রেজিষ্ট্রেশন
টাকা দিলে সব অকে,আমরা দেশের ভাড়াটিয়া মনে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা দিলে সব অকে,আমরা দেশের ভাড়াটিয়া মনে হয়
চারিত্রিক সনদপত্রের কোন টাকা লাগে না। সনদপত্র দেওয়ার পরে আমার কাছে টাকা দাবি করে।
Amar babar pensionr tk tulte. 1year ghuralo,tarpor ghush deate file approve holo
বাবার পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য নথি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষা অফিসের কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা চেয়েছিলো।
বাইক নাম পরিবর্তন, এর জন্য টাকা চাওয়া হয় সরাসরি টাকা দেওয়া হয়েছে,
গত ২-৩ দিন আগের ঘটনা আমার ছোট ভাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ট্রেনিংয়ে আছে তার পুলিশ ভেরিফিকেশনে একজন এসআই বাসায় আসলে তাকে সাধ্যমতো নাশতা ও যতাযত কাগজ বুঝিয়ে দেওয়ার পরেও তিনি টাকা দাবি করে ।এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় ।
01767193549 এটা হলো দুর্নিতি বাজের নাম্বার ওনার নাম উত্তম রায়
01744661365 ওনার নাম্বার এ টা দিয়ে কল দিয়েছেন
নানা রকম সমস্যা দেখিয়ে ভুল ভাল কাগজ দিয়ে হয়রানি মাধ্যমে টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা লেগেছিল
বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে
পাসপোর্ট রিনিউ এর ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০ টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য দেওয়া হয়েছিল।
নামজারী করার পর বকেয়া সহ ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে ২০০০০০ দাবী পরে ঐ অনুযায়ী সমন্বয় করে তহশিল অফিস কর্মরত লোকজন
বিবিধ মোকদ্দমা শেষ পর্যায়ে (রায়ের জন্য) আছে। সকল কিছু আমার পক্ষে, গত দেড় বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে টাকা না দেওয়ার কারণে। আমি এখন পর্যন্ত টাকা না দেওয়ায় রায় দিচ্ছে না।
আমার অভিযোগটা পুরাপুরি ঘুষ না। তবে ঘুষের থেকেও বেশি। একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে অভিযোগ করছি। অনলাইনে খাজনা রশিদ যদি না থাকে সে ক্ষেত্রে একজন সেবা গ্রহিতা ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গেলে তাকে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে খাজনা হিসাব ধরে দিতে হয়। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু সরকারি নিতীমালা অনুযায়ী ২৫ বিঘার কম হলে খাজনা মওকুফ। সাধারনত ১ বিঘা জমির খাজনা বছরে মাত্র ১০ টাকা। সেখানে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে হিসাব করলে অনেক হয়ে যায়। অথাৎ পূর্বের অর্থবছরের খাজনা দিলেই খাজনা রশিদ পাওয়া যায়। কিন্তু ভুমি অফিসে ১৯৭৫-৭৬ সাল ধরে খাজনা ধরেন ৫০০০টাকা কিন্তু উনি বলে আমাকে ৩০০০ টকা দিলে আমি খাজনা রশিদ দেব। উনি ২/৪/৫ অর্থ বছর অনলাইনে বসিয়ে খাজনা দেন ধরেন ৫০০ টাকা বাকি ২৫০০ টাকা উনি মেরে দেন। যা সাধারন জনগন বুঝতেই পারে না।
