X-ray report
হাসপাতালের চার্টে ছিলো নরমালx-ray ৭০টাকা, কিন্তু আমার কাছে ১৫ দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হাসপাতালের চার্টে ছিলো নরমালx-ray ৭০টাকা, কিন্তু আমার কাছে ১৫ দাবি করে।
ওয়ারিশান সম্মপতির নামজারি
আব্বার জাতীয় সনদ নিতে গেছি বলে এখানে অনলাইন এপ্লাই করতে ১০০ টাকা দিতে হবে,এবং ভিতরে গিয়ে সচিব কে দিতে হবে ১০০ টাকা,মোট ২০০ টাকা জাতীয় সনদ বাবদ জোরপূর্বক বাধ্য করে নিয়েছে। যে অনলাইন আবেদন করে দিয়েছে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম টাকা টা কেন নেওয়া হচ্ছে কোনো উত্তর না দিয়ে বলে ভিতরে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। সচিব ও ১০০ টাকা নিলো, কোনো উত্তর না দিয়ে বলে টাকা দিলে পাবে না হলে পাবে না।
পিয়ন টাকা নেয়। টাকা না হলে জেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল সই করবে না। হয়রানি এড়াতে টাকা দিতে হয়। জেলার প্রায় সব স্কুলের কাছ থেকেই টাকা ব্যয় করে। এভাবে।
কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার সমাজসেবা অধিদপ্তরে বিভিন্ন অনুদানের টাকা উত্তোলন করতে গেলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের লোকজনকে প্রচুর পরিমাণ টাকা দিতে হয় তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির উৎস যাচাই করা দরকার
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ ৩৫০০ টাকা দাবি করে।
এর পর উনি আসেন জমি মাপেন এবং ৫০০০ টাকা নিয়া যান।
গর্ভধারিণীর ভাতা দিতে চাইয়া ৫ হাজার টা ঘুস খায়। কিন্তু কিন্তু পরে কোনো ভাতা দেয় নাই
ওয়ার্ড বয় হিসেবে চাকরি তে নিয়োগ, ব্যাংক একাউন্টে লেনদেন, আমার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায়, আমি প্রত্যাখ্যান করেছি
সদর হাসপাতালে সার্জারি বাবাদ দালাল টাকা নিয়েছে
আমি 25-26 শিহ্মা বর্ষে একটি কলেজ এ ভর্তি হয়েছিলাম।এখন ওখানে আমি আর লেখা পড়া করবো না।ফলে আমি ঐ প্রতিষ্ঠানের আমার মার্ক সিট ফেরত চাওয়া আমার কাছে 5000 টাকা দাবি করে। কিন্তু আমার এক ক্লোজ বন্ধু ওখান থেকেই মার্ক সিট ফেরত নিছে ওর থেকে কোন প্রকার টাকা নেয়া হয় নি। আমার এবং আমার অন্য 2 বন্ধুর কাছে টাকা দাবি করেছে। একটি একটি সুরহা দাবি করছি।
সুনামগঞ্জ কোর্ডের নির্দেশ আমাদের জায়গা ইনভেস্টিগেশনের জন্য কমিশনারকে পাঠানো হয়। কমিশনার ইনভেস্টিগেশন করে সাক্ষি প্রমান সহ আমাদের পক্ষে সব কিছু প্রমান পায় এবং কাগজে কলমে আমাদের পক্ষে লিখিত ডকুমেন্টস কোর্ডে জমা দেয়। পরে যখন কোর্ডে কমিশনার কে জজের সামনে সরাসরি সরাসরি জিজ্ঞাসা করার জন্য নির্দেশ দেয় তখন কমিশনার আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এক লক্ষ্য টাকা ঘুষ দাবী করে। আমরা কথায় রাজি না হওয়ায় সে আমাদের প্রতিপক্ষের কাছ থেকি বিপুল পরিমাণ ঘুষ খেয়ে আমাদের বিরুদ্ধে আমার লিখিত মিত্যা সাক্ষি জমায় দেয়। এই ভাবে আমাদের কে হয়রানি করতেছে সুনামগঞ্জ কোর্ডের কমিশনার। তাকে ঘুষ না দেওয়ায় আমাদের পক্ষে সত্য প্রমানাধী আবার মিথ্যা বানিয়ে কোর্ডে লিখিত সাক্ষি জমা দিয়েছে।
নামজারি করার জন্য ৭০০০ টাকা চায় না দেওয়ায় অনেক দিন ঘুরতে হয়। অবশেষে উক্ত টাকা পরিশোধ করি এবং এক মাসের মধ্যে আমার নামজারি হয়ে চলে আসে।
ভোটার আইডি কার্ড প্রাপ্তির জন্য নির্বাচন অফিসে তথ্য প্রদান করলে কম্পিউটার অপারেটর/তথ্য সংগ্রহকারী ১ সপ্তাহ পর কল দিয়ে দশ হাজার টাকা দাবি করে, পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করি
মোট বিলের ১০% অর্থ অগ্রীম পরিশোধ ছাড়া অফিস কতৃপক্ষ কোন কাজে হাত দেয়না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
রেজিস্ট্রেশন এর সময় বিভিন্ন ভুলের অজুহাতে আমাদের হয়রানি করছিল। আমাদের জমির মূল্য ছিল ১,২৩,০০০০০ টাকা। পরে এক দালাল এসে বললো এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আমরা চাকরিজীবী একটা গ্ৰূপ এটা কিনেছি। বারবার অফিস থেকে ছুটি নেওয়া অসম্ভব, তাই ঘূষ দিতে বাধ্য হই।
একজন সরকারি শিক্ষকের পেনশন ফাইল ক্লিয়ারেন্সের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয়। এবং এই ঘটনাটি ঘটে প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি ৪৫, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ এই অফিসে।এবং এখানে যে কোন কাজের জন্য গেলেই টাকা দাবি করে এবং দিতে বাধ্য হই আমরা।
একটা জমি রেজিস্ট্রি করতে অন্যান্য খরচ বাদে শুধুমাত্র সাব রেজিস্ট্রারের সম্মানী বাবদ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
টাকা না দিলে লিখিত পরীক্ষা পাস করাবে না, ভাইভা ফেল ,
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তথা জেলা স্কুলের: বিদ্যালয় থেকে ফাইল যাবার পরে উপ পরিচালকের কার্যালয়ের( মাধ্যমিক পর্যায়ের)ঘুষ দিতে হয় ১ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এরপরে মহাপরিচালকের (মাউশি'র) কার্যালয় দুই থেকে তিন হাজার। ফাইল অনুমোদন পাওয়ার পরে হিসাবরক্ষণ অফিসে বকেয়া বেতনের জন্য ৩% হারে । গড়ে প্রত্যেকের পাস থেকে ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই দপ্তরে বদলির ফাইল অনুমোদনের জন্য ১ থেকে ৫-৬ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।