প্রশাসনিক
বিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী টাকা ব্যতীত কোন সেবা প্রদানে অসম্মতি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী টাকা ব্যতীত কোন সেবা প্রদানে অসম্মতি।
জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা একটি মামলা করি যেখানে আমাদের দুই তিন জন সাক্ষীর বক্তব্য একটি কাগজে লেখা হয় শুধুমাত্র এই বক্তব্যটি কাগজে লিখার কারণে উনি আমাদের থেকে ২০০০ টাকা চান শেষমেষ আমাদের ৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে
আমি খাজনা দিতে গিয়ে দেখি অন্য একজন আমার রেকর্ড কেটে নিছে এখন তাদের কে বলি আমি এতো দিন খাজনা দিছি এখন কেন দিতে পারবো না পরে বলে আমাকে এসিলেন্ড যাইতে পরে এসিলেন্ড গেছি আমার রেকর্ড নাকি তারা ভুলে কেটে নিছে এখন আমি বললাম ভুল হইছে আপনারা করছেন এখন ঠিক করে দেন এখন তারা বলে এই ভাবে সরকারি কাজ হয় না ভুল হলে ঠিক করতে অনেক দাপ লাগে উফফ আমি কোন বিপদে পরলাম পরে আমি বললাম ভাই কি করা যায় সে বলে একটা উপায় আছে ১০০০০ টাকা দেন ঠিক করে দিবো সে বলে এসিলেন্ড তার পর খাজনা সবাইকে টাকা দিয়া ঠিক করা লাগবে পরে আমি ৫০০০ টাকা বলি কারণ আমি নিরুপায় এদের কাছে গেলে নিজেকে আর মানুষ লাগে না যাক সে ২ দিন সময় নিয়া আবার রেকর্ড ঠিক করে ভলিউম খাজনা নেয় এখন এই টা কার ভুল আমার না সরকার আমলাদের এমন কাহিনি আর কার কার সাথে হইছে
আমার পিতার মৃত্যুর পর তার সম্পদ আমি তাহার পুত্র। আমার নামে নামজারি,মিউটেশন করতে আবেদন করি। এবং উক্ত সম্পত্তির একই দাগে অন্য অংশিদারের অংশ ভিপি থাকায় আমার জমি ভিপি নয় মর্মে একখানা প্রত্যায়ন দিবে ভূমি অফিস। এই কারনে ঘুষ চেয়েছে। বিশ হাজার টাকা। আমি একজন ৭০ উর্ধ বয়স্ক লোক। আমি তেমন কোন কাজ কর্ম করি না। যৌবনের জমানো সঞ্চয় খরচ করে চলি।
মিজানুর রহমান প্রধান শিক্ষক উত্তর ভংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদিরাবাদ ক্লাস্টার মাধ্যমে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম কাদিরাবাদ ক্লাস্টার এবং ভাসানচর ক্লাস্টারের মেরামতের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় ১২৫০০/১৫০০০ টাকা নিয়েছে ২৫ টি বিদ্যালয় থেকে। স্লিপ বরাদ্দ হইতে ৩০০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। প্রাক-প্রাথমিক বরাদ্দ হইতে ১৫০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া ২য় প্রান্তিক পরিক্ষার প্রশ্ন ছাফিয়ে প্রতি সেট ১৭ টাকা হারে ৫৬ টি বিদ্যালয় হইতে সকল ছাত্র ছাত্রী মাথাপিছু অথচ বিদ্যালয়ে পরিক্ষায় ফি তোলা হয়নি প্রধান শিক্ষক নিজ বেতন থেকে প্রশ্নের টাকা পরিশোধ করা লাগছে।
আমি একটি পাসপোর্ট করার জন্য কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই তারপর আমাকে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু কিছু লোক এসে আমাকে অফার করে আপনাকে লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনি ৩০০০ টাকা দেন আপনার কাজ দশ মিনিটে হয়ে যাবে তখন আমি তাদের সাথে আলাপ করলাম আপনারা কিভাবে পারবেন আপনারা তো সাধারন মানুষ তখন তারা বলল যে ভিতরে আমাদের স্যার আছে স্যার সরাসরি টাকা নেয় না আমাদের মাধ্যমে কাজ করে
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
আমি পঞ্চগড় রোর্ডস এন্ড হাওয়ে অফিস থেকে ইজিপি লটারি মাধ্যমে একটা ২৪ লাখ টাকার কাজ পাই,,এই কাজটি সম্পূর্ণ করলে বিল নেওয়ার সময় আমার কাছে ২৫০০০০ টাকা পিসি দাবি করে,,আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করি,,এর পর জামানত এর টাকা আটকায় রাখছে
খারিজ খাজনার আবেদনের জন্য তওশীলদার নিজের ইচ্ছে মত ঘুষের পরিমান দিয়ে ঘুষ নেন। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায়
জমির দলিল খাজনা খারিজ করতে যায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকার জায়গায় বারো হাজার টাকা চায়
