চিকিৎসা সেবা
আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারনে সরকারি হাসপাতালে আমার ছেলেকে চিকিৎসা করাতে পারি নাই৷ ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে পারলে ভর্তি করতে পারতাম। বর্তমানে আমার ছেলে অন্ধ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারনে সরকারি হাসপাতালে আমার ছেলেকে চিকিৎসা করাতে পারি নাই৷ ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে পারলে ভর্তি করতে পারতাম। বর্তমানে আমার ছেলে অন্ধ।
Dhaka city corporation r holding tax papers r jnne city corporation r ek officer first e 12 ta flat theke taka dabi kore 10000 tk kore per flat pore holding tax aro komanor jnne abr dabi kore 6000 taka per flat. Evabei cholche tader banijjo ar amadr osohayotto.
আমার নিজের + পরিবারের দুই সদস্যের পাসপোর্ট ইস্যু করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী এবং বর্তমান - দুই ঠিকানার থানায় (কোতয়ালি থানা + দেবিদ্বার থানা) এস আই কে কয়েক ধাপে মোট ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বেশ কয়েকবার ঘুরেছি। এটা সমস্যা ঐটা সমস্যা বলে অনেক হ্যাসেল করছে। টাকা ছাড়া পাশ হবে না সবাই বললো। পরেরবার ফিঙ্গার দেওয়ার ডেটে গেলাম...ফজরের পর পরই যেয়ে দেখলাম গেটের বাহিরের প্রায় ৪০-৫০ জনের সিরিয়াল দাড়িয়ে। গেটম্যান চিপায় ডেকে বললো ২০০ টাকা দেন সবার আগে ফিঙ্গার দেয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। পরে নানারকম হ্যাসেল এর শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে দরবেশ(দালাল) ধরে ১০০০০ টাকা দিয়ে লাইসেন্স করছি।
আমি যখন স্মার্ট কার্ড নিয়ে আসতে যাই তখন দেখি আনসার সদস্য এবং স্মার্ট কার্ড বিতরণকারী যারা ছিলেন তারা জনপ্রতি মানুষের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন। এটা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত ভোগান্তিকর একটি বিষয়।
আমি বাগেরহাট সদর ভুমি অফিসে একটা মিমাংসিত ১৫০ কেচের নকল তোলার জন্য ২ বছর আগে থেকে চেষ্টা করতেছি কিন্তু কোন টাকা না দেওয়ার কারণে অামার কাজটিকরে দিচ্ছে না।
সাধারণত কোন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে হিসাবরক্ষণ অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পিউটার অপারেটর এবং হেড ক্লার্ক অথবা বড় বাবু নামে পরিচিত ব্যক্তির তরফ থেকে জানানো হয় কাজ নিয়ে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে তাদেরকে মিষ্টি খাওয়া বাবদ টাকা দিতে হয় এই টাকা না দিলে হসপিটাল থেকেও কোন কাজ প্রসেসিং শুরু করে না! অনেক ক্ষেত্রে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার পর হসপিটাল এর অফিস থেকে কার্যক্রম শুরু করে! এবং আমি নিশ্চিত যে টাকাটা হিসাব রক্ষণ অফিস এবং হাসপাতালের কর্মচারীরা উভয়ের ভাগ করে নিয়ে থাকে। হিসাব রক্ষণ অফিসে টাকা চাওয়ার ব্যাপারে জানতে গেলে তারা উত্তর দেয় কিছু কাজে জটিলতা থাকলে তাদেরকে ঢাকার অফিসে টাকা প্রদান করা লাগে।
