রুগী ট্রলি বানিজ্য
হুইলচেয়ার এবং ট্রলি নিয়ে গেলে ১০০ টাকা দেওয়া লাগে।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হুইলচেয়ার এবং ট্রলি নিয়ে গেলে ১০০ টাকা দেওয়া লাগে।।
মামলা জিতিয়ে দিবে এক পেশকার দাবি করেছে
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে ৩ টা পাসপোর্ট করতে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো ।
ট্রান্সফরমার আসতে দেরি হবে। দ্রুত চাইলে ম্যানেজ করে দেয়া লাগবে। তাই........
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ভালো করার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়। টাকা না দিলে বারবার ফেল করানো এবং দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
আমি আড়বাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যায়, সেখানে কম্পিউটার থেকে RS খতিয়ান ডাউনলোড করি এবং উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দেওয়ার জন্য আরবাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি সীল, স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবের কাছে সিল ও স্বাক্ষর নিতে গেলে তিনি আমার কাছে ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। বাধ্য হয়ে আমি মন খারাপ করে প্রায় এক ঘন্টা পর গুরুত্ব বুঝে ৫০০ টাকা ঘুস চুক্তি করি এবং ৫০০ টাকা দিয়ে সীল স্বাক্ষর নিতে বাধ্য হই।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গেলে বিভিন্ন ভাবে ঝামেলা করে পরে আর কি করব অই টাকা দিলে কোন ঝামেলা হবে না পরে দালালদের মারফাত করলাম।
নামজারি করার জন্য সরকারি উদ্যোক্তা অফিসে যাই, তারা বলে টোটাল ৭ হাজার টাকা দিলে আমাকে কোথা ও যেতে হবে না। সব কাজ করে দেবে এবং এই দোকান থেকে ই মিউটেশান ও ডিসিআর কেটে দেবে। টাকা না দিলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ও এসিল্যানড অফিসে যেত হবে, আর তারা দুই দিন বার ও দরখাস্ত খারিজ করে দেবে তাতে ১৫ / ২০ হাজার খরচ হবে। সময় ও লাগবে ৩/৪ মাস। এই ভয়ে আমি টাকা দেই। তার পর ও কানুনগো কে আলাদা ১ হাজার টাকা দিতে হইছে। সব নিয়ে ৮ হাজার টাকা নিয়েছে। এই টাকা উদ্যোক্তা কে দিতে হয়েছে।
আমার বোন ক্যান্সারে আক্রান্ত। মহাখালীতে একজন ডাক্তারের আন্ডারে চিকিৎসা নিচ্ছে। একটি টেস্ট করতে আশুলিয়া গণকবারি বাংলাদেশ আণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ ক্যান্সার হাসপাতালে যাই। টেস্ট করাতে চাইলে বলে যে কোন সরকারি ডাক্তারের সুপারিশ লাগবে। পরে ডাইরেক্টর এর সাথে যোগাযোগ করি। তিনি অন্য একজন ডাক্তারের নাম বলেন যোগাযোগ করতে। সে সরাসরি ২০০০০ টাকা অতিরিক্ত চান। আমি টাকা দেই এবং চিকিৎসা লই।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই লক্ষ্মীপুর পাসপোর্ট অফিসে আমার জন্মসনদ হওয়ার কারণে আমাকে ২০৩ নাম্বার রুমে পাঠায়। সেখানের ২য় অফিসার আমাকে বলে জন্মসনদ দিয়ে পাসপোর্ট হবে না। পরে আমি বলি স্যার আমি বাহিরে পড়াশোনা করবো প্লিজ স্যার আমাকে হয়রানি কইরেন না পরে আমাকে বলে ঠিক আছে ১৫হাজার টাকা লাগবে আমি টাকা দিতে রাজি হইনি যার কারণে এই পাসপোর্ট বানাতে আমাকে ৮ মাস পাসপোর্ট অফিসে ঘুরা লাগছে আজকে এই ভুল কালকে ঐ কাগজ এমনি করে পরে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পাঠানো হলো সেখানে তো অরেক হয়রানি সেখানে পুলিশকে ১৫শ টাকা দেওয়া লাগছে বাহিরে পড়াশোনা করতে যাবো একটা মেডিকেল করা লাগে সেখানে জেলা সার্জনের সই নিতে আবার ১৫শ টাকা দিয়ে হয়। আমার পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
আমি পাসপোর্ট অফিস আমার জন্য পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল সামান্য ভুল ছিল না তার পর শুরুতে একজন বলছে বিদ্যুৎ বিলের পুরাতন কাগজ কেন নতুন লাগবে পরে নতুন টা নিয়ে যাই আর পর পাঠায় উপরে যাওয়ার জন্য উপরে গেলে বলে এখনো অনলাইন হয় নাই 1ঘন্টা পর আশেন 1ঘন্টা পর গেলে বলে হয় নাই আরো পরে আশেন এভাবে ঘুরাতে থাকে পরে একজন 1500টাকা দাবি করে অনেক কথা কাটাকাটি করে 1000দেওয়ার পর করে দিয়েছে
