জমির খাজনা
তারা বলে ২৯ বছরের খাজনা বাকি পিয়ন, অফিস সহকারি আমাদেরকে এই পরিমাণ টাকা দিলে খাজনা অর্ধেক হয়ে যাবে ৫ নাম্বার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিস
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তারা বলে ২৯ বছরের খাজনা বাকি পিয়ন, অফিস সহকারি আমাদেরকে এই পরিমাণ টাকা দিলে খাজনা অর্ধেক হয়ে যাবে ৫ নাম্বার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিস
আমার ঘটনা পূর্বের। আমি আমার নিজ গ্রামের বাড়িতে বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ীতে। ২০২৫ সালের যখন আমার বোনের সাথে জমি বন্টননামা দলিল হয় তখন নামজারি তদন্ত ও খাজনা খারিজ এর অর্থ বাবদ সরাসরি আমার নিকট থেকে ২০০০০ টাকা পেচে ফেলে নিয়েছিল নশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রধান।সাথে আমার পারা পরশি ভাই সরাসরি উপস্থিত ছিল। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করে না।আবেদন এর ১ বছর পরে টাকা পাওয়ার পরই করেছিল। এখন আমি নামজারি করবো নিজের নামে আমার অংশ আমি খারিজ করবো এইজন্যই আমি আমার আইডিতে গত ২৮/০১/২৬ ইং তারিখে খাজনা দেবার উদ্দেশ্যে খতিয়ান আপলোড করি। কিন্তু আজ ০২/০৮/২৬ ইং এখন পর্যন্ত অঅনুমোদিত দেখাচ্ছে অনলাইনে।শুধু পার্শোনালি দেখা করতে বলে মোবাইলে বলে না সরাসরি দেখা হলেই বলে। আমি খাজনা দিতে পারবো না। ঘুষ ছাড়া।
অভিযোগের বিষয়: নামজারি/ট্রান্সফারের জন্য ঘুষ দাবি আমি পার্বতীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে আমার বাবার নামে থাকা জমি, বাবার করে দেওয়া রেজিস্ট্রি দলিলের ভিত্তিতে আমরা ৪ ভাইয়ের নামে নামজারি/ট্রান্সফার করার জন্য যোগাযোগ করি। তারিখ ৭/৮/২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে এই কাজের জন্য ৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফি ও খরচ দিতে রাজি আছি। কিন্তু নামজারি/ট্রান্সফারের কাজ করে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
আমার প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অনলাইনের নামে সরকারী ফি ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ করতে হয় ১৩৩২৮ টাকা।আর ঘুষ দিতে হয় ৯১৭২ টাকা।মোট-২০৫০০ টাকা খরচ হয়।
পাসপোর্ট জমা দিতে গেছি। যাওয়ার পরে অফিসের রিসিপশন ডেক্সে আমাকে বলা হয় আপনার কাগজপত্র ঠিক নেই, যদিও পাসপোর্টে লিপিবদ্ধ করা যে সকল ডকুমেন্ট নেওয়ার কথা সবগুলো ডকুমেন্টে আমি নিয়ে গেছি। পরে যখন বাহির হয়ে আসতেছি, প্রতিমধ্যে আনসার সদস্যের সাথে দেখা হল উনি আমাকে বললেন যে বারোশো টাকা দেন আমি এখনই জমা দিয়ে দিচ্ছি, আমি প্রথম দিকে রাজি হয়নি, ফিরে চলে আসছিলাম, আমার পাসপোর্টে দ্রুত প্রয়োজন ছিল এবং খুবই জরুরি ছিল যার কারণে আমি ১১০০ টাকায় মিট করে পাসপোর্ট এর কাগজ জমা দি
Told me to pay this amount if I want to get my legal documents passed by the officials.
