মিউটেশন
I applied for mutation, they have been keeping my application on hold for a long time and have not given any results..Later, when I contacted the office, they demanded 6000 taka from me...I had to give it because I had no other choice...
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
I applied for mutation, they have been keeping my application on hold for a long time and have not given any results..Later, when I contacted the office, they demanded 6000 taka from me...I had to give it because I had no other choice...
কক্সবাজার আমি পার্সপোর্ট করতে গেছি পার্সপোর্ট করতে ২০ হাজার টাকা ঘুস নিছে এর আগে পার্সপোর্ট অফিসে ৪৫০০ দিছি বলতে গেলে ঘুস ছাড়া চলে না
নামজারি, দেরি হবে, ঝামেলা আছে। কিছু খরচাপাতি করলে দেখতে পারি করা যায় কিনা
পুলিশের ক্লিয়ারেন্স করতে ২০০০ টাকা ঘুস চাওয়া হয়েছে
The police came to my father’s place for verification. They asked him for some money for tea. They told my father that I’m a very good boy and all that bla-bla-bla. So, my father gave them some money. That was twice verification one was in 2008 and another was may be 2012.
আমার পাসপোর্ট এর এবং এনআইডি কার্ডের দুটিতেই নামের সমস্যা এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্ট বানাতে চাই আমাকে এক লক্ষ টাকা দিতে হবে
পিআইও অফিস থেকে হিসাবরক্ষক অফিসে কোন স্বাক্ষর নিতে চাইলে টাকা দিতে হয় এক জনকে তিনি সকলের সামনে বলে এই টাকা নেয়
Amr wppf found er kichu hisab gormil hoy.income tex amk chiti dey.amr fine shoho 170000 taka tex ashe.ami sokol takay pay korte raji but income tax-er hishab rokkhom amr kache 40000 taka gush dabi kore.jodi ami taka na di, kor komishonar amr fine aaro bariye dibe bole and kor porishoder certificate dibe na amk janai.tai ami 170000tk bank calan porishod kori and 20000 tk cash oooder hate diye nishpotti kori.
২০১২ সালে আমার একটা চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানা থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন এস আই আমাকে ভেরিফিকেশন এর জন্য থানায় যেতে বলে। উনার কথামতো আমি থানায় গেলে আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অনেক কথা কাটাকাটির পর ১৭০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফিকেশন ওকে হলো।
আসসালামু আলাইকুম। আমাদের দুর্ভাগ্য, ঘুষের সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। ২০২৫ সালের নভেম্বরে জমি কেনার পর নামজারির জন্য আবেদন করি। আবেদনটি বারবার বাতিল হলে ভূমি অফিসে গিয়ে নায়েব সাহেবকে কারণ জিজ্ঞেস করি। প্রথমে বললেন সার্ভারের সমস্যা, পরে আমার সামনেই আবার আবেদন বাতিল করে বললেন, “চাপ লেগে বাতিল হয়ে গেছে।” এরপর তার সহকারী আমাকে বাইরে ডেকে সরাসরি বললেন, “নায়েবকে ১,৫০০ টাকা দেন, তাহলেই হয়ে যাবে।” শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, ঘুষ নেওয়ার সময়ও নায়েব সাহেব আল্লাহর নাম জিকির করছিলেন। আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে মানুষের হক নষ্ট করা—এর চেয়ে দুঃখজনক বিষয় আর কী হতে পারে?
