নামজারি
নানা রকম সমস্যা দেখিয়ে ভুল ভাল কাগজ দিয়ে হয়রানি মাধ্যমে টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা লেগেছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নানা রকম সমস্যা দেখিয়ে ভুল ভাল কাগজ দিয়ে হয়রানি মাধ্যমে টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা লেগেছিল
বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে
পাসপোর্ট রিনিউ এর ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০ টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য দেওয়া হয়েছিল।
নামজারী করার পর বকেয়া সহ ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে ২০০০০০ দাবী পরে ঐ অনুযায়ী সমন্বয় করে তহশিল অফিস কর্মরত লোকজন
বিবিধ মোকদ্দমা শেষ পর্যায়ে (রায়ের জন্য) আছে। সকল কিছু আমার পক্ষে, গত দেড় বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে টাকা না দেওয়ার কারণে। আমি এখন পর্যন্ত টাকা না দেওয়ায় রায় দিচ্ছে না।
আমার অভিযোগটা পুরাপুরি ঘুষ না। তবে ঘুষের থেকেও বেশি। একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে অভিযোগ করছি। অনলাইনে খাজনা রশিদ যদি না থাকে সে ক্ষেত্রে একজন সেবা গ্রহিতা ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গেলে তাকে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে খাজনা হিসাব ধরে দিতে হয়। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু সরকারি নিতীমালা অনুযায়ী ২৫ বিঘার কম হলে খাজনা মওকুফ। সাধারনত ১ বিঘা জমির খাজনা বছরে মাত্র ১০ টাকা। সেখানে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে হিসাব করলে অনেক হয়ে যায়। অথাৎ পূর্বের অর্থবছরের খাজনা দিলেই খাজনা রশিদ পাওয়া যায়। কিন্তু ভুমি অফিসে ১৯৭৫-৭৬ সাল ধরে খাজনা ধরেন ৫০০০টাকা কিন্তু উনি বলে আমাকে ৩০০০ টকা দিলে আমি খাজনা রশিদ দেব। উনি ২/৪/৫ অর্থ বছর অনলাইনে বসিয়ে খাজনা দেন ধরেন ৫০০ টাকা বাকি ২৫০০ টাকা উনি মেরে দেন। যা সাধারন জনগন বুঝতেই পারে না।
আমি অপূর্ব টেকনোলজিস এর নিয়োগ করা আইনজীবী, একটা মীমাংসার জন্য লেবার কোটে যেতে হয় আমাকে, আমাকে ১০ দিন সময় দেওয়া হয় সমস্যা সমাধান এর জন্য নয়তো বা বাদিরা মামলায় যাবে কিন্তু আমি আমার একক চেষ্টাতে কোম্পানির কাছে থেকে দুই জন বাদীর টাকা লেবার কোটের ভিতর লেবার অফিসার এর সামনে সকল আইনি কাগজ complete করে অনলাইন পেমেন্ট করাই এরপর লেবার অফিসাররা আমার সাথে আলাদা ভাবে কথা বলতে চান তাই বাদী পক্ষ রুম থেকে বের হয়ে যান তখন লেবার অফিসার রা আমার কাছে সম্মানি চান এতে আমি খুব অবাক হয় কারণ সকল সমস্যা জানার পর আমি নিজ দায়িত্বে মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যে দুই পক্ষের মীমাংসা করি। এখানে লেবার অফিসার এর কোন ফেবার ছিল না।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কতৃক নিবন্ধন এর জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছিল উপজেলা যুব অফিসার।
