CID report
আমার মামলার তদন্তের জন্য জাজ সি আই ডি কে দায়িত্ব দেয়। আর সেই রিপোর্ট করতে অফিসার ফরেনসিক এর জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার মামলার তদন্তের জন্য জাজ সি আই ডি কে দায়িত্ব দেয়। আর সেই রিপোর্ট করতে অফিসার ফরেনসিক এর জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছে
সরকারি অফিস থেকে অন্য সরকারি অফিসে সেবা পেতে টাকা দিতে হয়। যেমন: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় হতে সরকারি অফিসের প্রকল্প পাস করতে টাকা দিতে হয়।
নতুন পাসপোর্টের জন্য দুই জনের মোট ৩০০০ টাকা (জনপ্রতি ১৫০০ টাকা) জমা দিয়েছিলাম। ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা ছাড়া ফাইল জমা দিতে গিয়ে নানা রকমের সমস্যা দেখিয়ে আমাকে অনেক হয়রানি করা হয়েছে। কিন্তু ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর দেখলাম সব কাজ খুব দ্রুত হয়ে গেল।
আমার ফার্মাসিস্ট কোর্স এর ইউজার আইডিটি তারা আমাকে না দিয়ে বললো যে আমরাই রেজিষ্ট্রেশন নবায়ন করে দিবো 3000 টাকা লাগবে। অথচ রেজিষ্ট্রেশন খরচ মাত্র 700 টাকা। আমি নিজে করতে চাইলে আমার ইউজার আইডিটা দরকার হয়ে পরে। এমতাবস্থায় ইউজার আইডি চাইলে উক্ত অফিসের পিওন “কানকির ছেলে বলে গালি দেয়” এবং বলে “দুচিয়ে দেবো ইউজার” বলে তারিয়ে দেয়।
আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র করতে গেলে আমার কাছ থেকে একজন দোকানদার ২০০০ টাকা চায়। ২০০০ টাকা দিলে নাকি তারা আমার কাজটা করে। আমি নিজে করলে নাকি টাইম নিবে তারা নাকি ১ সপ্তাহের মধ্যে করে দিবে। পরে আমি প্রত্যাখ্যান করি।
পাসপোর্ট অফিসে চাকরি করে আমার এমন একজন বন্ধুকে বললাম, বন্ধু পাসপোর্ট করব, কি কি জমা দিতে হবে,। আমাকে একটু হেল্প করিও।সে বলল বন্ধু আমি তোমাদের পাসপোর্ট অফিস থেকে ট্রান্সফার হয়ে চলে আসছি। আর বলল বন্ধু ওইখানে তো সিন্ডিকেট চলে, তোমাকে অনেক হয়রানি করবে। আইডি কার্ড অরজিনাল লাগবে, বিয়ে করলে কাবিননামা লাগবে, কারেন্ট বিল লাগবে, তুমি যেখানে চাকরি করো ওইখানের প্রত্যয়ন পত্র লাগবে, চাকরির আইডি কার্ড লাগবে। ইত্যাদি ইত্যাদি। আরো বলল তুমি যদি ১৫০০/- টাকা দাও তাহলে কারেন্ট বিল, প্রত্যয়ন পত্র, কাবিননামা কিছুই লাগবেনা, আইডি কার্ডের ফটোকপি হলেও হবে। আমি ওদের চ্যানেলে তোমার পাসপোর্ট এর OID নাম্বার দিয়ে দিব তুমি গেলেই বুঝতে পারবা তোমার কোন পেরেশানি হবে না।
এক সচিব বাবার পেনশন ওকে করে দিবে সাথে শিক্ষা কল্যাণ ট্রাস্ট এর টাকা টাও। পার্সেন্ট হিসাব করে ঘুষ নিচ্ছে
আমার পাসপোর্টের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ছিলো মার্চ মাসে ।আমি জানুয়ারীর ২৩ তারিখ গেলাম তারা এক আনসার সদস্য বললো ২০০০ টাকা দিলে দুই মাস নয় এখনই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে দেওয়া হবে যেই কথা সেই কাজ ১ ঘন্টার ভেতর সব কাজ শেষ।
ami passport korte giecilam samanno vol jeta thik kore ore pore dieche tar jonno amar dalal dhorte hoeche o 3 hazar taka porisod korte hoeche othobo oi samoy amar bank draft er taka ta miss hoto
Notun passpot korar jonno line ee document nie joma dei tarpor back page ee likhe dey document problem ase ,tarpore bahire theke akjon same document die kajta kore dey Government Fee 8500tk but i gave them 12500 tk. Also When i get to verification the policeman take 1000tk from me without any reason .