ফ্যামেলি ব্যবহারের গ্যাস বাণিজ্যিক ব্যবহারের অভিযোগে গ্যাসের চাবি খুলে নিয়ে যায়। রাতে প্রধান অফিসার বাসায় চলে গেলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখে এবং ছাব্বিশ হাজার টাকা ঘুষ রেখে চাবি ফেরত দেয়। অনন্যোপায় হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। পরে মিস্ত্রি দিয়ে লাগিয়ে নেই।
বন বিভাগের অফিসে করাত কর লাইসেন্স করতে চাইলে তারা প্রতি লাইসেন্সে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এটা নাকি খরচ না দিলে লাইসেন্স পাওয়া যায় না। আমি এখনো লাইসেন্স করিনি।
মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানায় প্রকাশ্যে কালকিনি রিকশা স্ট্যান্ড ইজি বাইক স্ট্যান্ড এদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা নেয়া হচ্ছে কেউ কিছু দেখছে না বিষয়টি আমলে নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি এখানে মাসে ঘরে ৬০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি হয়
বিদেশি ভিসার তদন্ত রিপোর্ট। আমাদের কোম্পানি তে বিভিন্ন কাজে বিদেশি নাগরিক ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে। তদন্ত কারী প্রতিষ্ঠান কে টাকা না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ দেয়। এসবির তদন্তকারী কর্মকর্তা কে প্রতি রিপোর্টে ১৫০০-২৫০০ টাকা দিতে হয়। এই বিষয় টি উর্ধতন কতৃপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে করে। একটা সিন্ডিকেট এটার সাথে জড়িত। আবার ভারতীয় নাগরিকদের রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য টাকা দিতে হয়।
আমি আমার নানাকে নিয়ে হসপিটালে গেলে, কর্মরত ডাক্তার তাকে কিছু টেস্ট লিখে দেয়, আমার নানা একজন হার্টের রোগী তার শ্বাসকষ্ট আছে তাই আমি হুইল চেয়ার আনতে গেলে দেখি যেটা ফ্রি দেওয়ার কথা সেটা তারা বিভিন্ন কর্মীর হাতে হস্তান্তর করে দিয়ে রেখেছে, তাদের থেকে চাইতে গেলাম সে বলল এটা এভাবে দেয়া যাবে না আমরা নিয়ে যাব তার বিনিময়ে একশো টাকা প্রদান করতে হবে, আমি বললাম এটাতো ফ্রি সে আমাকে উত্তরে বলল প্রসাব করতে গেলেও দশ টাকা লাগে, আর এটা তো হুইলচেয়ার, ১০০ টাকা লাগবে, আমিও নিরুপায় কিছু করার নেই তাই ১০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করলাম, কিন্তু এটা ফ্রি দেয়ার কথা ছিল
পিটিআই জয়দেবপুর একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, সেখানে তাঁরা ১১২০ টাকা করে প্রাক প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষাথী থেকে নেয় আয়া- পিয়ন- ঝাড়ুদার এদেরকে নাকি বেতন দিতে হবে তাঁরা পরিস্কার এর কাজ করে এজন্য। সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ১২৫ টাকা করে নিচ্ছে আবারও নিচ্ছে, তাঁরা বলচে প্রজেক্ট শেষ সরকারি এটা বলে। অথচ পিটিআই সম্পুর্নভাবে সরকারি প্রাইমারি স্কুল।। আমরা অভিভাবক রা এ টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছি। এর সমাধান চাই আমরা।
