খতিয়ান তোলা
খতিয়ান তুলতে অতিরিক্ত টাকা লাগছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খতিয়ান তুলতে অতিরিক্ত টাকা লাগছে।
পর্যায়ক্রমে তিন টি জমি ক্রয় করার পর মিউটেশনের জন্য আবেদন করার পরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার কাগজ পত্র যাওয়ার পরে ইউনিয়ন ভূমি সরকারি কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে সেই মোতাবেক ঘুষ প্রদান না করলে আমার কাজটা হবে না বিদায় আমি তিনবার তিন হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করি বাধ্য হয়ে
সেবাটি ছিল জন্ম সনদে ভুল সংশোধ অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার পরও ২ বছর হলো কাজ করে দেয় নি
বকেয়া বেতন প্রাপ্তির জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন দরকার ছিল। বিভিন্ন কাগজপত্রের বাহানায় ২ দিন ঘুরানো হয়েছে। তারপর আমার থেকে সরাসরি ২০০০ টাকা দাবি করেছে জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত একজন কর্মচারী। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি। টাকা দেওয়ার পরে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়েছে।
২০২৩ সালে আমি আমার বড় ভাইয়ের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে ত্ থানায় যাই।আমি আমার ভাইয়ের ক্লিয়ারেন্সটি চাই,একজন পুলিশ সদস্য আমার কাছে আমার পরিচয় জানতে চান।পরিচয় দেওয়ার পর আমার কাছে ক্লিয়ারেন্সটি দেয়।আমি হাতে নেওয়ার পর যখন বলি সব ঠিক আছে।ধন্যবাদ দিয়ে চলে আসার সময় আমার কাছে খরচ চায়,আমি বলি কিসের খরচ? উনি আমাকে উত্তর দেয়,যাতায়াত খরচ এবং নাস্তার খরচ।আমি বললাম,কত? উনি বললেন ২ হাজার টাকা দেন।আমি এটা নিয়ে উনার সাথে কথা কাটাকাটি করেছি,এবং বলেছি ডিএসবি অফিসে গিয়ে আনলে তো টাকা লাগেনা।উনি আমাকে উত্তর দেয়,এটা আমার কাছে দেন ডিএসবি অফিস থেকে নিয়ে আসবেন।আমার কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে আরেক পুলিশ সদস্য এসে আমাকে থামিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি দিয়ে দেন।আমি চলে আসি।
আমার রিলেটিভ ওর সুনিধার্থে ওর পছন্দনীয় জেলায় ট্রান্সফার নিতে হেডঅফিসে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
পারিবারিক সম্পত্তি বন্টন দলিল হওয়ার পরে মেডিটেশন করানোর জন্য যখন গিয়েছি ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন জাহাজ বিভিন্ন ভুলত্রুটি দেখিয়ে টাকা নেয়ার জন্য জিম্মি করেছিল আমরাও অপারগস্ত হয়ে বহু বছরের রঙিল একটা সম্পত্তি দলিল হয়ে যাওয়ার পরও সামান্য একটা টিউশনের জন্য কেন ঝুলে থাকব টাকার বিনিময়ে হলেও করিনি যেখানে ১১৭০ টাকা সরকারি বিল পরিশোধ করার কথা ওখানে এক দলিলে 20 থেকে 25000 করে নিয়েছিল। উপরে কর্মকর্তারা তাদের কিছু পিওন রেখেছে দাম দর করার জন্য ,,তাদের কাজ হচ্ছে শুধু ভুল ধরে দিবে সমাধান দিবে পিয়ন।
২০২৫ সালে ঢাকা মিরপুর বি,আর,টি,এ, তে গারির ফিটনেস করাতে যাই। বি,আর,টি,এ, এর গেট এ ঢোকার আগ পর্যন্ত আমার গারির হেড লাইট ১০০% ঠিক ছিল। যেই রাম্প এ ওঠাল, আমার গারির হেড লাইট ফিউস হয়ে যায়। আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে ফিরনেস দিতে। এটি একটি সিন্ডিকেট যার সাথে অফিস কর্মকর্তারাও জড়িত। আপনি একজন অসহায় সেবাপ্রার্থী বাংলাদেশী নাগরিক।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি। এবং যখন ভেতরে যায়। সাড়ে বারোটার দিকে তারা বলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাবেন। দুইটা দেখে আসতে বলল। আমি যখন দুইটার দিকে যাই কোন সিরিয়াল ছিল না তবু তারা আমাকে চারটা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। চারটার দিকে যখন আমি আবার যাই তখন আমাকে বলে আজকে সময় নাই আগামীকাল আসেন। যখন পরের দিন যাই। তখন আমার আবেদন করা ফর্মে। মায়ের নামের সঙ্গে একটু সমস্যা ছিল। ওরে তাদের কাছে যাই না বলে এটা হবে না। বাইরে আসার সময় এক ভদ্রলোক আমাকে ডেকে বলেন কি সমস্যা সমস্যা বললাম। তখন বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। কোন সময় লাগবে না এক মিনিটও সময় লাগবে না। অনেক কথা কাটাকাটির পর তাকে আমি ২৫০০ টাকা দেই। সরাসরি ছবি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেই।
