সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৭,৭৪৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০.০ হাজার

20000

পল্লী বিদ্যুৎ এর কাম্বার জন্য বিশ হাজার টাকা দিয়েছিলাম গত চার বছর উপরে হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের কারেন্টের কাম্বাও দেয় নাই কিন্তু কালি তারিখ আর তারিখ করছে এখন পর্যন্ত আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা থানায় অভিযোগ করিনি কিন্তূ কোন বিচার পায়নি

সুনামগঞ্জ, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১০.০ হাজার

দলিল করা

জমির দলিল করা। দলিল লেখক ভুমি অফিসের দালালী করে।দলিল করা এবং দলিলের ভুল সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা দাবি।

উপজেলা নাজিরপুর, বরিশাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

নাম জারি

নামজারির জন্য বিশ হাজার টাকা দাবি করেছে অনেক ঘোরাঘুরির পর যে কাগজ সংগ্রহ করতে বলে সব কাগজেই ভুল ধরে কাগজ ক্লিয়ার না খারিজ করে দেওয়া হয়েছে এরকমের খুব একটা খারাপ অবস্থা ছিলাম অনেক হরণের ভিতর ছিলাম টাকা পরিশোধ না করলে দেখি যে কাজটা রাগ আচ্ছি না তারপর বিশ হাজার টাকা দিয়ে সে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।

পিরিজপুর ভান্ডারিয়া, বরিশাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.৫০ লাখ

বিভিন্ন কাজের জন্য টাকা নিয়ে থাকে বিভিন্ন অনিয়ম করে সালিশ বাণিজ্য করে বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করে।

আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছিল নিয়ে আবার জমি ফেরত দেওয়ার জন্য টাকা ঘুষ নিয়েছে। গাইবান্ধা জেলার শাখাটা থানায় চন্দন পাট গ্রামের রেলগেটের 9একর জমি রেলের জমি খাস করে পরবর্তীতে সেটাকে আবার এক নম্বর খাস বানিয়ে নিয়েছে , বিচারপতির মাধ্যমে মামা বিচারপতি ছিল। একই ব্যক্তি গাইবান্ধা কোর্টের পেশকার ,জজ কোর্টে বিভিন্ন প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ খায় প্রত্যেকটা সেবা গ্রহনকারী নিকট হতে,থেকে।

গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্ট, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন

আমাকে পুলিশ অফিসার ফোন দিয়ে বললেন সব ডকুমেন্ট নিয়ে থানায় আসেন আমি সমস্ত প্রমাণাদি নিয়ে থানায় গেলাম। আমার বর্তমান ঠিকানা যে থানায় আমরা সেখানে ভাড়া থাকি ১৭ বছর যাবত। একই থানায় আমাদের স্থায়ী ঠিকানা। উনি বলতেছেন দুইটাই একই হইতে হইবে নইলে হবে না। আমার পূর্বের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বর্তমান ঠিকানাতে ইস্যু করা। পরবর্তীতে উনি একটা রিপোর্টে লিখে বলে এখন ভাই ব্রাদার হিসেবে যা করবেন করেন। পুরাটা আমার রিস্ক এ দিচ্ছি। পরে ৫০০ টাকা দিতে হইছে। এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বর্তমান ঠিকানা তেই ইস্যু হইছে।

ফরিদপুর, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳১৫.০০ লাখ

নথি অনুমোদন না দেওয়া

আমার জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিস, এসি৷ ল্যান্ড অফিস, টি এন ও অফিসে প্রতিবেদন সহ অনুমোদন জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয় ২০২৩ সালে প্রেরণ করলে আজ পযর্ন্ত অনুমোদন না করে বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। এ জন্য বিভিন্ন সময় জেলাপ্রশাসক কার্যালয় তদবির করেও কাজ হয় না ।

খুলনা, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳২.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে সবার কাছে বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে বলা হচ্ছে সাইনবোর্ডের টাকা বা বিজ্ঞপ্তির টাকা অথচ সেটা প্রতিবছর দিয়েই যাচ্ছি সবাই। এখন সাইনবোর্ড বাবদ অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হচ্ছে এবং সিটি কর্পোরেশনের কক্ষেই সহকারি সে টাকা নিয়ে নিচ্ছে বলা হচ্ছে ব্যাংকের জমা দিয়ে দিবে আমাদের পক্ষ হয়ে। একইভাবে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে অনেক ঝামেলা হচ্ছে এবং এই ঝামেলা সবাই পোহাচ্ছে।

Cumilla, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳২১.০ হাজার

কিনা জমি খারিজ

আমি একটা জমি কিনেছি সেই জমি খারিজ করার জন্য কারো শত্রু জমা দেয়ার পরে বলে এই জমি খারিজ হবে না যদি ২১ হাজার টাকা দাও তাহলে হবে তা না হলে হবে না এখন পর্যন্ত আমার জমিটা খারিজ করতে পারিনি