আমার বেতন দিলে জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের বেতন বন্ধ ছিলো
আমি আমার শাশুড়ি জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু নাগ ডেমরা ইউনিয়নের তোশিলদার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নামজারি খারিজ করে দেয় পরবর্তীতে আমি আবার আবেদন করি আবেদন করে আমার খালা শাশুড়ির ছেলের মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দেওয়া হলে ৪০০০ টাকা নেওয়া সময় সে বলছে এই টাকাটা আগে দিলেই নামজারী এটা খারিজ হতো না খুব মজার বিষয় হলো নামজারিটি পরবর্তীতে মনজুর হয়েছে এই টাকার বলে টাকার শক্তিতে তো এভাবেই চলছে ভূমি অফিস সাঁথিয়া উপজেলার শুধু নাকডাঙ্গা ইউনিয়ন নয় প্রত্যেক তোহশিলদার সহ সারা বাংলাদেশের তোশিলদারের একই অবস্থা টাকা ছাড়া কোন নামজারীর প্রস্তাব ছাড়তে চায় না।,,,,,,,,,,,দুঃখের বিষয় হল আমিও একজন ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ পাবলিকের কি অবস্থা
৫০০ টাকা না দিলে হিসাব দিতে চায় না
মায়ের মৃত্যুর পরে তার নামে থাকা একটি প্রাইভেট কারের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ অফিস , মিরপুরে যাই। আমাকে বলা হয় ৩ নাম্বার কাউন্টারে যোগাযোগ করতে, প্রায় ২ ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাউকে পাওয়া যায় না । কিছুক্ষণ পরপর একজন লোক এসে জানতে চায় কি কাজ? । তাকে বলার পরে সে জানায় নিজে নিজে করতে পারবেন না। কাগজপত্র নিয়ে আসেন, একদিনে করে দিবো। বিনিময়ে কত লাগবে বলার পরে সে জানায় ৪০,০০০ টাকা। আমি কিছু না বলে তার নাম্বার নিয়ে বাসায় চলে আসি।
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত দুই বছর আগে আমার বাবার মৃত্তুর সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।
তাদের দাবী ছিলো মোট উত্তোলন যোগ্য পেনশনের ৩০% পরিশোধ করা। পরবর্তীতে তাদের সাথে অনেক কথাবার্তা বলে ৮১০০০ টাকায় ফাইল প্রসেস করতে রাজি করিয়েছিলাম। তারা বলছিলেন তারা নাকি সচরাচর ফাইলের মূল্যের উপর ৩০% চার্জ করেন।
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চরম দূর্নীতিগ্রস্থ একটা অফিস। সেখানের বর্তমান অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা দিলে আপনার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করবে। না দিলে আপনার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করবেনা। টাকা দিলে এক সপ্তাহের কাজ পারলে একদিনে করে দিবে। আর টাকা না দিলে একদিনের কাজ একমাস লাগাবে। এখানে আর একটা উচ্চমান সহকারী ছিলো, বর্তমানে ক্যাশিয়ার পদে প্রমোশন পেয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেছে। সেও ছিলো আরো তিন ধাপ এগিয়ে। মৌলভীবাজারের শিক্ষকরা অচিরেই তার আসল চেহারা দেখতে পারবেন। যেগুলো বেশি টাকার কাজ সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষা অফিসারের দোহাই দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে। কর্মকর্তাগণ কতটুকু জড়িত তদন্ত করলেই সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।
আজ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে। মাস্ক ছাড়া এন্ট্রি নেই বলে মাস্ক বিক্রি করা শুরু করে দিল ৩ টা মাস্ক যেখানে ১০ টাকা, সেখানে ১টা মাস্ক ১০ টাকা করে নিতেছিল আমরা যারা ছিলাম ৫ টাকা করে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা রাজি হয়নি। আর যারা মাস্ক ছাড়া ডাক্তারের চেম্বারে গেল তাদেরকে অরুচিকর কথায় ডাক্তার গালাগালি শুরু করে দিল। তাই আমি মাস্ক কিনে ডাক্তার দেখানোর পর পাস করে আরেকটা লোককে দিয়ে আসলাম। এখানে অনেক মানুষ ছিল যারা টাকা গননা করে নিয়ে এসেছিল।
সেচ মিটার দিয়ে অটো চার্জ করায় মিটার খুলে নিয়ে যায় এবং ৬৫০০০ হাজার টাকা চায় পরে আমি ১৫০০০ হাজার টাকা দেয়
নামজারি করার জন্য নিয়েছে। তহশীলদার এখন তিনি বদলি