New passport
Amr passport korar jonno kagoj joma dei but kono response kore na. Then ami akta dalal ar maddhome apply okrte hoy 3000 taka diye, sathe sathe amr kagoj tara accept kore
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Amr passport korar jonno kagoj joma dei but kono response kore na. Then ami akta dalal ar maddhome apply okrte hoy 3000 taka diye, sathe sathe amr kagoj tara accept kore
আমি একজন প্রবাসী। জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলাম। সরকার নির্ধারিত Emergency Passport-এর সরকারি ফি যথাযথভাবে জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা নগদ দিতে হলো। এই টাকার কোনো সরকারি রসিদও দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হলো- সরকারি ফি যদি নির্ধারিত থাকে, তাহলে এই অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা কেন? আর যদি কোনো বৈধ অতিরিক্ত ফি থাকে, তাহলে তার সরকারি রসিদ কেন দেওয়া হবে না? আমরা প্রবাসীরা দেশের বাইরে থেকে কষ্ট করে আয় করি, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখি। দেশে ফিরে যখন নিজের প্রয়োজনীয় একটি সরকারি সেবা নিতে যাই, তখন যদি এভাবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়, সেটা সত্যিই কষ্টদায়ক। আহা, আমাদের সোনার বাংলাদেশ! প্রবাসীদের সম্মান শুধু কথায় নয়, সরকারি সেবা গ্রহণের সময়ও তার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাই।
Being only heirs of mother's property, our mutation file application was cancelled three times. I am former civil servant. None could ask for bribe directly. AC Land hardly looked at me, hardly heard me. Every time, after 2/3 days, came to know that file was cancelled. We hired a local lawyer who said the case can be finalised at Tk. 8000 (10 years back). Money was given to the lawyer. Not only that, I had to talk to one of my high up connections, who talked to the DC. After a lot of exercise, our file was cleared. Kanon Go basically managed that office. Do I need to believe that AC Land did not know anything? For my own saftey, I did not mention the district.
বেতনের জন্য Ibas++ এর অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট এর বকেয়া টাকা তোলার জন্য। বিভিন্ন বিল এর ৫% কাটে
তৎকালীন ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইমার্জেন্সি বিভাগে জরুরি অবস্থায় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করার প্রয়োজন হয়। সেখানে গেলে জানানো হয় যে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে, তাই স্বাভাবিক নিয়মে আর পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে সেখানে কর্মরত একজন আনসারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, অতিরিক্ত ১,৪০০ টাকা দিলে পরীক্ষাটি করিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। অথচ পরীক্ষাটির নির্ধারিত ফি ছিল ৫০০ টাকা। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় এবং জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষাটি প্রয়োজন হওয়ায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়। টাকা দেওয়ার পর কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই খুব সহজে এবং দ্রুত পরীক্ষাটি সম্পন্ন করে দেওয়া হয়।
