জানা নেই
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রুগি নিয়ে যাওয়া পরে, বেডা খালি থাকাতেও আমাদের বল হয় বেড খালি নাই। পরে ওয়াড ভিতরে যারা থাকে ওদের সাথে কথা বলার পরে ১ হাজার টাকা বিনিময় ওয়াডে সিট পাইছি এবং হসপিটালের ভিতরে ঔষুধ কম্পানি লোক প্রেসক্রিপশন ছবি তুলে নিয়ে যায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রুগি নিয়ে যাওয়া পরে, বেডা খালি থাকাতেও আমাদের বল হয় বেড খালি নাই। পরে ওয়াড ভিতরে যারা থাকে ওদের সাথে কথা বলার পরে ১ হাজার টাকা বিনিময় ওয়াডে সিট পাইছি এবং হসপিটালের ভিতরে ঔষুধ কম্পানি লোক প্রেসক্রিপশন ছবি তুলে নিয়ে যায়
রেওয়ের হিসাব রক্ষণ অফিস যেকোন কাজে ৩% হারে ঘুস নিয়ে থাকে, তা ছাড়া কারো কোন কাজ করতে চাইনা ওই অফিস।
নতুন বেতনের পে ফিক্সেসন করতে গেলে এবং টিএ/ডিএ করতে গেলে
আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে আছি। আমার স্রীর ভোটার আইডি কার্ড নেই। আমার আর আমার স্রীর জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আমার সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করতে যা যা লাগে সব নিয়ে যাই। তারা জানাল আমাদের জন্ম নিবন্ধন ইংরেজিতে নেই, আগে ইংরেজি করতে হবে। অতঃপর আমি বল্লাম করেন। যিনি টাইপিং করল উনি নিল ৩০০। ২ টা পেপার দিয়ে বল্ল সচিবের কাছে যান, সচিব নিল ২০০। আবার এই পেপার গুলো উপজেলা পরিষদ এ জমা দিতে বল্ল। উপজেলা পরিষদ এর সচিব নিল ৬০০। আজ ১ মাস হয়ে গেল এখনও জন্ম নিবন্ধন গুলো ইংরেজি হয় নি। উপজেলা পরিষদ এ আজকে যাওয়ার পর বল্ল ২০০ টাকা দিতে।
আমি নটরডেম কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই, সামনে ৩ দিনের ভিতরে ভর্তি হতে হবে। কিন্তু আমার সার্টিফিকেট তুলা হয়নি। তাই মাদ্রাসার কেরানী কে বললাম সার্টিফিকেটের কথা, তিনি বললেন ৩ হাজার টাকা না দিলে সার্টিফিকেট তুলে এনে দিবে না। মূলতঃ ঐ প্রতিষ্ঠান টি আলিম শাখা ছিলো তাই দাখিল এর সার্টিফিকেট তুলতে হয় না। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে কেরানী কে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি মার্কেটিং জব করি। দৈনন্দিন কাজের জন্য বাইক নিয়ে বাহিরে বের হই, আকবরনগর বাজার কাছাকাছি গেলে ভৈরবের ট্রাফিক পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাইক থামায়, কাগজ পত্র দেখতে চায়, আমার সকল ডকুমেন্ট ঠিক ছিল।ড্রাইভিং লাইসেন্স টাকা জমার প্রাপ্তি রশিদ ছিল, স্মার্ট কার্ড হাতে পায় নাই। এটা না থাকায় আমাকে ১০ হাজার টাকার মামলার ভয় দেখায়, পাশ থেকে ইমরান নামে একজন সদস্য আমাকে বলে ২০০০ হাজার টাকা দিলে আপাতত ১০ হাজার টাকার মামলা থেকে বেচে যাবেন। তখন আমি নিরুপায় হয়ে ঝামেলা না করে ৫০০ টাকা নগদ দিয়ে চলে আসি। তারা সারাদিন এভাবে সকল গাড়ীর আটকিয়ে এভাবে চাদাবাদি করে।
ফরাসগঞ্জ ইউনিয়ন জন্ম নিবন্ধনে বাবা মা এবং নামে ভুল করে সংশোধনের জন্য বলা হলে 1000 টাকা চায়
বরাবর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পটুয়াখালী মাধ্যম : যথাযথ কর্তৃপক্ষ। জনাব বিনীত নিবেদন এই যে আমরা আপনার অধনস্ত সহকারী শিক্ষকগন এই মর্মে জানাচ্ছি যে আমাদের উপজেলার বদলি কার্যক্রম আজকে ১.০০ ঘটিকার সময়ে প্রকাশ করা হয় সময় দেওয়া হয় কালকে ৪ টা পর্যন্ত। এত অল্প সময়ের মধ্যে কাগজপত্র সংগ্রহ করা দূরুহ কাজ। তাছাড়া আজকে শূন্য পদের লিস্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চাওয়া হলে তারা তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। শূন্য পদের তালিকা জানতে চাইলে তারা বলে যে এরিয়ার স্কুলে বদলি হতে ইচ্ছুক সে এরিয়ার হেড টিচারদের ফোন দিয়ে জানতে। এটা আমাদেরকে দ্বিধাগ্রস্থ করে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশে এরকম বদলি আগে কখনও হয়েছিল কিনা আমাদের জানা নেই। অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনি আমাদের এই সংকটাপন্ন অবস্থা থেকে উদ্ধার করুন
আমি একজন ভিকটিম। এনায়েতপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে দুজন পুলিশ অফিসার (এস.আই.) তদন্ত করতে আসেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে ফিরে যাওয়ার সময় তারা আমার কাছে খরচ এর টাকা দাবি করেন। তাদের যুক্তি তারা তেল পুড়িয়ে বাইক নিয়ে আমার অভিযোগের তদন্ত করতে এসেছেন তাই তাদেরকে খরচের টাকা দিতে হবে৷ আমি তাদেরকে টেকনিক্যালি টাকা দিতে অস্বীকার করি। পুলিশের কাজই তো অভিযোগের তদন্ত করা। এর জন্য জনগণের টাকায় সরকার তাদের খরচ চালায় ও মাসে মাসে মোটা মাইনে দেয়৷ তাহলে এই উপরি খরচ কেন বহন করতে হবে আমাদের?
