বদলি
আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে দশ হাজার টাকা চেয়েছে।পরে আমি এই টাকা পরিশোধ করে বদলি হই।এই বদলিটা ছিলো উপলেলার মধ্যে ই।এই বাবদ আমাকে আরেকজন উপসচিব কে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে দশ হাজার টাকা চেয়েছে।পরে আমি এই টাকা পরিশোধ করে বদলি হই।এই বদলিটা ছিলো উপলেলার মধ্যে ই।এই বাবদ আমাকে আরেকজন উপসচিব কে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়।
আমার ছোট ভাইয়ের ভোটার আইডি কার্ড এর জন্ম তারিখ ভুল। পাসপোর্ট এর সাথে মিল নাই এটা ঠিক করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি তিন বছর ধরে চেষ্টা করছি বলছি এটা ঠিক করাই সম্ভব না যদিও করা যায় তাহলে দেশ থেকে দুই লক্ষ টাকা লাগবে এখন ইটালির ডকুমেন্ট এর সাথে পাসপোর্ট মিল আছে কিন্তু ভোটার আইডি কার্ডের কারণে অনেক সমস্যা হচ্ছে কোনভাবে করতে পারছি না।
মুলত ট্রেডলাইসেন্স ডেট এক্সায়ার হইছে, তারা অভিযান এ এসে দোকানে তালা লাগাই দিছে পরে টাকা দিয়ে কাজ সারা লাগছে। তাও সরকার কে ঠকানো হইছে।
আমার একটি দামি ফোন হারিয়ে যাই ২০২৬ সাল এর জানুয়ারি মাসে। আমি পুলিশ এ একটি সাধারণ জিডি করি। ৩ মাস পরে পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বলে আপনার ফোন পাওয়া গেছে। থানায় এসে নিয়ে যান। আমি থানায় গেলে বলে আমাদের চা নাস্তা খাওয়াবেন না ফোন পাইলেন। পরে ৮ হাজার টাকা নিয়ে আমার হারানো ফোন ফিরিয়ে দেয়
It was pcc for foreign visa. He tried to create mental pressure for money.
ঘটনাটি গত বছরের । ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে নিজ নামে নামজারী করে নেন। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একখানা অভিযোগ দায়ের হলেও আজ পর্যন্ত তার কোন সুরাহা হয়নি।
বাইকের কাগজ করাতে লাগে ব্যাংকে জমা দেওয়া লাগে ৯হাজার + আমার কাছ থেকে নিছিলো টোটার ১৪৫০০
আমার মায়ের শিক্ষকতা জীবনে মামলা থাকায় বকেয়া টাকা তুলতে গিয়ে প্রায় অর্ধেক টাকা ঘোষ চেয়ে বসে।
পঞ্চগড় বি আর টি অফিসে টাকা না দিলে পরীক্ষায় বিভিন্নভাবে ফেল করে দেওয়া হয়
আমার নাম ফাহাদ, আমি একজন প্রবাসী কয়েকদিন আগে ছুটিতে বাড়িতে যাই, যাওয়ার পরে আমার পুরাতন পাসপোর্ট এর মেয়াদ ফুরিয়ে যায়, তাই আমি পুনরায় পাসপোর্ট অফিসে যাই নতুন একটি পাসপোর্ট করার জন্য। সব যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়, ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করি, এবং ব্যাংকের রিসিট নিয়ে যায়, যেহেতু আমি প্রবাসী আমার কাছে পাসপোর্ট আছে, জাতীয় পরিচয় পত্র এন আই ডি সব কিছু আছে, তারপরও আমি যখন পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি, তখন আমাকে কারণ দেখিয়ে, বলে আপনার এটা এখন হবে না ঠিক করতে হবে, আমি বলি স্যার আমার খুব আর্জেন্ট দরকার আছে, প্রথমে হবে না আমার কাগজে সমস্যা আছে। তারপর আমার থেকে ইন্সটেন্ট ১০ হাজার টাকা দাবি করে, একটা রুমের ভিতর যিনি বসে থাকে, আমি তাৎক্ষণিক আট হাজার টাকা দিই।সাথে সাথে আমার কাগজ এপ্রুভ করে।
নামজারীর প্রস্তাব পাঠাবে অনলাইনে ও হার্ডকপি এসিল্যান্ড অফিসে পাঠাবে এজন্য। কম টাকা পরিশোধ করায় হয়রানীর স্বীকার হয়েছি তহসিলদার কর্তৃক।
কারারক্ষী পদে আমি চাকুরী পরিক্ষা দিয়েছি, লিখিত শেষ হবার পরে দায়িত্বরত কর্মকর্তা গন ডাইরেক্ট বলছেন যারা ৭,০০,০০০/- টাকা দিতে পারবে তার চাকরি হবে আর না দিতে পারলে শুধু শুধু কষ্ট করার প্রয়োজন নাই চলে যাও
৩৮ বিঘা খাস জমির চেক নবায়ন বাবদ গ্রামের সাধারণ মানুষদের নিকট এই টাকা দাবি করা হয়, কিন্তু গ্রামের কিছু লোক ওই জমির জাল দলিল করে নিজের সম্পত্তি দাবি করে আসছিলো ফলে তা নিয়ে মামলা চলমান। তাই ভুমি অফিস চেক দিতে অপারগতা জানায়। মামলা নিস্পত্তি হলে এই ভুমি অফিস আবারও টাকা নিবে। সাধারণ জনগণ হচ্ছে বলির পাঠা।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রনাধীন একজন কর্মচারী। একটি বিভাগ থেকে আরেকটি বিভাগের বদলীর জন্য ১৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়।। বদলিজনিত কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রায় ৩ মাস পার হয়ে গেলেও বদলি হয় নাই। যখন টাকা পরিশোধ করা হলো তখন ১৫ দিনের মধ্যে বদলীর অর্ডার হয়ে গেছে।
