চাকরির ভেরিফিকেশন্স ও পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন্স
চাকরির ভেরিফিকেশন্স ও পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন্সের জন্য পথ খরচ ও অফিসের স্টাফের সম্মানী
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকরির ভেরিফিকেশন্স ও পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন্সের জন্য পথ খরচ ও অফিসের স্টাফের সম্মানী
আমার ১৬,০০০ টাকা টি এ বিল রেলওয়ে হিসাব বিভাগ থেকে ১০০০ টাকা অতিরিক্ত চায়। টাকা না দিলে রেলওয়ে হিসাব বিভাগ থেকে বিল পাস করবেন না । তাই দিতে বাধ্য হই।
ফাইল হারিয়ে ফেলবে ঘুষ না দিলে। বারে বার ঘুরাবে। ৯টা আসতে বলবে আর বসিয়ে রাখবে। কেউ উপস্থিত থাকে না ৯টাই, সবাই ইচ্ছা মত অফিস আসে সয়ং ভূমি অফিসার নিজেও। যারা কেরানি থাকে তাদের হাতে টাকা না দেওয়া পযন্ত বসিয়ে রাখবেম খারাপ ব্যবহার করবে।
আমাদের দোকান নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানার সামনে, সেখানে ১০টা চায়ের দোকান আছে আমরা দীর্ঘদিন যাবত এখানে দোকান করে আসছি, দোকানের জায়গাটা রাস্তার পাশে ছিলো সেটা ছিলো রোডস এন্ড হাইওয়ের রাস্তা। গত ছয়মাস আগে বেগমগঞ্জ থানা সারকেল ও ওসি আমাদের দোকান গুলোর সামনে জোরপূর্বক ইটের দেওয়াল নির্মাণ করে এবং থানার জায়গা দাবি করে আমাদের থেকে ৩,০০,০০০টাকা করে দাবি করে তাহলে আামাদেরকে দোকান করতে দিবে নাহলে দিবে না। আমরা ১০জন দোকান অসহায় মতো তাদের কাছে অনুরোধ করি তারা আইনের প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে নানা ভাবে হেনস্তা করে এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখায়। আমরা সবাই এখন আর্থিক সংকটের মধ্যে যাচ্ছি। ১দোকান থেকে ৩,০০,০০০ টাকা করে ১০ দোকান থেকে ৩০,০০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং মাসে মাসে ভাড়া দাবি করে। এখন আমার পরামর্শ আপনার বিষয়টি দেখ
শ্রান্তি বিনোদন এর বিলের জন্য টাকা চেয়েছে।
আমার নতুন চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এস আই গ্রাম পুলিশ মারফত আমার এলাকায় খোজ করছিল। আমার বর্তমান চাকরির পোস্টিং দূরে হওয়ায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ আব্বুকে পাঠাই ঐ এস আইয়ের সাথে দেখা করার জন্য। সবকিছু যাচাই বাছাই শেষে ভাল চাকরি হয়েছে সুবাদে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চায়। আব্বু ২০০০ টাকা দেয়ার পর আরো ১০০০ টাকা চেয়ে নেয়।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি কিছু বছর আগে বদলী হয়ে এসেছি। কিন্তু এই হসপিটালের নার্সিং সুপারভাইজার আনেক নার্সিং অফিসারের সাথে অমানবিক আচরণ করেন। তিনি ট্রেনিং থেকে শুরু করে সব কিছু অথের বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। প্রতিটি ট্রেনিং এর পর প্রাপ্ত অর্থ থেকে(১০০০-৫০০০) কমিশন নেন। যারা দেন শুধু তারাই বার বার ট্রেনিং পান বাকি দের ওনি দেন না। এছাড়াও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব বন্টন করার ক্ষেত্রেও অর্থের লেনদেন করেন। যেমন ওয়ার্ড ইনচার্জ নির্বাচনে ওনি যোগ্য লোক মূল্যয়ন না করে অর্থ ও সুবিধা কে মূল্যয়ন করেন। উদাহরণ স্বরূপ হাসপাতালে ২০১৩-২০২০ এর পোস্টিং অনেক সিনিয়র নার্সিং অফিসার থাকালেও ওনেক ২০২২-২০২৫ পোস্টিং এর অফিসারকে ইনচার্জ নির্বাচন করে ওয়ার্ড পরিচালনা করছেন।অভিযোগ দিলে ওনি হুমকি দেন
এনআইডি কার্ড করা হয়নি এজন্য। জন্মনিবন্ধন দিয়ে করা যায় কিন্তু তারা টাকা চায়।
প্রতিটি জেলা শহরে ফ্রিতে ড্রাইভিং শেখানো হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে জানার পর সেখানে যাই কিন্তু যাওয়ার পর না না কথা ওজুহাত আমার কথার কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। পরে কিছু পর আমাকে ১৫০০ টাকা দাবি করে টাকা দিলে এখনই ভর্তি হতে পারবো।
এস আই ভ্যারিফিকেশন ছিল, তদন্ত ওসি ৫হাজার টাকা দাবী করে। বলে কয়ে ৩হাজার দিয়ে রাজি করিয়েছিলাম।
