ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য
পঞ্চগড় বি আর টি অফিসে টাকা না দিলে পরীক্ষায় বিভিন্নভাবে ফেল করে দেওয়া হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পঞ্চগড় বি আর টি অফিসে টাকা না দিলে পরীক্ষায় বিভিন্নভাবে ফেল করে দেওয়া হয়
আমার বাবা একজন হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিলেন। রিটায়ার্ড যাওয়ার প্রায় ৫-৬ মাস যাওয়ার পর তিনি স্ট্রোক করে ফেলেন। প্রায় ১ সপ্তাহ মতো সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে বাবাকে নিয়ে ভর্তি ছিলাম। আমার বাবার পেনশন তুলতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হইছে। শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাজ করতে অনেক অনীহা দেখায় এবং গড়িমসি শুরু করে এবং ইচ্ছে করেই কাজটা ডিলে করে। প্রায় ৪-৫ মাস লেগেছিল পেনশন এর টাকা তুলতে। উপজেলা প্রাথমিক অফিসারের দ্বায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে ৫ হাজারের মতো দিয়েছিলাম। শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের ৭০০০ এর মতো দিয়ে ছিলাম। কি সব কাগজ পত্র বাবদ আরও ২৫০০ টাকা দিয়ে ছিলাম। এবং হিসাবরক্ষণ অফিসেও ৮ হাজার টাকার মতো দিয়ে ছিলাম।
আমার নাম ফাহাদ, আমি একজন প্রবাসী কয়েকদিন আগে ছুটিতে বাড়িতে যাই, যাওয়ার পরে আমার পুরাতন পাসপোর্ট এর মেয়াদ ফুরিয়ে যায়, তাই আমি পুনরায় পাসপোর্ট অফিসে যাই নতুন একটি পাসপোর্ট করার জন্য। সব যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়, ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করি, এবং ব্যাংকের রিসিট নিয়ে যায়, যেহেতু আমি প্রবাসী আমার কাছে পাসপোর্ট আছে, জাতীয় পরিচয় পত্র এন আই ডি সব কিছু আছে, তারপরও আমি যখন পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি, তখন আমাকে কারণ দেখিয়ে, বলে আপনার এটা এখন হবে না ঠিক করতে হবে, আমি বলি স্যার আমার খুব আর্জেন্ট দরকার আছে, প্রথমে হবে না আমার কাগজে সমস্যা আছে। তারপর আমার থেকে ইন্সটেন্ট ১০ হাজার টাকা দাবি করে, একটা রুমের ভিতর যিনি বসে থাকে, আমি তাৎক্ষণিক আট হাজার টাকা দিই।সাথে সাথে আমার কাগজ এপ্রুভ করে।
নামজারীর প্রস্তাব পাঠাবে অনলাইনে ও হার্ডকপি এসিল্যান্ড অফিসে পাঠাবে এজন্য। কম টাকা পরিশোধ করায় হয়রানীর স্বীকার হয়েছি তহসিলদার কর্তৃক।
কারারক্ষী পদে আমি চাকুরী পরিক্ষা দিয়েছি, লিখিত শেষ হবার পরে দায়িত্বরত কর্মকর্তা গন ডাইরেক্ট বলছেন যারা ৭,০০,০০০/- টাকা দিতে পারবে তার চাকরি হবে আর না দিতে পারলে শুধু শুধু কষ্ট করার প্রয়োজন নাই চলে যাও
৩৮ বিঘা খাস জমির চেক নবায়ন বাবদ গ্রামের সাধারণ মানুষদের নিকট এই টাকা দাবি করা হয়, কিন্তু গ্রামের কিছু লোক ওই জমির জাল দলিল করে নিজের সম্পত্তি দাবি করে আসছিলো ফলে তা নিয়ে মামলা চলমান। তাই ভুমি অফিস চেক দিতে অপারগতা জানায়। মামলা নিস্পত্তি হলে এই ভুমি অফিস আবারও টাকা নিবে। সাধারণ জনগণ হচ্ছে বলির পাঠা।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রনাধীন একজন কর্মচারী। একটি বিভাগ থেকে আরেকটি বিভাগের বদলীর জন্য ১৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়।। বদলিজনিত কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রায় ৩ মাস পার হয়ে গেলেও বদলি হয় নাই। যখন টাকা পরিশোধ করা হলো তখন ১৫ দিনের মধ্যে বদলীর অর্ডার হয়ে গেছে।
