নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা ছাড়া নামজারি হয় না।
আমার মা কে জরুরী ভর্তি করার প্রয়োজন ছিলো। ভর্তি করার পর বেড থাকা সত্ত্বেও দেয়া হচ্ছিল না,টাকা দাবী করেছিলো কর্তব্যরত নার্স,আয়ার একটি চক্র।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেড পেয়েছিলাম 😰
উনারা এমন ভাবে সাজায় ঘুষ ছাড়া পাস করা সম্ভব না।
যখন আমি নিজে আবেদন ও জমা দেওয়ার জন্য নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও জমাটি গ্রহণ করা হয় না। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে প্রধান সড়কে অনেক দোকান আছে। ঐ দোকানগুলোর ভেতরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ আছে। দোকানগুলোকে অতিরিক্ত দুই-তিন হাজার টাকা দিলে তারা ফাইলে কিছু একটা লিখে, শনাক্ত করে ফাইলটি পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে জমা দিয়ে দেয়।
আমার একটি দলিলের তারিখ মাস ও সাল জানা আছে দাতা গ্রহীতাও জানি শুধু দলিল নাম্বার আমার কাছে নেই। সেই দলিলটি শুধু খুঁজে বের করতে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না জিনিসটা আমার প্রয়োজন। অফিস থেকে জানানো হয় আমাদের ইনডেক্স নষ্ট হয়ে গেছে । বাংলাদেশে সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। যদিও সব রেজিস্টার অফিস আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সব মিলিয়ে ভূমি সেবা মানেই দুর্নীতি
আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।
মোটরসাইকেলরে কাগজের পিতার নাম ঠিক নাই, বস এটি সিগনেচার করবে না, এটিতে ৪ হাজার লাগবে ৩৫০০ লাগবে পরের তিন হাজার দিয়ে করা হয়েছে এরপরও দুইদিন ঘুরে ঘুরে হয়রানি হয়েছি নিজে করতে চেয়েছিলাম দালালের হাত দিয়ে করতে হয়েছে।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হজে যাওয়ার জন্য ছুটি পাস বাবদ দশ হাজার টাকা। পি এফ এনং পেনশন বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেছি।
ফুলপুর উপজেলার যে সাবরেজিস্ট্রি অফিস আছে, এই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে একজন ব্যক্তি বসে থাকে যিনি দলিলগুলো সাবরেজিস্ট্রার স্বাক্ষর করার পর তার কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি প্রত্যেকটি একশ টাকা, অনেকের কাছে এক হাজার টাকাও দাবি করে থাকে।
জার্মানী এম্বাসি থেকে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আমার কাছে 70 হাজার টাকা দাবি করে পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। এই টাকাটা এম্বাসির কর্মী বাংলাদেশে তার বউ কে পাঠানো হয় 2021 সালে।
আমি একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা, আমার জমি রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আমি শত চেষ্টা করেও ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলনের চেক পাই নাই। জানতে পারলাম ৩% ঘুষ না দিলে চেক হবে না। ডিসি অফিস LA শাখা, সিরাজগঞ্জ। পরে ৪০০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১৩ লক্ষ টাকার চেক পাইছি। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় বা বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তাহলে ৩% হিসাবে ৩৭৫কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়েছে। এটাই আমাদের সোনার বাংলাদেশ। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ৯৫% কৃষক, তারা ঘুষের হিসাবটা অনলাইনে দিতে পারে না। তাই প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পায় না।
চশমা মাপার সময় ডেট দিয়েছিল চার মাস পরে। এ সময় চক্ষু বিভাগের একজন ডাক্তারের সহকারী মহিলা, একজন মহিলা, বয়স্ক মহিলা এসে আমাকে বলে যে তোমার এটা আমি আজকে চোখের চশমার পাওয়ারটা মাপিয়ে দেবো। বিনিময়ে 100 টাকা দেওয়া লাগবে।
