মিউটেশন
মিউটেশন এর জন্য ঘুষ না দিলে কাজ হয় না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিউটেশন এর জন্য ঘুষ না দিলে কাজ হয় না
আমি জমি/ বাড়ির খাজনা নিয়ে জাই পরিশোধ করার জন্য কিন্তু আমি অফিসার কে জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা কাজ না আসছে উনি বললেন ৫ হাজার টাকা আমি বললাম আমি এত টাকা নিয়ে আসি নাই আপনি ২ হাজার টাকা জমা করে আমাকে কাজনার রশিদ দিন উনি ২ হাজার টাকা নিলেন ঠিক কিন্তু আমাকে রশিদ এ লিখে দিলেন মাত্র ৩০০ টাকা এই ভাবে সরকার এর হাজার হাজার টাকা তারা মেরে খাচ্ছে।
আমি পঁচিশ বছরের পুরাতন মেশিনারি এক্সপোর্ট করতে চেয়েছি, যার আয়ুষ্কাল আর ও দশ বছর আগে শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু রপ্তানি নীতি অনুযায়ী এই পন্যের মূল্য নিশ্চিত করবেন একজন আন্তর্জাতিক মানের সার্ভে প্রতিষ্ঠান যারা বাংলাদেশে কাষ্টমসের অন্তর্ভুক্তি থাকুন। রপ্তানি নীতি অনুযায়ী, ব্যাবহার যোগ্য মেশিনারি এক্সপোর্ট এ কোন বাধা নেই, তারপর ও আই সিডি, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস এর অফিসাররা ছয় লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে আমার পন্য খালাশ এর অনুমতি দেন।
বিদ্যুৎ সেবা নিতে গিয়ে,অফিসের একজম এর সাথে কথা বলি,সেই ভাই আমাকে বিদ্যুৎ এর কাজ করে দিবে বলে ২ লাখ টাকা দাবি করে,পরে আমাকে ১,৮০,০০০/ টাকা দিয়ে কাজটা করে দেয়।
আমি আর আমার আব্বা গিয়েছিলাম জমির কর পরিশোধ করার জন্য যাওয়ার পর আমাদের কাগজ পত্র যাচাবাচায় করার পর অফিস থেকে বাহির হয়ে সাইটে গিয়ে বলে ৪০ হাজার টাকা রাগবে । শুনে আমরাতো অবাক অনেক দর কসাকশি করে সর্বশেষ ২০ হাজার টাকায় তিনি রাজি হয় । তার পরে যখন সরকারি চালান কাটে তখন দেখি চালানে লেখা আছে ১২ হাজার টাকা । বাকি ৮ হাজার টাকা তিনি অতিরিক্ত ঘুষ নিয়েছিল তাও খুব গোপনে ।
আবেদন করে দিয়ে ১৫০০ টাকা ১৩ দিন ঘুরাঘুরি পর আবেদনটি রিভিউ করে তারপরে জমি সরজমিনে দেখতে যাওয়ার জন্য ৪০০০৳ জমির খাজনা পরিশোধ এবং এসি ল্যান্ড এর কাছে ফাইল পাঠানোর জন্য আরও ৪৫০০৳ দিতে হয়েছে । পৌর ভূমি অফিসের চাকরিজীবী আর এক দালাল বলে: "আমি এসিল্যান্ডের কাছ থেকে খারিজ মঞ্জুর করে এনে দেব আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে" আমি ওকে টাকা না দিয়ে নিজে এসিলেন্ড এর কাছে আমার ফাইল নিয়ে গিয়েছিলাম উনি কোন টাকা ছাড়াই আমার ফাইল মঞ্জুর করে । তবে পৌর ভূমি অফিসে আমার ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করতে টাকা লাগে বাড়তি টাকা লাগিয়েছে।১১৫০ টাকা লেগেছে।
চলাচলের রাস্তার জন্য ব্যাংকে ৫% জমা দেওয়া লাগবে না হলে সাব রেজিস্ট্রারকে ৩ ভাগের ১ ভাগ দিলে হবে এটা সকল পৌরসভার সাফ কবলা দলিলের ক্ষেত্রে দিতে হয়
নির্বাচন অফিসে টাকার জন্য আইডি কার্ডে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি শিকার হচ্ছে মানুষ যেমন আমি । এক বছর হয়ে যায় আইডি কার্ডের কোন খবর নাই । গেলে বলে অনলাইনে সাবমিট হতে সময় লাগে । এবং এবং পিয়নের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে বলে টাকা ছাড়া স্যার কাজ করবে না