আমি অপূর্ব টেকনোলজিস এর নিয়োগ করা আইনজীবী, একটা মীমাংসার জন্য লেবার কোটে যেতে হয় আমাকে, আমাকে ১০ দিন সময় দেওয়া হয় সমস্যা সমাধান এর জন্য নয়তো বা বাদিরা মামলায় যাবে কিন্তু আমি আমার একক চেষ্টাতে কোম্পানির কাছে থেকে দুই জন বাদীর টাকা লেবার কোটের ভিতর লেবার অফিসার এর সামনে সকল আইনি কাগজ complete করে অনলাইন পেমেন্ট করাই এরপর লেবার অফিসাররা আমার সাথে আলাদা ভাবে কথা বলতে চান তাই বাদী পক্ষ রুম থেকে বের হয়ে যান তখন লেবার অফিসার রা আমার কাছে সম্মানি চান এতে আমি খুব অবাক হয় কারণ সকল সমস্যা জানার পর আমি নিজ দায়িত্বে মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যে দুই পক্ষের মীমাংসা করি। এখানে লেবার অফিসার এর কোন ফেবার ছিল না।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কতৃক নিবন্ধন এর জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছিল উপজেলা যুব অফিসার।
২০১০ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসের এক ব্যক্তি আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করেন এবং এর বিনিময়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার কথা বলেন। আমি তাকে টাকা না দিয়ে চলে আসি। এরপরে আমার নিজ থানা থেকে ফোন দেয় ভেরিফিকেশনের জন্য। আমি সেখানে যোগাযোগ করলে আমার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা দাবি করে। তাদেরকে ২০০০ টাকা দেওয়ার পরে তারা রিপোর্ট দিয়ে দেয়। এরপর সিটি এসবি থেকে আমাকে ফোন দেয় তাদেরকেও ২০০০ টাকা দিতে হয়। এরপর আমার বর্তমান ঠিকানার থানা থেকে ফোন দেয়। তাদেরও ২০০০ টাকা দিতে হয়। ১৫০০ টাকা বাচিয়ে আমি ৬০০০ টাকায় পাসপোর্ট পাই।
অফিসার: পে ফিক্সেশন এর কাজ তো অনেক দেরি হয়।আমরা এটা জমা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা ফোন দিলে আসবেন। কাগজ পত্রের উপর অনেক লাল কালী দিলেন।আর বললেন এগুলো তাদের অধিকার। আর একদিনে তো সব অফিসার থাকে না।আপনি এক সপ্তাহ পর খোজ নিয়েন।আমার ফোন নাম্বার নিয়ে যান। আমি বললাম আমার নতুনচাকরি একটু তাড়াতাড়ি করে দিলে বেতন টা পেতাম।এমনিতে অনেক দিন হয়ে গেছে সব কাজ করতে।উনি কোন কথা শুনতে রাজি নয়।আগের কথার পূনাবৃত্তি।পাশের একজন বললেন চা নাস্তার টাকা দিলে কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন। পরে অফিসারের হাতে অফিসেই ২৫০০/ টাকা দিলাম।কাজ একদিনের ভিতরে হয়ে গেছে। আবার বলে আপনার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছু না বলে চলে আসলাম।এই হচ্ছে তাদের অবস্থা।
আমার একটি IGM লেটার ২০,০০০ টাকা লিগ্যাল ফি দিয়ে সাবমিট করা হয়েছিল। তবে কাজটি চট্টগ্রাম কাস্টমসে সমাধান করার জন্য আমাকে অতিরিক্ত ২৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।আমরা শিপিং এজেন্সির কাজের সঙ্গে জড়িত। তাই প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দাপ্তরিক ও কার্যক্রমসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাদের টাকা খরচ করতে হয়।
আমি একটা মিস কেস করেছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কসবা থানা, মাননীয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফি কসবা, অফিস থেকে, কুটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পেরেন করেছে ঐ খানে ১ মাস হলো আমার রিপোর্ট পরে আছে এবং ১ মাসের ভিতর আমি ১৫-১৮ দিন গেছি শুধু বলে পাঠিয়ে দিবো আচকে, কালকে তাল বাহানা করছে আমার রিপোর্ট পরেন করতে গেলে ভূমি সেবার নায়েব কে ১০০০০ হাজার টাকা দিলে আমার রিপোর্ট পরেন করবে না হয় করবে না উনার কথার মাধ্যমে বুঝতে পারলাম এখন আমি কি করবো আপনাদের কাছে পরামর্শ চাই।