gpf খোলার জন্য অফিসে গিয়েছিলাম। কাগজপত্র জমা দিয়েছি। কিন্তু কাজ করে না। তারপর ৫০০ টাকা চাইলে। বলল একাউন্টস অফিসে নাকি কি টাকা দিতে হবে।
আমি একজন প্রবাসী ১৪ শতাংশ জমির হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য মুক্তার এর সাথে আমার চুক্তি হয়১২ হাজার টাকা তার পর মুক্তার আমাকে বলে অমুক তারিখে জমির দাদাকে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠিয়ে দিবেন তখনআমি জানতে চাই কেমন সময় লাগতে পারে দলিল রেজিস্ট্রি করতে উনি বলেছে ১ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে তার পর ঐ তারিখে সকাল ১০ টার মধ্যে আমি আমার লোক জন পাঠিয়ে দেই কিন্ত উনি আমার লোকজনকে অপেক্ষা করাতে করাতে বিকাল ৪ টার পর বলে আজকে দলিল রেজিস্ট্রি করা যাবে না তখআমি কারণ জানতে চাইলে মুক্তার আমাকে বলে রেজিস্ট্রি অফিসে বিভিন্ন সাংবাদিকরা এসেছে তাদেরকে অনেক টাকা ঘুষ দিতে হবে তাই আজকে দলিল রেজিস্ট্রি করলে টাকা লাগবে ২৯০০০ হাজার আমি বললাম আপনার সাথে আমার চুক্তি হয়েছিলো তো 12 হাজার উনি বলে সকালে ১২ হাজারে করা যেতো এখন আর হবে
আর্জেন্ট নতুন লাইসেন্স আবেদন করতে লেগেছে 20'000/= ডিসেম্বর 2025 এর ঘটনা। এরপর অপেক্ষা করতে করতে একদিন বাংলাদেশ এম্বেসিতে গিয়ে দেখি সবাই নতুন লাইসেন্স প্রিন্ট করে এনেছে। এপ্রিল 2026 বাংলাদেশে লাইসেন্স প্রিন্ট বন্ধ । খুজনিয়ে জানলাম টাকা দিলে সব হয়। আরো 15,000/= টাকা দিলাম, এক সপ্তাহের বিতরে ঢাকা থেকে লাইসেন্স আমার কছে চলে আসে। ঘুষ দিলে হয়, না দিলে হয় না। সরকারী সচিব দের হাতে দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। এদের একটা ব্যবস্থা করা জরুরি হয়েগেছে।
বি.এল. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করতে চাই ।তখন আমার কাছে এক লক্ষ টাকা চায়। আমি ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই কারণ স্কুলটি আমার বাড়ির কাছে কিন্তু আমার ছেলে মেধাবী হওয়ার সত্ত্বেও লটারিতে নাম উঠেছিল না । কিন্তু নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মানুষ টাকা দিয়ে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করছিল ডিসি অফিসে যারা চাকরি করে এবং সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে টিচাররা তাদের সন্তানদের খুব সহজেই স্কুলে ভর্তি করছিল তখন আমিও তদবির করে বাচ্চাটাকে ভর্তি করতে সক্ষম হই। আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চায় আমি ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করেছি। এটি ২০২৩ সালের ঘটনা তাই লটারি সিস্টেম তুলে দিয়ে মেধার ভিত্তিতে সন্তানদের স্কুলে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
একটি EC সংক্রান্ত আবেদন করেছি। সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১৫০ টাকা । কিন্তু সেই কাজের জন্য আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩০০০ টাকা! প্রশ্ন হলো—সরকারি ফি ১৫০ টাকা হলে অতিরিক্ত ২৮৫০ টাকা কেন নেওয়া হলো? এটি কি সরকারি নিয়ম, নাকি প্রকাশ্য ঘুষ বাণিজ্য?
