বদলি
সরকারি কলেজের শিক্ষক (প্রভাষক) হিসেবে কর্মরত আছি। বদলির জন্য চেষ্টা করলে জানানো হয় যে, কাঙ্ক্ষিত কলেজে যেতে চাইলে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। গোপন সূত্রে জানতে পারি শিক্ষামন্ত্রী অধীনে মাউশির মহাপরিচালক এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি কলেজের শিক্ষক (প্রভাষক) হিসেবে কর্মরত আছি। বদলির জন্য চেষ্টা করলে জানানো হয় যে, কাঙ্ক্ষিত কলেজে যেতে চাইলে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। গোপন সূত্রে জানতে পারি শিক্ষামন্ত্রী অধীনে মাউশির মহাপরিচালক এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন।
Warish sonod ber korte giyechi, 3k taka cheyeche per warish sonod.
গতকাল আমার ডকুমেন্ট ছিল ছয়টি। তাই ৯০০ টাকা পেমেন্ট করতে হয়েছে। এটা চট্টগ্রামের সবাই জানে। ইমপোর্ট নিয়ে আলোচনা করলাম না। একটি রপ্তানি কার্যক্রম করার জন্য ছি নাম্বার পড়ে সফটওয়্যার থেকে । ১০৭২ cpc হলে ১৫০ টাকা প্রতি ডকুমেন্টটি দিতে হয়। প্রতিদিন অন্তত ১০ হাজারি নাম্বার পরে ১৫০ গুন ১০ হাজার কত টাকা হিসাব কর। Cpc ১০০০ হলে ১০০০ থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত টাকা লাগে। সিপিসি হাজার এক চল্লিশ হলে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে। এটা আমরা প্রতিদিন পেমেন্ট করি। আমরা করতে বাধ্য। এটা চট্টগ্রাম কাস্টমার কমিশনার মহোদয় জানে। সব ডিপোর্ট কাস্টমসের টাকা কাস্টমসের পিউন দিয়ে কালেকশন করা হয়।
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে নির্ধারিত চাকুরি শেষে অবসর গমনের প্রাক্কালে সমস্ত দলিল দস্তাবেজ জমা শেষে বাড়িতে চলে আসছি। কিছু দিন পরে আমাকে ফোনে বিভিন্ন সমস্যার এবং সঠিক হিসাব পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট ১০০০০০/- ঘুস দাবি করে পরবতীতে ৪০০০০/- টাকায় রফাদফা করি বাকি টাকা ১ম কিস্তি পাওয়ার পরে দেওয়ার কথা বলি, পরবর্তীতে আমি আর তার ফোন রিসিভ করি নাই।
২০২১ সালে দুইজনের পাসপোর্ট করতে যাই। প্রথমে ভাবলাম, দালালকে ছাড়াই করবো। দেখলাম পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের একের পর এক অভিযোগ। এটা ঠিক নেই, ওটা ঠিক নাই। নামের ভুল, পেশা ভুল। একসময় পূরণ করা ফর্ম গুলো লাল কালি দিয়ে কেটে দিলো। ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলো দালাল ছাড়া কাজ হবে না। দুজনের জন্য ১৬০০x২= ৩২০০ টাকা চাইলো। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। তারপর তথা কথিত কাগজ পত্রের ভুল নিমেষেই ঠিক হয়ে গেলো।
আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার সব কিছু ঠিক ছিল। কিন্তু লাস্টে এডি সারের এপ্রুভাল লাগবে। সে দেয় নাই। ৩ হাজার টাকা দাবি করে। যার ফলে আমাকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই বাইকে রেজিস্ট্রেশনটা সম্পন্ন করতে হয়।
অনলাইনে খাজনা দেয়ার জন্য জমির খতিয়ান নুতুন করে যোগ করতে হয়। এতে হোল্ডিং নম্বর লাগে। সেই হোল্ডিং নম্বর ক্রিট করতে হয় ,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণত এই কাজটি করে থাকে। হোল্ডিং নম্বর ক্রিট ও অনলাইন করার জন্য রিকোয়েস্ট করলে তারা বলে যে সার্ভার ডাউন ,৫০০ টাকা খরচ দিয়ে যান । কাজ হয়ে যাবে।
আমাকে বলা হয়েছে টাকা না দিলে পাশ করানো হয় না।অবশ্য আমি একজন দালালের মাধ্যমে টাকা দিছি।টাকা ছাড়া কেউ BRTA টির সেবা পায় বলে আমার মনে হয় না।
