ইউনিয়ন পরিষদ অফিস
ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে আমার ছোট বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। বললো ৫০০ টাকা দিতে। টাকা না দিলে হবে না। কোনো উপায় না পেয়ে টাকা দিয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে আমার ছোট বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। বললো ৫০০ টাকা দিতে। টাকা না দিলে হবে না। কোনো উপায় না পেয়ে টাকা দিয়েছি।
Figer dite giye tk dite hoise
একজন দলিল লেখক উক্ত টাকার বিনিময়ে একটি দলিল তৈরি করার জন্য চেয়েছিল ওই সময় দলিল তৈরীর জন্য নগত চার হাজার টাকা নিয়েছিল তা এখন পর্যন্ত ফেরত দেয় নাই টাকা চাইতে গেলে বলে এটা আমার কমিশন।
আমি আয়ডি কাডের ছবি তুলার জন্য গিয়েছিলাম আমার কাছে টাকা চাইছিল ২০০০ টাকা ৪ ঘন্টা ওয়েট করার পর ৪০০ টাকা দিয়ার পর ছবি তুলছে
আমি পাসপোর্ট এর ফ্রি সোনালী ব্যাংকের খাগড়াছড়ি শাখায় জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে সকল ডকুমেন্ট নিয়ে জমা দেই । কাগজ পত্র সব কিছু দেখার পর বলে । আজকে হবে না। আগামী রবিবারের আসেন।আর আজকে করতে হলে ১৫০০ টাকা দিতে হবে।এই টাকা দিলে আজকে হয়ে যাবে। তারপর অনেক কথা কাটাকাটির শেষ পর্যন্ত ১৫০০ টাকা দিয়ে ঐ দিনই কাজ শেষ করে আসি।
আমাকে অনেক ঘুরাতে থাকে বিভিন্ন পেপারের অজুহাতে পাঁচ দিন পরে আমার ফাইল জমা করতে পারি
শিক্ষাগত সনদপত্র সংগ্রহের জন্য আমাকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। এইচএসসি (HSC) সনদপত্র প্রদান/সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় সনদপত্র পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ১০,০০০ টাকা প্রদান করি। এই অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এ কারণে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হয়েছি।
গাড়ির বাৎসরিক ফিটনেস নবায়ন করতে গেলে ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে বিআরটিএ অফিস
২০২৩ সাল পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন সময় থানার ওসি ৫০০০ টাকা ঘুষ চায়। এবং আমি তা পরিশোধ করি।
ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা লোন আনতে গিয়েছিলাম,, তখন আমি পরিতিথি শিখার ছিলাম, যার জন্য আমার লোনটা প্রয়োজন ছিলো,, আমাকে ২ লক্ষ টাকা লোন দিবে,, তবে ব্যাংকের মেনেজারকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে,,, তাহলে লোন দিবে,, তখন টাকা টা আমার এতই প্রয়োজন ছিলো যে আমি ব্যাধ হয়ে রাজি হয় ২০ টাকা ঘুষ দিতে,, কিন্ত আমি ৩০ লক্ষ টাকার জমির দলিল ব্যাংকে জমা দিয়ে যদি আমার ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে লোন নিতে হয়,, তাহলে এ দেশে থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো মনে করি
সোনালী ব্যাংক পিএলসি হতে পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। তার বৈধ নমিনির ডিজিটাল মৃত্যুসনদ দিয়ে অন্যান্য কাগজপত্রাদি দিয়ে পারিবারিক সঞ্চয় পত্র চলমান রাখার 20-04-2026 তারিখে আবেদন করেন। পরবর্তীতে 20-08-2026 ইং তারিখ ব্যাংকে যোগাযোগ করলে বলে পেন্ডিং আছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাঙ্গাইল জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস যোগাযোগ করতে বলেন। সেই মোতাবেক টাঙ্গাইল জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস গেলে কর্তৃপক্ষ তালবাহানাসহ সময়ক্ষেপন করিতেছে। এমন সমস্যা অনেক ভূক্তভোগী আছে। দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা লাইসেন্সের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ১০,০০০ টাকা প্রদান করি। উক্ত অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়েছি।
আমি অনলাইনে ফরম পূরন করে জমা দি। যা যা লাগবে সব ছিলো। তবুও ইচ্ছে করে নিচ্ছি লোনা। পরে অতিরিক্ত যা যা ডকুমেন্টস চাইসে তা আনাই বাসা থেকে। কিন্তু তবু ২য় বাইরেও নেয় নাই । পরে দালাল এসে বলে, কিছু লাগবেনা। ৬০০০ টাকা দেন। কররদিবো। । কোর কিছু ছাড়া অতিরিক্ত ৬০০০ টাকায় করতে হইসে। ওরা আবেদন এর কাগজে একটা সংকেত দিয়ে দেয়। অফিসার দেখলে আর কিছু বলেনা।
আমার সার্টিফিকেটে আমার বাবার নামের অক্ষর মিসিং ছিলো এটা সংশোধনের জন্য আমি নিয়ম অনুযায়ী সকল টাকা ব্যাংক ড্রাফট করি। তারপর যেদিন জমা দিতে যাই আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে অন্যথায় বলে জমা নিবে না। তখন আমার চোখে পানি চলে আসে একসময় জোরেই কান্না করি পরে অনেক রাগ হয়ে জমা নিয়ে এক জায়গায় ছুড়ে ফেলে দেয়। ঘটনাটি দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের।
দাদার ৩.০৯ একর পৈত্রিক সম্পত্তি, বাবা চাচাদের মাঝে বন্টন নামা দলিল করতে ভূমি অফিস চার লক্ষ টাকা দাবি করে।
সব কাগজ ঠিক থাকার পরও এল.এ. কেস এর এর জন্য টাকা দাবি।
দরখাস্ত জমা দিতে গিয়ে পরে আসেন বলে ফেরত দেয়।অফিসের বাইরে আসতেই দালাল ধরে এবং ৩৫০০ টাকা হলে তাৎক্ষণিক ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে দিবে বলে জানান।আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি এবং দরখাস্ত বাতিল করে চলে আসি।
আমি একজন সৌদি প্রোবাসি আমি প্রথম অবস্থায় যখন পাসপোর্ট করি এবং ভিসা লাগিয়ে সৌদি চলে যাই এবং যাওয়ার পরে পাসপুর্ট ডেট সেষ হলে ঐখান থেকে দ্বিতীয় পাসপুর্ট করি এবং সেটার ও ডেট ৭মাস থাকতে দেশে ছুটিতে আসি দেশে যখন রিনিউ আবেদন করি তখন তারা বলে আমার পাসপুর্ট নাকি মালটিপুল অ্যাক্টিভ তার যন্য ঘুষ চাই
জমি সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ১ কোটি টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা জমির কাজ করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করেন। কাজটি সম্পন্ন করার প্রয়োজন এবং পরিস্থিতির চাপে আমি বাধ্য হয়ে ১ কোটি টাকা প্রদান করি। এই অর্থ সম্পূর্ণভাবে অবৈধভাবে দাবি ও গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি আমার জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে এবং জমি সংক্রান্ত স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
এমপিও ভুক্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ৪০০০ টাকা খুবই কাকুতি মিনতি করে দিয়েছি। সে আরও ১০০০টাকা দাবি করছিল। সময়- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মাসে। আমি ও আমার সাথে আরও ৪ জন সহকর্মী থেকে ৫০০০ টাকা করে নেয়। আমরা শ্রীমঙ্গল আনোয়ারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা এর ৩য় গণ বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ প্রাপ্ত