চক্রাখালী ইউনিয়ন পরিষদ
চক্রাখালী ইউনিয়ন সেবা অফিস প্রতিটা কাজের জন্য 100 থেকে + কাজের ধরণ অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চক্রাখালী ইউনিয়ন সেবা অফিস প্রতিটা কাজের জন্য 100 থেকে + কাজের ধরণ অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি
এস আই ভ্যারিফিকেশন ছিল, তদন্ত ওসি ৫হাজার টাকা দাবী করে। বলে কয়ে ৩হাজার দিয়ে রাজি করিয়েছিলাম।
প্রতিটি জেলা শহরে ফ্রিতে ড্রাইভিং শেখানো হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে জানার পর সেখানে যাই কিন্তু যাওয়ার পর না না কথা ওজুহাত আমার কথার কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। পরে কিছু পর আমাকে ১৫০০ টাকা দাবি করে টাকা দিলে এখনই ভর্তি হতে পারবো।
এনআইডি কার্ড করা হয়নি এজন্য। জন্মনিবন্ধন দিয়ে করা যায় কিন্তু তারা টাকা চায়।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি কিছু বছর আগে বদলী হয়ে এসেছি। কিন্তু এই হসপিটালের নার্সিং সুপারভাইজার আনেক নার্সিং অফিসারের সাথে অমানবিক আচরণ করেন। তিনি ট্রেনিং থেকে শুরু করে সব কিছু অথের বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। প্রতিটি ট্রেনিং এর পর প্রাপ্ত অর্থ থেকে(১০০০-৫০০০) কমিশন নেন। যারা দেন শুধু তারাই বার বার ট্রেনিং পান বাকি দের ওনি দেন না। এছাড়াও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব বন্টন করার ক্ষেত্রেও অর্থের লেনদেন করেন। যেমন ওয়ার্ড ইনচার্জ নির্বাচনে ওনি যোগ্য লোক মূল্যয়ন না করে অর্থ ও সুবিধা কে মূল্যয়ন করেন। উদাহরণ স্বরূপ হাসপাতালে ২০১৩-২০২০ এর পোস্টিং অনেক সিনিয়র নার্সিং অফিসার থাকালেও ওনেক ২০২২-২০২৫ পোস্টিং এর অফিসারকে ইনচার্জ নির্বাচন করে ওয়ার্ড পরিচালনা করছেন।অভিযোগ দিলে ওনি হুমকি দেন
আমার নতুন চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এস আই গ্রাম পুলিশ মারফত আমার এলাকায় খোজ করছিল। আমার বর্তমান চাকরির পোস্টিং দূরে হওয়ায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ আব্বুকে পাঠাই ঐ এস আইয়ের সাথে দেখা করার জন্য। সবকিছু যাচাই বাছাই শেষে ভাল চাকরি হয়েছে সুবাদে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চায়। আব্বু ২০০০ টাকা দেয়ার পর আরো ১০০০ টাকা চেয়ে নেয়।
আমি পাসপোর্টের জন্য নতুন আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বারবার আমাকে বলছিলো আপনার ডকুমেন্টে এই ভুল সেই ভুল ইত্যাদি। নির্বাচন অফিস যান, উপজেলা অফিস যান ইত্যাদি। এভাবে ৩ দিন ফেরত আসার পর অফিস আওয়ারের একদম শেষের দিকে একজন দালাল আমাকে বলে আমার কাজ তিনি কয়েকমিনিটে করে দিতে পারবে। এবং ২ হাজার টাকা দাবি করে পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিই। তিনি আমার ফাইলে একটা নাম্বার লিখে দেয় এবং আমি সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করি ঐদিনই। এরপর পুলিশ ফোন দিয়ে বলে পাসপোর্ট ভেরিফিকশনের জন্য নীলফামারী যেতে সাথে যেন নাস্তাপানির টাকা নেই। পরে পূর্বে কথা অনুযায়ী দালালকে বললে পুলিশকে তিনি ম্যানেজ করেন। তারা সবাই মিলে একটা ইকোসিস্টেম তৈরী করেছে। না চাইলেও অনেক সময় আমরা ঘুষ দিতে বাধ্
টিএ/ডিএ বিল হিসাবরক্ষণ শাখা পে-২ থেকে পাস করার জন্য বিল প্রতি ১৮-২০% করে দাবি করেছে।
মৎস্য ভবন অধিদপ্তর, রমনা, ঢাকা। এই দপ্তরে কাঁকড়া এবং কুচিয়ার সার্টিফিকেট নিতে গিলে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়, টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না এবং আমাদের কোম্পানি (কাঁকড়া ও কুচিয়ার সার্টিফিকেট সেকশনের) ঘুষ না দেওয়ায় বন্ধ করে দেওয়ার পথে নামিয়ে দিছে।
