এটাকে উদ্ধার করতে হবে
প্রথমে বলি দিয়ে জায়গা দখল করে যারা উদ্ধারের জন্য ৫০০০০ টাকা দাবি করে না দিলে ক্ষতি করবে তার কারণে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমে বলি দিয়ে জায়গা দখল করে যারা উদ্ধারের জন্য ৫০০০০ টাকা দাবি করে না দিলে ক্ষতি করবে তার কারণে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি।আমার স্ত্রী কে বিদেশে আনার জন্য কাবিননামা অনলাইন এ আবেদন করার পর জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যায় ওখানে বলে রেজিস্টার এর খরচ না দিলে অনলাইন হবে না, তারা ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই।আর টাকা না দিলে কবে হবে বলতে পারে না।ভিসার মেয়াদ কম থাকায় আমি ঘুস দিতে বাধ্য হই।গতো জুলাই ২০২৬ এ ঐ দিন জেলা রেজিস্ট্রার এর লাস্ট কর্ম দিবস ছিলো।পরদিন উনি বদলি হয়ে যায়। ঐ দিন সকালে আমি টাকা দেওয়ার পর বিকালেই অনলাইন হয়ে যায়। ঘুষ মুক্ত দেশ চাই। সবার আগে বাংলাদেশ।
আমার সাথে পাসপোর্ট অফিসে যা ঘটলো, তা সত্যিই হতাশাজনক।আমি অনলাইনে পাসপোর্টের রিনিউয়ালের সব কাজ শেষ করে, ফাইল পুরোপুরি রেডি করে অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ফাইল শতভাগ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাউন্টার থেকে বলা হলো ফাইলে নাকি ভুল আছে এবং জমা নেওয়া যাবে না। এরপর তারা আমাকে একটা কাগজে একটি সংখ্যা (কোড) লিখে দিয়ে বললো, "নদীর পাড়ের যেকোনো ফটোকপির দোকানে যান, তারা ঠিক করে দেবে।"আমি সরল বিশ্বাসে ওই দোকানে গেলাম। তারা আমার ফাইলটা নিয়ে একটা প্রিন্ট বের করে দিলো। আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম ফটোকপির জন্য কত টাকা দিতে হবে, তখন দোকানদার যা বললো তা শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো! সে বললো— "ফটোকপির কোনো টাকা লাগবে না, আপনি আমাকে ৫,০০০ টাকা দেন। আপনাকে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, টাকাটা সরাসরি আনসার সদস্যের কাছে দিলেই বাকি সব কাজ হয়ে
বাইকের নাম্বার এর জন্য গভমেন্ট কে টাকা জমা দিছি, কাগজে সিল দেয়া ছিলো জুনে নুম্বার প্লেট দিব। কিন্তু জুনে দিতে পারেনাই গভমেন্ট এর বেরথতা ছিলো? গভমেন্ট থেকে আমাকে কোনো মেছেও দেয়া হয় নাই যে এই সমায় বারাতে হবে। ছারজেন আমাকে দরে বলে আপনি ডেট কেনো বারান নাই এখম মামলা নিতে হবে। পরে আমি তাকে বললাম, আমি আশলে জানতাম না যে এইতার ডেট বারাতে হয়। আমি বললাম আজ তো শনিবার আজকে BRTA বন্ধ আজকে তো ডেট বারাতে পারবো না। আমাকে একটা দিন সমায় দেন আমি ডেট বারিয়ে নিয়া আসব। সে আমার কোনো কথা না শুনে আমাকে মামলা দিবে ২০০০/- টাকার। পরে আমি বললাম স্যার আমাকে মামলা দিয়েন না। আপনি দেখেন আমার সব ঠিক আছে। উনি বলে মামলা নেন না হলে ১২০০ টাকা দেন। পরে আমার কাছে সব মিলে ৭০০/- টাকা ছিলো সেটা দিয়া আসলাম। আমি বাইক দিয়া সংসার চালাই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের ক্লার্ক ৮৬ জন সহকারী শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডের ফাইল রেডি করা এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা বাবদ এই টাকা দাবি করেন। আমরা এই টাকা পরিশোধ করি। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিধি সম্মত না হওয়া ফাইলটি না মঞ্জুর করেন।
নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে। ইউনিয়ন, উপজেলা অফিস, স্থানীয় পাতি নেতা সব মিলিয়ে ২০,০০০ টাকা।
আমার নামে পৃথক খতিয়ান খোলার জন্য সার্ভেয়ার আমার কাছে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা দাবি করা করেছিল । পরবর্তীতে সর্বশেষ আমাকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, টাকা নেওয়ার পরও আমার কাজটি করে দেওয়া হয়নি।