বিআরটিএ অফিসে ঘুষ না দিকে পাস করানো হবে না।
আমার পারিবারিক সনদের প্রয়োজন ছিল, আমি সমস্ত ডকুমেন্ট সাবমিট করি তাদের কথা অনুসারে। কিন্তু তারা আমাকে অনলাইন সার্ভিস চার্জ নামে ২০০ টাকা দিতে বললো তানাহলে সনদ দিয়া যাবেনা। বাধ্য হয়ে আমাকে সেই টাকা পরিশুদ করতে হলো। সুদ যে আমি তা না প্রতিটা নাগরিক এর কাজ থেকে তারা আমার সামনে ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। এই অফিসের প্রতিটা লোক যারা কম্পিউটার নিয়ে কাজ করে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে গেলে অনলাইন চার্জ নামক মুলা জুলিয়ে দেয়। আপনি টাকা না দিলে আপনি শুদু অহবেদন এই করতে পারবেন মাসের পর মাস আপনাকে গুরাবে কাজ আর হবেনা।
মেঝো ভাইয়ের পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়েছিলাম, পাসপোর্টে কিছু নামের সংশোধন দরকার ছিলো। বাবা মায়ের নামের বানান ভুল ছিলো। উদ্দেশ্যে ছিলো নবায়ন এর পাশাপাশি নামের সংশোধনী করবো। কিন্তু ওখানে একের পর এক ভুল বের করত থাকে। সবশেষে উপায় না পেয়ে দালাল ধরে কাজ সম্পন্ন করি।
আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা হয় কোটে তো সেখানে বাদি বুঝতে পারে মামলাটি তে অনেক মিথ্যা তথ্য ঢুকানো হয়েছে আমাদের কাছে কিছু টাকা দাবি করে তো যাই হোক একটা সালিশের মাধ্যমে যেটা কোনু কোনু জেলার ভাষায় দরবার বলা হয় যাহোক আমরা টাকা দিয়ে মিট করে ফেলেছি তারা মামলাটা উঠিয়ে নিল এখন মামলার তদন্ত তো থানায় গেছে এখন আমরা তদন্ত কর্ম এসআইকে বিষয়টি অবগত করলাম কিন্তু আমাদেরকে কানাই ডাকলো আমরা বললাম মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে সে বললো ভালো হয়েছে গ্রাম্য ভাবে সুন্দর সমাধান পরে সে এসআই অন্য কিছু চা নাস্তার জন্য কিছু টাকা দিতে হবে ঠিক আছে কত টাকা দিব চা নাস্তার জন্য সে এসআই বলল ২০ হাজার টাকা দেন আ বেহুশ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা সুবহানাল্লাহ আমি বললাম কি জন্য ভাই বিশ হাজার টাকা কি কাজের জন্য সে বলল এটা লাগে
Diabari data centre e atke chilo 6 month lajbe bolche tk diye complete kora hoiche
রেজিঃ অফিসে ২০০ টাকা করে প্রতি বছরে তল্লাশি নিয়েছে। আমরা মোট ২০ বছরের তল্লাশি দিয়েছি। রেজিঃ অফিসের সইমুহুরী আমাদের শুধু প্রতিদিন সময় দিয়ে ঘুরান। একদিন এক বছরের করে তল্লাশি দেন। এভাবে এক সপ্তাহ এক দিন পর পর ওখানে গিয়ে আমার বাবা গাড়ি ভাড়া আর ওদের খরচ সহ মোট ২ লক্ষ টাকা শেষ করে ফেলেন। আমরা গরীব মানুষ,, আমাদের দলিল গুলো আমাদের শত্রুরা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিলো ৫০ বছর আগে। তারপর তারা আমার দাদাকে ভয় দেখিয়ে আমার দাদার জায়গায় মানুষ দখল নেন। আর তাদের নাম রেকর্ডে তোলে ফেলেন। আমার দাদা পড়ালেখা জানতো না। দাদা মারা যাওয়ার এতো বছর পর এখন ওই রেকর্ড করা মানুষ গুলো আমাদের জমি নিয়ে যেতে আসে। আগে শুধু আমাদের বাড়িটাই আমাদের ছিলো। এখন বাড়িও নাকি তাদের। কারন আমাদের দাদা রেকর্ডে নাম তোলাতে পারেনি।
১০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে তারপরে তদন্ত রিপোর্ট এপ্রুভ করে।
আমার চেক বই হারিয়ে গেছে তাই থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম।থানায় যাওয়ার পর বলে থানায় জিডি করতে গেলে লেইট হবে,বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যান ওরা করে দিবে।আমার কাছে ২০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমি প্রতিবাদ করি পরবর্তীতে ১০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাদ্য হই।
আমার দুই ভাই বোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী! তাদের শিক্ষা বৃত্তির জন্য আবেদন করি তাদের সরকার কতৃক শিক্ষা বৃত্তির আংশিক অংশ প্রদানকারীর জন্য নির্ধারিত না হলে তাকে বৃত্তি প্রধান করা হয়না। এরুপ আমার পরিচিত সকলে দিয়েছে। আশা করছি অপরিচিত রা ও এর আওতায় আসতে হয়েছে।