টাঙ্গাইল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০.০ হাজার

থানায় জিডি করা

এলাকায় বিএনপি নেতা, আমার পরিবারের লোকজন কে অন্যায় ভাবে অনেক মারে। তারপরে অনেক হুমকি দেয়। তারপর আমারা থানায় মামলা নিতে গেলে, তদন্তে যায়। গিয়ে শাক্ষি সহ প্রমান পায়। পরে আমাদের কাছে টাকা নিয়ে পুলিশ চলে আসে। বলে থানায় আইসেন। পরে থানায় গেলে। বলে কোন মামলা নেওয়া হবে না।চলে যান। তখন আমরা বলি যে আমরা মামলা করবোই। তখন বলে টাকা লাগবে বিশ হাজার। কিন্তু সেটা সম্ভব ছিলোনা। পরে মুখ বুজে চলে আসতে হয়েছে। পরে এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান নাম মাএ শলিস ডেকে মিলিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে আবার সেই নেতার পরিবার হুমকি দেয়।আগের মাইরের কথা মনে রাতে বলে। দরকার পরলে আবার মারবে। কিন্তু পুলিশ যদি চাইতো এটাকে একটা সহজ সমাধান করেনদিতে পারতো।

গৌরনদী, বরিশাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২.০ হাজার

খাজনা উত্তোলন

শহরের কোতোয়ালী নিউমার্কেট এলাকায় আমাদের একটি জায়গা বিক্রির জন্য খাজনা উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম।সেখানে প্রথমে ২/৩ শ টাকা দিয়ে চেক করতে হয়েছে।তারপর খাজনাসহ ৮ হাজার টাকার মতো পে করি,অথচ খাজনার সরকারি ফি আসছিলো ৬ হাজার সামান্য। বাকি টাকা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য দিতে বলে না হলে খাজনা দিবে না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়ে দিই।

কোতোয়ী সদর থানা ভূমি অফিস, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

ভূমি অফিস

আমার বাবা আমাদের ভাই-বোনের নামে জমি দলীল করে লিখে দিয়েছে,সেই জমি আমাদের ভাই-বোনের নামে নামজারি করতে গেলে জায়গার পরিমাণ বেশি এ কথা বলে ১লাখ টাকা চায় যদি দেয়া হয় তাহলে নামজারি করে দিতে পারবে অন্যথায় নয়। আমাদের জমির কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন ঝামেলা নেই কিন্তু মাঝখান দিয়ে জমির পরিমাণ বেশি দেখে এই টাকা দাবি করে বসে আছে।

গাজীপুর গাছা ভূমি অফিস, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৭.০ হাজার

ভূমি খারিজ

আমি খারিজ করার জন্য সম্পূর্ণ কাগজ পাতি জমা দেই এক মাস হয়ে যায় আমার জমি খারিজ হয় না ভূমি অফিসে গেলে বলে ৭ হাজার টাকা লাগবে এরপর আমি 7000 টাকা দেওয়ার পরে চার দিনের মধ্যে আমার খারিজ হয়ে যায়

টাঙ্গাইল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.৩০ লাখ

ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধন

আরজেএসসিতে ফাউন্ডেশন/সোসাইটি নিবন্ধনে হয়রানি বন্ধে ১০ দফা দাবি আরজেএসসিতে একটি ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি নিবন্ধনের সরকারি ফি মাত্র ২১,৭০০ টাকা। অথচ অনেক আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখন NSI রিপোর্টও বাধ্যতামূলক নয়, তবুও দালাল ও ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম বন্ধে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের দাবি শতভাগ অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সরকারি ফি ও সব চার্জ ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য অনলাইন ট্র্যাকিং নম্বর দিতে হবে। ফাইল কোন কর্মকর্তার কাছে এবং কতদিন আছে—তা অনলাইনে দেখা যাবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। সব সরকারি ফি ডিজিটাল পেমেন্টে গ্রহণ করে ই-রসিদ দিতে হ

আরজেএসসি অফিস, টিএসসি ভবন, কাওরান বাজার, ঢাকা।, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১২.০ হাজার