দলিলের নকল তুলতে গেলে প্রথমে পাঁচ বছরের খোঁজা খুঁজির চার্জ দেওয়া হয়, সে নকলটা পেয়েছে তারপর সে মসজিদে চলে গেছে অন্যজনকে বলে গেছে নকল তুলতে ৮৫০০ টাকা লাগবে রাজি হওয়ার পর উনি আসছে লিখা লিখি করে দিয়েছে, ৮৫০০ টাকা দিয়েছি ইমারজেন্সি ছিল তাই আনতে হয়েছে।
২০০ বছর ধরে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার আদীবাসি রাখাইন সমপ্রদায় বসবাস, আদিবাসী দের নিকট হইতে মুসলিম বা হিন্দুদের নিকট জমি বিক্রয় করতে গেল শুরু হয় ,,,,,,, প্রথম আসা যাক জমির দালাল, ১, দর ঠিক করা হল লোকাল রেটেএর ৩ ভাগের ১ ভাগ, লাগবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অনুমোতি পত্র , কাগজ পত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিস , ঘুষের টাকা ( চা খরচ ) দিতে হবে অফিস সহকারী ও পিয়ন কে জমির পরিমান বুঝে এর পর ১ সপ্তা থেকে মাস গড়াবে তাগেদা দিতে দিতে অফিস সহকারী বদলী অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২ টি চিঠি ইসু করে উপজেলা ভুমি সহকারী কমিশনার ( ভুমি যাচাই বাচাই জন্য) ,অন্যটি চিঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর নাগরিত্ব যাচাইয়ের জন্য।ভুমি সহকারী তদন্ত প্রতিবেদন করতে পাঠান ইউনিয়ন ভুমি অফিসার বর
একটা মৃত্যু নিবন্ধন বের করতে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কাউন্সিল থেকে একটা ওয়ারিশ ক্যাম সার্টিফিকেট বের করতে ১৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে,;প্রতিটা নিবন্ধন করতে ৫০০ টাকা নেয়, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে আবার ১০০০ টাকা নেয়, পুরো আমার পরিবারের ছয়জনের জন্ম নিবন্ধন করতে এবং সংশোধন করতে ৫০০০ টাকার উপরে নিয়েছে, কাউন্সিল থেকে প্রত্যয়ন পত্র নিতে গেলে ৩০০ করে দিতে হয়, যায়া ৩ জনের জন্য -৯০০ প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য 5000 টাকা দিতে হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে, চাউল এর কার্ড করতে 2000 টাকা দিয়েছে, আমার মনে হয় বেশিরভাগ কাউন্সিলে এমন টাকা নেওয়া হয়। আমার এই সেবা গুলো নিতে গেলেই টাকাগুলো পরিশোধ করতে হয়েছে তারপরে সেবাগুলো পেয়েছি
ইমার্জেন্সিতে সেবা দেওয়ার পর টাকা চায়। এবং এমার্জেন্সিতে প্রতি সিপিতে ডাক্তার থাকবে দুইজন টোটাল দিনে ৬ জন কিন্তু আসে টোটাল মাত্র একজন। রীতিমত সরকারের ওষুধ দেওয়া হয় না এবং দেয় পাঁচটা লিখে দশটা। এবং সবচেয়ে বড় কথা। পর্যাপ্ত ওষুধ নষ্ট করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্টাপে নিয়ে যায়। এখন বর্তমানে একটি সরকারি কোয়ার্টারে। অনেক ওষুধ রাখা হয়েছে। যেগুলো বিতরণ করেনি। এখন বর্তমানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। ওষুধ গুলো এখন পাওয়া যাবে। যে কোয়ার্টারের সামনে একটা পানি ট্যাংক আছে আছে
একটা জিডি করতে গেছিলাম মুক্তাগাছা থানায়,যে জিডি লিখলো সেও ঘুষ চাইলো,পরে পুলিশ এর oc যে এস আই কে দায়িত্ব দিলো সেপ্রথমে আমাকে ঝাড়ি মেরে বুঝালো আমার ই দোষ,কারণ সে নাকি পারসোনালি ওই লোককে চেনে যার বরুদ্ধে জিডি করেছিলাম,কিছুক্ষন পর আমার কাছে এসে টাকা চাইলো গোপনে,কিছু দিয়েছি আর কিছু দিতে পারিনি
নির্বাচন অফিসে টাকার জন্য আইডি কার্ডে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি শিকার হচ্ছে মানুষ যেমন আমি । এক বছর হয়ে যায় আইডি কার্ডের কোন খবর নাই । গেলে বলে অনলাইনে সাবমিট হতে সময় লাগে । এবং এবং পিয়নের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে বলে টাকা ছাড়া স্যার কাজ করবে না
মটরবাইক্ রেজিস্ট্রেশন এর কাগজ জমা দিতে গেলে ১৫০০ টাকা চাইল, আমি বললাম ব্যাংকে সব ফিস দিয়েছি এর রিসিট গুলো দেখালাম। তখন বললেন এটা আলাদা দিতে হবে তা না হলে জমা হবেনা, তখন কি আর করা
আমি ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডাক্তার দেখায়ছি ডাক্তার একটা আন্ট্রাসনোগ্রাম দিছে। বাইরে করতে ৪০০০হাজার লাগে।মেডিকেলে করতে ৫০০।কিন্তু, মেডিকেলে সিরিয়াল পাওয়া যায় না। আগের দিন থেকে ওইহানে শুয়ে থাকতে হয়।তাই আমাকে এটা করতে ১০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।