আমি এই শহরেই বাস করা একজন ডাক্তার। আমার কার এলপিজি করা ছিলো। বিআরটিএর যিনি ইন্সপেকশন করছিলেন তিনি, এক আনসার সদস্য এবং একজন স্টাফ বাইরের এক ফোটোকপির দোকানে আমাকে এক পেজ ফোটোকপি করতে পাঠায়। সেই দোকানে আমার কাছে অফিস খরচ দাবী করে, তারা বলে অফিস থেকেই তাদের কাছে এভাবে সবাইকে পাঠায়। আমি টাকা দিতে না চাইলে ইন্সপেক্টর সাহেব আমার কারের এক গাদা সমস্যা বের করে, যেমিন হর্ন একটা কম সোনা যাচ্ছে কেনো, গাড়ির উইন্ডশিল্ড পরিস্কার কম। এরকিম ইনেক। পরে ২৫০০ টাকা দিলাম, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো।এখানে যে গাড়ি নিয়ে যান, ১৫০০ টাকা ফিক্সড রেট ফিটনেসের জন্য। আর দিতে না চাইলে একের পর এক হয়রানি করে টাকার পরিমান বাড়াবে।
আমি স্টুডেন্ট আমি আমার কলেজের ঢাকা সিটি কলেজ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে পড়ালেখা করার উদ্দেশ্যে চলে যাচ্ছিলাম মূলত আমার ক্লাস ছিল এই মাঝখানে আমাকে পুলিশেরা ধরেছিল আমার ঐদিন পরীক্ষা ছিল পুলিশ মামাকে রিকোয়েস্ট করছিলাম আমার গাড়িটা ছেড়ে দিন নাহলে আমি লেট হয়ে যাব আমি পরীক্ষাটা দিতে পারবো না পরে পুলিশ মামা না আমাকে আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার গাড়িটাকে রেখে দিয়ে পরবর্তী আমার বড় ভাই টাকা দিয়ে পরে আমার গাড়িটাকে ফেরত আনায়।
মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম, কিন্তুু গিয়ে ঘুষ দিতে হবে, ১০০০ টাকা না দিলে হবে না,,,, চলে এসেছি নিবন্ধন করাই নি এখনো,,
Ora bahir thake dalaer madhome taka nai.computer dokaner madhome
কাস্টমস এ প্রতিটি ডকুমেন্ট অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সহকারী রেভিনিউ অফিসার, রেভিনিউ অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোনো ডকুমেন্ট এর কাজকরা যায় না। এই টাকার ভাগ বিভিন্ন দফতরে বন্টন ও হয়। কোনো ডকুমেন্ট রেভিনিউ অফিসারের উপরে গেলে সেখানে টাকার পরিমাণ আরো বেশি। এমন ও অফিসার আছে, যারা দিনে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে বাসায় ফেরেন। বহুবার লোকদেখানো অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এই ঘুষের রাজত্ব বন্ধ করার জন্য কেউ আগ্রহী না। সর্বোপরি, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস হচ্ছে দুধ দেওয়া গাভীর মতো। এখানো পোস্টিং নিতে বহু অর্থের লেনদেন হয় উপর মহলে।
নামজারি করিয়ে দিবে বলে টাকা নিয়ে প্রায় ৭ মাস ঘুরিয়ে ছিল পিয়ন। কাটগড়, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম এই এলাকায় ভূমি অফিস। এইখানে মানুষের কাছ হতে বিভিন্ন কাজে যেমন নামজারি, দাখিলা ইত্যাদি কাজের জন্য ঘুষ চাওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি ২৩০ টাকা কিন্তু তারা ১০০০ টাকা নেয়, নবায়ন করার সময় এই ১ হাজার দিতে হয়।
আমি প্রত্যাখ্যান করেছি , তাই আমার কাজ বাতিল করে দিছে
প্রতিটি ভূমি অফিসে অতিরিক্ত ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা ছাড়া মিউটিশন করা হয় না। আপনি টাকা না দিলে আপনার কাজ সরকার নির্ধারিত খরচ অনুযায়ী হবে না। এইটা আমাদের সারা দেশের চিত্র।
মাল ছাড়াতে টাকা চেয়েছে
Bollo nam vol ace kinto chilo nasob thik chilo Taka dawat por kaj hoichilo
চাকুরী ভেরিফিকেশনের জন্য দুইজনের জন্য মোট ১২ হাজার টাকা দাবি করে নইলে ভুলভাল ভেরিফিকেশন পাঠিয়ে দিবে, একপ্রকার চাপ প্রয়োগ করে ৯০০০ টাকা নিয়ে যায়। এস আই শেরপুর সদর থানা তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ভেরিফিকেশন।
আমি আমার পওিক৷ সম্পওি খারিজ করতে গেলে এই টাকা দাবি করে কিন্তু আমি অসম্মত থাকায় আমার ঐ খারিজ হয় নি৷