আমার ফ্রেন্ড কোরিয়া থাকে এবং ওই দেশে সে ড্রাইভিং লাইসেন্স করবে সে জন্য দেশের যে লাইসেন্স আছে পাশাপাশি বিআরটিএ থেকে প্রত্যয়ন প্রত্র লাগবে আমি গেলাম মিরপুর ১৩ বিআরটিএ ডিরেক্ট অফিসার এর কাছে সে বললো আপনি পারবেন না! আর আপনি করতে হবে এই কাগজ লাগবে এইটা লাগবে কিন্তু গেইট এর বাহিরে দালাল ৩০০০ টাকা ছেয়েছিল আমি সম্মত হই নাই। পরবর্তী কাউন্টার এ জিজ্ঞাস্য করলাম কি করা যায় উনি বললো কাগল পত্র দেন আর আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দেন তারপর আসেন তারপর আসলাম বললো ২০০০ টাকা দেন আমি একটু দরদাম করলাম কিন্তু উনি কোনোভাবে পারবে না আরো কত খারাপ আচরন এবং পরবর্তী উনি করেদিলেন।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিস সহকারী যিনি দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবৎ কর্মরত তিনি নিজের দপ্তর এবং প্রশাসক-এর বরাতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য উল্লিখিত পরিমাণের টাকা দাবি করেন।
BRTC Tejgaon Training Institute থেকে ৩ মাসের ড্রাইভিং কোর্স নিয়েছিলাম। কোর্স শেষে Learner Licence এর পরীক্ষা দেই। পরিক্ষার আগেই BRTC এর নমিনেইটেত দালাল চক্র ৩০০০টাকা চাইল, আমি রাজি হয় নি। তাই পরিক্ষা ভালো করার পরো প্রথম বার fail আসে। আবার ২য় বার যখন দেই তখনই বুঝতে পারি যে টাকা না দিলে fail করাবে। হাতে আর সময়ও নাই। তাই বাধ্য হয়ে ৩০০০টাকা দিলাম। রাতেই SMS চলে আসছে "**** you passed the driving test******". এই হলো অবস্থা।
করতে গেছি, আমার সকল কাগজ পত্র রেডি করে নিয়ে গেছি ব্যংক ডাব করে গেছি , কিন্তু আমার কাগজ জমা দিতে গেছি তখন আমাকে বলতেছে যে আপনার কাগজে ভুল আছে, আমি বললাম কি ভুল আছে বলেন। বলল আপনার পেশা কি বললাম আমি স্টুডেন্ট, তাইলে পাসপোর্ট অন্য পেশা দেওয়া, এটা হবে না আমি বললাম হবে না কেন আমি যাবো বিদেশ এখানে পেশাই কি সমস্যা করলো, বলল এত কথা বলার টাইম নাই ঠিক করে আনেনে। পরে বাইরে গেলাম দেখা দালাল পিছে পিছে গুরতেছে আর বলতেছে কি সমস্যা ভাই, আমি বললাম ভাই সব ঠিক আছে শুধু পেশার জন্য বের করে দিলো, পরে দালাল বলল লাভ নাই কোন লোক ধরে আরছেন আমি বললাম না তো, লোক কেন ধরবো ওই বলল লোক না ধরলে করতে পারবেন না অরা কোন না কোন সমস্যা ধরবোই, তারপর দালাল কে টাকা দিলাম এর পরে কাগজে কি জানি লিখে দিলো এর পর সাথে সাথে জমা নি
আমার সন্তান এইসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। কর্তব্যরত স্যার আইসিটি প্র্যাকটিকেল পরীক্ষায় খাতা জমা দিলে ৩০০ টাকা আর খাতা না জমা দিলে ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে রাজি হইনি। স্থান- আবুজর গিফারী কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা।
আমার মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন হারিয়ে গেছিল। নবায়ন করার জন্য গিয়েছিলাম টাঙ্গাইল brta। ওনারা বলছে ট্রাফিক অফিস থেকে, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স নিতে। আমার সবকিছু ঠিক থাকলেও উনারা বলছে কাগজপত্র রেখে যান, এক সপ্তাহ সময় লাগবে। আর ১০০০ টাকা দিলে আজকে পাবেন। আমি প্রাইভেট চাকরি করি আমার ছুটি নাই সেজন্য আমি ১০০০ টাকা দিয়ে সেবা গ্রহণ করেছি
সেবা টি ছিল ক্যাথেটার লাগানো, যা সাধারণত নার্স বা ওয়ার্ড বয় বা মাশি এরাই করে থাকে। এবং এই সেবাটি পেতে বাংলাদেশের কোথাও কোনো টাকা দেওয়ার বিধান নাই, তারপর ও সেখানকার কর্তব্যরত নার্স বা ওয়ার্ড বয় এরা আমার কাছ থেকে ৪০০ টাকা দাবি করে, পরে যেহেতু সেবাটা আমাদের ইমারজেন্সি ছিল তাই পরে ৩০০ টাকা দিয়ে সেবাটা নেওয়া হয়েছে।