gpf খোলার জন্য অফিসে গিয়েছিলাম। কাগজপত্র জমা দিয়েছি। কিন্তু কাজ করে না। তারপর ৫০০ টাকা চাইলে। বলল একাউন্টস অফিসে নাকি কি টাকা দিতে হবে।
আমি একজন প্রবাসী ১৪ শতাংশ জমির হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য মুক্তার এর সাথে আমার চুক্তি হয়১২ হাজার টাকা তার পর মুক্তার আমাকে বলে অমুক তারিখে জমির দাদাকে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠিয়ে দিবেন তখনআমি জানতে চাই কেমন সময় লাগতে পারে দলিল রেজিস্ট্রি করতে উনি বলেছে ১ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে তার পর ঐ তারিখে সকাল ১০ টার মধ্যে আমি আমার লোক জন পাঠিয়ে দেই কিন্ত উনি আমার লোকজনকে অপেক্ষা করাতে করাতে বিকাল ৪ টার পর বলে আজকে দলিল রেজিস্ট্রি করা যাবে না তখআমি কারণ জানতে চাইলে মুক্তার আমাকে বলে রেজিস্ট্রি অফিসে বিভিন্ন সাংবাদিকরা এসেছে তাদেরকে অনেক টাকা ঘুষ দিতে হবে তাই আজকে দলিল রেজিস্ট্রি করলে টাকা লাগবে ২৯০০০ হাজার আমি বললাম আপনার সাথে আমার চুক্তি হয়েছিলো তো 12 হাজার উনি বলে সকালে ১২ হাজারে করা যেতো এখন আর হবে
বি.এল. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করতে চাই ।তখন আমার কাছে এক লক্ষ টাকা চায়। আমি ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই কারণ স্কুলটি আমার বাড়ির কাছে কিন্তু আমার ছেলে মেধাবী হওয়ার সত্ত্বেও লটারিতে নাম উঠেছিল না । কিন্তু নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মানুষ টাকা দিয়ে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করছিল ডিসি অফিসে যারা চাকরি করে এবং সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে টিচাররা তাদের সন্তানদের খুব সহজেই স্কুলে ভর্তি করছিল তখন আমিও তদবির করে বাচ্চাটাকে ভর্তি করতে সক্ষম হই। আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চায় আমি ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করেছি। এটি ২০২৩ সালের ঘটনা তাই লটারি সিস্টেম তুলে দিয়ে মেধার ভিত্তিতে সন্তানদের স্কুলে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
একটি EC সংক্রান্ত আবেদন করেছি। সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১৫০ টাকা । কিন্তু সেই কাজের জন্য আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩০০০ টাকা! প্রশ্ন হলো—সরকারি ফি ১৫০ টাকা হলে অতিরিক্ত ২৮৫০ টাকা কেন নেওয়া হলো? এটি কি সরকারি নিয়ম, নাকি প্রকাশ্য ঘুষ বাণিজ্য?
দলিলের নকল তুলতে গেলে প্রথমে পাঁচ বছরের খোঁজা খুঁজির চার্জ দেওয়া হয়, সে নকলটা পেয়েছে তারপর সে মসজিদে চলে গেছে অন্যজনকে বলে গেছে নকল তুলতে ৮৫০০ টাকা লাগবে রাজি হওয়ার পর উনি আসছে লিখা লিখি করে দিয়েছে, ৮৫০০ টাকা দিয়েছি ইমারজেন্সি ছিল তাই আনতে হয়েছে।
২০০ বছর ধরে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার আদীবাসি রাখাইন সমপ্রদায় বসবাস, আদিবাসী দের নিকট হইতে মুসলিম বা হিন্দুদের নিকট জমি বিক্রয় করতে গেল শুরু হয় ,,,,,,, প্রথম আসা যাক জমির দালাল, ১, দর ঠিক করা হল লোকাল রেটেএর ৩ ভাগের ১ ভাগ, লাগবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অনুমোতি পত্র , কাগজ পত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিস , ঘুষের টাকা ( চা খরচ ) দিতে হবে অফিস সহকারী ও পিয়ন কে জমির পরিমান বুঝে এর পর ১ সপ্তা থেকে মাস গড়াবে তাগেদা দিতে দিতে অফিস সহকারী বদলী অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২ টি চিঠি ইসু করে উপজেলা ভুমি সহকারী কমিশনার ( ভুমি যাচাই বাচাই জন্য) ,অন্যটি চিঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর নাগরিত্ব যাচাইয়ের জন্য।ভুমি সহকারী তদন্ত প্রতিবেদন করতে পাঠান ইউনিয়ন ভুমি অফিসার বর