পাসপোর্ট তৈরি

কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাসপোর্ট তৈরি করা এক বিশ্বযুদ্ধ জয় করার সমান। পাসপোর্ট অফিসের লোকজন ১ থেকে ২ লক্ষ টাকার চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয় বেআইননি ভাবে। আর স্থানীয় লোকজন পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়রানি করে। স্থানীয় লোকদের পাসপোর্ট তৈরিতে ৪ ধরনের অতিরিক্ত কাগজ লাগ, যার মধ্যে আছে- পাসপোর্ট সুপারিশপত্র, বিদেশি নাগরিক নয় এই মর্মে প্রত্যয়ন, রোহিঙ্গা নয় মর্মে প্রত্যয়ন, নাগরিক সনদ। এসব নিতে গেলে আবার ইউনিয়ন/পৌরসভায় দরবেশ বাবাকে খুশি করা লাগে টাকার বিনিময়ে। এরপর আসে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন নামের অত্যাচার (যদিও অন্যান্ন জেলায় এটা বন্ধ এখন)।

COX'S BAZAR, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১০.০ হাজার

গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন

পুরাতন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে না। ১০ হাজার টাকা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করছি। কেউ কোটিপতি হতে চাইলে বি আর টি এ অফিসের পিওন হলেও চলবে

গাইবান্ধা, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১.৯ হাজার

স্যারের চা নাস্তা বাবদ প্রত্যেকে ৫০০+৮০০+৬০০ টাকা দিবেন,অথবা এক মাস পরে আসবেন

ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোর্স শেষ করে এই সরকারি অফিসে যেতে হয় সার্টিফিকেট তুলতে, এখানে সাধারণত ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট,নার্স এদেরকে নানাভাবে হ্যানস্তা করা হয়। প্রভিশনাল সার্টিফিকেট উঠাতে সকাল ১০ টা থেকে এখানে অপেক্ষা করা হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্জন্ত বসে থাকার পর, উপস্থিত দপ্তরি আমাকে বলে যে স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু দিলেই সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যাবেন। অতঃপর ৫০০ টাকার চা নাস্তা খরচ দেবার পর প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায় আমি। উলেক্ষ্য উনি প্রথমে ৭০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তু দরদাম বার্গেনিং করে তবেই সেটা ৫০০ টাকায় নেমে আসে। ঘটনা ০২) ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি উঠানোর জন্য সকল কাগজপত্র নিয়ে পুনরায় এই অফিসে যাওয়া লাগলো, একই স্টাফ একই অফিসার, একই ঘটনা, সকাল ১০ টা থেকে বসে বসে অপেক্ষা করার পর বিকাল ৪ টা বাজলে দপ্তরি এসে বললেন, স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু খাওয়ালেই উনি সার্টিফিকেট দিয়ে দেবেন। এবার চার নাস্তা বাবদ ৮০০ টাকা দেয়া লাগলো। এদিন আমি ওই অফিসে ঝুলিয়ে রাখা দুর্নিতি দমন কমিশনের রিপোর্ট বক্স দেখেছিলাম, সেখানে খাটি বাংলা ভাষায় স্টাফ ও অফিসারের নাম সহকারে এই চা নাস্তা খাবার কাহিনি লিখে রিপোর্ট জমা করেছিলাম। মনে হয়না কাজ হয়েছিল। ঘটনা ০৩) ২০২৩ সালের জুলাই মাস, পুনরায় এই স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অফিসে যেতে হয়, একই স্টাফ একই অফিসার। এবার কাজ ছিল ট্রান্সক্রিপ নিয়ে। বরাবরের মত বহু অপেক্ষা শেষে এবারো বিকাল ৪ টায় চা নাস্তা বাবদ ভদ্রলোক অফিসার কে ৬০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এদিন আমি উনাকে খুব অপমান জনক কথা শুনিয়েছিলাম, অথচ লোকটা কি বিশ্রিভাবে হেসেই চলেছিল। এই ফ্রাস্ট্রেশন লিখে বুঝানো যাবেনা। এই দিনো আমি রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট লিখে জমা দিয়েছিলাম। পরিশেষে, আমার এই ঘটনা আরো অনেক ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ও নার্সদের সাথে প্রতিদিন ঘটেই চলেছে। "চা নাস্তা বাবদ কিছু খরচ দিলেই হবে" এই ভাবে প্রতিদিন উক্ত অফিসের স্টাফ থেকে শুরু করে অফিসার সকলেই হাজার লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে। ব্যাপারটা এরকম যে যদি ৭ জন একসাথে যায় সার্টিফিকেট উঠাতে, তো বিকাল ৪ টা বাজলে প্রত্যেকে কাছ থেকে "চা নাস্তা" বাবদ ৫০০-১০০০ টাকার ঘুষ আদায় করে তবেই সার্টিফিকেট ছাড়া হয়। আরেকটা উপায় হল যদি কেউ ঘুষ দিতে না চায় তো ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর সেই অফিসে গেলে তখন উক্ত কাগজ পাওয়া যায়। এখন এইটা কি কোনো যুক্তিসংগত সলুশন হল? আমি জানি এই সাইটে আমার এই রিপোর্ট পাব্লিশ হবার পরেও কোনো সমাধান হবেনা। এত দিন পর্জন্ত যখন সামাধান হয়নি এবারো হবেনা। আমি রিপোর্ট করলাম, নিজের মনকে শান্ত করতে যে এট লিস্ট এই অভাগার দেশে এরকম ডিজিটাল মাধ্যমে রিপোর্ট করার সিস্টেম রয়েছে। এবং অন্যারের বিরুদ্ধে জীবিত অবস্থায় রিপোর্ট করেছিলাম। এটাই মনের শান্তনা।

