জমি রেজিস্ট্রি
দলিল ও সরকারের বিভিন্ন নিয়মের জটিলতা উল্লেখ পূর্বক ২ মাস জমি রেজিস্ট্রি আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল ও সরকারের বিভিন্ন নিয়মের জটিলতা উল্লেখ পূর্বক ২ মাস জমি রেজিস্ট্রি আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
১০ বছর আগে চাকরি দিবে বলে টাকা নিয়েছিলো।এখনো টাকা ফেরত দেয়নি।বিভিন্ন বাহানায় সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছে।
Akta Mr mamlar report dete amer teke 10 hjr tk ghush nease,
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি করাতে হলে একটি বেড পাওয়ার জন্য ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফ/মাসিদেরকে ১০০টাকা করে চাদা দিতে হয়।তারা প্রত্যেক রোগির কাছ থেকে জোর করে এই চাদা আদায় করে থাকে।চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গালিগালাজ করে।সম্প্রতি আমি ১৯ নং ওয়ার্ডে (নাক,কান, গলা)বিভাগে ভর্তির জন্য গেলে এই ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি।এবং বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা চাদা পরিশোধ করেছি।যদি চাদা পরিশোধ না করি তাহলে তারা আমাকে বেড দিবে না বলে জানিয়ে দেয় ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করার পরে আমাকে থানায় ডাকা হয়। এরপর আমার কাছ থেকে ১২০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। পরবর্তীতে ১০০০ টাকায় নিতে রাজি হয়েছে।
September 2025 usa te parcel pataichilam but gpo fault er karone parcel ferot asce ora parcel ferot dice but taka ferot dei ni ami 8-10 ber jogajog kore o somadhan pai ni eirokm ro 60-70 ta parcel ferot asce kaok taka ferot dei ni
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, আমাকে অনেক ভোগান্তি করেছে,,প্রতিদিন যায় কিন্তু কাজ হয়না, তাই বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছি
আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক করে নিয়ে অফিসে যাই, অফিস কর্মচারী আমার ডকুমেন্টস চেক করে ফর্ম এর উপর কাটাকাটি করেন এবং অপ্রযোনিয় অতিরিক্ত কিছু ডকোমেন্টস চাই। বাহিরে আসতেই কয়েকজন দালাল এগিয়ে আসে এবং অতিরিক্ত 1500 টাকা লাগবে জানাই। আমি রাজি হলাম। উল্লেখ্য: দালাল নতুন ফর্ম পূরন করে একই ডকোমেন্টস আটাস করল এবং একটা মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলল অফিসের ভিতরে গিয়ে এই নাম্বারে কল দিবেন। আমি অফিসে গিয়ে কল দিলাম আমার ফাইল নিয়ে গেল এখন সবই ওকে। আমার ফর্ম নির্ভূল ছিল, ডকোমেন্টস ঠিক ছিল। শুধু মাত্র ঘুশ খাওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসার কাহিনি করছিল।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়ায় ইমার্জেন্সি রোগীকে নিয়ে উপরে ওঠা নামার জন্য ট্রলি চাইলে ওয়ার্ড বয়/ঝাড়ুদার/অন্যান্য স্টাফ টাকা দাবী করেন। রোগী জরুরী অবস্থায় থাকায় প্রতিবার ২৫০ টাকা করে তিনবার উঠানামা করে ৭৫০ টাকা দিতে হয়েছে এবং ৪র্থ বার দামাদামি করে ১৫০ টাকায় রফা হয়। প্রতিবাদ করার উপায় বা সময় কোনটাই ছিল না কারণ পেশেন্টের অবস্থা খারাপ ছিল। অথচ হাসপাতালের প্রতিটি কোনায় কোনায় লাল কালি দিয়ে লিখা ট্রলিম্যানদের ৩০ টাকার বেশী দিবেন না..
