DB Office
Vua mamlai nam katanor jonno dite oaddho hoachi.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Vua mamlai nam katanor jonno dite oaddho hoachi.
২০হাজার চেয়েছে আমি ১৫০০ টাকায় কাজটা করেছি অনেক কষ্ট করে
আমার দুই বাচ্চার জন্ম সনদ করতে গিলে ইউনিয়ন পরিষদের একজন লোক আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে আপনার রাজ্য জন্ম নিবন্ধন হয়ে যাবে অন্যথায় আপনার জন্ম নিবন্ধন হবে না
টাকা ছাড়া কাজ করবেন না। মানসিক চাপ এবং অপমান
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে গিয়েছি কিন্তু টাকা না দেওয়াতে সারাদিন বসিয়ে রেখেছে। একবার বলে এই কাগজ নাই, ঐ কাগজ নাই। আবার বলে ফটোকপি ঠিকভাবে করা হয়নি ইত্যাদি।
একের পর এক সমস্যা দেখিয়ে কয়েক দিন যাওয়ার পর বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের দালাল দিয়ে অবশেষে পাসপোর্ট বানাতে পেরেছি, টাকা দেয়ার পরে কাগজ পত্রে আর কোন সমস্যা নাই, সব সঠিক হয়ে গেছে অটোমেটিক। নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের সব কর্মকর্তাই এই কাজের সাথে জড়িত। সবচেয়ে বেশি খারাপ হচ্ছে লেবাজধারি শয়তান, তাকে দেখতে মনে হবে পীর সাহেব, কিন্তু আপাদমস্তক একটা দূর্নীতিবাজ ভন্ড। তাকে কিভাবে একটা অফিসের প্রধানের গুরুদায়িত্ব দেয়া হলো সেটাই বড় প্রশ্ন।
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে, একের পর এক সমস্যা দেখিয়ে কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পরে বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের দালাল দিয়ে কোন ঝামেলা ছাড়াই সম্পন্ন করতে হলো। মূল কর্মকর্তা সহ সবাই এর সাথে জড়িত, প্রধান যিনি তাঁকে দেখলে মনে হবে পীর সাহেব, কিন্তু আপাদমস্তক একটা দূর্নীতিবাজ ভন্ড। লেবাজ ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত অপকর্ম করে যাচ্ছে।
আমি একটা অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ এর ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমার থেকে সরকারি জমার বাহিরে ২০ হাজার টাকা দাবি করে বসে এবং বলে ঐ বিভাগের ট্যাক্স অফিসার নাকি অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ ফাইলের জন্য ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে থাকে, যার কারণে সরকারি জমার বাহিরে তাদেরকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। তাহলে আর কোন প্রকার কাগজপত্রের ঝামেলা করবে না। যদিও বা আমার অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ করার জন্য যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার তার মধ্যে অধিকাংশ কাগজপত্রই আমার নেই। অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ করতে নাকি ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশের ছাড়পত্র, স্বাস্থ্যগত অনুমোদন নথি, অনাপত্তি পত্র ইত্যাদি লাগে। সরকারি জমার বাহিরে ২০ হাজার টাকা দিলে আর কোন কিছু দিতে হবে না শুধু ভোটার আইডি কার্ডের ফটোগুলি আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিলেই হবে
সেপ্টেম্বর মাসে আমি আমার সদ্য কেনা গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য উত্তরা BRTA অফিসে যাই। আমার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যাচাই করা হলেও, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেদিন আমার কাজটি করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি আমাকে অনলাইনে আবেদন করতে বলেন এবং জানান যে এই কাজ একদিনে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একজন আমার কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার জন্য ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সেই টাকা দিতে সম্মত হই। এরপর আমার মালিকানা পরিবর্তনের কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়া হয়।