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়—সুবিধা পেতে ৫,০০০ টাকা দিতে হবে। সেই টাকা দেওয়ার পরও আমার স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম দেওয়া হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের অর্থ দাবি ও লেনদেনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
২০২৩ সালে আমার বাবা মারা যায়। তিনি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন। উনি মারা যাওয়ার পর উনার প্রভিডেন্ট ফান্ড কল্যান এবং প্রভৃতি ফান্ড এর টাকা তোলার জন্য যখন শিক্ষা অফিস এ যায় তখন কাহারোল এর শিক্ষা অফিস এত ততকালিন কম্পিউটার অপারেটর আমি এবং আমার মায়ের সাথে ৮৫০০০ টাকার চুক্তি করে তারপর প্রসেস করে। তাকে আমরা সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয় এমনকি ট্রেজারি অফিস এও পদে পদে ৫০০/১০০০ করে বেশ কয়েকবার ঘুষ দেয়া লাগে।
নামজারি করার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম সেখান থেকেই আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা দেখায় আমারে কাগজে আমি বিভিন্ন বার কাগজ ঠিক করে নিয়ে যাই তারপরে তারা বলে যে এই কাগজ ভুল ও আমাকে এভাবে হয়রানি করতে থাকে তারা।একপর্যায়ে তারা আমার কাছ থেকে টাকা চায় তাহলে কোন কাগজেই সমস্যা থাকবে না 20 হাজার টাকা। আমি তারপর সে সেখানকার দালালের মাধ্যমে গিয়ে আমার কোন কাগজ আর ঠিক করতে হয়নি অটোমেটিক কাজটা হয়ে গেছে আরো কিছু কাজ বাকি আছে আর একটা নামজারি করতে হবে তো দালালের মাধ্যমে গেলে সবকিছুই সম্ভব আপনি নিজে করতে যাই তাহলে পারি না ঘুষ দিলে সবই সম্ভব বাংলাদেশ
সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি মাসে একটি ভাতা দিয়ে দিয়ে থাকে। আমার বাবা বহু বছর পর তার মুক্তিযুদ্ধের সময় লাল সার্টিফিকেট খুঁজে পায়। এরপর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)তে যাওয়া হলে নিবন্ধনের বিষয়ে জানতে চাইলে জানান হয় যে আগে মন্ত্রী থেকে সুপারিশ লাগবে। মন্ত্রীর থেকে সুপারিশ নিয়ে এসে কাগজ জমা দেওয়া হয় জামুকাতে। পরে সেখানের এক কর্মচারী ২ লক্ষ টাকা লাগবে বলে জানায় মুক্তিযুদ্ধ গেজেটে নাম প্রকাশের জন্য।
আমার জন্ম নিবন্ধন এর জন্য NID কার্ড এর Online Verified Copy এর প্রয়জন ছিল। নির্বাচন অফিসে গেলে পরে তারা বলে এই অপশন এখন আর চালু নেই অমুক দোকানে যান তারা দিতে পারে। সেই দোকানের সাথে তাদের WhatsApp এ যোগাযোগ থাকে। দোকানে গেলে তারা WhatsApp এ পাঠিয়ে দেয় এবং 100 টাকা রাখে।
মিরপুর বিআরটিএ হেল্প ডেস্ক এই প্রকাশ্যে এমন দালাল বসে থাকে যারা ১০ মিনিট এ ২-৩ টা রুমে গিয়েই যে কাজ করা যায় সেটার জন্য ২৫০০ টাকা দাবি করে বসে। আমি প্রথমে ভবি হয়তো অনেক কঠিন কাজ তাই তাকে ১০০০ টাকা বলি, সে ২৫০০ তেই অনড় থাকে। এরপর আমি নিজে অফিসে ঢুকে ৬-৭ টা রুমে খোঁজ করে ১ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ করে এসে পড়ি।
