি দেখব আমি কোন টাকা পয়সা দিব না?
প্রতি ডুকুমেন্টস এর লোকাল গার্মেন্টস বিশেষ করে দুবাই বা মালয়শিয়ারবা আফ্রিকার গার্মেন্টস রপ্তানীতে এই টাকা দিতে হবে।
জমি নাম্পত্তন করতে গিয়ে ভূমি অফিস থেকে অন্য অফিস কিসু সাইন করতে পাঠায় ।সেখানে গেলে আমার কাস থেকে ১০০০ টাকা কা ।জানতে চাইলে বলে এটা সবাই দেই ।ডকুমেন চাইলে বলে লাগবেনা ।আমি আর বাড়াবাড়ি করলামনা ভয়ে যদি আমর পেপারে সাইন না করে।তখন ধরে নিলাম এই টাকাটা সবার কাস থেকে নেওয়া হয়।এটা প্রতিনিয়ত চলছে ।আমি ধারণা করি এই টাকার ভাগ উপরের সবাই পাই।তাই কেউ বাধা দেই না
আমার স্ত্রীর মাতৃকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অফিসার( চরফ্যাশন পৌরসভার নিচ চলায় বসে) আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও ১৫০০ টাকা নেয়। অথচ এটি সম্পূর্ণ সরকারি ফ্রি সেবা। আমি যানতে পারি ঐই অফিসার নিয়মিত এমন ঘুস নিয়ে থাকে।
টাকা ছারা সাব-রেজিস্টার জমি বিক্রেরয়ের দলিল রেজিস্টার করবেন না সময় ১৯১৮ সন ইং। টাকা দিতে বাদ্ধ করা হয়।
বরিশাল সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি কক্ষে যত আত্মীয় স্বজনকে হাত পা কেটে যাওয়া রোগি নিয়ে গেছি প্রত্যেকের ব্যান্ডেজ/ক্লিনিং করার পর প্রতিবার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ভুমি অফিসের নায়েব, সে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দিবে খসড়া তৈরি করে দিবে, যদি তাকে টাকা দেই আর যদি টাকা না দেই তাহলে সে বাতিল করে দিবে, এবং AC Land ভূমি অফিসে পাঠাবে বাতিল হিসেবে যেকোনো ভুল বানায় বাতিল করে দিবে
আমার দাঁতের অনেক সমস্যা হয়েছিল। দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা করছিল। আমি দেশের বাইরে, সিঙ্গাপুরে থাকি। দাঁতের ব্যথার কারণে বাংলাদেশে, আমার নিজ জেলা টাঙ্গাইলে যাই। টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে যাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার জায়গায় অনেক মানুষের ভিড় ছিল। অনেক কষ্ট করে সিরিয়াল ধরে টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার পর ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু প্রথম দিন যাওয়ার পর ডাক্তার আমার সমস্যাকে তেমন গুরুত্ব দেননি। আমাকে পরের দিন ১,৪০০ টাকা নিয়ে আসতে বলেন। পরের দিন আবার হাসপাতালে গেলে আমার সমস্যার তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে আমাকে ঘুরানো হয়। এরপর আবার পরের দিন যেতে বলা হয়। পরের দিন হাসপাতালে গেলে আমার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করা হয়।
আমার বাবার হজে যাবে বলে পাসপোর্ট এর আবেদন করি। আমাকে বলে এটা করতে হবে ওইটা করতে হবে এই কাগজ নিয়ে আসেন এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন অনেক ঝামেলা, কি পেশা ইত্যাদি আরোগ্য সমস্যার কথা আমাকে জানাই। পরে আমি বললাম আমার বাবা হজে যাবে এজন্য কাজটা করে দেন যাতে আপনাদের সওয়াব হবে। আমাকে বলেছে সন্ধ্যার পরে দেখা করবেন আমার নাম্বার নিয়ে যান। করে সেই লোকের নাম্বার নিয়ে সন্ধার পরে দেখা করে এবং ফোন দেই সে আমাকে বলে যে ১২০০ টাকা ছাড়া আপনার এটা করা যাবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন আছে প্রচুর সমস্যা। যে তোর বাবা হজে যাবে আমিও ছোটখাটো একটা ব্যবসার সাথে জড়িত সময় দিতে পারি না তাই বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকার মাধ্যমে কাগজগুলো জমা দিতে সক্ষম হয়। করে পাসপোর্ট হয়ে আসে। হজের যাত্রীর থেকে টাকা খায় তারা বিষয়টা খুবই দুঃখজনক
নামজারি করতে সকল ডকুমেন্টস সাবমিট করার পরও টাকা না দিলে নামজারি হবে না। জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা দিতে হবে কেন,বলল ভাই টাকা কি আমি নিবো যতগুলো টেবিলে এই কাগজ যাবে সাবাইকে কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে,আর না দিলে কাগজ টেবিলে পরে থাকবে,কাজ হবে না,আমি আপনার কাজটা করে দিবো আমার কিছু খরচ আছে না।পরে দিলাম। নামজারি টা অবশ্যই হযেছে আমার কে কিছুর জন্য আর ডাকে নি।উল্লেখ যে ভুমি অফিস ইউনিয়ন অফিস যে কোন কাজেই জন্যই যাই সরকার যেসব কাজ ফ্রি করেছে তার জন্য কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে দিলে কাজ সাথে সাথে হয়,না দিলে দারি কমা নিয়েও হয়রানি হতে হয়,আর এই হয়রানির ভয়ে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।কারন এর প্রতিবাদ করার কেউ নেই।
আমি গত ২৪ তারিখ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। ২৫ তারিখ রাত১১:৩০এ বাগেরহাট সদর থানা থেকে কল করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আমি ২৬ তারিখ সেই কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করি। সে আমার সকল তথ্য যাচাই করে বলে সব ঠিক আছে। তার পর বলে অফিস খরচ দিতে হবে ১২০০ টাকা। আমি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ৬২৫-৬৩০ টাকার মতো দিয়ে ডিল করি। আমি কর্মকর্তার নাম আর কন্টাক নাম্বার প্রকাশ করলাম না
ড্রাইভিং এ পাশ করতে গেলে ৩০০০ লাগবে, এই টাকা দিলে ফেল করলেও পাশ আসলেও তাই হয় ! ঝিনাইদহ বিআরটিএ দালাল অফিস
সেবা পেতে অর্থ দাবি করেছিল