জায়গার নামজারির বিষয় ছিল ভূমি অফিসে, সহকারী ভূমি অফিসারের কাছে গেলে উনি আমার বাবার কাছে টাকা চান। এবং আমার আব্বা সহজ সরল লেখাপড়া না জানুক। উনি ধাপে ধাপে উনাদেরকে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে যখন উনারা মোটা অংকের একটা টাকা দাবি করেন। তখন আর আমরা তা দিতে পারিনি। তাই আমাদের কাজটি হয়নি উনারা কাগজপত্র যে কোন একটা ঝামেলা লাগিয়ে দিয়ে আমাদের এ বিষয়টা এখন আদালতে আছে। সেই সময় ওনারা চাইলে আমাদের এই সমস্যার সমাধান করে দিতে পারতেন। কিন্তু সহকারী ভূমি অফিসার তা করেননি। আমরা টাকা দিলে হয়তো আমাদের কাজটা হত। মূলত ভূমি অফিসে কিছু দালাল থাকে তাদের সাথে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা মিলে আমাদের এই কাজটা কে জটিল করে তুলেছেন টাকা না দেওয়াতে।
হজ্ব এর সময় কাছাকাছি আসতেই সময় মতো পাসপোর্ট দিতে গড়িমসি করায় উপায় না পেয়ে ঘুষ তারা নিয়েছিল।
আমরা সাতজন একসাথে নিয়োগ পাই কেশবপুর উপজেলার একটা মাদ্রাসায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস, আমাদের এমপিও আবেদনের সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার চেয়ারে বসে গুনে গুনে টাকাটা নিয়েছিলেন। এখনো ঘটনাটা ঘৃণা ভরে স্মরণ করি।
আমি কিছুদিন আগে আমাদের ১৪ শতাংশ জমি খারিজ করার উদ্দেশ্য নিকটস্থ ভুমি অফিসে গিয়ে সেখানে একটি জমি খারিজ এর আবেদন করি এবং আবেদন ফি জমা দেই।কিন্তু তারা আমাকে তখনই বলে দেয় যে নরমাল ভাবে আগাইলে কাজ টা হবে না তাই আপনাকে অন্য ভাবে আগাইতে হবে। মানে ৭ হাজার টাকা ঘুস/হারাম দিত্র হবে। আমি দেখলাম অনেক টাকা তাই পরিকল্পনা করলাম আমি নিজেই বাকি অফিসে গিয়ে কাজ টা করিয়ে নিবো যেহেতু আমি সরকারি কর্মচারী তারা আমার কথা রাখবেন।কিন্তু আমি উপজেলা ভুমি অফিসে গেলে তারা আমার সাথে রিতিমত মস্কারা করেছেন।যাই হোক কিছু দিন পর ওই আবেদন টি অহেতুক কারন দেখিয়ে বাতিল করে দেয়া হয়।পরবর্তীতে আমি আমার সেই আগের ডকুমেন্টস দিয়ে আবার সেই অফিসেই আবেদন করি সাথে ৭ হাজার টাকা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ কাজ টা হয়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়েই ঘুশ দিয়ে করতে হ
জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ১০০০০০ (এক লক্ষ) টাকায় ৬০০০ টাকা দিতে হবে না দিলে কোন যে পাশ হয় না
একজন জুনিয়র কর্মকর্তা তার অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে বদলী করেন গুলশান মেট্রো কৃষি অফিস, ঢাকায় যা ঢাকা খামারবাড়ী থেকে করা হয়।
৬ বছর ধরে বদলীর চেষ্টা করছিলাম। মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করায় হতে পারিনি। ২০২৫ সালে অধিদপ্তর থেকে বদলীর প্রজ্ঞাপন হওয়ায় বদলীর সুযোগ দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু ২০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
নাম পরিবর্তন করতে টাকা চেয়েছিলেন
সেবাটি ছিল আমদানি সনদ পাওয়ার অনলাইন আবেদন। আমি আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেছিলাম এবং আমার এলাকার চেম্বার অফ কমার্সের সদস্য হয়েছিলাম। যেটা আমদানি সনদ পাওয়ার পূর্ব শর্ত। কিন্তু যেহেতু আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ঢাকায় দিয়েছিলাম সে কারণে আমার আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছিল। যেহেতু সনদটি আমার খুবই প্রয়োজন ছিল। সেজন্য পরবর্তীতে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে সনদপত্র নিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। যা আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর টাকার বিনিময়ে একদিনের মধ্যেই সনদ প্রাপ্ত হই। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি অভিযোগ করতে পারতাম। কিন্তু সেটা করলে আমার সনদ প্রাপ্তি দীর্ঘায়িত হতো এবং আমি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতাম।
আমি টাংগাইল জেলার সখিপুর উপজেলায় ভুমি অফিসে যাই আমার ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া ভুমি নামজারি করতে।সেখানে আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে।আমার সামনে আরো অনেক লোকের কাছ থেকে টাকা নেয়।তাদের আমি চিনি না।আমি প্রায় ৪০ মিনিটের মত সেখানে অবস্থান করে দেখতে পাই কারো টাকা ছারা কোন কাজ হচ্ছে না।বাধ্য হয়েই আমি টাকা দেই।টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানায় দিনের পর দিন ঘুরায়।