নিজে নিজে চুয়াডাঙ্গা বি আর টি তে বাইক রেজিস্টেশন করা সম্ভব না । বাইরে যিনি বসে ইনি ফাইল জমা নিতে চায় না । বলে এভাবে ফাইল নেওয়ার নিয়ম নেই, বল্লাম আমি নিজে জমা দিতে চায়, বলে কবে হবে জানি না । পরে বাইরের দোকান গুলো থেকে জানতে পারি । টাকা ছাড়া গাড়ির নাম্বার হবে না । পরে জমা দিয়ে এসেছি , বলে কবে হবে জানি না , বললাম জমা নেন চেক দেন সমস্যা আছে কি , না থাকলে জমা নিন । সব সঠিক পেপার সমস্যা হবে না ।
একটা এক্স রে করতে সরকারি ভাবে লাগে ২৫০ টাকা... ২৫০ টাকা পেমেন্ট করার পর যখন সিরিয়াল ধরে এক্স রে করতে যাই যেখানে গিয়ে গোপন রুমে নিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে এক্স রের সাথে সংযুক্ত যারা রয়েছে অতিরিক্ত টাকা ৫০/১০০ দিতে হবে তাহলে হলে রিপোর্ট দিবে না। জিম্মি করে টাকা নিয়ে তারপর রিপোর্ট দিছে। ঘটনা শেরে বাংলার অর্থোপেডিক হাসপাতালে।
ওইখানের হসপিটালের পেলে বিভিন্ন দালাল চক্র থাকে সহজ সরল রোগীদের কে ভুল ভুল বুঝিয়ে অন্য হসপিটালে নিয়ে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে তারা পার্সেন্টেজ নিয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ এইসব দালালদের বিপরীতে কোন ধরনের পদক্ষেপে নেয় না বা কোন ধরনের সতর্কীকরণ করে না যার ফলে গ্রাম বাঞ্চল থেকে আসা রোগীরা তাদের খপ্পরে পড়ে যায়
ভূমি অফিসে যেকোনো কাগজপত্র নিয়ে গেলে কাজ করাতে হলে টাকা ছাড়া চলে না জনগণ তাদের বেতন দিতে হয় সরকার বেতন দেয় না তাই দেখাচ্ছে তাই মনে হচ্ছে আমাদের জানা মতে আল্লাহর আল কোরআন হাতে দিয়ে ফলো করে তাদেরকে চাকরি দেওয়া উচিত টাকা ছাড়া ও কাজ করে না দুই একটা করে সাংবাদিক বড় বিচার করলেন
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানায় টাকা ছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে সরকারি ফি ছিল মাত্র ৫০০ টাকা এটা বাড়িয়ে এখন করা হয়েছে ১৫০০ টাকা শুধু সরকারি ফি আচ্ছা এ প্রযন্ত শেষ হলেও ঠিক ছিল। সকল কাগজ পত্র অনলাইনে আপলোড করে অনলাইন ফি জমা দিয়ে নিশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু থানার অফিসার ফোন দিয়ে দেখা করার কথা বলে টাকা দাবি করে। আর এখানে টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট হওয়ার ভয় থাকে। তাই বাধ্য হয়ে আমার টাকা দেওয়া লাগছে।
আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষক বরমি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে রিটায়ার্ড হয়েছেন, তার পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য বি এন পি নেতাকে ২ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হবে। স্যার বর্তমানে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ভর্তি আছেন,তাহার ওপেন হার্ট সার্জারী হবে। স্যার বললেন তিনি ঘুষ দিয়ে এই টাকা নেবেন না।
জাতির পরিচয় পত্র ১ম দিনে ফিংগার নিয়ে পরের দিন বের করে দিতে চায়ছে ৪০০০ টাকা। আবার ২১ বা ১.৫ মাস দিন বের করলে খরচ হবে না
২০২৫ সাথে সেপ্টেম্বর মাসে কিশোরগঞ্জ নিকলি হাওরে যাওয়ার সময় বাইক এক্সিডেন্ট করি। আমার পকেট থেকে ফোন পরে যায়। ফোনের মডেল আইফোন ১২। ওই এলাকার কিছু লোক আমার ফোন টা চুরি করে। আমি প্রায় ১ মাস চিকিৎসা শেষে আমি কটিয়াদি থানায় জিডি করতে যাই। জিডি করার পরে বলে জিডিতো সবাই করে ফোন বের করতে হলে টাকা লাগবে ৮ হাজার। পরে আমি ৩ হাজার টাকা দিয়ে আসছি। আমার ফোন আজ ১ বছর আজো অয়াইলাম না। ফোন হারানোর ৩ মাস পরেও ফোন কল ঢুকেছে আমার ই সিম লাগানো ছিলো। এক্সিডেন্ট এর ১ সপ্তাহ পরে ফোন খুজে দিবে এই বলে মিরপুর ১০ নাম্বারে একজন ডিবির লোক ১ হাজার টাকা নিয়েছে পরে আর খোজ খবর নাই। আর জীবনেও খু*ন হয়ে গেলেও থানায় যাবো না, আমার সাথে অন্যায় হলে সাথে সাথে নিজ থেকে প্রতিবাদ করবো
উত্তরাধিকার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়।
টাকা না দিলে কাজ হবে না,তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে দিয়েছি