আমার পরিচিত এক বড় ভাই উনি কোনো এক কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাধ্যমে জেলহাজতে থাকাকালীন জামিন করাতে সক্ষম হই। তবে জামিনের কপি উঠানোর জন্য হাইকোর্টের বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে জামিনের কপি বের করাতে দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের প্রায় ২০০০০ টাকার মত দিতে হয়েছে। এমনও হয়েছে কোনো একসময় ফাইলও লুকিয়ে রাখা হয়েছে। দুঃখ করা ছাড়া টাকা পয়সা দেওয়া ছাড়া আর কোনোকিছু করার উপায় ছিল।
Taka diyechi office cerani jonno 19lakh army officer niyeche gush kintu Amar letter dey nay shudhu ghuray 1year
ওড়াকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা প্রত্যেক ফাইলের জন্য এক হাজার টাকা করে ঘুষ নেয়
আমি নামজারী করার জন্য আবেদন করেছি। যাওয়ার পর আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে। তারপর বলেছে ৬ শতক জায়গার জন্য ৬০হাজার টাকা দিতে হবে।
ঘটনাটি ২০২৪ সালের মার্চ মাসের, সে বছরটি ছিল আমার জীবনের সবছেয়ে বড় কস্টের বছর। ৩/৩/২০২৪ সালে আমার ছেলের ব্রেইন টিউমার ও হাইড্রোসেফোলাস মানে দুটি রোগ ধরা পড়ে। আমার আর্থিক অবস্থা কাবার বলে প্রাইবেট চিকিৎসা করাতে পারি নাই। প্রাইভেট চিকিৎসার জন্য ৭.৫ লাখ খরছ হবে বলে ডাক্তার বলেছিল। তাই ঢাকার আগারগাঁও নিউরোসাইন্স হাসপাতালে নিয়ে দুই সপ্তাহ দৌরাদৌরি করে ভর্তি করতে পারি নাই। ১৫ দিনের মাজে কেউ একজন বলেছিলো ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে ভর্তি করে দিতে পারবে। তা আমি দেইনি। পড়ে ফেইসবুকের একটি গ্রুপে মানবিক পোস্ট করলে সেখানকার একজন ডাক্তারের সহযোগীতায় পিজি হাসপাতালে ভর্তি করি। ১৫ দিন পড় আমার ছেলের একটি অপারেশন হয়। সময় মত অপারেশন করাতে পারি নি বলে আজ আমার ছেলে সম্পুর্ন অন্ধ৷
আমি জন্মনিবন্ধন ডিজিটাল কারার জন্য ইউনিয়ান পরিষদে গিয়েছিলাম( বর্তমানে পৌরসভা) গিয়ে দেখি আমার জন্মতারিখ ভুল দেখাচ্ছে । আমার কাছে পূর্বের যে এনালগ হাতে লেখা জন্মনিবন্ধন আছে সেটাতে সঠিক আছে জন্ম তারিখ। তারা নিজেরাই ভুল করেছে খাতা থেকে ওয়েব সাইটে আপডেট করার সময়। জন্ম তারিখ ঠিক করার জন্য ৫০০০/- হাজার টাকা চেয়ে ছিলো কিন্তু আমি ঠিক করিনি টাকা দিয়ে। এখনও পর্যন্ত আমি আমার জন্মনিবন্ধন করতে পারিনি।
Ghush chara dolil hobe na shob kagoj thik thakleo. 50 hajar dewar poreo kisu dhomok dilo moktarke Tarpor dolil korlo. Ghush o nilo tarporeo kharap bebohar kore poribesh dushito korlo. Gonno manno manush shobai mon kharap kore firlo.
আমি প্রাইমারি স্কুলের একজন সহকারী শিক্ষক। অনলাইন বদলির আবেদন করি নিকটতম স্কুলে কিন্তু কিছু দালাল শিক্ষক আছে যারা বদলি বানিজ্যের সাথে জড়িত।তারা ৫০০০০ টাকা ছাড়া আমার পছন্দের প্রতিষ্ঠানে বলি করবেনা বলে জানিয়েছে। আমি অসীকৃতি জানালে আবেদনের শুরুতেই এটিইও আবেদন টি র তথ্য সঠিক নয় মর্মে রিপোর্ট করে। যার ফলে আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু জানতাম না টাকা ছাড়া কোন কাজ সফলভাবে হয় না। পরবর্তীতে আমার কাজটি নিয়ে গড়িমসি শুরু হল। প্রথমবার আমার নামজারি আবেদনটি দুই মাস দৌড়াদৌড়ির পর বিনা কারণে বাতিল করে দিল। পরবর্তীতে আবার আবেদন করলাম। এইবারও ঠিক আগের মতন গড়িমসি শুরু হলো। পরে জানলাম টাকা ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমিও নাছোড়বান্দা। টাকা দিয়ে কোন কাজ করতে রাজি নই। এভাবে আমার দৌড়াদৌড়ি চলতেই থাকলো।
বেশ কয়েক দিন পৌরসভা অফিসে ঘুরেও কোনো কূলকিনারা হলো না। থাকি যশোরে। স্থায়ী টিকানা। গোপালগঞ্জ। এই যুগে কার এতো সময় বের করার সুযোগ আছে! সে বিড়ম্বনার কথা আর কি বলবো! পৌরসভা অফিসে গেলে কোনো দামই দেয় না। পরিচিত একজন (তিনি পৌরসভা অফিসের কেউ না) ভদ্রলোক এক দালালের সন্ধান দিলেন। তিনি ৩ হাজার টাকা চাইলেন। দিলাম। কাজ হলো। মূলত এই দালাল গুলোর মাধ্যমেই তারা ৯০% কাজ করে থাকে।
জমি ক্রয়ের পর নামজারী আবেদন করেছিলাম নিজেই অনলাইনে, কিন্তু তা বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে ভূমি কর্মকর্তা বলে যে, কন্টাকে না আসলে নামজারী হবে না, বাতিল করা হবে। ১৫,০০০ টাকায় কন্টাক করি এবং নামজারীও হয়ে যায়।