ডোপ টেস্টের রিপুট আনতে গিয়ে এই টাকা দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়।
আমরা ২০ জন ব্যবসায়ী মিলে সমবায় সমিতির জন্য জুরি উপজেলা সমবায় অফিসে আবেদন করি সেখান থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয় না দিলে আমাদের নিবন্ধন দেয়া হবে না এটা নাকি অফিস করচ
আমরা ২০ জন ব্যবসায়ী মিলে সমবায় সমিতির জন্য আবেদন করি উপজেলা সমবায় অফিসে সেখান থেকে জানানো হয় ৫০ হাজার টাকা নাকি অফিস খরচ দিতে হবে অফিস খরচ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও আজ ছয় মাস থেকে আমাদের নিবন্ধন দেয়া হচ্ছে না অযথা আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে
কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দলিল তল্লাশি তে প্রতি বছরে জন্যে ২০০ টাকা করে দিতে হয়
ডিপিএস এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ক্লোজ করার জন্য 8000 টাকা দাবি করছে কিন্তু আমি তা মানতে নারাজ , আমাকে অনেক ভয় ভীতি দেখানো হয়েছে, কিন্তু ভয় দেখানোর পরেও আমি টাকা দেয়নি, লাস্ট পর্যন্ত আমার কাছে নতি স্বীকার করেছে
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য চট্টগ্রাম বিআরটিএ গিয়েছিলাম... আনুমানিক ২০১৯/২০২০ এ। সব কাগজ পাতি রেডি করে বিআরটিএ চট্টগ্রাম গেলাম।যাওয়ার পর একদিন একটা কাগজের জন্য বলতে থাকে,আমিও রাগ করে ঘুষ মা দিয়ে সব কাগজ ( তার চাওয়া মত হয়রানির উদ্দেশ্যে)রেডি করে পরপর ৩ দিন বিআরটিএ গিয়ে অবশেষে ফাইল জমা নিতে বাধ্য হয়।তারপর সে আমাকে লার্নার এর পরীক্ষার ডেইট দেয় ৯ মাসের মত পিছনের একটা ডেইট।আমি ত অবাক।তাকে বললাম এটা কি হলো,পরীক্ষা নিতে যদি ৯ মাস পিছনের ডেইট দেন তাহলে আমি লাইসেন্স কখন পাব।সে বলল,সিডিউল যখন পেলাম তখন দিলাম।অবশেষ আমি বুঝতে পারলাম এগুলো ঘুষ ছাড়া হবে না।অবশেষে ধালাল দরে উত্তরা বিআরটিএ, ঢাকা গিয়ে দালান নিয়ে যখন কাজ শুরু করি তখন ৪০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স পেয়ে যায়।এ হলো, আমার অভিজ্ঞতা।
নামজারির আবেদন করার পর ভূমি অফিসে উপসহকারী ৫০ হাজার টাকা দাবি করে টাকা না দেওয়ার কারণে আমার ফাইল ওই অবস্থাতেই রেখে দিছে। এবং এক এক সময় এক এক কথা বলে কখন বলে এই কাগজ লাগবে কখন বলে ওই কাগজ লাগবে সব কাগজ দেয়ার পরও আমার ফাইলটি এখনো ছাড়েনি। ওই অফিসের প্রত্যেকটা লোক নাম জারি করার জন্য হাজার হাজার টাকা নেয় টাকা ছাড়া তারা কোন ফাইল ছাড়ে না
জমির নামজারী/ খারিজ করতে আবেদন নিয়ে গিয়েছিলাম। তারা ১৫০০০ টাকা দাবি করেছে, তাহলে তারা নামজারি করিয়ে দেবে। আমি তা দিতে অস্বীকার করে, আবেদন জমা দিয়ে এসেছি। জানি না, কবে হবে? কিংবা আদৌও হবে কিনা।
গুলশান এসিল্যান্ড অফিসের এসিল্যান্ড টাকা ছাড়া কোন ফাইল ছাড়ে না। আমার একটা ফাইলের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করছে টাকা না দিলে সে ওই ফাইল ছাড়বে না বিভিন্ন কারণ দেখায় গত দুই মাস ধরে আমি তার পিছনে ঘুরতেছি।
আমি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম অফিসে প্রথম যখন যোগদান করি সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমার কাছে সার্ভিস বই লেখা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করে আমার সেটা বাধ্য হয়ে দিতে হয়। তা না হলে আমি একাউন্ট খুলতে পারতেছি না। আর অপরদিকে কুড়িগ্রাম এজি অফিসে আমার একাউন্টটি এক্টিভ করানোর জন্য কুড়িগ্রাম এজি অফিসের এক কর্মকর্তাকে আমাকে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। তা না হলে আমার একাউন্টটা খুলে দিতেছে না এবং এই কারণে বেতন পাইতেছিলাম না।
ওষধ প্রসাশন অধিদপ্তর এর দিনাজপুর শাখায় লাইলেন্স নিতে বা নবায়ন করতে ১৫০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া ওখানকার কম্রচারিদের প্রতিদিনের কাজ।