চাকরি সূত্রে আমি ঢাকায় থাকি, আমার বয়স্ক পিতা গ্রামে থাকেন,উনি একদিন বললেন অনেক বছর হয়ে গেছে জমিজমার খাজনা খারিজ দেয়া হয়না,তুমি গ্রামে এসে এগুলো সম্পন্ন করো।আমি আমার পিতার সাথে জাতসাখিনী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে পৈত্রিক জমি জমার সার্চ বা খোজ দিতে অনুরোধ করি,দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা প্রথমেই আমার পরিচয় ও পেশা জানতে চান।আমি বিস্তারিত বলার পরে উনি বলেন ১৫০০ টাকা দেন দেখে দিচ্ছি।আমি ভেবেছিলাম এইটা সরকারি ফি,কিন্তু উনি এই টাকাটা অফিসের বাইরে গিয়ে নিতে চাইলে আমি আপত্তি জানাই।এরপর আমার বাবাকে জানান আপনার ছেলে দুই কলম পড়ালেখা করে ঢাকায় গিয়ে বেশি পাকনা হয়ে গেছে, এরে বাদ দিয়ে আপনি আসেন কাজটা করে দিব।আমি উনার সাথে তর্ক করি পরে আমাকে বলে আপনাদের কাজ করবো না, যেখান থেকে পারেন করুন গিয়ে। এরপর আমার বাবা আমাকে
ডাক বিভাগের(রাজশাহী জিপিও) এক অফিস হতে অন্য অফিসে অহেতুক বদলি করেছে। এখন আমি আমার আগের কর্মস্থলে যেতে চাইলে ৫০০০টাকা অফিসের নেতা কে দিতে হবে।
সিভিল সার্জন আফিস খুলনা মেডিকেল সার্টিফিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য একটা সই চিল আনতে গিলে ৫০০ টাকা নাস্তা জন্য চায়। ভিতরে ঢুকতেই চেম্বারে বসা দুইজন। আমি অনুরোধ করি তারপর ও রাজি হায়না তারপর চলে আসি।
আমার নিজের সদ্য ক্রয় করা ১০ শতক জমি নামপত্তন করার জন্য ৩নং ইছালী ইউনিয়ন ভুমি আফিসে সকল কাগজ পত্র নিয়ে গেলে সেটা দেখে শুনে নায়েব সাহেব বলেন ফাইল প্রতি কমপক্ষে ৫০০/- টাকা দিতে হবে। না হলে তিনি ফাইলে স্বাক্ষর দিবে না। তার নিজস্ব লোক দিয়ে তিনি এই টাকা গ্রহন করে। জমিটার নাম পত্তন আমার খুবই জরুরি তাই আমি টাকা দিয়ে দ্রুত ফাইল ছাড় করে নিই। এরপর এসিল্যান্ড অফিসে শুনানি করার জন্য তারিখ নিধারণ করার জন্য গেলে সেখানে যশোর সদর উপজেলা ভুমি অফিসে ১০০০/-- টাকা চায় না হলে নিয়ম অনুসরণ করে হবে তা কত দিন পরে হবে তা বলতে পারে না বাধ্য হয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে শুনানি করে নামপত্তন কেসটি শেষ করি। পদে পদে টাকা দিতে হয়।
সিলেট থেকে ঢাকার কোনো ট্রেনের টিকিট পাওয়া যায়না সকাল ৮ টা বাজার সাথে সাথে কোনো টিকিট কাটা যায়না এখানে সবছেয়ে বেশি জড়িত স্টেশন এব কর্তব্যরত যারা আছে তারা।৷ এক্সট্রা টাকা দিলে টিকেট পাওয়া যায়, এই ভোগান্তির শেষ নেই, স্টেশনের যে কোনো দোকানে টিকিট পাওয়া যায় টাকা বেশি দিলে। ৯০% টিকিট বাড়তি টাকায় বিক্রি হয়।
আমার জন্মসনদে ভুল থাকায় তা সংশোধন করতে যাই। আমার বাবার নাম (ক থেকে ক হোসেন) করি। আর সেজন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কাছে যাওয়ার পর প্রথম সে আমার সাথে অনেক তালবাহানা করে। পরে অনেক দিন যাওয়ার পর বলে যে টাকা লাগবে, টাকা ছাড়া হবে না। কারন, এটা না কি অনেক বড় সংশোধন। প্রথম ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে আমি কোন উপায় না দেখে তা দিতে রাজি হই৷ সংশোধন হওয়ার পরও আবার ১০০০ টাকা দাবি করে। যা পরে আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে। (মোট ২০০০)