ই-নামজারির জন্য কাগজপত্র দাখিল করেছিলাম ভূমি অফিসে কিন্তু দশ দিন পার হয়ে গেলেও মেসেজ পাইনা পরে অফিসে গিয়ে অভিযোগ করলাম তারপরে আমার কাগজ আর খুঁজে পায় না পরে ৫,০০০/- পাঁচ হাজার টাকার দাবি এই হল বাংলাদেশের অবস্থা
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, আমি পেনশনে আসার সময় এফপিও (ফিল্ড পে অফিস) হতে ডিএসপি (জিপি ফান্ড) ফান্ডের হিসাব আনতে ৩,০০০/- টাকা, একই অফিস হতে এলপিআর বিল পাশ হতে ৬৫,০০০/- টাকা এবং এককালীন পেনশন বিল পাশ হতে ১৫,০০০/- সর্বমোট ৮৩,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।
পাসপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর কাগজ পত্র জমা দিতে উলিপুর ফারী থানা সাহেবের আলগা ইউনিয়নে খেওআর চর বাজার গেলে পুলিশ কর্মকর্তা ওপিছার। সে বলছে এতো টাকা দিয়ে বিদেশ যেতে পারবে আর আমাদের ১০০০ টাকা কেনো দিতে পারবে না আরো বললো টাকা না দিলে পাপাসপোর্ট অনেক দেরিতে পাবে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হইছে 😭😭😭😭😭😭😭😭
laichen korte hole 6000tk dite hobe
জমি রেকর্ড করা, ঘুষের টাকা দাবি করে
ভূমিহীন আবেদন করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে যাই। আবেদন করার সময় একজন অফিস সহায়ক বলেন যে ৫০ শতক যায়গা খাস পাইয়ে দেবে যদি কিছু টাকা খরচ করি। ২০০০ টাকা দিয়ে আবেদন করি সেখানে। পরে ধাপে ধাপে ২০০০০ টাকা ঘুষ দেই এই জন্য।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর এক্সাম দিতে গিয়েছিলাম।প্রেক্টিক্যাল এক্সামে যেই বাইক দেয় আল্লাহর দুনিয়ার কেউই এইটা দিয়ে পাস করতে পারবে না।বাইকে বসার আগেই ফেইল দিয়ে দিছে।পরে ৩০০০ টাকা দিয়ে পাস করায় নিলাম।🤣
করিমগঞ্জ মেডিকেলে রোগী নিয়ে যাওয়ার পর,,,নার্স দাবি করেছে ৩০০০ টাকা দিলে বাহির থেকে কিছু আনা লাগবে না,,, তারপর আমি না দেওয়াতে,, তারা নরমাল ডেলিভারির জন্য যা বলছে তাই বাইরে থেকে নিয়ে দেয়া হয়েছে,,, অথচ হসপিটালে সবকিছু আছে,,, লাস্টে তারা বলতেছে এখান থেকে একটি সুতা ইউজ করেছে সেলাইয়ের জন্য সেটার জন্য ৫০০ টাকা পরিশোধ করতেই হবে,,, না হলে রোগীর ক্ষতি হবে,,, লাস্ট আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি,,।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে আমার কর্মকর্তার স্বাক্ষরের জন্য ৮০০ টাকা নিয়েছে।। তা না হলে কাজ করবে না বলছে।।
ঢালুয়া হাই স্কুল, থানা: নাঙ্গলকোট, জিলা: কুমিল্লা বিভাগ : চট্রগ্রাম। JSC এবং SSC সাটিফিকেট, মাকশিট, প্রসাংশ পত্র, তুলতে প্রত্যয়ন নিতে টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে আটকে রেখে দে, হয়রানি করে। আমি গত ১১ বছর পর সাটিফিকেট তুলতে পারছি ৬০০ টাকা দিয়ে, তারা দাবি করছে ১ হাজার টাকা। ।এতো দিন টাকা দি নাই তাই কাগজপত্র দে নাই, চাকরি আবেদন করতে পারি নাই কাগজপত্র কারনে। আমাদের প্রতিটি স্কুল মাদ্রাসাতে হয়, নাঙ্গলকোটে আমরা জানি ফর্মফিলাপ সময় সব টাকা নিয়ে যায় সকল খরচ, এটা অন্য টাকা ছাড়া কাগজপত্র দে না
তাদের হিসাব অনুযায়ী সরকারকে দিতে হবে ৭৭,০০০/- কিন্তু ক্রেতার নাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় কর্তৃক এফিডেবিট ছিল। তাই বিভিন্ন হিসাব দেখিয়ে সরাসরি রেজিস্ট্রার নিজে ১৬০০০০/- দাবি করেন এবং বাধ্য হই। তিনি ( নকলা+নালিতাবাড়ি) দুই উপজেলার দায়িত্বে আছেন।। প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চলমান রয়েছে। এদের প্রত্যেকের সম্পদের হিসাব নিলেই দেখা যাবে,,,,আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
নামজারীর জন্য ১৭০০ টাকাঅগ্রিম নিয়ে কাজ করে দেয়নি ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারী কর্মকর্তা