২০১০ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসের এক ব্যক্তি আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করেন এবং এর বিনিময়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার কথা বলেন। আমি তাকে টাকা না দিয়ে চলে আসি। এরপরে আমার নিজ থানা থেকে ফোন দেয় ভেরিফিকেশনের জন্য। আমি সেখানে যোগাযোগ করলে আমার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা দাবি করে। তাদেরকে ২০০০ টাকা দেওয়ার পরে তারা রিপোর্ট দিয়ে দেয়। এরপর সিটি এসবি থেকে আমাকে ফোন দেয় তাদেরকেও ২০০০ টাকা দিতে হয়। এরপর আমার বর্তমান ঠিকানার থানা থেকে ফোন দেয়। তাদেরও ২০০০ টাকা দিতে হয়। ১৫০০ টাকা বাচিয়ে আমি ৬০০০ টাকায় পাসপোর্ট পাই।
আমার একটি IGM লেটার ২০,০০০ টাকা লিগ্যাল ফি দিয়ে সাবমিট করা হয়েছিল। তবে কাজটি চট্টগ্রাম কাস্টমসে সমাধান করার জন্য আমাকে অতিরিক্ত ২৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।আমরা শিপিং এজেন্সির কাজের সঙ্গে জড়িত। তাই প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দাপ্তরিক ও কার্যক্রমসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাদের টাকা খরচ করতে হয়।
অফিসার: পে ফিক্সেশন এর কাজ তো অনেক দেরি হয়।আমরা এটা জমা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা ফোন দিলে আসবেন। কাগজ পত্রের উপর অনেক লাল কালী দিলেন।আর বললেন এগুলো তাদের অধিকার। আর একদিনে তো সব অফিসার থাকে না।আপনি এক সপ্তাহ পর খোজ নিয়েন।আমার ফোন নাম্বার নিয়ে যান। আমি বললাম আমার নতুনচাকরি একটু তাড়াতাড়ি করে দিলে বেতন টা পেতাম।এমনিতে অনেক দিন হয়ে গেছে সব কাজ করতে।উনি কোন কথা শুনতে রাজি নয়।আগের কথার পূনাবৃত্তি।পাশের একজন বললেন চা নাস্তার টাকা দিলে কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন। পরে অফিসারের হাতে অফিসেই ২৫০০/ টাকা দিলাম।কাজ একদিনের ভিতরে হয়ে গেছে। আবার বলে আপনার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছু না বলে চলে আসলাম।এই হচ্ছে তাদের অবস্থা।
আমি একটা মিস কেস করেছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কসবা থানা, মাননীয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফি কসবা, অফিস থেকে, কুটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পেরেন করেছে ঐ খানে ১ মাস হলো আমার রিপোর্ট পরে আছে এবং ১ মাসের ভিতর আমি ১৫-১৮ দিন গেছি শুধু বলে পাঠিয়ে দিবো আচকে, কালকে তাল বাহানা করছে আমার রিপোর্ট পরেন করতে গেলে ভূমি সেবার নায়েব কে ১০০০০ হাজার টাকা দিলে আমার রিপোর্ট পরেন করবে না হয় করবে না উনার কথার মাধ্যমে বুঝতে পারলাম এখন আমি কি করবো আপনাদের কাছে পরামর্শ চাই।
জমির রেকর্ড করতে গিয়ে সবকিছু ঠিক থাকলে ও তি আমার কাছে অনেক টাকা দাবি করে, পরে আর কি করবো বুঝিয়ে ৫০০০ টাকা দিয়েছি
আমাির জমির নাম জন্য কুষ্টিয়া অফিসে= 4000 টাকা এবং দৌলতপুর অফিসে =2000 টাকা মোটা 6000 টাকা ঘুষ প্রদান করেছি। ঘুষ না দেওয়ার কারনের 1 বছর ঘুরেও কাজ হয়নী । পরে ঘুস দিয়ে কাজ করে দিয়েছে।