আমাদের নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) এ প্রতিবছর কলকারখানা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এই লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রতিবছর সরকারি ফী পরিশোধ করার পরেও নির্দিষ্ট একটা অতিরিক্ত ফী পরিশোধ করা হয়। অন্যথায় লাইসেন্স নবায়ন হয়না। টাকা পরিশোধের পরবর্তী সময়ে তা লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সেবা প্রত্যাশী হিসাবে শুধু আমি ভুক্তভোগী হয়েছি বিষয়টা এমন না, যেকোন প্রতিষ্ঠানই পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে গেলে টাকা না দিলে সেবা পাওয়া যায় না বললেই চলে। শুধু ঢাকা মহানগর ডিপার্টমেন্টর সহকারী পরিচালক(পুরুষ), উপ-পরিচালক (পুরুষ), (অতি অল্পসংখ্যক কর্মকর্তা বাদে) এদেরকে টাকা না দিলে ফ্রেশ ফাইলটা ও মাস কে মাস ফেলিয়ে রাখে। আমার কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের মহানগর শাখায় দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন সৎ গোয়েন্দ লাগিয়ে দেখুন। আমি মুসলিম হিসাবে কোন ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করে অপরাধ প্রকাশ করলাম না। দেশের স্বার্থে যদি নাম প্রকাশ করতে হয়, আমি প্রমান সহ করব। আমি পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সকল ডিপার্টমেন্টর ঘুষখোরদের হিন্টস দিতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
Amr ak bondu k bina karone pallabi thanay niye jay and ami jante pere ami dekte jaii r keno niye jay seta jante Tokhon tahake dekhar jonno gurd amr kache tea pani khawar jonno 500 taka chay ami deii naii Pore amr bondu k chere dey 10l gush niye just hoyrani kore 10k gush ney And amr 2 ta iphone churi hoice tara gush chara kono kaj korbe na amon and amio gush deii naii taii amr phone pawa jay naii
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছে। অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বাইরে দালাল নিলে একটা বিশাল সিন্ডিকেট। এদেরকে টাকা না দিলে লাইসেন্স কোনভাবেই হবে না। আমি ওদের দাবীকৃত টাকা দেয়ার পরবর্তীতেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়ার জন্য আলাদা টাকা নিয়েছে ছবি তোলার জন্য আলাদা টাকা নিয়েছে। ছবি তুলতে গিয়েছিলাম আমার আইডি কার্ড দেখে বলছে এটা হবে না, এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসতে হবে। অথচ আমার কাছে মুল আইডি কার্ড ছিল। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে ৩০০ টাকা নিয়েছে শুধু ছবি তোলার জন্য। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। সাথে সাথে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা আমার টোটাল 7 8 হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে। এগুলো সব ২০২৩ শেষ ২৪ এর শুরুর দিকের ঘটনা
কুলিয়ারচর সরকারি হসপিটালের ডাক্তার তারা সব সময় টাইম মতো হসপিটালের আসে না, আসলে ও বেশি ভাব ডাক্তার কুলিয়ারচর বাজারে যে ছোট ছোট হসপিটালের আছে তাদের কাছে পাঠিয়ে দেয় পরিক্ষা করার জন্য কারন ডাক্তার রা পার্সেন্টেজ পাই এবং সরকারি হাসপাতালের ভিতরে যে কোন সমস্যা হলে দুইটাই ওষুধ দেয় নাপা ও প্যারাসিটামল আর কোন ওষুধ দেয় না তারা এক থেকে দেড় ঘন্টা রোগী দেখার পর বেশিরভাগ ফার্মেসিকেল লোকগুলো এসে ডাক্তারের সাথে তা বলে এবং ডাক্তাররা সে ফার্মেসিকেলের ওষুধ গুলা লিখে দেয় বলে ফার্মেসি থেকে কিরে খাওয়ার জন্য তার মানে কি হলো সবকিছু যদি কিনে তাহলে সরকারি হসপিটাল কেন পাইভেট হসপিটালে রক্ত পরীক্ষার জন্য ১২ শ বারোশো টাকা দিতে হয়েছে আমাকে