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার একটি ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তার সাথে ঘটনা। আমি একটা বি আর এস রেকর্ড সংশোধন করতে আবেদন করি উপজেলা ভুমি অফিসে।এই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসে।সে রিপোর্ট দিতে চায় না,৭মাস হয়ে গেছে।আবেদনে যা ছিল"আমার একটা জমি সি এস রেকর্ড এ ৩২ শতাংশ এস এ রেকর্ড এ ৩২ শতক কিন্তু বি আর এস রেকর্ড এ ১৬ শতাংশ লিখা।বি আর এস রেকর্ড এর পর আমি ৩য় ক্রেতা।নক্সাতেও আছে ৩২ শতাংশ। এখন আমি ৩২ শতাংশ খারিজ করতে গেলে ১৬ শতাংশের খারিজ দিতে চায়।তাই রেকর্ড সংশোধন এর জন্য ৩২ শতাংশের আবেদন করি।আমি সি এস, এস এ,বি আর এস রেকর্ড জমা দেই।সাথে আমার দলিল, আগের দুইটা ভায়া দলিল এবং কলমি নক্সা জমা দেই।কিন্তু কিছুতেই নায়েব রিপোর্ট দেয় না।শেষে অফিস সহায়ক কে দিয়ে দেড় লাখ টাকা চায়।নাহলে রিপোর্ট দিবে না বলেছে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলেছে আমার কাগজপত্র কোনদিনও ঠিক হবে না কারণ একের এক খতিয়ান থেকে আমার জমি আছে। কিন্তু আমি জমি ক্রয় করার দলিল এবং মাঠ পর্চা দেখিয়েছিলাম তারপরও আটকে রেখেছিল ধীরে ধীরে আমি আর ধৈর্য ধরতে না পেরে টাকা দেওয়া শুরু করেছিলাম। প্রথমে পাঁচ হাজার তারপরে সাত হাজার এমন করে সর্বমোট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার মিউটেশনটি সম্পন্ন হয়।
সাম্প্রতি আমার আগের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে আমি জানি যে বাংলাদেশের যেকোন পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করা যায়। সেই সুবাদে আমি নিকটবর্তী নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার চেষ্টা করি, কোন দালাল ছাড়া! আমি যখন আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই তখন ওনারা আমার আবেদনটি জমা নিলেন না, আমি জিজ্ঞেস করাতে ওনারা বলেন আমার এলাকায় গিয়ে জমা দিতে এখানে হবে না এখানে আমার প্রশ্ন হল কেন হবে না? তখন আমাকে দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলে চ্যানেল নিয়ে আসুন আমি বললাম ওটা আবার কি ভাই? তখন ওনি বলেন আরে ভাই বুঝেন না দালাল লাগবে!😡 তখন আমি একজন দালালের কাছে যাই মোট ১৬০০০ টাকা নেয় তাও পাইনি পাসপোর্ট দুই বছরেও পরে আবার নতুন করে আবেদন করে পাসপোর্ট পাই কারন আগুন লেগেছ
আমাদের চাঁদপুরের ভিতরে হাজিগঞ্জ থানা, ভূমি অফিসে সব কাজে টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না, নাম জারি করতে গেল টাকাও প্রচুর টাকা চায় বিশ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা,
বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম আমার হেলমেট থাকলেও পিছনের জনের হেলমেট ছিলো না, তখন ট্রফিক পুলিশ আটকিয়ে টাকা দাবি করে না দিলে মামলা জরিমানার ভয় দেখায় গাড়ি আটকে রাখার ও ভয় দেখায়
আমার মায়ের পাসপোর্ট তৈরি করার আমি অনলাইনে ফরম পূরণ করি এবং অনলাইন পেমেন্ট করি। কিন্তু তারা আমার বাবার নামের বানান কিন্তু ২০০০ টাকা দিলে পাসপোট জমা নেয়।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করার জন্য সরকারি খরচ ৫৫০০-৫৬০০। কিন্তু দালাল ছাড়া এটি সম্ভবই না। প্রথমবার দালাল ছাড়া করতে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়। দালালের সাথে সেখানকার বড় অফিসারদের ঘনিষ্ঠ তা আছে যাদের মাধ্যমে তারা ঘুষ গ্রহন করে কাজ করে।
চারিত্রিক সনদ ১০০, নাগরিকত্ব সনদ ১০০, একাধিক নামের সনদ ১০০, ফিস, না দিলে সেবা নাই। সব মিলিয়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু আগে লাগতো না সেবা ফ্রিতে পাওয়া যেত। কারন চকিদারী ট্যাক্স দিতাম সেবা নিতাম। এখন ট্যাক্স ও দেই সেবার ধরন অনুযায়ী টাকাও দেই।