আমার আইডি কার্ড ছিলোনা অর্থাৎ আমি বানাইনি যখন আমি পাসপোর্ট বানাতে জাই এন আইডি কার্ড লাগবে গিয়ে দেখি বাবার জন্য নিবন্ধন এ সালে ভুল মার ও সেইম নামেও ভুল যখন মা বাবাকে বলি তুমাদের নামকি এমন ভুল কেনো বাবা মা বলে আমাদের কে তখন বলছে নামকি আমরা আমাদের নাম বলছি এটাতো আমরা কাজ করিনাই অরা ভুল লেখছে আমি এনআইডি কার্ড বানাতে পারি না মা বাবার জন্ম নিবন্ধনের জন্য তাদের নামে বানান ভুল এগুলা সংশোধন করতে যায় করতে গেলে বলে ছয় মাস এক বছর লাগবে তাদের এন আইডি কার্ড ও নামে ভুল সালেও কিছুটা ভুল এগুলো সংশোধন করতে গেল বলে তিন থেকে ছয় মাস লাগবে তখন আমার ইমারজেন্সি পাসপোর্ট দরকার তারা ঘুষ চায় ৩০০০০ টাকা কিন্তু তারা সরকারি লোক পরে আমি দালাল ধরি তারপর ২৮ হাজার টাকা দিয়ে কাজ গুলা করতে সক্ষম হয় এক মাসের মধ্যে মধ্যে
আমি মাননীয়, সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস কসবা থানা, এক টা মিস কেচ এর আবেদন করি ০৬/০৮/২০২৬ আমার এই আবেদন তদন্ত করার জন্য আমার ইউনিয়ন কুটি ভূমি অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে এখান থেকে আজ ০২/০৯/২০২৬ তারিখ আমার রিপোর্ট উপজেলায় প্রেরণ করা হয় নাই আমি এই সময় এর ভিতর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরাসরি ১৪-১৫ বার গিয়ে যোগাযোগ করি আমার রিপোর্ট নিয়ে তাল বাহানা করছে, শুধু বলে আচকে পাঠাবো কালকে পাঠাবো আমি ভূমি অফিস এর নায়েব এর সহকারি সাতে কথা বলে বুঝতে পারলাম ১০০০ হাজরা টাকা দিলে আমরা রিপোর্ট পেরন করবে।
ঢাকা থেকে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিলেও লক্ষীপুর থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে গেলে ঘুষ চাওয়া হয়। না দেয়ায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আটকে দেয়। পরে দায়ে পড়ে দিতে হলো
আমি মোটরসাইকেল নিয়ে আসতে ছিলাম হঠাৎ করে এক ট্রাফিক পুলিশ আমার গাড়িটি আটক করে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। আমি যখন গাড়ি আনতে গিয়েছি, তখন লক্ষ্মীপুর টিআই অফিসে বলতেছে ১৮০০০ টাকার কমে গাড়ি দেয়া যাবে না। গাড়ির নামে মামলা হয়েছে। এখন কথা হলো যদি মামলা হতো আমাকে তো অবশ্যই মামলার রশিদ দিত। তারপর একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে বলল আচ্ছা ঠিক আছে আমি গাড়ি ছাড়িয়ে দেব ১০ হাজার টাকা বের করেন। আমি বললাম স্যার আর কিছু কম নেন। পরে উনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন ঠিক আছে আচ্ছা আট হাজার টাকার কমে পারবোনা। পরে আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে স্যার আমি 5000 টাকা দেই সাথে সাথে উনি বললেন মাছ বাজার পেয়েছেন নাকি। ৮০০০ টাকার কমে ১ টাকাও হবে না। তারপর আর কি করার আমি 8000 টাকা পেমেন্ট করলাম।
নতুন বাইক কিনে মাত্র রাস্তায় নামলাম আর সেই ২০ হাজার টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে আমার থেকে ৫ হাজার টাকা নিল ,
বিদেশ যাবো পার্সপোট করাতে পুলিশ ভেরিফিকশনের জন্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসবি থেকে পুলশ বাসায় এসে চাপ দিয়ে ২৫০০ টাকা নিয়েছিলো, আরেকবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ ২৫০০ টাকা নিয়েছিলো।