আমার একটা জমির রেজিস্ট্রেশন করার জন্য হল নাগাদ ২০২৬-২৭ দাখিলের প্রয়োজন হয় । আমার ২৫-২৬ পর্যন্ত পরিশোধ ছিল। কিন্তু ওই দাখিল আমার লাগবেই, সেটা না হলে রেজিস্ট্রি হবে না। ওরা বললো সার্ভার ডাউন। তারপর লোক মারফত বললো ২০০০/- টাকা দিলে ব্যবস্থা করে দিবে । আমি সব বুঝেছি, কিন্তু কি আর করব । আজ পর্যন্ত ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করাতে পারিনি।
আমার বাপের জমি ভাই- বোনদের মধ্যে বন্টণ নামা করার জন্য 4.5 লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছে মহিলা রেজিস্টার অফিসার । কেন আমরা ঘুষ দেব ? আমি জানি সরকারী ফি 2500/ টাকা কিন্তু আমাদের নিকট চাওয়া হয়েছে 450000/। সরকারের নিকট দাবি মহিলা অফিসারকে দ্রুত তাকে শাস্তির আওতায় আনুন। মানুষকে জিম্মী করে টাকা নিচ্ছে । আমরা সরকারী ফির বেশী দিবো না। সরকারী ফি দিয়ে বন্টণনামা করার সহযোগিতা করুণ ।
আমি পাঁচদোনা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম জমি নামজারি করতে আমার সাথে আমার দাদাকেউ নিয়ে গিয়েছিলাম, আমাদের কাছে সর্বপ্রথম ১০ হাজার টাকা চেয়েছে পরবর্তীতে আমরা ৯০০০ টাকা দিয়ে করাই, আমার দাদা আমাকে বলছে এদের সাথে বেশি ঝামেলা করলে পরে জমি খারিজ করতেই পারবে না! তাই আমি বেশি ঝামেলা করি নাই ,আমি জানি যে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা, আমার ফোনে এসএমএস আসছিল যখন জমি নামজারি সম্পন্ন হয় তখন আমি ওয়েবসাইট থেকে উনাদেরকে না জানিয়েই ফারিজ ডাউনলোড করে নেই, উনাদেরকে সম্ভবত অগ্রিম ৫ হাজার টাকা দিয়ে আসছিলাম, আমি ভেবেছি জমির খারিজ তো এসেই পড়েছে বাকি টাকাটা না দিলেই তো হবে, পরে জানতে পারলাম ভূমি অফিসে নাকি এটা তাদের খাতায় উঠাতে হবে তাই বাকি টাকাটা পরে ওনাদের বিকাশে পাঠিয়ে দিয়েছি, এভাবেই আমার জমির নামজারি করেছি।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। এমনকি আমার পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর মেয়াদ তখন ছিল। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। বলে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে। অথচ আমি জানি পূর্ববর্তী পাসপোর্ট থাকলে নবায়নের জন্য সব কাগজ পত্র লাগে না। আমি এক লোকের সাথে কথা বললাম যে আমার পরিচিত। সে একটা ট্রাভেল এজেন্ট চালায়। সে বললো পাসপোর্ট জমা নিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ৩০০০ টাকা না দি। আমি বললাম আগে তো ২০০০ হাজার টাকা নিতো শুনতাম। সে বললো আমি তো ১০ বছরের জন্য পাসপোর্ট করছি। ১০ বছর পর্যন্ত আমাকে তো আর পাবে না। তাই ৩০০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৩০০০ টাকা দেয়নি। ডিজি সাহেবের কাছে গিয়ে আমি আমার কোম্পানির রেফারেন্স দিলে তিনি কিছু একটা লিখে দেন। তারপর
সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অব্যবস্থাপনা ও হয়রানির বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আমার মায়ের পাসপোর্টের কাজ করতে গিয়ে এক তিক্ত ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখোমুখি হই। আমাদের অ্যাপ্লিকেশনে এলাকার নামের আগে জেলার নাম উল্লেখ করায় সেটাকে "ভুল" হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু সমস্যাটি সমাধানের পরিবর্তে সেখানকার কর্মকর্তাদের আচরণ ছিল অপেশাদার এবং আপত্তিকর। আমি যখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে যাই, ১০১ নম্বর কাউন্টারে বসা এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি (যিনি দেখতে ধর্মীয় লেবাসধারী) আমার সাথে চরম দুর্ব্যবহার করেন। আমি কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র পরিচয় দেওয়ার পর তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন— "তোমার মায়ের সামনে তাই তোমাকে অপমান করলাম না।" একজন সেবাপ্রার্থীর সাথে এমন অহেতুক ও আক্রমণাত্মক আচরণ কোনোভাবেই
একটা ঘটনায়, ঘটনা ঘটে রাত ১০.১ মিনিট এ, মেডিকেল রিপোট নিয়ে রাত ১ টায় থানায় যাই এবং অভিযোগ করি, এই অভিযোগ টা পরে এন্ট্রি করতে গেলে, আমাকে না করে দেয় এবং টাকা দাবি করে, আমি দিতে অমত করলে, আমার নামে উল্টো মামলা করতে থানা থেকে সহযোগিতা করে, ভিবিন্ন নেতা,ও এর সাথে জরিত, এখনও এই থানার অফিসার বাদে অন্য কোন ইনকয়ারি করলে, ১০০% আমরা একটা সঠিক বিচার পাবো,,অতিতে ও কোন খারাপ রিপোট আমাদের নামে নাই,,
পে ফিক্সেশন থেকে শুরু করে ইনক্রিমেন্ট চালু করা , এমন কোন কাজ নেই যেটা টাকা ছাড়া হয়
জমির নামজারি (Mutation) করার জন্য আমার কাছে ২৫,০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে এবং টাকা না দিলে ফাইল pending রেখে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনলাইন নামজারি আবেদন করেও ফাইল pending রাখা এবং আপনাকে অফিসে ডেকে ২৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা।
পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন ফর্ম হাতে লিখে পূরণ করে যাই। সকল তথ্য ঠিক থাকার পরও ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে সাইন করবেন না বলে জানতে পারি। অনেক রপকোয়েস্ট করেও কাজ হয় নাই। এটা ২০১০/১১ সালের ঘটনা। তখন পুলিশ ভেরফিকেশনে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
১১০০/- টাকার নামজারী ৭৫০০/- টাকা ছাড়া করা সম্ভব না। দাবীকৃত টাকা না দিলে নামজারী করে না। হাজার হাজার মানুষ বাধ্য হয়েই দাবীকৃত টাকা দিয়ে নামজারী করছে।
ইউনিয়ন বোডে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে, গেলে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে করে দেওয়ার কথা বলে বাড়তি টাকা আদায় করে.....