আমার বাবা একজন হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিলেন। রিটায়ার্ড যাওয়ার প্রায় ৫-৬ মাস যাওয়ার পর তিনি স্ট্রোক করে ফেলেন। প্রায় ১ সপ্তাহ মতো সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে বাবাকে নিয়ে ভর্তি ছিলাম। আমার বাবার পেনশন তুলতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হইছে। শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাজ করতে অনেক অনীহা দেখায় এবং গড়িমসি শুরু করে এবং ইচ্ছে করেই কাজটা ডিলে করে। প্রায় ৪-৫ মাস লেগেছিল পেনশন এর টাকা তুলতে। উপজেলা প্রাথমিক অফিসারের দ্বায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে ৫ হাজারের মতো দিয়েছিলাম। শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের ৭০০০ এর মতো দিয়ে ছিলাম। কি সব কাগজ পত্র বাবদ আরও ২৫০০ টাকা দিয়ে ছিলাম। এবং হিসাবরক্ষণ অফিসেও ৮ হাজার টাকার মতো দিয়ে ছিলাম।
একটা জিডি করতে গেছিলাম মুক্তাগাছা থানায়,যে জিডি লিখলো সেও ঘুষ চাইলো,পরে পুলিশ এর oc যে এস আই কে দায়িত্ব দিলো সেপ্রথমে আমাকে ঝাড়ি মেরে বুঝালো আমার ই দোষ,কারণ সে নাকি পারসোনালি ওই লোককে চেনে যার বরুদ্ধে জিডি করেছিলাম,কিছুক্ষন পর আমার কাছে এসে টাকা চাইলো গোপনে,কিছু দিয়েছি আর কিছু দিতে পারিনি
ইমার্জেন্সিতে সেবা দেওয়ার পর টাকা চায়। এবং এমার্জেন্সিতে প্রতি সিপিতে ডাক্তার থাকবে দুইজন টোটাল দিনে ৬ জন কিন্তু আসে টোটাল মাত্র একজন। রীতিমত সরকারের ওষুধ দেওয়া হয় না এবং দেয় পাঁচটা লিখে দশটা। এবং সবচেয়ে বড় কথা। পর্যাপ্ত ওষুধ নষ্ট করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্টাপে নিয়ে যায়। এখন বর্তমানে একটি সরকারি কোয়ার্টারে। অনেক ওষুধ রাখা হয়েছে। যেগুলো বিতরণ করেনি। এখন বর্তমানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। ওষুধ গুলো এখন পাওয়া যাবে। যে কোয়ার্টারের সামনে একটা পানি ট্যাংক আছে আছে
একটা মৃত্যু নিবন্ধন বের করতে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কাউন্সিল থেকে একটা ওয়ারিশ ক্যাম সার্টিফিকেট বের করতে ১৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে,;প্রতিটা নিবন্ধন করতে ৫০০ টাকা নেয়, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে আবার ১০০০ টাকা নেয়, পুরো আমার পরিবারের ছয়জনের জন্ম নিবন্ধন করতে এবং সংশোধন করতে ৫০০০ টাকার উপরে নিয়েছে, কাউন্সিল থেকে প্রত্যয়ন পত্র নিতে গেলে ৩০০ করে দিতে হয়, যায়া ৩ জনের জন্য -৯০০ প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য 5000 টাকা দিতে হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে, চাউল এর কার্ড করতে 2000 টাকা দিয়েছে, আমার মনে হয় বেশিরভাগ কাউন্সিলে এমন টাকা নেওয়া হয়। আমার এই সেবা গুলো নিতে গেলেই টাকাগুলো পরিশোধ করতে হয়েছে তারপরে সেবাগুলো পেয়েছি