brta te amar new licence korar jonno ami dalal ke oi samoy 5000 taka besi diechi amar licence korar jonno jodio pore ami nijei sob practicle exam e pass kori but dalal chara khob kom kaj hoi esob e and holeo onk jamela pohate hoi
ট্রেড লাইসেন্স বানাতে দেয়ার সময় প্রদান, এটা অনেক বড় একটা চক্র এবং ড্রাইভিং না পাড়া সত্তেও অনেকে লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছে শুধুমাত্র ঘুষ দিয়ে জেটা আমাদের জন্য অত্যান্ত হুমকির। এতো বেশি এক্সিডেন্ট হওয়ার পিছনে এই ব্যাপারটি অনেকাংশে দায়ী, বিষয়টি গুরুত্ত সহকারে দেখবেন আশা করি।
পরিবারের পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট অফিস+ পুলিশ ভেরিফিকেশন মোট ৮,০০০/- আর আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে একটু জটিলতা ছিল, তাই নারায়ণগঞ্জ এসবি অফিসে যাওয়া লাগছে, সেখানে এসআইকে দিতে হয়েছে ২,০০০/- (তারপর ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে।)
প্রতিটি নামজারি বা মিউটেশন আবেদন এর জন্য দাবিকৃত ঘুষের অর্থ পরিশোধ করতে হয়। অনলাইন এ আবেদন করলেও আবেদন বাতিল হয়ে যায়। ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলেও হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাছাড়া মিউটেশন কাগজে ইচ্ছাকৃত ভুল করে দেয় এবং পুনরায় ঘুষ এর জন্য হয়রানি করে।
পেনশন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে চাওয়া হয়েছিল। আমি কয়েক ধাপে ১৫/১৬ হাজার টাকা দিছি। আরো চাওয়া হয়ছিল,তবে আমি কম দিতে চাইছি বলে নেই নি।
বিক্রেতার এনআইডি এর সাথে খতিয়ানের নামের আংশিক অমিল থাকায় সাব- রেজিষ্ট্রার দলির রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ২০ হাজার টাকা দাবি করে অতপর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে হয়। উল্লেখ্য নামের আংশিক অমিল এর জন্য প্রমান স্বরুপ ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান কতৃক একই নামের প্রত্যয়ন দেয়ার পরেও সাব রেজিস্ট্রার ভিত্তিহীন বলে বিবেচনা করেন। ঘটনাটি - ২০২২ সালের।
Under Dhaka City Corporation, every house has a holding number. So, I went to the City Corporation office to apply for one. The officer checked all my documents and sent me to his assistant. The assistant politely collected all my papers and asked for 30,000 taka. I paid the amount, but unfortunately, he did not complete the work. A few months later, I heard that he had passed away. After that, I went to the new officer and explained everything. But the same thing happened again. They asked me for another 30,000 taka. I told them that I had already paid the same amount to the previous person, but they did not accept my explanation and again asked for the money. This time, I did not pay. Unfo
একটা মামলার আসামীর ফরোয়ার্ডিং এর ফটোকপি নিতে দিতে হয়েছে
আমার স্ত্রীর বিদেশে যাওয়ার জন্য সিভিল সার্জন এর অফিস থেকে মেডিকেলের রিপোর্টে একটা সত্যায়িত করার জন্য যাই। সেখানে বলে আজকে পাবেন না। ৫দিন পরে আসুন। বললাম, সত্যায়িত করতে ১মিনিট লাগবে। ৫দিন পরে কেনো? তখন বলে, চা খাওয়ার জন্য কিছু দিন। ১০০০টাকা দেওয়ার পর ৩০সেকেন্ডে কাজ শেষ। এই দেশ আমাদের? এরাই আমাদের টেক্সের টাকায় বেতন নিয়ে চলে? মাঝে মাঝে এই সিস্টেমের উপর খুব রাগ লাগে। এই জন্য দেশ ছেড়ে বিদেশে পরে আছি।
আমি সকাল বেলা একবার গেছিলাম আমার এনআইডি স্মার্ট কার্ড ভুলে গেছিলাম যার কারণে দুপুর ১২ টা বাজে ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জ আবার গেছি এবং এনআইডি নিয়ে আসছি সাথে করে ওই সময়কার আনসার সে আমার কাছে ১২০০ টাকা দাবি করছে শুধুমাত্র পেপার জমা নেওয়ার জন্য না হলে সে আমাকে পেপার জমা দিতে দিবে না আমার বাড়ি ভৈরব উপজেলা ওই আনসার তার নাম মনে নাই আমার কিন্তু ওইখানের বেশিরভাগ আনসার তারা এসব অপকর্মের সাথে জড়িত