বি ডি এস জরিপ গোপালগঞ্জ ঘোষের চর এলাকায় এসে জরিপ কর্মকর্তারা পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছে। টাকা ছাড়া তারা কোনো কাজ করে দিচ্ছে না। এছাড়া এলাকার ভূমিদস্যু দের থেকে টাকা খেয়ে তারা একজনে জমি অন্যের নামি রেকর্ড এ তুলে দিচ্ছে। তারা যে নকশা প্রস্তুত করেছে সেখানেও এস এ / আর এস এসব পর্যালোচনা না করে তাদের ইচ্ছা মত ভূমিদস্যু দের সহায়তায় নকশা প্রস্তুত করছে।
আমার ওয়াইফ একজন এমপিওভক্তি স্কুলের শিক্ষিকা। তার এমপিওভক্তি করার সময় 10000 টাকা নেয়।এবং পরবর্তী দুই বছর পর বিএড স্কেলের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি তা পরিশোধ করি।
বউ বাচ্চার পাসপোর্ট করতে গিয়েছি, সব ধরনের কাগজপত্র থাকার পরেও তথ্য কেন্দ্র আমাদের ফাইল সত্যায়িত করেনি। ঘোষ দিয়ে আবেদন পত্রে বিশেষ এক সংকেত দিয়ে দেয় দালাল, এরপর কাজ হয়ে যায়।
আমার ঘড়ের টেক্স ইউনিয়ন পরিষদের হিসাবে ১৬০ টাকা, কিন্ত ইউনিয়ন পরিষদের চাকরিরত লোক বাসায় এসে ৮০০ টাকা নিয়ে যা প্রতিবছর,আমি আমার বউয়ের এন আইডি করতে গেলে টেক্সের রিসিট চায় উপজেলার নির্বাচন অফিস তখন ইউনিয়ন পরিষদে গেলে দেখা যায় ২ বছর জমা দেয়নি, অথচ আমি প্রতিবছর টাকা দিয়েছি,এখন যখন টেক্সের রিসিট আনতে গিয়েছি দেখি আমার ঘড়ের টেক্স ১৬০ টাকা, তখন দুই বছরের টাকা পরিশোধ করি ৩২০ টাকা, অতচ তারা এসে নেয় ৮০০ টাকা প্রতিবছর , এবছর একি তারা ৮০০ টাকা দাবি করে এবং আমার মা তা দিয়ে দেয় না বুঝে, সাতে আমি চাইলে আর ফেরত দেয়নি।
লাইসেন্স কার্ড এর জন্য আবেদন করার পড় সব ঠিক থাকার পড় আবার ফোন দিয়ে বিআরটিএ অফিস এ নিয়ে টাকা দাবি করে এবং এক হাজার টাকা দেওয়ার পর ও তারা কাজ করে দেয় নি
কাচা রাস্তা পাকা করতে হবে, সেই জন্য বাজেট পাস করতে এলাকাবাসী থেকে ৫০০০০ টাকা দিতে জানানো হয় স্থানীয় নেতাকর্মী মাধ্যমে, গ্রাম :বাংলাইশ, থানা মনহরগঞ্জ, জেলা কুমিল্লা ( কুমিল্লা ৯ আসন)। রাস্তার অবস্থান ( বালু মাঠ থেকে বাংলাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত)
সেনাবাহিনীর চাকুরী শেষে বাবার পেনশন পাওয়ার জন্য বাবাকে তাদের রেকর্ডস অফিসে ৭০০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া আমার বাবার যারা ব্যাচমেট ছিল। যারা আমার বাবার সাথে অবসর গ্রহন করেন, তাদের সবাই কে ৭০০০০-১২০০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছ।
কোম্পানির নামে জমি কিনছি ( খুব ছোট এগ্রো) করছি, এস মুলে খারিজ করছি। এখন বিস বের হয়েছে। আবার খারিজ করতে হবে। ব্যাংকের লোন আছে, ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে খারিজ না দিলে? সোনার বাংলা সোনার সন্তান জন্ম দিয়েছেন এই জন্য দারে দায়ে ঘুরছি আজকে ১৮ মাস যাবত। সরকার টাকা পাবেন খাজনা দিলে কিন্তু খারিজ না হলে খাজনা দেয়া সম্ভব না। সরকারের টাকা দরকার ঐ অফিসের লোকদের দরকার ঘুস, এবং এর জন্য সচিবালায় দায়ি । ওদের নিয়মের জন্য আজকে কম্পানি গুলো মরে যাচ্ছে।
শেয়ার হস্তান্তরকারীর রিসেগনেচার দেওয়ার পরও ফাইল অনলাইনে রেকর্ড করার জন্য টাকা চায়, এছাড়া বছরের পর বছর ফাইল পড়ে থাকে। অনলাইন রেকর্ড হয়না। এটার সাথে পুরো rjsc এর সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা জড়িত। নতুন কোম্পানি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ও তারা ঘুষ দাবী করে, আর দাবীকৃত ঘুষের পরিমাণ সর্বনিম্ন ২০০০ থেকে শুরু হয়। আর এসব ঘুষ সংক্রান্ত জটিলতার কারনে ব্যবসায়ীরা ব্যবসার প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে।