কর পরিশোধ
টাকা কমিয়ে দিবে বলে ঘুষ নিসিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা কমিয়ে দিবে বলে ঘুষ নিসিলো।
আমার জমির দলিল হইছে এখন নামজারি করতে হবে, এখন নামজারি বা মিউটেশন করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা সে লোক আমার কাছে ১২০০০ টাকা করে ৩৬০০০ টালা দাবি করে।জমির মিউটিশন করা জরুরি টাই রাজি হইলাম। এবং পরিশোধ করে মিউটিশন করলাম।
প্রথমে আমি আবেদন করি বিপিডিবি তে।আমি জানি আবেদন ফি ৪০০+ টাকা। কিন্তু আমাকে বলা হয় এটা কাজ করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। আমি প্রথম দিন টাকা না দিয়ে আবেদন করে আসি। কিন্তু বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে আমার কাজ করতে ছিলোনা কিন্তু যারা টাকা দিচ্ছিলো তাদের কাজ সাথে সাথে হয়ে যাচ্ছিলো।আমার খুব প্রয়োজন ছিলো আমার বাসায় কারেন্ট লোড নিতে পারতেছিলোনা তাই আমি পরে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করি। গ্রাহক সেবার নামে এরা গ্রাহককে হয়রানি করতেছে।
আমার wife প্রেগন্যান্ট থাকাকালীন। সরকারি মাতৃকালীন ভাতায় নাম দেয়ার কথা বলে ৫০০০ হাজার টাকা নিয়েছিলো মেম্বার। কিন্তু আমার বাচ্চার বয়স ১১ মাস হয়ে গেছে সে নামও দেইনি আর চমার টাকাও ফেরত দেইনি। এরকম অনেকের কাছ থেকে নিয়েছে।
আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার পিতা ১৬ আগে মারা গিয়েছেন, আমার মাতাও ৭বছর আগে Cancer এ মারা গিয়েছেন। আমি আমার অনেক কিছু উনাদের চিকিৎসার কাজে ব্যয় করেছি। আম্মু মারা যাবার পর আমি ২০২০ সালে মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় আবেদন করি , আবেদন করার সময় ১৫হাজার টাকা খরচ নেয় তারা এর পর সেটা সরকার পরিবর্তন এ বাতিল হয় । আমি আবার ১৩০০০ টাকা খরচ করে পূনরায় আবেদন করি , আবার ও আমার আবেদনটি গ্রহীত হয় কিন্তু পর মুহুর্তে বেগমগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা অফিস থেকে আমার কাছে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে কিন্তু আমি এখনো সেটা দেই নি। এই হচ্ছে আমাদের দেশের অবস্থা ।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম!! সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ফাইল জমা করতে পারিনি!! পরে ২০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।। আমার কাছে টাকা নাই বললেও ছাড় পাইনাই।। অবশেষ বিকাশের মাধ্যমে ১৫০০ টাকা বাড়তি দিয়ে; ফাইল জমা করে আসছি।। চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে।।। তাছাড়া আরো কত সরকারি অফিসে মূল ফিস নেওয়ার পরেও বাড়তি টাকা পরিশোধ করে আসতে হয় যার কোন রসিদ পত্র দেওয়া হয়না!! রসিদ উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া একজন মানুষ কেন বাড়তি টাকা পরিশোধ করবেন আমার প্রশ্ন রইল!! অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এই রকম সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি অবশ্যই দেখবেন।। ধন্যবাদ সকল কে.... ঘুষ একটি জাতির জন্য মহামারী।।।
আমি একজন বিদেশ গামী স্টুডেন্ট ।পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করার পরে থানা থেকে কল দেয়।সব লিগাল ডকুমেন্ট সত্যায়িত করে নিয়ে জাওয়ার পরেও সে বলে বাবার নামের শেষ অংশের সাথে আমার নামের শেষ অংশের মিল নেই। আমি বলি এইটা কোন আইনে লিখা জে বাবার নামের শেষ অংশের সাথে নিজের নাম মিন থাকতে হবে। এতে সে চিরাও হয় এবং বলে আপনার ডকুমেন্টস সাবমিট করা সম্ভব না। পরে ২০০০ টাকা দাবি করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা।
একজনের নামজারি খতিয়ানের জমি অন্যের নামে রেজিমেন্টারি করে দিছে।
ই-পাসপোর্ট ফর্মে প্রাইভেট সার্ভিস নির্বাচন করি আমার কাছে আমার চাকরির আইডি কার্ড আছে। পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমায় চাকরির প্রত্যায়ন পত্র আনতে বলে। আমি ফিরে আসতে চাইলে একজন কর্তব্যরত আনসার আমার সমস্যার কথা জানতে চায়। আমি তাকে সমস্যার কথা বলতেই তিনি দুই হাজার টাকা চায়। তারপর অফিসের বাহিরে বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বল্লে তারা জানায় টাকা দিলে সব পাশ হয়ে যাবে এগুলো কিছু না। পরে আমি ১৫০০ টাকায় আমার পাসপোর্টের কাজ শেষ করি।
আমার আব্বুর নাম আমার সার্টিফিকেটে ১ রকম আর আব্বুর এনআইডিতে আরেক রকম সেজন্য আমি ৩নং মাহমুদপুর ইউনিয়নে যাই ১টা প্রত্যায়ন পত্র নিতে। প্রত্যায়ন পত্র দিয়ে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে প্রিন্ট করে দেওয়া বাবদ আমি তখন তাকে বলি আমাকে মানি রিসিট দেন আমি ৫০ টাকা দিচ্ছি। সে দিতে পারে নি এবং আমি তাকে কিছু কথা শুনিয়ে টাকা না দিয়ে চলে আসি। আমার অভিযোগ টি হয় তো বা খুব ছোট ১টা এমাউন্ট এই অভিযোগ টি করার ১ মাত্র কারণ আপনারা যারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন তাদের সাপোর্ট করা, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা আর দোয়ার ১টি বহিঃপ্রকাশ। ভালো থাকুক আমার সোনার বাংলা, ভালো হোক এই বাংলার সব মানুষ গুলোর মনমানসিকতা। দোয়া ও শ্রদ্ধা থাকবে আপনাদের সৎ উদ্দেশ্যের প্রতি
নামজারি পাশ করে দেওয়ার জন্য ১২০০০ টাকা চেয়েছে।।।। টাকা না দিলে আবেদন নামঞ্জুর করে দেয়
অদ্য 04 মাস হয়েছে সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। সোনালী ব্যাংক লি. কতৃৃক পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার বৈধ নমিনি পরবতী অনলাইনকৃত মৃত্যুসনদ দিয়ে সঞ্চয় পত্র চলমান রাখার আবেদন করেছেন। 20/04/2026 ইং তারিখে। পরবর্তীতে ব্যাংকে যোগাযোগ করলে এখনো পরিবর্তন হয়নি। PENDING (পেন্ডিং) দেখায়। অনেক পরিবার আছে সঞ্চয় পত্রের লাভের টাকায সংসার চালায়। ব্যাংকে যোগাযোগ করলে তাহারা জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) যোগাযোগ করার জন্য বলে। জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) আসলে সময়ক্ষেপন করে কি বুঝাতে চায় অথবা কি চায়?
“কুমিল্লা-দাউদকান্দি-গোয়ালমারী-শ্রীরায়েরচর-চাঁদপুর” মহাসড়ক প্রশস্তকরণের জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পাওয়ার জন্য এল.এ শাখায় ৯৬০০০/- ঘুষ দিতে হয়েছে। প্রতিটি মঞ্জুরিকৃত অর্থের জন্য এল.এ শাখা অধিগ্রহণকৃত জমির মালিক হতে প্রাপ্য টাকা অনুসারে কমিশন ভিত্তিক এই ঘুষ দিতে হয়।
আমি একটা ছোট সরকারি চাকরী করি। আমার বাড়ী নাটোরে। আমার পোষ্টিং ছিলো আরিচা নদী বন্দর। আমার বাড়ী থেকে সব থেকে কাছে হয়। হটাত করে আমাকে বদলী করে দেয় বরিশাল নদীবন্দর। বর্তমানে আমার পোষ্টিং ভোলা,মনপুরা,ঢালচর এলাকাতে। যেখানে আমার বাড়ী থেকে যেতে ৩০ ঘন্টা লাগে যেতে। মূলত আমার বদলী হয়েছে ঘুষ বানিজ্য থেকে। একজনকে সুবিধা দিতে গিয়ে আমাকে সাগড়ে ফেলে দিছে। এসব বানিজ্য কবে বন্ধ হবে?
পাসপোর্ট করতে গেলে ভেতরের থেকে কর্মকর্তারা বিভিন্ন তালবাহনায় ফিরিয়ে দেয়, নোটিসের ভিতরে যেসব তথ্য দেয়ার কথা তার দেওয়ার পরও সব ডকুমেন্ট ঠিক নেই, বাহিরের দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট নির্দিষ্ট চিহ্ন দিয়ে এখানে গেলে পাসপোর্ট কমপ্লিট করা যায়।
২০২৪ সালের ঘটনা, আমার বোনের মোহরের মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ছুটাছুটি করা লেগেছিল। এখানে মামলার বিভিন্ন নথি,সাক্ষ্যির নকল,রায়ের কফি ইত্যাদি উঠাতে প্রতিটা ডিপার্টমেন্টে ঘুস দেয়া লেগেছিল।অন্যথায় মামলা বছরের পর বছর পরে থাকে এখানে।দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই অবস্থা।
আমার মামার ৩.৫ শতাংশ জমি থেকে অর্ধেক কিনে দলিল করতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। কর্মকর্তার দাবি জমি নাকি প্লট করে বিক্রি হচ্ছে। তাই হয় ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা নয়তো ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।
আমি আমার জমির খাজনা দিতে গেলে আমাকে বলে ২০ সতাংস জমির খাজনা করা লাগবে আমার জমি মাত্র ১০ সতাংস সেখানে বলে যদি খারিজ করতে চাউ ১০ সতাংসের তাহলে ৩০০০০ টাকা দিতে হবে আমি আএর কি করব টাকা দিয়া করচি
কাজ টা এখনো হয় নি,টাকা দি নাই তাই
Taka chara kaj kore na