নতুন বাইক রেজিস্ট্রেশন করতে আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে বাড়তি যেখানে ১১ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশনের খরচ বাট আমাকে দিতে হইছে ১৫ হাজার টাকা
আমার মটরসাইকেল এর কাগজ লাইসেন্স সবকিছু ঠিক ছিল শুধুমাত্র অপরাধী ছিল আমরা মোটরসাইকেলে আমি আর আমার বউ আর আমার ছোট্ট দুই বছরের ছেলে ছিল ছেলে অসুস্থ থাকায় একটু তাড়াহুড়া করে হাসপাতালে যেতে চেয়েছিলাম ট্রাফিক পুলিশ মোটরসাইকেল থামিয়ে আমার কাগজ পাতি চেক করেছিল তারপর বলে ওভার স্পিডে ছিল আমি বললাম স্যার আমার ছেলে অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে তাই তাড়াহুড়া করছিলাম কিন্তু সে কোন কথা শোনেনি উল্টা মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নিয়েছিল এবং টাকা দাবি করেছিল পনেরশো টাকা না দিলে সে নাকি মামলা করে দিবে অনেক বোঝানোর পরেও সে বোঝেনা তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় আমার
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
জমির দাগ নাম্বার ভুল সংশোধন করার জন্য ৫০,০০০ ঘুষ দাবি করে। পরে অনেক কষ্ট করে, অনুনয়-বিনয় করে ১৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাই।
আমার কাছে ই টাকা চাওয়া হয়েছে
তিন বছর আগে অনলাইন খতিয়ান অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু খতিয়ান টি অনলাইনে সার্চ দিলে দেখা যায় না। ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে এসি ল্যান্ড জানায় ২০০০০ হাজার টাকা দিলে DLRMS সফ্টওয়্যারে আপলোড দিয়ে দিবে। তখন খতিয়ান টি অনলাইনে সার্চ দিলে দেখা যাবে। আমি দিতে রাজি হয় নি । এবং ডিসি বরাবর লিখিত নালিশ করি। কিন্তু আজ ও কোন সমাধান হয়নি। ডিসি কে জানানোর পরও সমাধান হয় না এটাই বাংলাদেশ
ভুমি কর দিতে গিয়ে ২০২৪ সালে বলা হয় ত্রিশ হাজার টাকা বকেয়া।বিশ হাজার দিলে হবে।পরে তিন হাজার টাকার অনলাইন রশিদ পাই।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিকেশন এর জন্য কল দিয়ে ডিএসবি অফিসে নিয়ে জায়। তারপর বলে এই ভুল সেই ভুল।।এগুলা ঠিক করতে টাকা লাগবে নাহলে হবে না। জিগ্যেস করলাম কত বললো ৩ হাজার। আমি বললাম স্যার আমার কাছে টাকা নাই। তখন উনি বললো যে আচ্ছা ঠিকাছে আমি ফাইল জমা দিয়ে দিতেছি পরে পাসপোর্ট কিন্তু হবে না। আমি তখন বললাম স্যার আমার কাছে সত্যিই টাকা নাই। বললো কত আছে আমি বললাম ৫০০ টাকা আছে। বললো এতে হবে না। আমি কি আর করবো আরও ২০০ এড করে মোট ৭০০ টাকা দিলাম আর বললাম আমার কাছে বাসায় জাওয়ার জন্য আর মাএ ৫০ টাকা আছে। এইটা নেন নিয়ে কাজটা করে দেন প্লিজ।। তারপর সব ঠিক ঠাক।।। এরা ঘুষ নেয়ার সময় ছোট বড় এমাউন্ট দেখে না ঘুষ নেয়াই যেনো এদের লক্ষ।
ইউনিয়ন পরিষদের একজন সচিব উনি। উনাকে টাকা না দিলে উনি রিপোর্ট দেয়না।। ৫৭৫ টাকা ব্যাংক এ জমা দেয়ার পরেও উনাকে ২০০ টাকা না দিলে উনি প্রিন্ট করে দেয়না। জন্ম নিবন্ধম নিতে গেলে ২০০ টাকা ১০০% দিতে হবে।। এমন কোন কাজ নাই ক উনি টাকা ছাড়া করেনা।।
Protibotshor garir kagoj renew kore amra sorak ke tax dibo socheton nagirik hishabe Bank e gele aap diye lock kora thake seita chutanor jonne 2000 taka gush dite hoi per gari almost every year eki kahini lock chutanor 2 hajar taka tao computer lock Lock chutanor pore fitness er jonne court e gele Step e step 3000-4000 taka nibe protita officer ar low class clark soho nahole tader drawer e thakbe din er pore dine garir kagoj roj ghurabe taka gushbna dile kagj dibe na Protita sector e eto haram kaj iccha na thaka sorteo korte hocche Gush dibo na kaj hobe na din er por din boshai rakhbe Ei desh kon din thik hobe
আমি প্রথমে দিতে চায়নি কিন্তু তারা আমাকে বেশ কয়েক কর্ম দিবস ঘুরাই বলে গাড়ির পেপার সঠিক নাই আর অনেক সমস্যা আছে এই কাগজ করা যাবে না এমন কি তারা বলে আমার গাড়ীর পেপারস নকল পরে নিরুপায় হয়ে আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করে ৪০০০ টাকায় কাজ টা করে দেয়।টাকা দেওয়ার পরে আর কোন সমস্যা ছিল না।
সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট। শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য সরকার থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ২০০০ টাকা কিন্তু সেখানকার কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে ২৪২০ টাকা ও অতিরিক্ত নিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম চার্জ এর নাম অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে। আমাদের একটি ম্যাডাম অবসর নিবেন সেই জন্য নাকি তাকে সোনার কানের দুল এবং সোনার চেন বানিয়ে দিতে হবে। সেই অর্থ আমাদের কাছ থেকে চাঁদা উঠিয়ে নিয়েছেন। ২০২৬ সালে এই যে লাইসেন্স পরীক্ষা হবে সেই লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার পরে, সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটে এসে আমাদের ৫০০০ টাকা জমা দিতে হবে, না হলে নাকি কোন সার্টিফিকেট বা কাগজপত্র দিবেন না। আমাদের সিনিয়ার আপুরাও টাকা দিয়েছে। এই সকল কাজের সাথে ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ ম্যাডাম যুক্ত রয়েছে।
নামজারি করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করছে আমি ৮ হাজার দিয়োছি।টাকা না দিলে নামজারি হবে না কাগজ সমস্যা ইত্যাদি।
অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র শোরুমে রাখার জন্য রেজিস্ট্রেশন খরচ বাদে ১০০০০ টাকা বেশি নিয়েছে। লাইসেন্স করার জন্য