ডাম্পিং
অটো গাড়ি ধরে নিয়ে যায়। ছাড়াইতে ২৫০০ টাকা নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অটো গাড়ি ধরে নিয়ে যায়। ছাড়াইতে ২৫০০ টাকা নেয়।
সার্ভেয়ার জমির নকশা তৈরীতে কাল ক্ষেপন করছিন বারবার। পরে তার একজন অফিস স্টটাফ টাকা চাইলো বললো তারাতারি হয়ে যাবে। পরে আমার সময় কম থাকায় খুব সহজেই কাজটি করে দেন।
আকবরশাহ হাউজিং অফিসে নামজারী করে দিতে ৩২০০০ টাকা চেয়েছে। যেখানে সরকারি ফি ছিলো ৮০০০ টাকা। অফিসের লোকে বলছে এইখানে পুলিশ এবং সাংবাদিক ভাগ পায়।
২০১২ সালে গামকা থেকে টাকা জমা দিয়ে। তারা ওখান থেকে চট্টগ্রামে আগ্রাবাদ এলাকায় এপেস্ক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাটায় ওখানে পরীক্ষা করার পর বলে আমাকে রিপোর্ট আনফিট ফিট করতে হলে ২৫ হাজার টাকা লাগবে, ওদের সময় মতো দিতে পারিনি তাই আনফিট করে দিছে। পরে আবার ২০১২ সালে ঢাকা থেকে ২০ হাজার টাকায় কনটটাক করে ওমান আসি ঔ কুকুর গুলো কে কখনো ক্ষমা করব না।
সম্পত্তি দখলের উদ্দ্যেশ্যে ওয়ারি থানার পুলিশের ওসি আমার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ঘুষ খেয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা জি আর মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে আমি যোগাযোগ করলে আমাকে গ্রেফতার করে কোর্ট এ চালান করে। আমি জামিন লাভ করলে তারা আমার কাছেও ঘুষ দাবি করে। আমি প্রত্যাখ্যান করলে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন কোর্ট এ জমা দেয়। মামলাটি চলমান। আমি আদালতে পুনঃ তদন্তের আবেদন করলে ওসি ও তদন্তকারী অফিসার প্রতিপক্ষের সাথে আপোষ করে নেয়ার জন্য চাপ দেয়।
৫০ শতাংশ জমি হেবাদলিল রেজিস্ট্রি ফি মত্র ২৫০০ টাকা, মূহুরীর লিখা খরচ আমি সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা। কিন্তু অফিসের বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৯৫০০ টাকা
প্রতিটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাজ আইনগতভাবে সঠিক লাইসেন্সে আসার পরও ইঞ্জিনিয়ার এবং একাউন্টেন্ট সহ পিডি অফিসে কাজের NOA দেওয়ার আগেই ২% টাকা দিয়ে দিতে হয়। এরপর নিজের টাকায় করা কাজের বিল নিতে গেলে আবার ৫% দিতে হয় অগ্রিম। এতে করে কাজের কোয়ালিটি ঠিক রাখা সম্ভব হয় না। এটা শুধু শিক্ষা প্রকৌশলে নয়, সকল প্রকৌশল অফিসেই। সব সরকারি ইঞ্জিনিয়ার, সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, একাউন্টেন্ট, ইউএনও, সবাই এই টাকা খায়। তারা বেতন না পেলেও সমস্যা নেই। ১০০কোটি টাকার কাজে যদি ৭কোটি ২-৪ জন মানুষ পায়, তাদের আর সরকারি বেতন কী দরকার। এই হিসেবে হাজার কোটি টাকার প্রজেক্টে তাদের ঘুষের পরিমাণ কতো টাকা হিসাব করেন।
সব পরীক্ষায় ভালোভাবে উত্তীর্ণ হয়েও ২য় বার পরীক্ষার আবেদন করে ধার্যকৃত ফি'র অতিরিক্ত ৪ হাজার টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে হয়েছে। জীবনের অন্যতম তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
ট্রেনিং এর টিএ ডিএ বিল উঠাতে ১০০০০ টাকা ঘুষ চায়। আমার কষ্টের টাকা উঠাতে কেন টাকা দেওয়া লাগবে? প্রতিদিন এভাবে কোটি কোটি টাকা ঘুষ যাচ্ছে।
শাজাহানপুর ভূমি অফিসে খাজনা পরিষোধ করতে আসি কিন্তু ঘুষ চাওয়া হয় সাত লক্ষ টাকা ঐ অফিসে এত দালালের ভিড়ে একজন ভালো কাজের লোক পেলাম না ভূমি অফিসে এত দালাল কেন থাকবে এ বিষয়ে আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
ভুমি অফিসে যাওয়ার পর, আমার নামজারি কাগজ দিতে চাচ্ছে না, ৭ হাজার দিয়ে আনতে হয়েছে
Patuakhalir 1 jon ainjibi amake bichar paiyea dibey bole taka chay. Ami badi cilam.ami taka dei nai. Ray e sob asami khalas hoice