ভুমি অফিস এক টেবিল থেকে অরেক টেবিলে কাগজ সাইন করতে টাকা খালি টাকা এবং কি কোর্ট এ পারমিশন এর জন্য ৩৫০০০৳ দাবি করছে এবং কি ২মাস সময় লাগবো সবমিলিয়ে ১০০০০০৳ লাগবেই
রুগি হাতে ব্যাথা পেয়েছিলো। রক্তক্ষরণ হওয়ায় বহির্বিভাগ এর ডাক্তার ওটি তে নিতে বলেছিলো। ফাইল এর টাকা পরিশোধ করে যখন ওটি তে গেলাম আমার থেকে ওষুধ এর নাম করে ২৫০০ চাইছিলো পরে ১০০০ দিয়ে স্যাটেল করি।
খাজনা প্রদান ও ভূমি জরিপ কেরানীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে আমাদের অফিসের একটা লাইসেইন্স দরকার ছিল। এর জন্য অধিদপ্তর যোগাযোগ করা হলে তারা আমাদেরকে বলে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমরা তাদের বলি ভাই এইটা একটা ছোট অফিস ৭-৮ জন লোক কাজ করে। কিছু কোম্পানির কমপ্লান্স চাহিদানুযায়ি আমাদের ডুকুমেন্ট দরকার । তারা আমাদেরকে জানায় তাইতো ১০ চাইছি অন্যজনের কাছ থেকে ৩০-৩৫ হাজার টাকা নেই। সব থেকে অবাক করা বিষয় হল লাইসেন্স ফি মাএ ৫০০ টাকা। একটু ভেবে দেখেন ৫০০টাকা একটা সরকারি কাজের জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হল। তারা সবার সামনে অপেনে ঘুষ চাচ্ছে। ৭১ গেল ,২৪ গেল কই পরিবর্তন কি হল? আমরা ভেবেছিলাম ২৪ এর পরে হয়তো দুর্নীতি , ঘুষ, কোটায় অযোগ্য লোকের চাকুরি এই গুলো থেকে সাধারন মানুষ রেহাই পাবে। বরং আরও ব্যাপক আকারে বেড়েছ।
নাম জারির জন্য অফিসে গেলে আমার কাগজ দেখে বললো কাজটা করা যাবে, টাকা লাগবে দশ হাজার, আমি আট হাজার দিতে চাইলে রাজি হলো, কিন্তু ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৭৫০০ টাকা নিলেও আমার কাজটি দুই বছর ঘুরায়, তারপর আমি বললাম টাকা ফিরত দিতে, কিন্তু টাকা আর ফিরত দিচ্ছে না, তারপর বললাম আমার খাজনা টা বাকি আছে ঐ টা দিয়ে দিতে, সে তাতেও রাজি না। পরে বাধ্য হয়ে আমার নাম জারি করা বাদ দিলা, আর খাজনা টা আমি দিয়ে দিলাম, সে অফিসার আর টাকা ফিরত দেয় নাই। তার নাম হাবিবুর রহমান। কুমিল্লা, দেবিদ্বার গুনাইঘর গ্রামের সেপারা ভূমি অফিস।
মামলার তদন্তের জন্য, ভুমি অফিস হতে জজকৌর্ট সরেজমিন পরিদর্শন রিপোর্ট।
আমার বাড়ি আমার স্ত্রী কে হেবা করেছি, পূর্বে আমার নামে হোল্ডিং ট্যাক্স দিতাম ১১৫০০/-, নাম পরিবর্তন করে স্ত্রী র নামে করতে আবেদন করি, বাড়ি এসে নতুন করারোপের কথা বলে উক্ত টাকা দাবি করে, না দেয়ায় বর্তমানের ডাবল ট্যাক্স নির্ধারণ করেছে।
প্রতি মাসে এই পরিমাণ টাকা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও উপ কমিশনারকে দিতে হয়। নাহলে কাজে ঝামেলা করে।
প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে শিক্ষক এমপিও এবং ইনডেক্স ডিলেট অনলাইনে আবেদন করা আবশ্যক। আমাদের বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের মৃত্যু জনিত কারণে ইনডেক্স ডিলেট আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষক অফিসার 3000 হাজার টাকা দাবি করে এবং বার বার ফোন করে বিরক্ত করে । টাকা না দিলে ভবিষ্যতে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে।
চাকরির জন্য সনদ প্রয়োজন তাই বাধ্য হয়ে নেয়া লাগলো।আগে এইটা আমার এলাকা থেকে ফ্রি দিতো
আমার পরিচিত একজন নতুন পাসপোর্ট করতে গেছেন অফিসে। সমস্ত কাগজপত্র দেখে বললে আপনি যেহেতু পেশা বেকার দিয়েছেন তাই আপনার বেকার সনদ লাগবে। আসাবে ঘুষ চাওয়ার নতুন পদ্ধতি...