সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৭,৩২০ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০.০০ লাখ

প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৩% টাকা কেটে রাখে।ঘুষ বাবদ।

রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলা পিআইও অফিস, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

নামজারি করার জন্য

আমি নামজারি করার জন্য টাকা দিছি কিন্তু টাকা লাগে ১১৭০ তারা নিছে ২০০০০ টাকা । তারা আরো অনেক হুমকি দেয়।

মুন্সি গঞ, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

নামজারি

নামজারি করতে গিয়েছিলাম, মামলায় জিতে মামলার রায়ের কপি নিয়ে জায়গা বড় দেখে নামজারি করতে টাকা চেয়েছে এক লাখ, নইলে আর একটি রায় লাগবে অথবা এক লাখ টাকা লাগবে, এক মামলায় জিতে আসতে আমার ১৪ বছর লেগেছে এখন আমি আর একটি রায় কোথায় পাবো, একখন আমার এক লাখ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজ হইবে আর ঘুষ দিতে না পারলে আমার কাজ হইবে না।

নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিইনি সরকারি হাসপাতাল ৳১.৫ হাজার

Govt.Hospital

Govt.Hospital e doctor er bodole compounder surjery korse and tk dabi korse

kaligonj,Jhenaidah, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৯৮.০ হাজার

Khazna

I live abroad in the UK. I went to BANGLADESH to pay my Khazna. They advise me that I have to pay online which I didn’t know how they said they can organise everything for me but I had to pay them 98,000 taka but when they gave me the receipts for Kazna each receipt showed only few hundred taka when I questioned the receipt they said all your khazna is paid and clear you do not have to worry about anything. The remaining money will go to the officers who facilitated in paying my khazna online. The address of the office which took my payment is in Hheramishi Khazna Office 📃 Sheramishi Tana: Jogonnathpur District: Sunamgonj Bangladesh

Sunamgonj, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১২.০ হাজার

মামলা দেয়া

এখানে টাকা ছাড়া মামলা নেয় না । ওসি সাহেব আমার কথা শুনে এবং তদন্ত রিপোর্ট শুনে মামলা নিতে বললেও , এসআই রা টাকা ছাড়া মামলা নেয়া না ।

গংগাচড়া, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

পোস্ট অফিস

পোস্ট অফিস যেকোনো সেবা নিতে গেলেই টাকা লাগে যেমন সাধারণ সঞ্চয় পত্রের ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা লাগে, সঞ্চয় পত্রের মেইন কফি স্বাক্ষর কোথা থেকে গেল এক হাজার টাকা লাগে ,যদি কোন কারণবশত ভাঙতে চায় তাহলে আর্জেন্ট যদি টাকা লাগে দুই হাজার টাকা চায় না হলে ১৫ দিন ২০ দিন পরে দিবে বলে

চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

Birth Certificate

Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase

Jhenaidah, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

BDS JORIP

নারায়ণগঞ্জ ১৬ নং ওয়ার্ডে কিছুদিন আগে BDS জরিপ এর জন‍্য জায়গা মেপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের ডেকে সকল দলিলাদির কপি সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে BDS খতিয়ান দেওয়ার নামে প্রতিটি খতিয়ানের বিপরীতে ২০,০০০/- টাকা দাবি করেন। যখন জানতে চাওয়া হয় কিসের জন্য টাকা দেওয়া লাগবে তখন তারা উত্তর দেন তারা মিষ্টি খাবেন।

Narayanganj, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১৬.৫ হাজার

দলিল অনুসন্ধান ও উত্তলোন

দলিল অনুসন্ধানের জন্য বছর প্রতি ২০০ ও দলিলের নকল উত্তোলনের জন্য ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা ফিস দিতে হয়। সব মিলিয়ে মনে আছে প্রায় ১৬৫০০টাকা দিয়েছি।

গ্রাম, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১.০ হাজার

জমির খতিয়ান

১ টি জমির খতিয়ান উঠাতে সরকারি সব খরচ বাদ দিয়ে,, ২০০০ টাকা দাবি,,,পরে অনেক অনুনয় বিনয় করে ১০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান আনতে হয়েছে

চাঁদপুর সদর, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

জিটি করার জন্য।

আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।

জিরাবো,সাভার,ঢাকা।, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১৫.০ হাজার

নাম জারীর জন্য ১৫০০০টাকা দিতে বাধ্য হই।

দালাল ছাড়া কিছু ই করা যায় না এবং অফিসে কারো সাথে কথা বলা খুবই মুসকিল আমরা নির উপাশ

ময়মনসিংহ (অন্যান্য), ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২.৫ হাজার

১৫০ধারা মামলার রায়ের নকল ও বাদীর কপি পাওয়ার জন্য।

১৫০ধারা রেকর্ড সংশোধন মামলাটির আমি নিজে বাদি। গত ২৮/৫/২৬ তারিখে মামলাটির রায় হওয়ার পর সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বাদীর অনুলিপি পাওয়ার কথা। কিন্তু আমি ডুমুরি ভুমি অফিসের সংশ্লিষ্ট শাখায় একাধিকবার যোগাযোগ উপস্থিত হয়ে কথা বলি, মোবাইলে যোগাযোগ করি। কিন্তু আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাতে থাকে। অবশেষ বমাকে নকলের জন্য আবেদন দিতে বলে। সরকারি ফিসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা জানান দাদা অফিসের একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেম টা হচ্ছে ২০০০টাকা লাগবে। আমি এতদিন ঘুরে নিরুপায় হয়ে রাজি হই এবং ১৫০০টাকা দিয়ে নকল সংগ্রহ করি। কিম্তু মামলার রায়ের অনুলিপির বাদীর কপি পেতে আবার সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত। নথি খুজে পেতে সময় লাগবে, লোক নাই ইত্যাদি। নিরুপায় হয়ে চা খাওয়ানোট কথা বলে ১০০০টাকা দিলে মামলার রায়ের বাদীর অনুলিপি আমাকে দেন।

খুলনা (অন্যান্য), খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ জন নিশ্চিত করেছেন ০ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩.৫ হাজার

পুলিশ ভেরিফিকেশন

চাকরিতে যোগদান করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসায় পুলিশ আসে, চা-নাস্তা করানোর পর তারা ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং এটা বলে যে, ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো দিবে কোনো সমস্যা পাবে না কেউ । অথচ, আমার নামে কোনো খারাপ রিপোর্ট নাই, না আছে পুলিশের খাতায় কোনো নাম, এলাকার কোনো মানুষও খারাপ বলতে পারবে না । তবুও বাধ্য হয়ে ৩৫০০ টাকা দিতে হয়েছে

জামালপুর, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ জন নিশ্চিত করেছেন ১ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৯০.০ হাজার

পৌরকর

আমি প্রবাসী বাংলাদেশী। কষ্টে একটা বাড়ি করেছি। বাড়ীর পৌর কর দিতে ফাইল রেডি করতে সাহেব দাবি করে ৯০০০০/=। পরিশোধ করে আমি এখন সরকার কে ২৫০০০/=pay করি।

ঢাকা, সাঁতার কুল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ জন নিশ্চিত করেছেন ১ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৫.০ হাজার

Trade license address correction

Dhaka দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ আমার ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য 5000 টাকা দাবি করে, কম নিতে বলেছিলাম, নেয়নি। আমি সম্পুর্ন টাকা দিলাম। টাকা পরিশোধের পর বলল এক সপ্তাহ লাগবে address correction হয়ে আসতে। পরে দেখি ঐ দিন বিকেলে sms আসল ফি 320/= বাহ চমৎকার পরের দিন আমার লাইসেন্স পেয়ে গেলাম।

Dhaka, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫১ জন নিশ্চিত করেছেন ১ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳৭.০ হাজার

প্রোফিডেন্ট ফান্ড থেকে লোনের আবেদন ও মুঞ্জুরি

নিজ অফিস ও একাউন্টস অফিসে ইস‍্যু করতে অসিফ সহায়ক কে ঘুষ দিতে হয়েছিল।

নাটোর, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ জন নিশ্চিত করেছেন ১ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳১.০ হাজার

এম্পিও ফাইল ছাড়করন ( MPO)

কোম্পানীগঞ্জে এমপিও ফাইল ছাড়করণে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইলের কাজের ক্ষেত্রে আমি নিজেই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইল ছাড়করণের কাজের জন্য বর্তমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আমাকে ১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার সময় আমাকে আবার বলা হয়, টাকা না দিলেও নাকি কাজটি হয়ে যেত। অর্থাৎ টাকা নেওয়ার পরও এমনভাবে বলা হয়েছে যে, আমি যেন নিজের ইচ্ছায় বা খুশি মনে টাকাটি দিচ্ছি। আমার প্রশ্ন হলো—যদি কাজটি নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই হওয়ার কথা থাকে, তাহলে সেই কাজের জন্য একজন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রয়োজন কেন?

কোম্পানিগঞ্জ, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ জন নিশ্চিত করেছেন ১ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৫০০

জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য

জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ফি নাকি ৫০০ টাকা। কিন্তু ওয়েবসাইটে দেখেছি ৫০ টাকা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। না হলে কাজ হবে না। কিছুক্ষণ বসে থেকে দেখলাম সবার থেকে এমন বেশি টাকা নিচ্ছে। সিস্টেম হয়ে দাড়িয়েছে মনে হলো।

নারায়নগঞ্জ, বন্দর, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়।, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ জন নিশ্চিত করেছেন ১ বার দেখা হয়েছে