পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
২০২৩ সাল। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক ছিল। পুলিশকে চা খাওয়ানো বাবদ ১৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। অন্যথায় পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন ক্লিয়ারেন্স দিচ্ছিল না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২৩ সাল। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক ছিল। পুলিশকে চা খাওয়ানো বাবদ ১৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। অন্যথায় পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন ক্লিয়ারেন্স দিচ্ছিল না।
আর্জেন্ট নতুন লাইসেন্স আবেদন করতে লেগেছে 20'000/= ডিসেম্বর 2025 এর ঘটনা। এরপর অপেক্ষা করতে করতে একদিন বাংলাদেশ এম্বেসিতে গিয়ে দেখি সবাই নতুন লাইসেন্স প্রিন্ট করে এনেছে। এপ্রিল 2026 বাংলাদেশে লাইসেন্স প্রিন্ট বন্ধ । খুজনিয়ে জানলাম টাকা দিলে সব হয়। আরো 15,000/= টাকা দিলাম, এক সপ্তাহের বিতরে ঢাকা থেকে লাইসেন্স আমার কছে চলে আসে। ঘুষ দিলে হয়, না দিলে হয় না। সরকারী সচিব দের হাতে দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। এদের একটা ব্যবস্থা করা জরুরি হয়েগেছে।
মিথ্যা মামলায় আমার মা-বাবাকে ফাঁসানো হয়। এবং এটাত সুষ্ঠু তদন্ত চাইতে পুলিশের কাছে গিয়েছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা এই ঘুষ দাবী করেন এবং হেল্প করার নামে টাকা খেয়েছে ঠিকই কিন্তু আমাদের হেল্প করেন নি।
I want to declare my Tax Declaration in Chattogram for my land Registration. But I am living in London , UK. Unfortunately I have to pay him 1,00,000/- BDTK.
আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা আমাকে নির্ধারিত ফিয়ের চাইতে ৫০০ টাকা বেশি দাবি করে এবং পরবর্তীতে তা দিতে আমি বাধ্য হই
অনলাইনের মাধ্যমে খারিজের আবেদন করি। কি একটা সমস্যার কারণে খারিজটি করা যাচ্ছিল না। এসিল্যান্ড মহোদয় ও চেষ্টা করে কোনো সমাধান দিতে পারেনি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব (মহিলা) আরেকজনের মাধ্যমে ৩৫০০০ টাকা চায় যে, যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো প্রকার সমস্যা সমাধান করে জমি খারিজ করে দিবে।
আমার মা কিছুদিন আগে পেনশনে যান। তখন তার লাম্প-গ্রান্ট এর টাকা উত্তলন করতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে গেলে সেখানকার কর্মরত অফিসার তার কাছে চা নাস্তা ও আনুষঙ্গিক খরচের কথা বলে তার কাছথেকে ১০/১২ হাজারের মতো টাকা দাবি করেন। মা পরে তার সহকর্মী যারা ইতোমধ্যে পেনশনে চলে গেছেন তাদের পরামর্শ নিতে গিয়ে দেখেন তাদের থেকেও একই ধরনের কথা বলে এভাবে টাকা নিয়েছেন। পরে মা এক প্রকার বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়ে তার লাম্প-গ্রান্ট এর বিলটি পাস করান। এই একই অফিস পরবর্তীতে মার ভবিষ্যত তহবিল ও পেনশনের টাকা উত্তলনের সময় ঘুষ নিয়ে তারপর বিল গুলো পাস করেন।
খুরশিদ মহল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এখানের গভর্নিং কমিটি ফ্যাসিস্ট আমলের দূর্নীতির আখড়া। শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগে মোটা অঙ্কের ঘোষ নিয়ে থাকে। আমি অন্যত্র চাকরি হওয়ায় ১২০০০ পরিশোধ করেছি। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি
ভোটার আইডি সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম, সব ডুকুমেন্ট ঠিক ছিল,৫০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল,দিতে রাজি না হওয়ায় ভুল তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়,সেখানে যাওয়ার পর ঘুষের দাবি করে ১০০০০০ টাকা। নিরুপায় হয়ে আল্লাহর দরবারে বিচার দিয়ে মনকে স্বান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু পরিবারে ৩ সন্তানের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের পথে এই ভোটার আইডি সংশোধন করতে না পেরে।
নামজারি করতে পাঁচ হাজার টাকা লাগে আরো অন্য মানুষের কাছতেকে আরো বেসিও নেয়
আমি সবার মত অন লাইনে পারপোর্ট আবেদন করে কাগজপত্র চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে জাম দিতে গিয়ে ওর বললো কাগজ পত্র সমস্যা আবার আসেন তারপর আবার ঠিক করে যাওয়ার পর বললো সমস্যা তারপর পাসপোর্ট অফিস গেটে এক দালাল ডেকে বললো সমস্যা নাই ৩০০০ টাকা দিবেন করে দিবো। তারের কাগজে সাইন দেয়ার পর যখন জাম দিতে গেলাম তখন সমস্যা না বলে আমালে পাসপোর্ট দেয়।
আমি নিজেই আমার নিজের আমার পাসপোর্ট এর জন্য এপ্লাই করতে সব ডকুমেন্ট নিয়ে জেলার নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই ওইখানে যাওয়ার পরে আমি সিরিয়ালে দাঁড়াই আমাকে সিরিয়াল থেকে বের করে দেয় তখন আমি একটু পুলিশ অফিসারের সাথে কথা বলার পর তাকে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে সে বলে তারপর আমি কথা বলে ১০০০ টাকা দিয়ে সিরিয়ালটি আমাকে সে দিয়ে দেয় দেওয়ার পরে আমার কাজ হয়ে যায় আমি যখন নিজে নিজে এপ্লাই করলাম তখন আমাকে তারা লাইন থেকে বের করে দিলে।
ওই পুলিশ এসআই আমাকে ফোন দিয়ে বলে আপনি আজকের মধ্যে কাগজপত্র আমাদের এই অফিসে পাঠায় দেন না হলে আমি ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে চলে যাব আর আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন দেরি হয়ে যাবে পরে আমি কাগজপত্র পাঠানোর সাই এবং তিনি আমার কাছে খরচ দাবি করে সে দাবি অনুযায়ী আমার এই টাকা প্রেরণ করতে হয় পনেরশো টাকা
নামজারি করার জন্য ৪০০০০ টাকা ঘুঘ চায় না দিলে কাজ হবে না।এরপর কোনোরকমে ২০০০০ টাকা দিলেও আজ ২০ দিন হয়ে গেছে কাগজ হাতে পাইনাই। ৪০০০০ হাজারই দিতে হবে মনে হয়
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম গতমাসের ১০ তারিখ।১০ তারিখ এই আমাকে টানা ১ সপ্তাহ হয়রানি করে।এই সমস্যা ওই সম্যস্যা। ৮০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে।
রেলের টিকিট ক্রয়ের সময় সিট সংকট দেখিয়ে টিকিট মূল্যের থেকে বাড়তি মূল্য নেয় । মির্জাপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার টিকিট কেনার সময় সেই স্টেশনে দায়িত্বরত বাড়তি ভাড়া দাবী করে।
আমার জানামতে সরকারি ফি 600 টাকা কিন্তু, 1800-2500 টাকা লাগে নকল সইমোহর দলিল নিতে।
এম পি ও ভুক্ত হতে প্রয়োজনীয় কাগজ জেলার পাঠানোর ক্ষেত্রে ঘুস দিতে হয়েছিল।
টিসিবির ডিলারশিপ এর কাগজ ১৫ হাজার টাকা নগদ দেওয়ার পর কুড়িগ্রাম ডিসি অফিস থেকে ঢাকা টিসিবি ভবনে আসে আমি আমার কাগজের বিস্তারিত জানতে গেলে তারা ৩ লাখ টাকা দাবি করে, বলে তিন লাখ টাকা দিলে ডিলারশিপ ওয়েবসাইটে উঠায় দিবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, করতে গিয়ে পুলিশ আমাকে বলে খুশি হয়ে কিছু দিয়ে যান, পরে আমি বললাম আমার কাছে তেমন টাকা নাই,বলে যা আছে দিয়ে যান 😄 সিসি ক্যামেরার সামনে গিয়ে বললাম বিকাশে দেবো কিনা, উনি ভয় পেয়ে রুমে ডেকে বলল পকেটে যা আছে দেন, পরে ২০০ টাকা ছিল দিয়ে আসলাম। 😄😄