২০০ বছর ধরে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার আদীবাসি রাখাইন সমপ্রদায় বসবাস, আদিবাসী দের নিকট হইতে মুসলিম বা হিন্দুদের নিকট জমি বিক্রয় করতে গেল শুরু হয় ,,,,,,, প্রথম আসা যাক জমির দালাল, ১, দর ঠিক করা হল লোকাল রেটেএর ৩ ভাগের ১ ভাগ, লাগবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অনুমোতি পত্র , কাগজ পত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিস , ঘুষের টাকা ( চা খরচ ) দিতে হবে অফিস সহকারী ও পিয়ন কে জমির পরিমান বুঝে এর পর ১ সপ্তা থেকে মাস গড়াবে তাগেদা দিতে দিতে অফিস সহকারী বদলী অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২ টি চিঠি ইসু করে উপজেলা ভুমি সহকারী কমিশনার ( ভুমি যাচাই বাচাই জন্য) ,অন্যটি চিঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর নাগরিত্ব যাচাইয়ের জন্য।ভুমি সহকারী তদন্ত প্রতিবেদন করতে পাঠান ইউনিয়ন ভুমি অফিসার বর
দলিলের নকল তুলতে গেলে প্রথমে পাঁচ বছরের খোঁজা খুঁজির চার্জ দেওয়া হয়, সে নকলটা পেয়েছে তারপর সে মসজিদে চলে গেছে অন্যজনকে বলে গেছে নকল তুলতে ৮৫০০ টাকা লাগবে রাজি হওয়ার পর উনি আসছে লিখা লিখি করে দিয়েছে, ৮৫০০ টাকা দিয়েছি ইমারজেন্সি ছিল তাই আনতে হয়েছে।
সনদ নিতে হলে 200 টাকা দিতে হবে, পিয়ন এর গাড়ি ভাড়া দিতে হবে বলে জানাই । আমার অতি প্রয়োজনের কারণে দিতে বাধ্য হয়েছি। আর এভাইবেই সবাইকে হয়রানি করেছে মৌলভিবাজার জেলা অফিসের কিছু লোক।
Whenever I am renewing my Company Trade Licence in Bangladesh, I am giving Ghush BDT 2,000 every year. They do not renew Trade Licence without Ghush.
আমার জন্ম নিবন্ধনে জন্ম তারিখ ভুল ছিলো । আম নোয়াখালী ডিসি অফিসে যখন সংশোধন করতে যাই তখন ডিসি অফিসের এক অফিসার নামাজ পড়ে এসে টুপি মাথায় দিয়ে টেবিলে বসেছে। আমি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের কথা বলাতে উনি বার বার হবে না বলে। পরে টুপি মাথা থেকে খুলে বললো একটা উপায় আছে এখনি কাজ হয়ে যাবে বলে পিওনের সাথে কথা বলতে বললো আমাকে। পিওন আমার থেকে ২০০০ টাকা নিয়ে নিয়ছে। কাজ টা আমার খুব জরুরি ছিলো করানো তাই অপরাধবোধ জাগলেও টাকা টা দিতে বাধ্য হয়েছি আমি। টাকা দেয়ার পর ২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ করে দেয়। যদি আমি ঐ টাকা না দিতাম তাহলে আমার কাজ ১মাস ঘুরলেও হতনা। সব জায়গায়ই শুধু ঘুষ আর ঘুষ।
সরকারের সবচেয়ে দুর্নীতির হয় মনে হয় এই সেক্টরে। আমি বদলির জন্য মেনে হয় ২০২২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ টি আবেদন করেছি এখন পর্যন্ত আমরা বদলি হয় নি। অথচ আমাদের বদলির জন্য শর্ত আছে, এক জায়গায় মিনিমাম ৩ বছর থাকতে হবে সেখানে আমি ৬ বছর ধরে পরে আছি তাও বদলি হচ্ছে না। অথচ যাদের বদলির আবেদনের যোগ্যতা নাই তাদের বদলি হচ্ছে। আমার কাছেও একজন ডিজিএন অফিসের কর্মকর্তা টাকা চেয়েছে,বলছে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা দেন বদলি করে দিচ্ছি। আমাদের পেশায় যখন মানব সেবা করা তখন আমাদের সেবা নিতেই ঘুষ দিতে হয় এরচেয়ে লজ্জার আর কি আছে। আমি ছোট ছোট ২টা বাচ্চা নিয়ে খুব হতাশায় দিন কাটাচ্ছি। জানিনা কি করব,
আমার জমির খতিয়ান নং একটু ভুল ছিলো সেটি সংশোধন করতে আমার কাছে থেকে 5000 টাকা নিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাব- রেজিস্ট্রেশন অফিস