চাঁদপুর সরকারি কলেজ ক্লাস টেস্ট পরীক্ষায় ৩০০ টাকা করে নেয়া হয় । এমনকি সমস্ত শিক্ষার্থী দিতে তা বাধ্য । সাধারণত সরকারি কলেজের ক্লাস টেস্টে ১০ থেকে ২০ টাকা ক্লাস ফ্রি নেওয়া হয় । কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে ৩০০ টাকা করে নেয়া হয় ।
৭০০ টাকার কাজ, আমার কাচ থেকে ২১০০ টাকা নিছে, আমি তার নাম জানি না, ছাতার পাইয়া বাজার ভুমি অফিস
উপজেলার রামপুর মৌজায় জমির শ্রেনীতে একটু হের ফের হওয়ায় জমিরেজিষ্ট্রি করতে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে।
স্কুলে জয়েনিং এর পর এম্পিও ফাইল প্রথমে উপজেলা লেভেলে পাঠাতে হয়। ওখানে কোন ফাইল গেলে তা যাচাই বাচাই করে সব ঠিক থাকলে তাদের জেলায় পাঠানোর কথা। কিন্তু তারা কখনোই ফাইল পাঠায় না। এবং প্রথমবার তাদেরকে ৩০০০ টাকা দেওয়া লাগে সকল শিক্ষকদের। শিক্ষা অফিসার এবং তার সহযোগীকে। প্রথমবার এমপিও এর ক্ষেত্রে সকল শিক্ষকই এটা দিতে বাধ্য থাকে। না হলে তার এম্পিও হয়না এবং বেতন হয়না। আমি ও আমার কলিগ এক সাথে জয়েন করলে আমাদের কাছে মোট ১০০০০ টাকা দাবি করে। অবশেষে ৬০০০ টাকা না দিলে ফাইল সেন্ড হবে না জানায়। একবার ৬০০০ টাকা দেওয়ার পরেও যখন আমরা আবার আমাদের বয়েকা বেতনভাতার জন্যে আবেদন করি আমাদের কাছে আবার টাকা দাবি করে। এবং এটা অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। এখনো যারা জয়েন করে তাদের কাছেও সেইম ভাবে টাকা দাবি করে এবং আদায় করে।
There was a scheduled date for Tax Tribunal hearing on 8-9-2026 at Rangpur. After finish my hering I have left. On next day, Tribunal Assistant and few minutes later the PA of Tribunal Members called me over phone and demanding money to pass the Tribunal Order.
নামজারী আবেদনের পর প্রস্তাব দেওয়ার সময় প্রতিটি ফাইল ১০০০+ টাকা নেওয়া হয়, টাকা না দিলে বিভিন্ন ত্রুটি বের করে ঘুরায় ভূমি অফিসার। প্রস্তাবের ক্ষেত্রে হোল্ডিং সমন্বয় অপশন থেকে সর্বশেষ অর্থবছর দাবি তুলে দেওয়া ভালো, আমার এটা যুক্তিক দাবি। দাখিলা র আবেদন করেও দীর্ঘদিন পেন্ডিং থাকে, এমন সমস্যা সমাধান করার একটাই উপায়, আবেদন ৩ দিন অতিক্রম হলে অটোমেটিক যেনো সমন্বয় হয়ে যায় নাগরিক আইডি তে। যদিও নামজারী সম্পন্ন করার পর হোল্ডিং অটো আসতেছে এখন, তবে এখানেও সমস্যা - সর্বশেষ অর্থবছর অফিসারগন পরিবর্তন করে দিচ্ছে, যেনো অটো সিস্টেম এ কেও দাখিলা পেমেন্ট করতে না পারে। যদি কেও পেমেন্ট করেও থাকে তাহলে দাখিলা পাচ্ছে ২০১০ কিংবা ২০১৫ সালের,কেন এমন,অন্যদিকে সাংবাদিক অফিসে গেলে তারাও ঘুষের টাকা খেয়ে সংবাদ প্রকাশ করে না।
নৌবাহিনীর জব হওয়ার কারণে বাসায় সাঘাটা থানা থেকে (DSB) কর্মকর্তা আসে এবং তারা ভেরিফেকেশন এর নাম করে তারা ১২০০০ হাজার টাকা দাবি করে,এইরকম আরো অনান্য সরকারি চাকরি জীবিদের থেকে এভাবে ভেরিফাই করার নাম বলে গরিব অসহায় ফ্যামিলির থেকে টাকা লুটপাট করা,বিশেষ করে পুলিশ আর্মি বিজিবি কিংবা নৌবাহিনী সেনাবাহিনীর যারা চাকরি পায় তাদের ফ্যামিলি থেকে এভাবে হুমকি দিয়ে টাকা নেয়
আমি আমার বাবাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে গিয়েছিলাম বাবার পাইলসের অপারেশন করাতে কিন্তু করতব্য রত ডাক্তার তিন মাস পর সিরিয়াল দেয়।সেখান কার এক করমচারি আমাকে বললো আমাকে 45000 হাজার টাকা দাও আমি অপারেশনের ব্যবস্থা করে দিব আমি রাজি হই তারা ১০০০০টাকা নেয় কিন্তু কাজ করতে গরিমসি করে ও পুরো টাকা দাবি করে।আমার ব্যাপারটা ভালো লাগে না এবং আমরা চলে আসি। আমি বুঝতে পারলাম এটা ডাক্তারদের একটা সংঘবদ্ধ চক্র।