পল্টন, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে আদালত ও বিচার বিভাগ ৳৫০.০ হাজার

সার্চ ওয়ারেন্ট এর জন্য প্রেস্কার ঘুষ চেয়েছে

আমার একটা গাড়ি রানিং এক নেতা জোরপূর্বক তার বারিতে আটকায় রেখেছে। আমার কাগজ পাতি সব আছে। আমি স্থানীয় সকল নেতাদের কাছে ঘুরেছি সমাধানের জন্য। যে গাড়ি আটকায় রেখেছে সে তাদের লোক তাই কেউ সমাধানের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি। আমি থানায় অভিযোগ করতে গিয়েছিলাম থানায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয় নাই। পরে আমি গাড়িটা উদ্ধারের জন্য কোর্টে সার্চ ওয়ারেন্ট আবেদন করি। কোট থানাকে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলে। থানা থেকে কোটে তদন্ত রিপোর্ট প্রেরণ করা হয় তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরও কোট সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু করে না পরে আমরা পেশকারের কাছে গেলে পেশকার আমার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি তার কাছে অনুরোধ করি আমার কাছে এত টাকা নাই পরে সে আমাকে ভয় দেখায় যে আপনি টাকা না দিলে সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু হবে না লম্বালম্বা ডেট ফেলায় দেব ততদিনে গাড়ি জং ধরে নষ্ট হয়ে যাবে। তোরে আমি খুব কষ্ট করে ১৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হই কিন্তু তারপরেও সে মানেনি পরে সে আমার কাছ থেকে লাস্ট ২৫ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু এই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নাই আমার যে গাড়িটা আটকায় রেখেছে এই গাড়িটার উপর আমার পরিবারের রুজি রুটি চলে এখন আমি নিরুপায়। টাকাও ম্যানেজ করতে পারছি না আর উনি ঘুষ ছাড়া কাজও করে দেবে না। আমি সত্য তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছিলাম যা ঘটেছে তাই। সত্যি রিপোর্টটা তার জন্য আমাদেরকে টাকা দিতে হয়েছে পুলিশের এস আই এর কাছে। তারা প্রমাণ ছাড়া ঘুষ খায় প্রমাণ নাই আমার কাছে কিন্তু টাকা আমি দিয়েছি। এখন পর্যন্ত আমি খুব কষ্টে দিন পার করছি শেষ আশ্রয়স্থল ছিল মহামান্য আদালত। সেখানেও আমি সমাধান পাচ্ছিনা এদেশে কোন আইন কানুন নাই ক্ষমতা যার আইন তার। একটা কথা ভুলে গেলাম যারা আমার গাড়িটা জোরপূর্বক আটকে রেখেছে তারাও চাঁদা দাবি উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে যেটার সমাধান তাদের কোন নেতার করে দিতে পারে নাই গঞ্জের কোন নেতা করে দিতে পারে নাই। এখন আল্লাহর কাছে বিচার চাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আহা বাংলাদেশ।

রংপুর (অন্যান্য), রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.২ হাজার

1 hazar liter wasa truck service

আমাদের Natun বাজার ,vatara এলাকায় আগস্ট ২০২৬ মাসে প্রায় ১৫ দিন ধরে নিয়মিত পানি সরবরাহ ছিল না। পানি সরবরাহের জন্য আমরা একাধিকবার WASA-এর কল সেন্টারে ফোন করে অভিযোগ ও সিরিয়াল প্রদান করেছি। কিন্তু প্রতিবার সিরিয়াল নেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অনেক সময় অভিযোগ করার পর প্রায় ৩ দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের সাড়া বা সমাধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে পানির তীব্র সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে WASA-এর ১,০০০ লিটারের পানির ট্রাকের মাধ্যমে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। সাধারণত যে পানির মূল্য প্রায় ৩০০ টাকা হওয়ার কথা, সেই পানির জন্য আমাদের কাছ থেকে ১,২০০ টাকা দাবি করা হয়। পানির জরুরি প্রয়োজনের কারণে বাধ্য হয়ে ১,২০০ টাকা পরিশোধ করে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে।

Natun bazar wasa office,dhaka, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য