থানায় অভিযোগ দায়ের প্রসঙ্গে
তদন্ত অফিসার বাড়িতে এসে ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে যায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তদন্ত অফিসার বাড়িতে এসে ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে যায়
আমার মা এর জাতীয় পরিচয় পত্র জন্মসন ভুল ছিল প্রথম থেকেই। যেই সকল প্রমাণ চেয়েছে সকল দাপ্তরিক কাগজ (জন্ম সনদ, স্কুল সার্টিফিকেট, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট সহ আরো অনেক গুলো ডকুমেন্ট) দেয়ার পরও আমাদের এপ্লিকেশন সমাধান না করেই এপ্লিকেশন বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তী আমরা নির্বাচন কমিশনে যোগাযোগ করলে বলা হয় পর্যাপ্ত কাগজ জমা দেয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশন অফিসে গেলে আন-অফিসিয়ালি জানানো হয় প্রতি বছর বয়স বাড়ানোর জন্যে ১০০০০/- টাকা করে মোট ৮০০০০/- যেহেতু আমার মায়ের বয়স ৮ বছর বাড়াতে হবে। পরিচয় পত্র যেহেতু সংশোধন করতে পারছিনা সেহেতু পাসপোর্ট ও বানাতে পারছিনা এবং আমার মায়ের হজ্জ করার স্বপ্ন মনে হয় স্বপ্ন থেকে যাবে।
২০২৪ সালে আমার স্মার্টফোনটি চুরি হয়ে যায়। তখন দৌলতপুর মডেল থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করতে যাই। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা খরচ চায়। আমি তখন জানতাম না যে জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। আমি টাকা পরিশোধ করে দেই। উনারা কোন আপডেট আমাকে জানায়নি। আমি কয়েকবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়েছি ফোনটি পাওয়া গিয়েছে কিনা।
এককালীন পেনশন উত্তোলনের সময় এবং এবং প্রতি মাসের ভাতা পাওয়ার জন্য ওরা তিন লক্ষ টাকা দাবি করে এবং বাধ্য হয়ে টাকার প্রয়োজন থাকায় ওই টাকা থেকে পরিশোধ করে ১০ লক্ষ টাকা তুলতে হয়েছে। তারা এই টাকা তিনজনে ভাগ করে নিয়েছে এবং আলাদা চেক লিখে দিতে হয়েছে ওই চেক দিয়ে তারা গিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছে।
ভোলার চরফ্যাশন থানার একজন পুলিশ আমার কাছ থেকে পাসপোর্ট ভেরিফিকিশন এর জন্য ২০০০ টাকা চেয়েছিলো আমি তাকে দিতে না করা সে আমার ভুল রিপোর্ট জমা দিয়েছে যার কারনে আমাকে আবারো পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয় এবং পরবর্তীতে আবারো আমার ভেরিফিকেশন আসে এবার সে আমার সাথে ধানাই পানাই করে এবং ৪০০০ টাকা দাবি করে তখন আমি বাধ্য হয়ে তাকে টাকা দেই।
২০২৩ সালের মার্চ মাসে যখন আমি পাসপোর্ট করাতে যাই তখন আমার সব কিছুই ঠিক ছিল কিন্তু তারা আমার ইমারজেন্সি পাসপোর্ট দিতে অস্বীকৃত করল। এভাবেই ৩ দিন চলল। আমি আমার পাসপোর্ট হাতে পেলাম না। তখন পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত গার্ড কে আমি বিষয় টা বলি তিনি বলেছেন ১ ঘণ্টার ভিতরে আমার পাসপোর্ট দিয়ে দিবেন তবে তাকে কিছু নাস্তার টাকা দিতে হবে। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা তখন তিনি ৫০০০ টাকার কথা বলেন। পরে আমি তাকে আরও ভালো ভাবে বুজিয়ে বলি তারপর তিনি ৪০০০ হাজার টাকা নিতে রাজি হন। ঠিক টাকা দেওয়ার সাথে সাথে ৩০ মিনিট এর মাথায় তিনি আমার পাসপোর্ট এর সম্পূর্ণ বিষয় টি সমাধান করে দেন.
পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছিলাম, বায়োমেট্রিক এর ডেট পড়েছে দুই মাস পরে। আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে দরবেশ বাবারা বসে থাকে। তারা বলল তাদেরকে মোট ১০৫০০ টাকা দিলে ২ ঘণ্টার মধ্যে বায়োমেট্রিক কমপ্লিট করে দিবে। তারপর দরবেশ বাবা টাকা দিলাম আসলেই দুই ঘণ্টার মধ্যে কাজ হয়ে গেছে। পাসপোর্ট ডেলিভারির দিন, ভিতরে বিশাল বড় লাইন ছিল কিন্তু সেখানে আনসাররা ঘুষ খায়। একটা আনসারকে ৫০০ টাকা দিলাম সেই লাইন ছাড়াই নিজেই সবকিছু কমপ্লিট করে নিয়ে এসেছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ রয়েছে। আমাদের ফ্ল্যাটগুলোর নামজারি এখনও সম্পন্ন হয়নি। এর মধ্যেই হোল্ডিং ট্যাক্স দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রযোজ্য সরকারি হারের তুলনায় বেশি ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ট্যাক্সের পরিমাণ কমানোর জন্য প্রতিটি ফ্ল্যাট মালিকের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নে নাগরিক সনদ পত্র অনলাইনে আবেদন করা এবং সরকার কতৃক নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরেও ইউনিয়ন পরিষদে অতিরিক্ত টাকা আদার করে। টাকার পরিমাণ হয়তো কম -১০০ টাকা করে ২ টির জন্য ২০০ টাকা। কিন্তু এটা অন্যায়। এমন ধরনের যত সনদ আছে যেমন পারিবারিক, ওয়ারিশ, মৃত্যু, চারিত্রিক সনদ সকল ধরনের সনদের অনলাইনের ফি এর পরেও অতিরিক্ত টাকা আদায় করে।
টাকা না দিলে সার্ভার সমস্যা, ৩ মাসেও কাজ না হওয়া, টাকা দিলে ১০ মিনিটে কাজ হওয়া। একজনকে ২ টা জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া তারিখ, মাস পরিবর্তন করে ২ টা অন্যদিকে পাবলিককে ৩ মাসেও কাজ না দেওয়া। কাজ করায়ে গেলে সার্ভার অফ বলে ফেরত পাঠানো
ফাইল 2 বার বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। 20 হাজার টাকা দিলে কাজ হবে। তখন 20 হাজার টাকা দিয়ে কাজ করি
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতার ২বছর পূর্ণ হওয়ায় চাকুরী স্থায়ী করণের জন্য ৫০০০০ হাজার জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসারের জন্য ও উপজেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসারের জন্য ৪০০০০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওনাদের দাবী ছিল জনপতি ৩০০০ করে ৫০ জনে ১৫০০০০ টাকা। আমরা ৫০ জনে ৯০০০০ টাকা পরিশোধের বিনিময়ে চাকুরী স্থায়ীকরন করা হয়।
Amar Garir Registration paper e Engine Chesis number updated silo na, traffic sergeant 1500 taka chailo, tahole case korbena.
একটি সরকারি চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা দিতে বাধ্য করেছিল দায়িত্বরত এসবি সদস্য। নিরুপায় হয়ে দিয়েছি৷ তাও হাজার খানেক। আমার সাথে অন্যরা ৫০০০ পর্যন্ত দিতে বাধ্য হয়েছে।
Amader Barir Meter e Bill Besi asto, Tai meter change er jonno Electricity office e application kori. Kintu tara ata onumudon na diye besh koyek mas jhuliye rakhe. Tader shate jugajug korle somoy lagbe bole gurai. Ses e dalal er maddome ghush diye Notun meter connect korate hoyeche.
আমি নতুন ভোটারের জন্য আবেদন করেছি, আমার ফাইল টা অনেক দিন থেকে পেন্ডিং ছিলো পরে যোগাযোগ করলে ইনড্রেক্টলি আমার কাছে টাকা দাবী করে, পরে আমি দিতে বাধ্য হই ।
ও এম এসের প্রতিটি ডিও ৩ টন চাল ৩ টন আটা এ আরওকে ৪০০০/দিতে হয়। আর তদারকি কর্মকর্তা কে ২০০০/ দিতে হয়। যদি না দেয়া হয় তবে তদারকির সময় মিথ্যা অজুহাতে সমস্যা তৈরি করবে।
বদলি LPC নিতে ২০০০ টাকা দাবি করে ক্যাশ সরকার। জুনে বেতন করানো জন্য ২৫০০ টাকা নিয়েছে। এখন আবার ২০০০ টাকা চাই
১৫০ ধারা ভাঙার জন্য রায় পেয়েছিলাম, কিন্তু একজন অফিসার সেটা প্রায় ২ বছরেও রেকর্ড ভাঙার জন্য সাব অফিসে পাঠায় নাই। আমরা যাবো তাই অপেক্ষা করতে ছিলো,অবশেষে আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার বানাড়ী পাড়া ভূমি অফিসে গেলাম,রায়ের আদেশ কেন সাব অফিস চাখার গেল না জানতে চাইলাম, তিনি জানাতেই চারদিন আমাদের ঘুরালেন,তারপর তালাশির নামে টাকা নিলেন,তারপর রায়ের কপি দিতে টাকা চেয়ে নিলেন,কম হওয়াতে পুনরায় চাপদিয়ে টাকা নিলেন,তারপর ফটোকপি আর খাতায় লিখতে অফিস খরচ নিলেন,অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে রায়ের কপি হাতে পেলাম,রায়ের কপি নিয়ে গেলাম চাখার সাব অফিসে, অফিসারের সাথে কথা বললাম রায় ভেঙে লেখার জন্য কিন্তু কিছুতেই তিনি কাজটি টাকা ছাড়া করবেন না,অবশেষে তার নিম্নপর্যায়ের সহকারী কে ঘুষের পুরা টাকা দিয়েই রায় ভাঙতে হলো, মোট ঘুষ- প্রায় ৫০ হাজার
দালালের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল৷ দালাল অফিসারের চেয়ারে বসে আমার সকল কাজ করেছে৷ অফিসার পাশে বসে নাস্তা করেছে